ছহিবু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, আস সাফফাহ, আল জাব্বারিউল আউওয়াল, আল ক্বউইউল আউওয়াল, হাবীবুল্লাহ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মাওলানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা
সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র ওয়াজ শরীফ
দুনিয়াদার ধর্মব্যবসায়ী উলামায়ে-‘সূ’দের হাক্বীকত সম্পর্কে (১৫)
, ১৯ রবীউল আউওয়াল শরীফ, ১৪৪৬ হিজরী সন, ২৬ রবি , ১৩৯২ শামসী সন , ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৪ খ্রি:, ০৮ আশ্বিন, ১৪৩১ ফসলী সন, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) পবিত্র দ্বীন শিক্ষা
এখন যারা উলামায়ে হক্কানী রব্বানী উনারাতো নছীহত করবেন।
আর উলামায়ে ‘সূ’ মানুষকে গোমরাহ করে থাকে। এরা নিজেরা কাফির হয়ে থাকে, মানুষকে কাফির বানিয়ে থাকে। নিজেরা জাহান্নামী হয়, মানুষদেরকে জাহান্নামী করে।
এখন সেই আবুল ফজল, ফৈজী, মোল্লা মুবারক নাগরী তারা নিজেরা যেমন কাফির হয়েছিলো তদ্রƒপ শাসক আকবরকে ও তার দলবলকে কুফরীর দিকে তারা ধাবিত করেছিলো।
আর সেটাই মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, মুসলমান হোক আর কাফির হোক যারা কুফরী করে মরেছে তারাতো কোনদিন নাজাত পাবে না। আর যে সমস্ত মুসলমান কুফরী করেনি, ঈমান ছিলো কিন্তু তারা বিভ্রান্তিতে ছিলো, হারাম কাজ করেছে আর মরেছে। তারা জাহান্নামী হবে।
এরা সকলেই কিন্তু মৃত্যুর পরে উলামায়ে ‘সূ’দের বিরুদ্ধে মহান আল্লাহ পাক উনার সমীপে নালিশ করবে। কিন্তু সেই নালিশটা শোনা হবে; তবে এর বদলা কিন্তু তাদেরকেও ভোগ করতে হবে। এর দ্বারা তারা কোন ফায়দা লাভ করতে পারবে না। কারণ ঐ উলামায়ে ‘সূ’রাও জাহান্নামে যাবে, গোমরাহ শাসক তারাও জাহান্নামে যাবে, আর যারা নালিশ করবে তারাও জাহান্নামী হবে। নাঊযুবিল্লাহ!
কাজেই সময় থাকতে প্রত্যেককেই এই সমস্ত উলামায়ে ‘সূ’দের থেকে সাবধান থাকতে হবে।
এইজন্য কিতাবে বলা হয়, প্রথম উলামায়ে ‘সূ’ কে? ইবলীস। প্রথম উলামায়ে ‘সূ’ হলো ইবলীস। ইবলীস জিন জাতির মধ্য থেকে, সে জিন জাতির অন্তর্ভুক্ত।
মহান আল্লাহ পাক তিনি যখন এই জিন ক্বওমকে পাঠালেন এর আগে আরো কয়েকটা ক্বওমকে পাঠিয়েছিলেন জান, বান, তানু এ রকম আরো অনেক নাম ছিলো। যাদেরকে মহান আল্লাহ পাক তিনি কুফরী, শিরিকী, হারাম কাজ করার কারণে মিটিয়ে দিয়েছিলেন।
এরপর জিনদেরকে পাঠালেন। তারা যখন হারাম কাজ শুরু করলো, মহান আল্লাহ পাক তিনি হযরত ফেরেশতা আলাইহিমুস সালাম উনাদেরকে পাঠালেন, হে হযরত ফেরেশতা আলাইহিমুস সালাম! আপনারা যমীনে যান, যমীনে গিয়ে আপনারা এই জিন সম্প্রদায়কে, যারা হারাম কাজে মশগুল রয়েছে তাদেরকে মিটিয়ে দিন, নিশ্চিহ্ন করে দিন।
মহান আল্লাহ পাক উনার অসংখ্য, লক্ষ কোটি হযরত ফেরেশতা আলাইহিমুস সালাম উনারা যমীনে আসলেন, এসে যেখানে যেই জিনকে পাওয়া গেলো, তাদেরকে নিশ্চিহ্ন করে দেয়া হলো, হত্যা করে ফেলা হলো । কিছু জিন পালিয়ে গেলো ঝোপ-ঝাড়, জঙ্গলে, বনে, পাহাড়-পর্বতে, সমুদ্রে, নদী-নালা, পানির তলে। যমীনে যাদের পাওয়া গেলো, তাদের হত্যা করা হলো।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
সুলতান আব্দুল হামিদ রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার ইলদিজ প্রাসাদে ইফতার আয়োজনের স্মৃতিকথা
১৯ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
যাকাত সম্পর্কিত আহকাম, মাসায়িল ও ফাযায়িল (১৬)
১৯ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
ছবি তোলা হারাম, যা জাহান্নামী হওয়ার কারণ
১৯ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র ওয়াজ শরীফ
১৯ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
১৯ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম ও সাইয়্যিদুনা হযরত খলীফাতুল উমাম আলাইহিস সালাম উনাদের অনবদ্য তাজদীদ মুবারক-
১৯ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
মুসলমানদের হাঁচি সম্পর্কে জানা প্রয়োজন
১৮ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
পর্দা সর্বপ্রকার বিপদ-আপদ থেকে হিফাজত হওয়ার মাধ্যম
১৮ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র ওয়াজ শরীফ
১৮ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র সুন্নাহ শরীফ উনাদের দৃষ্টিতে রোযা অবস্থায়- ইনজেকশন, ইনহেলার, স্যালাইন ও টিকা নেয়া অবশ্যই রোযা ভঙ্গের কারণ (১৬)
১৮ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
হযরত ছাহাবায়ে কিরামগণ উনাদের প্রতি মহান আল্লাহ পাক উনার সন্তুষ্টি মুবারক পবিত্র কুরআন শরীফ দ্বারা প্রমাণিত
১৬ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
পবিত্র নামাযের মাসয়ালা-মাসায়িল
১৬ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার)












