সরকার শুধু জানমালের নিরাপত্তার কথা বলে, কিন্তু মুসলমানদের ঈমান-আমলের নিরাপত্তা নিশ্চিতে কোন পদক্ষেপ নেই কেন?
, ৪ঠা শাবান শরীফ, ১৪৪৪ হিজরী সন, ২৭ তাসি, ১৩৯০ শামসী সন , ২৫শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ খ্রি:, ১১ই ফাল্গুন, ১৪২৯ ফসলী সন, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) আপনাদের মতামত
পবিত্র রমযান শরীফ মাসকে সম্মান জানিয়ে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর এ উদ্যোগকে অবশ্যই আমরা স্বাগত জানাই। জানমালের নিরাপত্তার বিষয়ে সবসময়ই সকলে এ দাবি জানিয়ে আসছেন। বিশেষ করে বাংলাদেশের মতো ৯৮ ভাগ মুসলমান অধ্যুষিত দেশে মুসলমানগণই সকল বিষয়ে সর্বাধিক অগ্রাধিকার পাওয়ার অধিকার রাখেন।
তবে দেশের শুধু আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীই নয়, সরকারের পুরো প্রশাসনেরই উচিত দেশের মুসলমানগণ প্রতিটি স্তরে প্রতিটি অবস্থায় যেন জানমালের নিরাপত্তার সাথে সাথে মুসলমানরা নিজের ঈমান-আমল হিফাজত করতে পারে- এ বিষয়টি নিশ্চিত করা। কিন্তু অত্যন্ত আফসুসের বিষয়! দেশে যেভাবে রাস্তায় রাস্তায় অশ্লীল-অশালীন পোস্টার, বিলবোর্ড, ব্যনারের ছড়াছড়ি আর দোকানে দোকানে গানবাদ্যের ঝনঝনানি তাতে মুসলমানগণ কতটুকু নিজের ঈমান-আমল হিফাজত করতে পারছেন?
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মাঝে সুস্পষ্টভাবেই বর্ণিত হয়েছে, গানবাদ্য শুনা নিফাকী এবং প্রাণীর ছবি যেখানে থাকে সেখানে রহমত আসে না। তথা জহমত (গযব) বর্ষিত হয়।
তাহলে সরকারের নিকট প্রশ্ন-
পবিত্র হাদীছ শরীফ মুতাবিক গানবাদ্য শুনা যদি মুনাফিকী হয়, তাহলে রাস্তায় চলাফেরায় যারা গানবাদ্য শুনবে সে সকল মুসলমানগণ কি তার ঈমানের নিরাপত্তা পেল?
ছবি থাকলে যদি রহমতের বদলে লা’নত বর্ষিত হয়। তাহলে রাস্তায় রাস্তায় যেভাবে অশ্লীল-অশালীন ছবির ছড়াছড়ি তাতে মুসলমানদের ঈমান-আমলের নিরাপত্তা কতটুকু নিশ্চিত হলো?
শুধু এতটুকুই নয়; পবিত্র রমযান মাস আসলে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের দাম বেড়ে যায়, বিদ্যুতের লোডশেডিং বেড়ে যায়, রাস্তার যানজট বেড়ে যায়, পানি সঙ্কট দেখা দেয় ইত্যাদি হাজারো সমস্যার মচ্ছব যেন রমযান মাস আসলেই শুরু হয়।
এ ধরনের সঙ্কটময় অবস্থায় মুসলমানদের জন্য কোনো ধরনের নিরাপত্তাই বিগত সময়ের কোনো সরকার দিতে পারেনি।
কিন্তু তারপরও আমরা আশা করি, সরকার এখন থেকে দেশের ৯৮ ভাগ অধিবাসী মুসলমানদের অধিকার নিশ্চিত করতে উদ্যোগ নিবে এবং ধারাবাহিকভাবে বাস্তবায়ন শুরু করবে। মুসলমানগণ অবশ্যই প্রশাসনের এ উদ্যোগকে মোবারকবাদ জানাবে।
-মুহম্মদ রিয়াসাত পারভেজ।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
উচ্চ আদালতে ‘ডেড ল’ বা অকার্যকর ঘোষিত ‘পার্বত্য চট্টগ্রাম শাসনবিধি ১৯০০’ পুণঃবহালের অপচেষ্ঠা চলছে। এর মাধ্যমে পাহাড়কে উপজাতিদের জন্য সংরক্ষিত এলাকা ঘোষণা, ‘একদেশে দুই আইন’ ও পাহাড়ে রাজা-প্রজা প্রথা বহাল, বাঙ্গালী ও রাষ্ট্রের ভূমি অধিকার হরণ এবং সেনা প্রত্যাহার সহ পার্বত্য চট্টগ্রাম বিচ্ছিন্নের গভীর ষড়যন্ত্র চলমান। উচ্চ আদালত, সেনাবাহিনী এবং সরকারের উচিত দেশবিরোধী এই চক্রান্ত ষড়যন্ত্র রুখে দেওয়া। (১)
২৯ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
একাত্তর-পরবর্তী লুণ্ঠন: বন্ধুত্বের আড়ালে ইতিহাসের এক ট্র্যাজিক অধ্যায়
২৭ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
জগন্নাথ বিশ^বিদ্যালয়ে দ্বীনি অধিকারে হস্তক্ষেপ: অর্ধেক বেলা মসজিদ বন্ধ রাখা অনভিপ্রেত ও অগ্রহণযোগ্য
২৫ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
বাগেরহাটে নওমুসলিম সোহাগের শাহাদাত এবং আমাদের বিবেকহীন নীরবতা
২২ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
ফুটপাতের হাড়কাঁপানো আর্তনাদ ও রাষ্ট্রের বিলাসিতা- উদ্বাস্তু শিশুদের কান্নায় কি পবিত্র আরশ উনার পায়া কাঁপছে না?
০৬ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
দেশে শান্তি ফিরিয়ে আনতে ২টি শ্রেণীকে আগে শুদ্ধ হতে হবে
১২ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
মসজিদে সিসি ক্যামেরা!! উলামায়ে ছু’দের বদ আমলই কি এর জন্য দায়ী নয়?
০৯ জানুয়ারি, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
পবিত্র শবে মিরাজের ছুটি বাধ্যতামূলক করা হোক
৩১ ডিসেম্বর, ২০২৫ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র সুন্নাহ শরীফ উনাদের আলোকে ছিরাতুল মুস্তাক্বীম উনার ছহীহ তাফসীর (৩)
২৪ ডিসেম্বর, ২০২৫ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
মুসলমানদের সবচেয়ে বড় শত্রু কাফির-মুশরিকরা (৩)
২১ ডিসেম্বর, ২০২৫ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
মুসলমানদের উচিত- হাদীছ শরীফ অনুযায়ী সপ্তাহের বারসমূহ উচ্চারণ করা
১৯ ডিসেম্বর, ২০২৫ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
পবিত্র রমাদ্বান মাসের পূর্বে বাজার উর্ধ্বমুখী কেনো? এর দায় কার?
১৮ ডিসেম্বর, ২০২৫ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার)












