নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “গান-বাজনা শ্রবণ করলে অন্তরে মুনাফিকী পয়দা হয়।” নাউযুবিল্লাহ!
সম্মানিত ইসলামী শরীয়ত উনার দৃষ্টিতে- গান-বাজনা করা ও শ্রবণ করা কবীরাহ গুনাহ। গান-বাজনার আসরে বসা ফাসিক্বী এবং গান-বাজনার স্বাদ গ্রহণ করা কুফরী।
তাই প্রত্যেকের জন্য ফরয হচ্ছে- হারাম গান-বাজনাসহ সর্বপ্রকার অশ্লীল-অশালীন হারাম কাজ থেকে বিরত থাকা।
, ১৮ জুমাদাল ঊখরা শরীফ, ১৪৪৬ হিজরী সন, ২৩ সাবি’, ১৩৯২ শামসী সন , ২১ ডিসেম্বর, ২০২৪ খ্রি:, ০৬ পৌষ , ১৪৩১ ফসলী সন, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) মহাপবিত্র ক্বওল শরীফ-১
রহমাতুল্লিল ‘আলামীন, ছাহিবু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, ইমামুল আইম্মাহ্, মুজাদ্দিদুয যামান, কুতুবুল আলম,
মুহইউস সুন্নাহ, মাহিউল বিদয়াহ, গাউছুল আ’যম, আযীযুয যামান, ক্বইউমুজ জামান, আল জাব্বারিউল আউওয়াল, আল ক্বউইউল আউওয়াল, আস সাফফাহ, হাবীবুল্লাহ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মাওলানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, পবিত্র কুরআন শরীফ উনার একাধিক পবিত্র আয়াত শরীফ উনাদের দ্বারা এবং পবিত্র হাদীছ শরীফ উনাদের দ্বারা গান-বাজনা করা ও শ্রবণ করাকে হারাম ঘোষণা করা হয়েছে। কেউ কেউ বলে যে- ‘বিবাহ অনুষ্ঠানে গান-বাজনা জায়িয।’ নাউযুবিল্লাহ! আবার কেউ বলে যে- কথিত নবীতত্ত্ব, মুর্শিদী, ক্বওয়ালী, জারি ইত্যাদি জায়িয।’ তারা আরো বলে যে, বুখারী শরীফ উনার ২য় খ-ের ২২৫ পৃষ্ঠায় এবং ৫ম খ-ের ৫৫৫ পৃষ্ঠায় ‘গান-বাজনা’ জায়িয বলে লেখা আছে। নাঊযুবিল্লাহ! তাদের এহেন কথার প্রেক্ষিতে বলতে হয়, মূলত, ইসলামী শরীয়ত উনার দলীল- পবিত্র কুরআন শরীফ, পবিত্র হাদীছ শরীফ, পবিত্র ইজমা শরীফ ও পবিত্র ক্বিয়াস শরীফ উনাদের অকাট্য ও কেৎয়ী দলীল দ্বারা ‘গান-বাজনা’ সুস্পষ্টভাবে হারাম সাব্যস্ত হয়েছে। যেমন- তাফসীরে কুরতুবী শরীফ, তাফসীরে তাবারী শরীফ, তাফসীরে দুররে মানছুর শরীফ, তাফসীরে রূহুল মায়ানী শরীফ, তাফসীরে মাদারিক শরীফ, তাফসীরে কাশশাফ শরীফ, তাফসীরে মায়ালিম শরীফ, তাফসীরে ছায়ালাবী শরীফ ইত্যাদি কিতাবসমূহে এবং হযরত ইমাম বুখারী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার ‘আদাবুল মুফরাদ শরীফ’ কিতাবে ‘লাহওয়াল হাদীছ’ বাক্য দ্বারা ‘গান-বাজনা’, ‘বাদ্য-যন্ত্র’ বলে তা হারাম বলে উল্লেখ করেছেন। অনুরূপ পবিত্র কুরআন শরীফ উনার সূরা ফুরক্বান শরীফ, পবিত্র সূরা নজম শরীফ ও পবিত্র সূরা বনী ইসরাইল শরীফ উনাদের মধ্যেও ‘গান-বাজনা’ হারাম হওয়ার ব্যাপারে পবিত্র আয়াত শরীফ উল্লেখ রয়েছে। রঈসুল মুফাসসিরীন, হযরত শাহ আব্দুল আযীয মুহাদ্দিছ দেহলবী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি ‘তাফসীরে আযীযী শরীফ’ উনার ১ম খ-ের ৬৫ পৃষ্ঠায় লিখেন, ‘তাফসীরে মুগনী শরীফ’ কিতাবে উল্লেখ আছে, ‘লাহওয়াল হাদীছ’ হচ্ছে গান-বাজনা, সঙ্গীত। এ পবিত্র আয়াত শরীফ দ্বারা তা হারাম সাব্যস্ত হয়েছে। যে ব্যক্তি এটাকে হালাল জানবে সে কাফির হবে। নাউযুবিল্লাহ!
আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত রয়েছে, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “গান-বাজনা শ্রবণ করা পাপের কাজ। গান-বাজনার মজলিসে বা আসরে বসা ফাসিক্বী কাজ এবং গান-বাজনা শুনে স্বাদ গ্রহণ করা কুফরী কাজ।” ‘সুনানে হুদা’ কিতাব উনার মধ্যে বর্ণিত রয়েছে- নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি আরো ইরশাদ মুবারক করেন, “বৃষ্টি পতিত হলে যেরূপ উদ্ভিত পয়দা হয়, তদ্রƒপ গান-বাজনা শ্রবণ করলে অন্তরে মুনাফিকী পয়দা হয়।” নাউযুবিল্লাহ!
আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, ফতওয়ায়ে আযীযী কিতাব উনার মধ্যে উল্লেখ আছে- “গান গাওয়া, শ্রবণ করা, দফ বাজানো যাবতীয় সর্বপ্রকারের অশ্লীল আমোদ-প্রমোদ হারাম। এছাড়া তাফসীরে আহমদী কিতাব উনার মধ্যে উল্লেখ আছে- নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “ইবলিস শয়তানই সর্বপ্রথম বিলাপ করেছে এবং গান গেয়েছে। যখনই কোনো ব্যক্তি গানের শব্দ উচ্চারণ করে তখন তার দুই কাঁধে দুইটি শয়তান এসে বসে। অতঃপর যতক্ষণ পর্যন্ত সে গান থেকে বিরত না হয় ততক্ষণ তার উপর তারা পদাঘাত করতে থাকে।” নাউযুবিল্লাহ! মূলত, যারা তথাকথিত গায়ক-গায়িকা, বাদক-বাদিকা রয়েছে সকলেই ইবলিস শয়তানেরই খাছ অনুচর। নাঊযুবিল্লাহ!
আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে রয়েছে, হালালও স্পষ্ট, হারামও স্পষ্ট। কাজেই ইসলামী শরীয়ত উনার দৃষ্টিতে- হারামকে হালাল মনে করা, ভালো মনে করা, বৈধ মনে করা, উৎসাহিত করা বা বাহবা দেয়া যাই হোক না কেন সব কুফরী। আর যারা হারামকে হালাল মনে করবে, সে ব্যক্তি মুরতাদ হবে। এরূপ ব্যক্তির কোনো ইবাদত-বন্দেগী কবুল হবে না। তার সমস্ত নেক আমল বরবাদ হয়ে যাবে। সে বিবাহিত হলে তার স্ত্রী তালাক হবে। নাউযুবিল্লাহ!
আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, মূলকথা হলো- সম্মানিত ইসলামী শরীয়ত উনার দৃষ্টিতে বিবাহ অনুষ্ঠানসহ সকল স্থানেই ‘গান-বাজনা’ করা হারাম। মূলত, সুলতানুল হিন্দ, গরীবে নেওয়াজ হাবীবুল্লাহ রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি জীবনে কখনো ‘গান-বাজনা’ করেননি। আর বুখারী শরীফ উনার কোথাও ‘গান-বাজনা’ জায়িয বলা হয়নি। তবে সামা শরীফ উনার মাহফিল অর্থাৎ বাদ্যযন্ত্র ও গানের সুর বিহীন পবিত্র হামদ শরীফ, পবিত্র না’ত শরীফ ও পবিত্র ক্বাছীদা শরীফ পাঠ করা, শোনা ও লেখা প্রত্যেকটাই খাছ সুন্নত মুবারক এবং অশেষ ফযীলত হাছিলের কারণ। তাই প্রত্যেকের জন্য ফরয হচ্ছে, গান-বাজনার মত হারাম ও কুফরী আমল থেকে বেঁচে থেকে নিজেদের ঈমান-আক্বীদা, আমল-আখলাক হিফাযত করা।
-০-
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
পবিত্র কুরবানী উনার মূল বিষয়ই হচ্ছে তাক্বওয়া বা খুলূছিয়াত। যারা তাক্বওয়া বা খুলূছিয়াতের সাথে পবিত্র কুরবানী করেছেন, তারাই মহান আল্লাহ পাক উনার এবং উনার রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের সন্তুষ্টি-রেযামন্দি মুবারক হাছিল করেছেন। সুবহানাল্লাহ!
০২ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
আজ সুমহান মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ১৫ই যিলহজ্জ শরীফ। সুবহানাল্লাহ! সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল আশির মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। সুবহানাল্লাহ! এই মহাসম্মানিত দিবস উপলক্ষ্যে সকলের দায়িত্ব ও কর্তব্য হচ্ছে- উনার পবিত্র সাওয়ানেহ উমরী মুবারক আলোচনা করার লক্ষ্যে মাহফিল করা এবং পবিত্র মীলাদ শরীফ পাঠ করা।
০২ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
আগামীকাল ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) পবিত্র ফজর থেকে আগামী ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) পবিত্র আছর পর্যন্ত মোট ২৩ ওয়াক্ত ফরয নামাযের পর তাকবীরে তাশরীক পাঠ করতে হবে। তাকবীরে তাশরীক হলো- ‘আল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার, লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার ওয়া লিল্লাহিল হামদ।’ আগামীকাল ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) দিবাগত রাতটিই হচ্ছে পবিত্র ঈদুল আদ্বহা উনার সম্মানিত রাত। সুবহানাল্লাহ! আর ইয়াওমুল খমীস (বৃহস্পতিবার) হচ্ছে পবিত্র ঈদুল আদ্বহা অর্থাৎ পবিত্র কুরবানীর ঈদ। সুবহানাল্লাহ!
২৫ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
আজ সুমহান বরকতময় মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ৭ই যিলহজ্জ শরীফ। সুবহানাল্লাহ! সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল খমিস মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বিছালী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। সুবহানাল্লাহ! পাশাপাশি আখাছছুল খাছ আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ উনার সম্মানিত আ’দাদ শরীফ। সুবহানাল্লাহ!
২৫ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
আজ সুমহান ও বরকতময় মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ৬ই যিলহজ্জ শরীফ। সুবহানাল্লাহ! সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুত তাসি’ মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বিছালী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। সুবহানাল্লাহ! এই মহাসম্মানিত দিবস উপলক্ষে সকলের জন্য দায়িত্ব ও কর্তব্য হচ্ছে- উনার পবিত্র সাওয়ানেহ উমরী মুবারক আলোচনা করার লক্ষ্যে মাহফিল করা এবং পবিত্র মীলাদ শরীফ, পবিত্র ক্বিয়াম শরীফ করা।
২৪ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
সম্মানিত ইসলামী শরীয়ত উনার ফতওয়া হলো- পবিত্র কুরবানীর পশু ছুরি দিয়ে হাতে জবাই করাই খাছ সুন্নত উনার অন্তর্ভুক্ত এবং অশেষ ফযীলতের কারণ। পবিত্র কুরবানীর পশু মেশিনে জবাই করলে তাতে পবিত্র কুরবানী ছহীহ হবে না। কারণ কুরবানীর পশু মেশিনে জবাই করা শরীয়তসম্মত নয়।
২৩ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
ইসলামী শরীয়ত উনার ফতওয়া অনুযায়ী- পবিত্র কুরবানীর পশুর চামড়া তাহকীক বা যাচাই-বাছাই করে হক্ব ও ছহীহ জায়গায় দিতে হবে। যেখানে সেখানে বা যেকোনো প্রতিষ্ঠানে দেয়া যাবে না। পবিত্র কুরবানীর পশুর চামড়া বা তার মূল্য দেয়ার উপযুক্ত ও সর্বোত্তম স্থান হলো- ‘মুহম্মদিয়া জামিয়া শরীফ মাদরাসা ও ইয়াতীমখানা’। সুবহানাল্লাহ!
২২ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাবীব, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত ওছীয়ত মুবারক পালন করা প্রত্যেক উম্মতের জন্য ফরয। পবিত্র হাদীছ শরীফ উনাদের নির্দেশনা অনুযায়ী- সামর্থ্যবান সকলের জন্য নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পক্ষ হতে কুরবানী করা আবশ্যক।
২১ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
আজ সুমহান মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ২রা যিলহজ্জ শরীফ। সুবহানাল্লাহ! উম্মু আবীহা, বিনতু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাইয়্যিদাতুনা হযরত আন নূরুর রবি’য়াহ যাহরা আলাইহাস সালাম উনার সুমহান পবিত্র নিসবতে আযীমাহ শরীফ দিবস। সুবহানাল্লাহ! পাশাপাশি ইবনু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাইয়্যিদুনা হযরত আন নূরুর রবি’ আলাইহিস সালাম উনার সুমহান পবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। সুবহানাল্লাহ!
২০ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
মহাসম্মানিত যিলহজ্জ শরীফ মাস উনার ২, ৬, ৭, ৯, ১০, ১১, ১২, ১৩, ১৪, ১৫, ১৮, ১৯, ২৫, ২৬, ২৭, ২৮ এবং ২৯ তারিখ মহাসম্মানিত আইয়্যামুল্লাহ শরীফ উনাদের অন্তর্ভুক্ত। সুবহানাল্লাহ! তাই, এই মহাসম্মানিত দিবসসমূহ যথাযথ তা’যীম, তাকরীম, জওক-শওক এবং সাখাওয়াতির সাথে ব্যাপকভাবে উদযাপন করা সকলের জন্য দায়িত্ব-কর্তব্য।
১৮ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
আজ পবিত্র যিলহজ্জ শরীফ মাস উনার চাঁদ তালাশ করতে হবে। যদি চাঁদ দেখা যায়, তবে আজ বাদ মাগরিব থেকেই পবিত্র যিলহজ্জ শরীফ মাস শুরু হয়ে যাবে। আর যদি আজ চাঁদ দেখা না যায়, তবে আগামীকাল বাদ মাগরিব থেকে পবিত্র যিলহজ্জ শরীফ মাস শুরু হবে। সুবহানাল্লাহ!
১৮ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার ফায়ছালা মুবারক হচ্ছেন- পর্দা করা ফরয, বেপর্দা হওয়া হারাম, ছবি তোলা ও তোলানো হারাম, তন্ত্র-মন্ত্র, ভোট-নির্বাচন করা হারাম, খেলা-ধুলা করা হারাম, গান-বাজনা করা ও শোনা হারাম, সুদ ও ঘুষ দেয়া ও নেয়া হারাম, অর্থাৎ পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র সুন্নাহ শরীফ উনাদের বিরোধী সর্বপ্রকার আইন-কানুন, নিয়ম-নীতি, তর্জ-তরীকা মানা ও অনুসরণ করা এবং কাফির-মুশরিক, বেদ্বীন-বদদ্বীনদেরকে বন্ধু হিসেবে গ্রহণ করা ও তাদেরকে অনুসরণ করা সম্পূর্ণরূপে হারাম।
১৭ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার)












