রোযায় স্কুল বন্ধ নিয়ে হাইকোর্টে রিট ও কিছু কথা (২)
, ১২ শাওওয়াল শরীফ, ১৪৪৫ হিজরী সন, ২৩ হাদী আশার, ১৩৯১ শামসী সন , ২২ এপ্রিল, ২০২৪ খ্রি:, ০৯ বৈশাখ, ১৪৩১ ফসলী সন, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) আপনাদের মতামত
প্রথমেই বলতে হয়, রোযায় কেন স্কুল বন্ধ রাখার প্রয়োজনীয়তা উঠলো ? রোযায় তো অনেক বেসরকারী মাদরাসা খোলা থাকে। ক্লাস হয়। সেটা নিয়ে তো কেউ কথা বলছে না, তাহলে স্কুল বন্ধ করার উঠছে কেন ?
আসলে অভিভাবকরা চান, সন্তানরা রমাদ্বান শরীফ মাসে দ্বীনি শিক্ষা লাভ করুক, এতে তাদের মধ্যে নৈতিকতা বৃদ্ধি পাবে। বর্তমান যুগে হারাম-নাজায়েজের ভীড়ে সন্তানরা নৈতিক শিক্ষা অর্জনের খুব একটা সুযোগ পায় না। কিন্তু রমাদ্বান শরীফ মাস আল্লাহ পাক দিয়েছেন তাকওয়া হাসিলের জন্য এবং সে বিষয়টি সহজ হওয়ার জন্য ১ মাস ইবলিশ শয়তানকে বন্দি করে রাখা হয়। কিন্তু বাস্তবতা হচ্ছে বর্তমানে স্কুলে সন্তানরা নৈতিক শিক্ষা লাভ করতে পারছে না। বরং নতুন কারিকুলামের এমন কিছু পাঠ্য করা হয়েছে যা দ্বীনের সাথে সাংঘর্ষিক এবং নৈতিকতা বিরোধী। এই চিন্তা থেকেই মূলত এসেছে বাচ্চারা যেন রমাদ্বান শরীফ মাসে স্কুল ছুটি পায় এবং সে সময়টা তারা অভিভাবকদের তত্ত্বাবধানে দ্বীনি চর্চা যেমন ৫ ওয়াক্ত নামায মসজিদে পড়া, কুরআন শরীফ শিক্ষা, তারাবীহ নামায, ইফতার বা সাহরী ঠিকমত করতে পারে। আজকে যদি স্কুলগুলোতে রোযার মাসে কুরআন শরীফ শিক্ষা দেয়া হতো, তবে স্কুল বন্ধ রাখার প্রসঙ্গ কখনই উঠতো না। যেমনটি বেসরকারী মাদরাসাগুলো রমাদ্বান শরীফে খোলা থাকলেও তা নিয়ে কখন কথা উঠেনি, কারণ সেখানে দ্বীনি চর্চাই হয়।
সে কথা থেকেই বলতে হয়, রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবি রমাদ্বান শরীফে মাসে বিভিন্ন মুসলিম প্রধান রাষ্ট্রে স্কুল খোলার রাখার যে যুক্তি তিনি দেখিয়েছেন, সে যুক্তি তখনই গ্রহণযোগ্য হবে, যখন ঐ দেশগুলোর স্কুলে কতটুকু দ্বীনি শিক্ষা ও নৈতিকতার চর্চা করানো হয়, তারও ফিরিস্তি তাকে দেয়া উচিত ছিলো। সৌদি, পাকিস্তান, তুরস্ক, ইরানের ছুটির হিসেব নিয়ে তুলনা করলে শুধু হবে না, ঐ দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার পুরোপুরি ব্যাখ্যা করাও জরুরী ছিলো।
আরেকটি কথা উঠেছে, রাষ্ট্রের পলিসি রমাদ্বান শরীফে স্কুল খোলা রাখা। রাষ্ট্রের পলিসির ব্যাখ্যাও এনসিটিবি মেম্বার মশিউজ্জামান দিয়েছে শিখন ঘণ্টার হিসেব দিয়ে।
প্রশ্ন হচ্ছে, মশিউজ্জামানরা যে রাষ্ট্রের পলিসি তৈরী করে, সেটা কি নিজেরা পলিসি তৈরী করে বাচ্চাদের উপর চাপিয়ে দেয়, নাকি বাচ্চাদের অবস্থা সম্পর্কে খোজ খবর নিয়ে তারপর পলিসি তৈরী করে ?
-শেখ মুহম্মদ রাফসান যানি (আইনজীবি ও গবেষক)
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
বাংলাদেশের ৫০ লক্ষ পদাতিক বাহিনীর জন্য ৩য় প্রজন্মের এটিজিএম রোডম্যাপ (পর্ব ৮)
২৫ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
১০০০ নতুন সেনাক্যাম্প স্থাপনের কৌশলগত অপরিহার্যতা (২)
২১ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছির আলাইহিস সালাম উনার নির্দেশনা মুবারক পালনেই সফলতা। ঢাকামুখী জনস্রোত বন্ধ এবং ঢাকা শহরের প্রশাসনিক ও প্রাতিষ্ঠানিক বিকেন্দ্রীকরণ ব্যতীত অন্য কোন পদ্ধতিতে কখনোই যানজট নিরসনের স্থায়ী সমাধান হবে না (১২)
২০ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
একবিংশ শতাব্দীর কৌশলগত প্রতিরক্ষা রূপরেখা (২)
১৮ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
একবিংশ শতাব্দীর কৌশলগত প্রতিরক্ষা রূপরেখা (১)
১৭ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
জান্নাতের টিকিট বিক্রিকারী জামাতীরা কী মনে করে? বেহেশতে- যাওয়ার প্রস্তুতি হিসেবেই দুনিয়াতেই হারাম মদের সাথে সম্পৃক্ত থাকা উচিত! নাউযুবিল্লাহ। বিএনপির ভাষায় জামাত মুনাফেক। জাহান্নামের নি¤œস্তরের বাসিন্দা মুনাফিকরা- ভোটের বিনিময়ে জান্নাতের টিকিট বিক্রি করে তারা যে সত্যিই বড় মুনাফেক, তাই প্রমাণ করছে। মাতালদের পক্ষেই সম্ভব ভোটের বিনিময়ে জান্নাতের টিকিট বেচা।
১৬ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
সার্বভৌমত্বের বিনিময়ে কী পাচ্ছি আমরা? - আকসা ও জিসোমিয়া চুক্তি প্রত্যাখ্যান করুন
১৩ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
চট্টগ্রাম বন্দর বিদেশীদের ইজারা দিলে বাংলাদেশ যে সমস্ত গুরুতর হুমকিতে পড়বে
১১ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
উত্তরাঞ্চলে এক ভয়ংকর চক্রান্ত ও আলেম সমাজের নীরবতা
১০ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
পুরোনো স্মার্টফোন বিক্রির আগে যে কাজ না করলে বিপদ
১০ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
পেগাসাসের জাল বিস্তার বাংলাদেশেও। সবাই সাবধান।
০৯ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
৫০ লক্ষের বাহিনী ও ভবিষ্যতের সাইবার যুদ্ধক্ষেত্রের মহাপ্রস্তুতি (পর্ব-৩)
০৮ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার)












