মুসলমানদের সাথে সন্ত্রাসী, দখলদার, অভিশপ্ত ইহুদী জাতির শত্রুতার মূল কারণ (৩)
, ১৮ জুমাদাল ঊখরা শরীফ, ১৪৪৫ হিজরী সন, ০৩ সামিন, ১৩৯১ শামসী সন , ০১ জানুয়ারি, ২০২৪ খ্রি:, ১৭ পৌষ, ১৪৩০ ফসলী সন, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) পবিত্র দ্বীন শিক্ষা
অভিশপ্ত ইহুদীরা নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে গোটা হায়াত মুবারকেই সমস্ত কাজে বাধা দিয়েছে। যুদ্ধে পরাজিত করে উনার আদর্শ মুবারক বিলীন করে দিতে চেয়েছে। যাদু মন্ত্র করে, বিষ প্রয়োগে উনাকে বার বার শহীদ করতে চেয়েছে। মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র মদীনা শরীফ উনার মুনাফিকদের সাথে চক্রান্তের জালে জড়িত হয়ে উনার ক্ষতি সাধন করতে চেয়েছে। সম্মানিত মুসলিম কাফিলার অগ্রযাত্রাকে চেয়েছে বাধাগ্রস্ত করতে। কিন্তু তারা কিছুতেই তাদের কোনো ষড়যন্ত্রে সফল হতে পারেনি। সর্বশেষ তারা নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার শান মুবারকে বেঈমানীর চরম পুরস্কার হিসেবে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র মদীনা শরীফ থেকে বহিষ্কৃত হয়েছে। তাদের বংশ পরম্পরা আদি ইতিহাসের মতো ভিটাবাড়ী ছাড়া হয়ে দ্বারে দ্বারে ভিক্ষুক ও অভিশপ্তের মতো ফিরেছে। আর মুসলমানদের বিরুদ্ধে শত শত বছর ধরে চক্রান্তের জাল বিস্তার করে চলেছে।
যদিও খৃস্টানদের সাথে ইহুদীদের ধর্মীয় বিদ্বেষ ও টানাপোড়েন ছিলো। তারপরও বিশ্বের মুসলিম জাতিকে খতম করার জন্য তারা উভয়ে এক সাথে কাজ করতে সম্মত হয়েছে। মুসলমানদের সাথে ইহুদীদের বিদ্বেষের মূল কারণ হলেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মানহানী করতে, হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের শানে কুৎসা রটনা করতে, মুসলমানদেরকে বিভ্রান্ত করতে, দ্বীনী কাজে বাধা দিতে, এই দুই গোমরাহ জাতি ইহুদী ও খৃস্টানরা আদিকাল থেকেই তাদের অর্থ সামর্থ্যরে বিপুল ভা-ার খরচ করেছে এবং এখনো করছে।
১৯৪৮ খৃ: থেকে অদ্যাবধি তারা ফিলিস্তিনে বিশেষ করে গাজা উপত্যকায় মুসলমানদের উপর নির্বিচারে যুলুম-নির্যাতন করে চলছে। যা বর্ণনাতীত। তারা মূলত মুসলমানদেরকে কষ্ট দেয়ার মাধ্যমে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে কষ্ট দিতে চায়। না‘ঊযুবিল্লাহ! একারণেই তারা সবসময় মুসলমানদের ক্ষতি সাধনে লিপ্ত থাকে। সেটাই মহান আল্লাহ পাক তিনি মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেছেন-
لَتَجِدَنَّ أَشَدَّ النَّاسِ عَدَاوَةً لِلَّذِينَ آمَنُوا الْيَهُودَ وَالَّذِينَ أَشْرَكُوا
অর্থ: “অবশ্যই অবশ্যই আপনি ঈমানদারদের জন্য সবচেয়ে বড় শত্রু হিসেবে পাবেন ইহুদী এবং মুশরিকদেরকে।” (পবিত্র সূরা মায়িদাহ শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ-৮২)
মূল কথা হলো- ইহুদীরা মুসলমানদের চিরশত্রু। তাদেরকে বন্ধু ভাবা সুস্পষ্টভাবে কুফরী। ইহুদীদেরকে বন্ধু ভাবা যাবে না। তাদের সাথে কোন সম্পর্ক রাখা যাবেনা, তাদেরকে কোন রকম আশ্রয়-প্রশ্রয়, সাহায্য ও সমর্থন করা যাবেনা। বরং সর্বদা তাদেরকে শত্রু মেনে ও জেনে তাদের প্রতিটি বিষয়ে প্রতিবাদ করতে হবে। সর্বক্ষেত্রে তাদেরকে প্রতিরোধ করতে হবে। তখনই মুসলমানের পক্ষে হাক্বীক্বী মুসলমান থাকা সহজ ও সম্ভব হবে।
-হাফিয মুহম্মদ ইমামুল হুদা।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
কাফির-মুশরিকদের বিরুদ্ধে মহান আল্লাহ পাক উনার রাস্তায় জিহাদ করা ফরজে আইন
০৮ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
শয়তানের ওয়াসওয়াসার কারণে কোন গুনাহর কাজ সংগঠিত হলে উপায় কি?
০৮ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
ইসলামী শরীয়ত মুতাবিক- ছবি তোলা হারাম
০৮ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র ওয়াজ শরীফ
০৮ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
ক্বিয়ামতের আলামত তিনটি-
০৮ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বিদ্যুৎ চমকানোর বিস্ময়কর বর্ণনা
০৭ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
আখেরী রসূল, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
০৭ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
ছহিবে নিসাব প্রত্যেক ব্যক্তির জন্য পবিত্র কুরবানী দেয়া ওয়াজিব (১)
০৭ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
পর্দা করা ফরজ, বেপর্দা হওয়া কবীরা গুনাহ
০৭ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
কাফিরদের কপটতা ও দ্বি-চারিতা নিয়ে মহান আল্লাহ পাক উনার সতর্কবার্তা
০৭ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
ইসলামী শরীয়তে মদ ও জুয়া হারাম
০৬ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
পবিত্র নামাযের মাসয়ালা-মাসায়িল
০৬ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার)












