নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, আমার প্রতি অধিক দরূদ শরীফ পাঠকারী কিয়ামতের দিন আমার সর্বাধিক কুরবত মুবারক লাভ করবেন।
মালিকুল মিনআম, ছহিবুল কারাম, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মুবারক শানে নিয়মিত পবিত্র দুরূদ শরীফ পাঠকারীদের জন্য অপরিসীম সুসংবাদ
তাই প্রত্যেকের জন্য দায়িত্ব-কর্তব্য হচ্ছে- নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন নাবিইয়ীন হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি প্রতিদিন বাদ ইশা একশতবার এবং প্রতিদিন বাদ ফজর একশতবার ত্বরীক্বা অনুযায়ী পবিত্র দরূদ শরীফ পাঠ করা।
, ২৫ শাবান শরীফ, ১৪৪৫ হিজরী সন, ০৮ আশির, ১৩৯১ শামসী সন , ০৭ মার্চ, ২০২৪ খ্রি:, ২৩ ফাল্গুন, ১৪৩০ ফসলী সন, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) মহাপবিত্র ক্বওল শরীফ-২
ছাহিবাতু সাইয়্যিদিল আ’দাদ শরীফ, সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, হাবীবাতুল্লাহ, ছাহিবায়ে নেয়ামত, রহমাতুল্লিল আলামীন, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম, সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি বলেন, খলিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র সূরা তওবা শরীফ উনার ৬২নং পবিত্র আয়াত শরীফে ইরশাদ মুবারক করেন, “যদি তারা মু’মিন হয়ে থাকে, তাহলে তাদের দায়িত্ব-কর্তব্য হলো, মহান আল্লাহ পাক উনাকে এবং উনার মহাসম্মানিত হাবীব, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে অর্থাৎ উনাদেরকে সন্তুষ্ট করা। উনারাই সন্তুষ্টির অধিক হকদার।” অর্থাৎ মু’মিন হতে হলে মহান আল্লাহ পাক উনাকে এবং উনার মহাসম্মানিত হাবীব, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে সন্তুষ্ট করতে হবে। এখন মহান আল্লাহ পাক উনাকে সন্তুষ্ট করার একমাত্র উছীলা মুবারক হচ্ছেন নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি। উনাকে সন্তুষ্ট করতে পারলে মহান আল্লাহ পাক উনাকে সন্তুষ্ট করা সহজ ও সম্ভব। আর নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে সন্তুষ্ট করার বা উনার সন্তুষ্টি মুবারক লাভ করার সবচেয়ে সহজ এবং বিশেষ উছীলা মুবারক হচ্ছেন পবিত্র দরূদ শরীফ পাঠ করা।
সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি বলেন, পবিত্র সূরা তওবা শরীফ উনার ৬২ নং আয়াত শরীফ উনার তাফসীরে একটি ঘটনা উল্লেখ করা হয়। যখন পবিত্র আয়াত শরীফ নাযিল হলো যে, মহান আল্লাহ পাক উনার হাবীব সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খ¦তামুন নাবিয়্যীন, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে এবং মহান আল্লাহ পাক উনাকে সন্তুষ্ট করতে হবে, তখন হযরত জিবরীল আলাইহিস সালাম, হযরত ইসরাফিল আলাইহিস সালাম, হযরত মিকাইল আলাইহিস সালাম, হযরত আজরাইল আলাইহিস সালাম এই চারজন ফেরেশতা উনারা নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মুবারক খিদমতে এসে আরজী করলেন, ইয়া রসূলাল্লাহ, ইয়া হাবীবাল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আমরা জানতে পেরেছি, আমরা বুঝতে পেরেছি যে, মহান আল্লাহ পাক উনার সন্তুষ্টি মুবারক পেতে হলে প্রথমে আপনার সন্তুষ্টি মুবারক অর্জন করতে হবে। সেজন্য আমরা চারজন এসেছি চারটি আরজু নিয়ে। আপনি দয়া করে আমাদের সেই চারটি আরজু যদি কবুল করতেন, তাহলে আমরা ইতমিনান লাভ করতে পারতাম। তখন নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করলেন, আপনারা কি আরজু নিয়ে এসেছেন?
প্রথমে আরজু পেশ করলেন মালাকুল মউত হযরত আজরাইল আলাইহিস সালাম। তিনি বললেন, ইয়া রসূলাল্লাহ, ইয়া হাবীবাল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আপনার সন্তুষ্টি মুবারকের লক্ষ্যে আমি নিয়ত করেছি, আপনার যে উম্মত এবং মহান আল্লাহ পাক উনার যে বান্দা প্রতিদিন আপনার প্রতি মাত্র দশবার পবিত্র দরূদ শরীফ পাঠ করবে, আমি এমন ভাবে রূহ তার কবজ করব যেমন আমি অতীতে হযরত নবী এবং রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের রূহ মুবারক কবজ করেছি। সুবহানাল্লাহ। তখন নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি সেই আরজু মুবারক কবুল করলেন। সুবহানাল্লাহ।
দ্বিতীয়ত আসলেন হযরত ইসরাফিল আলাইহিস সালাম। তিনি বললেন, ইয়া রসূলাল্লাহ, ইয়া হাবীবাল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আমি নিয়ত করেছি আপনার যে উম্মত এবং মহান আল্লাহ পাক উনার যে বান্দা প্রতিদিন আপনার প্রতি মাত্র দশবার দরূদ শরীফ পাঠ করবে, সেই কঠিন হাশরে মানুষ যখন গুণাহর ফিকিরে পেরেশান থাকবে তখন আমি সেজদায় পড়ে মহান আল্লাহ পাক উনার কাছে সুপারিশ করে তার জিন্দেগীর সমস্ত গুণাহ-খতাগুলি আমি ক্ষমা করিয়ে দিবো। সুবহানাল্লাহ। তখন নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি সেই আরজুও কবুল করলেন। সুবহানাল্লাহ।
তৃতীয়ত আসলেন হযরত মিকাইল আলাইহিস সালাম। তিনি বললেন, ইয়া রসূলাল্লাহ, ইয়া হাবীবাল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আমি নিয়ত করেছি আপনার যে উম্মত এবং মহান আল্লাহ পাক উনার যে বান্দা প্রতিদিন আপনার প্রতি মাত্র দশবার দরূদ শরীফ পাঠ করবে, কঠিন হাশরের দিন মানুষ যখন পানির পিপাসায় হন্যে হয়ে ঘুড়তে থাকবে, হাউজে কাউসারের পানি ব্যতীত কোন পানি থাকবেনা, আমি স্বয়ং নিজ হাতে হাউজে কাউসারের পানি নিয়ে তাকে পান করাবো। সুবহানাল্লাহ। যে পানি পান করার পর জান্নাতে প্রবেশ করা পর্যন্ত তার পিপাসা লাগবেনা। সুবহানাল্লাহ। তখন নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি সেই আরজুও কবুল করলেন সুবহানাল্লাহ।
চতুর্থত আসলেন হযরত জিবরাইল আলাইহিস সালাম। তিনি বললেন, ইয়া রসূলাল্লাহ, ইয়া হাবীবাল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আমি নিয়ত করেছি আপনার যে উম্মত এবং মহান আল্লাহ পাক উনার যে বান্দা প্রতিদিন আপনার প্রতি মাত্র দশবার দরূদ শরীফ পাঠ করবে, আমি তাকে হাতে ধরে চোখের পলকে পুলসিরাত পার করে জান্নাতে পৌছে দিবো। সুবহানাল্লাহ। তখন নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি সেই আরজুও কবুল করলেন। সুবহানাল্লাহ।
সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি বলেন, এ পবিত্র হাদীছ শরীফ দ্বারা প্রমাণিত যে, কোন ব্যক্তি যদি প্রতিদিন নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি মাত্র দশবার পবিত্র দরূদ শরীফ পাঠ করবে, তাকে চারটি বিশেষ মর্যাদা দান করা হবে। প্রথমত, মালাকুল মউত হযরত আজরাইল আলাইহিস সালাম তিনি তার রূহ এমন ভাবে কবজ করবেন যেমন অতীতের হযরত নবী এবং রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের রূহ মুবারক কবজ করেছিলেন। সুবহানাল্লাহ। দ্বিতীয়ত, হযরত ইসরাফিল আলাইহিস সালাম তিনি হাশরের দিন সেজদায় গিয়ে মহান আল্লাহ পাক উনার কাছে সুপারিশ করে তার জিন্দেগীর গুনাহখাতা গুলো ক্ষমা করিয়ে দিবেন। সুবহানাল্লাহ। তৃতীয়ত, কঠিন হাশরের দিন মানুষ যখন পানির পিপাসায় হন্যে ঘুরতে থাকবে স্বয়ং হযরত মিকাইল আলাইহিস সালাম তিনি হাউজে কাওছার থেকে পানি নিয়ে সেই ব্যক্তিকে পান করাবেন। চতুর্থত, হযরত জিবরাইল আলাইহিস সালাম তিনি সেই ব্যক্তির হাত ধরে চোখের পলকে পুলসিরাত পার করে জান্নাতে পৌছে দিবেন। সুবহানাল্লাহ।
সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি বলেন, মূলত, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি সৃষ্টির মূল। তাই, উনার পবিত্র দরূদ শরীফ সমস্ত ভালাইয়ের চাবিকাঠি। পবিত্র দরূদ শরীফ ব্যতিত দুআ কবুল হয়না, নামাজ কবুল হয়না। আবার পবিত্র দরূদ শরীফ পাঠের মাধ্যমে ভুলে যাওয়া বিষয় স্মরণ হয়, গুণাহ-খ¦তা ক্ষমা হয়, বিপদ-আপদ দূর হয়, বালা-মুছীবত থেকে মুক্তি লাভ হয়, রোগ-ব্যধি হতে শিফা লাভ হয়। সামগ্রিকভাবে জীবনের প্রতিটি বিষয়ে পবিত্র দরূদ শরীফ পাঠের কোন বিকল্প নেই।
সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি বলেন, প্রত্যেক সালিককে প্রতিদিন বাদ ইশা একশতবার এবং প্রতিদিন বাদ ফজর একশতবার ত্বরীক্বা অনুযায়ী পবিত্র দরূদ শরীফ আবশ্যিকভাবে পাঠ করতে হবে। যা পাঠ করা শিশু হতে বৃদ্ধ এবং পুরুষ-মহিলা নির্বিশেষে সবার জন্যই অত্যাবশকীয়, ফরযে আইন। বাদ ইশার পবিত্র দরূদ শরীফ নিয়মিত পাঠের মাধ্যমে নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মুহব্বত মুবারক, মা’রিফাত মুবারক, তায়াল্লুক মুবারক, নিসবত মুবারক, কুরবত মুবারক এবং সন্তুষ্টি-রেযামন্দি মুবারক হাছিল হয়। একইভাবে বাদ ফজরের পবিত্র দরূদ শরীফ নিয়মিত পাঠের মাধ্যমে হযরত আউলিয়ায়ে কিরাম রহমতুল্লাহি আলাইহিম উনাদের, বিশেষ করে আপন হযরত শায়েখ আলাইহিস সালাম উনার খাছ ফয়েজ-তাওয়াজ্জুহ মুবারক, মুহব্বত মুবারক, মা’রিফাত মুবারক, তায়াল্লুক মুবারক, নিসবত মুবারক, কুরবত মুবারক এবং সন্তুষ্টি-রেযামন্দি মুবারক হাছিল হয়।
সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি বলেন, মূলকথা হলো- মালিকুল মিনআম, ছহিবুল কারাম, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মুবারক শানে নিয়মিত পবিত্র দুরূদ শরীফ পাঠকারীদের জন্য অপরিসীম সুসংবাদ। তাই প্রত্যেকের জন্য দায়িত্ব-কর্তব্য হচ্ছে- নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন নাবিইয়ীন হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি প্রতিদিন বাদ ইশা একশতবার এবং প্রতিদিন বাদ ফজর একশতবার ত্বরীক্বা অনুযায়ী পবিত্র দরূদ শরীফ পাঠ করা।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার অনুকরণে নাম রাখা দুনিয়ায় যেমন রহমত, বরকত ও সাকীনার কারণ, তেমনি আখিরাতে ও শাফায়াত মুবারক, নাযাত ও ফযীলত লাভের উছীলা।
০৫ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
প্রাণহীন নামায মহান আল্লাহ পাক উনার নিকট মূল্যহীন।
০৪ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
শয়তান আদম সন্তানের ক্বলবে আসন পেতে বসে থাকে। যখন সে যিকির করে, তখন শয়তান পালিয়ে যায়। আর যখন সে যিকির থেকে গাফিল হয়, তখন শয়তান ওয়াসওয়াসা দেয়।” মহান আল্লাহ পাক উনার যকিরি সমস্ত কামযি়াবীর সোপান।
০৩ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
মহান আল্লাহ পাক তিনি যার অন্তরকে প্রসারিত করেন তাকেই হিদায়েত দান করেন। কিভাবে হিদায়েত লাভ করা যাবে আর কি কারণে হিদায়েত থেকে মাহরূম হয়ে যাবে সে বিষয়ে হাক্বীক্বী ইলম হাছিল করতে হলে কামিল শায়েখ বা আউলিয়ায়ে কিরাম উনাদের ছোহবত মুবারক ইখতিয়ার ব্যতীত কারো জন্য কোন বিকল্প নেই।
০২ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাপবিত্র নসবনামাহ মুবারক দৈনিক পাঠ করা সকলের জন্য আবশ্যক।
০১ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
সম্মানিত ইসলামী শরীয়ত উনার দৃষ্টিতে- প্রত্যেকের জন্য হালাল কামাই করা, হালাল কাপড় ও দ্রব্য সামগ্রী ব্যবহার করা এবং হালাল ও পবিত্র খাদ্য খাওয়া ফরয। তাই, সকলের জন্য দায়িত্ব-কর্তব্য হচ্ছে- খালিছভাবে মহান আল্লাহ পাক উনার সন্তুষ্টি মুবারক লাভের উদ্দেশ্যে সম্মানিত শরীয়ত কর্তৃক নির্দেশিত তারতীবে নিজে হালাল কামাই করা, হালাল কাপড় ও দ্রব্য সামগ্রী ব্যবহার করা, হালাল ও পবিত্র খাদ্য গ্রহণ করা। একই সাথে অধীনস্তদেরকে হালাল কামাই, হালাল ও পবিত্র খাদ্য গ্রহণে বাধ্য করা।
৩০ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পবিত্র সাওয়ানেহ উমরী মুবারক বা পবিত্র জীবনী মুবারক জানা ও বেশি বেশি সর্বত্র আলোচনা করা এবং প্রতিক্ষেত্রে উনাকে পরিপূর্ণরূপে অনুসরণ-অনুকরণ করা সকলের জন্যই ফরয।
৩০ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
মহান আল্লাহ পাক উনার যিকিরকারী ব্যক্তি জীবিত আর যে মহান আল্লাহ পাক উনার যিকির করেনা সে ব্যক্তি মৃত।
২৯ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
অন্তর থেকে বদ খাছলতসমূহ দূর করে দিয়ে পবিত্র নেক খাছলতসমূহ পয়দা করার মাধ্যমেই হাক্বীক্বী ইছলাহ বা পরিশুদ্ধতা লাভ সম্ভব। মুহলিকাতের (বদ খাছলত) কারণে ক্বলব বিনষ্ট হয়। আর মুনজিয়াতের (নেক খাছলত) কারণে ক্বলব পরিশুদ্ধ হয়।
২৮ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
হায়াত, মাল-সম্পদ এবং পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার হক্ব যারা আদায় করবেনা, তাদেরকে কিয়ামতের দিন অসহায় বকরীর ন্যায় উপস্থিত করা হবে।
২৭ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
প্রত্যেক মুসলমান পুরুষ-মহিলা সকলের জন্যই কামিল শায়েখ বা মুরশিদ ক্বিবলা উনার নিকট বাইয়াত গ্রহণ করা, ছোহবত ইখতিয়ার করা, তরীক্বার সবক্ব আদায় করা ফরযে আইন। যার মাধ্যমে ইছলাহ বা আত্মশুদ্ধি লাভ হয়। ফলে মহান আল্লাহ পাক উনার ও উনার হাবীব নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের সাথে নিসবত স্থাপিত হয়। সুবহানাল্লাহ!
২৬ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
পর্দা বা বোরকা মুসলমানগণ উনাদের দ্বীনি অধিকার আর খাছ করে মুসলিম মহিলাগণ উনাদের সম্মান এবং ব্যক্তিত্বেরও প্রতীক।
২৫ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার)












