মহান আল্লাহ পাক উনার এবং উনার হাবীব নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের- সন্তুষ্টি-রেযামন্দি লাভের জন্য সন্তান প্রতিপালন করা সুন্নত
, ১৪ রবীউল আউওয়াল শরীফ, ১৪৪৬ হিজরী সন, ২১ রবি , ১৩৯২ শামসী সন , ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৪ খ্রি:, ০৩ আশ্বিন, ১৪৩১ ফসলী সন, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) সুন্নত মুবারক তা’লীম
পানাহারের সুন্নত:
খাবারের শুরুতে বিছমিল্লাহ শরীফ পাঠ সুন্নত:
খাবার শুরু করার পূর্বে সন্তানকে বিছমিল্লাহ শরীফ পাঠ করতঃ খাবার শুরু করার শিক্ষা দিতে হবে।
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি বিষয়টি হাতে কলমে শিক্ষা দিয়েছেন। যা সম্মানিত সুন্নত উনার অন্তর্ভুক্ত।
উল্লেখ্য যে, হযরত উমর ইবনে সালামা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি ছিলেন নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পালিত আওলাদ। একদিন তিনি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মুবারক খিদমতে হাজির হলেন। সে সময় নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সামনে খাবার মুবারক উপস্থিত ছিল। তিনি হযরত উমর ইবনে সালামা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনাকে বললেন-
اُدْنُ يَا بُنَيَّ فَسَمِّ اللهَ وَكُلْ بِيَمِيْنِكَ وَكُلْ مِمَّا يَلِيْكَ
অর্থ: “প্রিয় বৎস! নিকটে আসুন। বিছমিল্লাহির রহমানির রাহীম পাঠ করুন। আর ডান হাত দ্বারা নিজের নিকট থেকে খেতে থাকুন।” (আশরাফুল ওয়াসায়িল ইলা ফাহমিশ শামায়িল-২৬৯)
কাজেই, প্রত্যেক পিতা-মাতার দায়িত্ব-কর্তব্য এটাই যে, স্বীয় সন্তান-সন্ততিদেরকে এভাবে হাত দিয়ে ধরে ধরে সুন্নত মুবারকগুলি শিক্ষা দেয়া। অন্যথায় সন্তানদের হক্ব আদায় হবে না। সেক্ষেত্রে সন্তান ব্যতিক্রম কিছু হলে তার জন্য পিতা-মাতাই সর্বাংশে দায়ী।
শুরুতে বিছমিল্লাহ শরীফ পাঠ করতে
ভুলে গেলে কি করবেন?
সেক্ষেত্রে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
إِذَا أَكَلَ أَحَدُكُمْ فَنَسِيَ أَنْ يَذْكُرَ اسْمَ اللهِ تَعَالٰى عَلٰى طَعَامِهٖ فَلْيَقُلْ بِسْمِ اللهِ أَوَّلَهٗ وَآخِرَهٗ.
অর্থ: “তোমাদের মধ্যে কেউ যদি খাবারের পূর্বে বিছমিল্লাহ শরীফ পাঠ করতে ভুলে যায়, আর খাবারের মাঝখানে তা স্মরণ হয় তখন সে যেন এভাবে পাঠ করে-
بِسْمِ اللهِ أَوَّلَهٗ وَآخِرَهٗ
(আশরাফুল ওয়াসায়িল ইলা ফাহমিশ শামায়িল-২৬৯)
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
পবিত্র শাওওয়াল শরীফ মাসে ৬টি রোযা রাখা খাছ সুন্নত মুবারক এবং বেমেছাল ফযীলত মুবারক লাভের মাধ্যম (২)
২৬ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
পবিত্র শাওওয়াল শরীফ মাসে ৬টি রোযা রাখা খাছ সুন্নত মুবারক এবং বেমেছাল ফযীলত মুবারক লাভের মাধ্যম (১)
২৫ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
পবিত্র ঈদুল ফিতর সংক্রান্ত মহাসম্মানিত সুন্নতী আমল সমূহ (২)
১৯ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
পবিত্র ঈদুল ফিতর সংক্রান্ত মহাসম্মানিত সুন্নতী আমল (১)
১৮ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
পবিত্র শবে ক্বদর শরীফ পালন করার গুরুত্ব-ফযীলত ও মহাসম্মানিত সুন্নতী তারতীব
১৬ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র সুন্নাহ শরীফ উনাদের দৃষ্টিতে রোযা অবস্থায়- ইনজেকশন, ইনহেলার, স্যালাইন ও টিকা নেয়া অবশ্যই রোযা ভঙ্গের কারণ (১৫)
১৬ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
পবিত্র রমাদ্বান শরীফ উনার শেষ দশকে পবিত্র লাইলাতুল ক্বদর তালাশ করা খাছ সুন্নত মুবারক (৩)
১৫ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
পবিত্র রমাদ্বান শরীফ উনার শেষ দশকে পবিত্র লাইলাতুল ক্বদর তালাশ করা খাছ সুন্নত মুবারক (২)
১৪ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
পবিত্র রমাদ্বান শরীফ উনার শেষ দশকে পবিত্র লাইলাতুল ক্বদর তালাশ করা খাছ সুন্নত মুবারক (১)
১৩ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
পবিত্র রমাদ্বান শরীফ উনার শেষ দশকে সম্মানিত ই’তিকাফ করা খাছ সুন্নত মুবারক (২)
১০ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
পবিত্র যাকাত-ফিতরা, উশর আদায়ের হুকুম আহকাম ও মহাসম্মানিত সুন্নতী তারতীব মুবারক (১)
০৭ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
ইফতার ও সাহরীতে খেজুর খাওয়া খাছ সুন্নত মুবারক (১)
০৫ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার)












