ফ্রিল্যান্সিং এ সরকারের আয়ের আশা বার্ষিক ৩ বিলিয়ন ডলার কিন্তু যথাযথ পৃষ্ঠপোষকতা করলে এ খাতেই ৩০ বিলিয়ন ডলার আয় সম্ভব ইনশাআল্লাহ
, ০৮ জুমাদাল ঊখরা শরীফ, ১৪৪৫ হিজরী সন, ২৩ সাবি’ ১৩৯১ শামসী সন , ২২ ডিসেম্বর, ২০২৩ খ্রি:, ০৭ পৌষ, ১৪৩০ ফসলী সন, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) মন্তব্য কলাম
ফ্রিল্যান্সিং খাত থেকে বছরে এক বিলিয়ন ডলার আয় করছে বাংলাদেশ। ২০২৫ সালের মধ্যে এ খাতের আয় ২ থেকে ৩ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত হবে বলে জানিয়েছে প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান।
বিশ্বের টপ রেটেড ফ্রিল্যান্সারদের ৬৪ শতাংশই বাংলাদেশি তারপরও আত্মবিশ্বাসের অভাবে নামমাত্র মূল্যে কাজ করেন তারা। পেপ্যাল না থাকায় অর্থ পেতে রয়েছে নানা ভোগান্তি।
বর্তমানে বিশ্বের ফ্রিল্যান্সিংয়ের বাজার ১ দশমিক ৫ ট্রিলিয়ন ডলার। করোনার আগে গুগল ৪৩ শতাংশ কাজ করাতো। এখন ৭৫ শতাংশ করাচ্ছে।
ভারতের একজন ফ্রিল্যান্সার যে কাজের ১১ ডলার দাবি করে, সেখানে আমরা কাজটা করছি ২ থেকে ৩ ডলারে।
খাতসংশ্লিষ্টরা বলছে, দেশের ফ্রিল্যান্সিং খাতে দক্ষ জনবলের সংকট রয়েছে। এ খাতে বেশ কিছু চ্যালেঞ্জ রয়েছে। তারা বলছে, ‘২০০০ সাল থেকে আমাদের দেশে ফ্রিল্যান্সিং শুরু হয়। বৈশ্বিক ব্যবসায় করার জন্য যে ধরনের ইন্টারনেট সার্ভিস বা যে ধরনের স্পিড দরকার, তা আমাদের দেশে নেই। যদিও গত ১০ বছরে এই সার্ভিস অনেকটা উন্নত হয়েছে। এ কাজের পারিশ্রমিক বা অর্থ বিদেশ থেকে আনার জন্য ভালো পথ নেই। পেপল সিস্টেম বাংলাদেশে এখনো চালু হয়নি। যারা কাজ করে, তারা বড় অঙ্কের টাকা ব্যয় করে তাদের কাজের পারিশ্রমিক দেশে আনে। এই সব প্রতিবন্ধকতা কাটিয়ে উঠতে পারলে ফ্রিল্যান্সিং আরো উন্নত হবে বলে মনে করেন সংশ্লিষ্ট বিষয়ে কাজ করা বিজ্ঞজনেরা।
দেশের ফ্রিল্যান্স খাত নিয়ে সম্প্রতি ‘আইটি ফ্রিল্যান্সিং ইন বাংলাদেশ : অ্যাসেসমেন্ট অব প্রেজেন্ট অ্যান্ড ফিউচার নিডস’ শীর্ষক এক গবেষণা প্রকাশিত হয়েছে। গবেষণাটিতে বাংলাদেশি ফ্রিল্যান্সারদের দক্ষতা সংকটের পাশাপাশি বৈশ্বিক মানদ-ে দেশীয়দের আয়বৈষম্যের বিষয়টি উঠে এসেছে। গবেষণায় দেখানো হয়েছে, অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ খাতে বৈশ্বিক মানদ-ে একজন পুরুষ ও নারীর ঘণ্টাপ্রতি গড় পারিশ্রমিক যথাক্রমে ৩৯ দশমিক ১ ও ৩০ মার্কিন ডলার। বিপরীতে এ খাতে বাংলাদেশি পুরুষ ও নারী গড়ে পায় ১৪ ও ১০ ডলার। ডিজাইন খাতে একজন পুরুষ ও নারীর গড় পারিশ্রমিক যথাক্রমে ৩৮ দশমিক ১ ও ৬১ দশমিক ১ ডলার; বিপরীতে বাংলাদেশি পুরুষ ও নারী গড়ে পায় ২০ ও ৭ ডলার। বিজনেস সার্ভিস খাতে পুরুষ ও নারীর গড় পারিশ্রমিক ৩৮ ও ৬২ দশমিক ৩ ডলার; বিপরীতে বাংলাদেশি পুরুষ ও নারীর গড় পারিশ্রমিক ২৩ ও ১৯ ডলার।
দেশের অধিকাংশ ফ্রিল্যান্সারের আন্তর্জাতিক মার্কেট প্লেসে কাজ করার আগ্রহ খুবই কম। এ জন্যই তারা নিজেদের দক্ষভাবে গড়ে তুলতে পারছে না। উচ্চ পারিশ্রমিকের কাজে নিজেদের সম্পৃক্ত করতে পারছে না। সে বলে, ‘আমাদের দেশে সাধারণত নিম্ন পারিশ্রমিকের কাজ বেশি হয়। গেম ডেভেলপিং, বায়োমেডিক্যাল কনটেন্ট রাইটিং, ভার্চুয়াল অ্যাসিস্ট্যান্টশিপের মতো উচ্চ পারিশ্রমিকের কাজ খুব কম হয়। একটা সময় ছিল, এসব বিষয়ে লক্ষ্য করার মতো কোনো গ্রুপ ছিল না। এখন সে কাজটা বিএফডিএস করছে।’
দেশে একটা ধারণা তৈরি হয়েছে যে, ফ্রিল্যান্সিংয়ে যুক্ত হলে সহজেই ডলার উপার্জন করা যায়। কিন্তু উপার্জনের জন্য কাজের ক্ষেত্রে নিজেকে দক্ষভাবে গড়ে তুলতে হবে, সেই জায়গায় আর কেউ মনোযোগ দেয় না। এ ছাড়া দক্ষতা অর্জনে পিছিয়ে যাওয়ার আরেকটি কারণ হচ্ছে যোগাযোগ ঠিকঠাকমতো করতে না পারা। এসব সংকট কাটিয়ে উঠলে বাংলাদেশের ফিল্যান্সাররাও ভালো করতে পারবে।
আমাদের দেশে প্রায় ১৬০০ রকমের ফ্রিল্যান্সিং সেবা দেওয়া হয়। ফ্রিল্যান্সিং এ সবচেয়ে জনপ্রিয় কাজ হলো কম্পিউটার প্রোগ্রামিং অ্যান্ড টেক, গ্রাফিক্স ডিজাইন, রাইটিং অ্যান্ড ট্রান্সেলেশন, ভিডিও অ্যান্ড এনিম্যাশন, ডিজিটাল মার্কেটিং, ওয়েব ডিজাইন, ট্র্যাক্স ফাইল প্রস্তুতি, সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন ইত্যাদি। বাংলাদেশি তরুণদের যুগোপযোগী প্রশিক্ষণের মাধ্যমে ফ্রিল্যান্সিং-এ আরো আধুনিকতম করে গড়ে তুলতে পারলে বাংলাদেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে সক্ষম হবে।
বাংলাদেশে বিপিও সেক্টরের সফলতার অন্যতম চাবিকাঠি হলো প্রডাকশন কোস্ট ইকোনোমি, কারণ আমাদের দেশের জনসংখ্যা, লেবার কোস্ট, আইটি দক্ষতা এবং ইংরেজি ভাষার মাধ্যমে বাংলাদেশ পৃথিবীর ফ্রিল্যান্সিং এ নতুন হাব সংযোজন করতে সক্ষম হয়েছে। বাংলাদেশে কিছু কোম্পানি যেমন ডিউটিটেকার, জেনেক্স, এএসএল বিপিও, সার্ভিস ইঞ্জিন বিপিও, ডিজিকন টেকনোলজিস লিমিটেড বিপিও সার্ভিসের মাধ্যমে প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করে।
বাংলাদেশের অর্থনীতিতে ফ্রিল্যান্সারদের ভূমিকা অনস্বীকার্য। তবুও আমাদের দেশে ফ্রিল্যান্সিংয়ে অনেক ধরনের অসুবিধার সম্মুখীন হতে হয়। সব থেকে বড় সমস্যা হলো গুণগত প্রশিক্ষণের অভাব এবং কষ্টসাধ্য পেমেন্ট সিস্টেম, ইন্টারনেট ও বিদ্যুৎ বিভ্রাটের সমস্যা নিত্যনৈমিত্তিক ব্যাপার। এছাড়াও রয়েছে কিছু অসাধু চক্র, যারা ফ্রিল্যান্সিং কাজ ও প্রশিক্ষণ দেওয়ার নামে লাখ লাখ টাকা আত্মসাৎ করেছে। বাংলাদেশের তরুণ সমাজ তথ্য ও যোগাযোগ ক্ষেত্রে অনেকাংশে পিছিয়ে রয়েছে যার জন্য বহির্বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলা কষ্টকর হয়। ফ্রিল্যান্সারদের স্বীকৃতি উল্লেখযোগ্য একটি সমস্যা। পরিবার, সমাজ তথা রাষ্ট্রে ফ্রিল্যাসিংয়ের স্বীকৃতি খুবই কম। যার জন্য অনেক তরুণ-তরুণী ফ্রিল্যান্সিংয়ে আগ্রহ হারাচ্ছে। এই অবস্থা থেকে মুক্তি না পেলে ফ্রিল্যান্সিংয়ে আশানুরূপ ফলাফল দুরূহ হয়ে পড়বে।
ফ্রিল্যান্সিংয়ের মাধ্যমে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতি ত্বরান্বিত করার লক্ষ্যে অবশ্যই বেকার সমাজকে যথাযথ প্রশিক্ষণের মাধ্যমে কর্মক্ষম করে তুলতে হবে। কারণ ফ্রিল্যান্সিংয়ের মাধ্যমে দেশে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করে দেশের উন্নয়ন ত্বরান্বিত করা সম্ভবপর। আমাদের তরুণ সমাজকে যথাযথ প্রশিক্ষণ দিয়ে বেকার নামক অভিশাপ থেকে সমাজকে মুক্ত করা সম্ভব এবং আমরা যদি আমাদের তরুণ সমাজকে যথাযথ কাজে লাগাতে পারি; তাহলে ভবিষ্যতে ফ্রিল্যাসিংয়ের মাধ্যমে বাংলাদেশকে অর্থনৈতিক সমৃদ্ধ করা সম্ভব এবং বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের প্রধান ও অন্যতম মাধ্যম।
জাপানের অর্থনীতি-বাণিজ্যবিষয়ক সংবাদপত্র নিক্কেই এশিয়ার প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২০ সালে বাংলাদেশের ফ্রিল্যান্সাররা ঘণ্টাপ্রতি গড়ে ১০ ডলারের কম আয় করতেন। কিন্তু পেওনিয়ারের জরিপ বলছে, এখন তা ১৮ ডলার। এশিয়ার অন্য দেশগুলোতে তা ২০ ডলার। আর অন্যান্য অঞ্চলে তা ২৬ ডলার।
গুণগত মান বজায় রাখতে পারলে বাংলাদেশের অর্থনীতিতে ফ্রিল্যান্সিং বড় ভূমিকা রাখতে সক্ষম হবে।
-আল্লামা মুহম্মদ ওয়ালীউর রহমান।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
মালয়েশিয়া-বাংলাদেশ সম্পোর্কোন্নয়ন কেন শুধু দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ভিত্তিতে? অনন্য উচ্চতায় উঠা এ সম্পর্ক কেন ইসলামী মূল্যবোধ ও মুসলিম ভ্রাতৃত্বের বন্ধনে উজ্জীবিত হবে না? (১ম পর্ব)
২৫ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
প্রতিরক্ষা আধুনিকায়ন ও কৌশলগত স্বনির্ভরতা: বাংলাদেশের ৫০ লক্ষ পদাতিক বাহিনীর জন্য ৩য় প্রজন্মের এটিজিএম রোডম্যাপ (পর্ব ৭)
২৫ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
বিশ্বে তৈরী পোশাক রফতানীতে প্রথম বাংলাদেশ কেনো তুলা আমদানীতেও প্রথম? নামে তুলা উন্নয়ন বোর্ড থাকলেও স্বাধীনতার পর থেকে আজ পর্যন্ত তুলা চাষে কোনো উন্নয়নই নেই অপার সম্ভাবনা থাকলেও দেশে তুলা উৎপাদনে সরকারী কোনো তৎপরতা নেই অথচ ১৬৫০ থেকে ১৭৫০-এই ১০০ বছরে ইউরোপীয় কোম্পানিগুলোই বাংলা থেকেই ৩ লাখ গজ থেকে ৩ কোটি গজ কাপড় রপ্তানি করেছে। এই বিপুল উৎপাদনে এই বাংলাদেশই কীভাবে তুলার যোগান দিল?
২৫ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
বিশ্বে তৈরী পোশাক রফতানীতে প্রথম বাংলাদেশ কেনো তুলা আমদানীতেও প্রথম? নামে তুলা উন্নয়ন বোর্ড থাকলেও স্বাধীনতার পর থেকে আজ পর্যন্ত তুলা চাষে কোনো উন্নয়নই নেই অপার সম্ভাবনা থাকলেও দেশে তুলা উৎপাদনে সরকারী কোনো তৎপরতা নেই
২৩ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
দেশের ৪ কোটি মানুষ না খেয়ে থাকে। অথচ বছরে প্রায় ৫০ হাজার কোটি টাকার শস্য নষ্ট হয় খাদ্য অপচয় রোধ করতে ‘নিশ্চয়ই অপব্যয়কারীরা শয়তানের ভাই’- পবিত্র কুরআন শরীফ উনার এই নির্দেশ সমাজের সর্বাত্মক প্রতিফলন ব্যতীত কোনো বিকল্প নেই।
২২ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
অলস জমিদারের কায়দায় বসে বসে তালুক বিক্রী করে খাওয়ার মতই জ্যামিতিক হারে ঋণ বাড়িয়ে চলছে সরকার ২০২৮-২৯ অর্থবছর ঋণের পরিমাণ দাঁড়াবে ৩৩ লাখ ৭৭ হাজার ৬০০ কোটি টাকায়। দুর্নীতি বন্ধের পাশাপাশি উৎপাদন বাড়ানো রফতানী বৃদ্ধি ও বহুর্মুখীকরণ করার উদ্যম নেই সরকারের দেশ জাতিকে করে যাচ্ছে সুদী মহাজনদের কাছে জিম্মি ও বিক্রী।
২২ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছির আলাইহিস সালাম উনার নির্দেশনা মুবারক পালনেই সফলতা। ঢাকামুখী জনস্রোত বন্ধ এবং ঢাকা শহরের প্রশাসনিক ও প্রাতিষ্ঠানিক বিকেন্দ্রীকরণ ব্যতীত অন্য কোন পদ্ধতিতে কখনোই যানজট নিরসনের স্থায়ী সমাধান হবে না (১৩)
২১ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
ঋণ নির্ভর বাজেট প্রণয়ন না করে রফতানী বহুর্মুখীকরণের দ্বারা সমৃদ্ধ বাজেট প্রণয়ন খুব সহজেই সম্ভব। কাঁঠাল উৎপাদনে বাংলাদেশ প্রথম হলেও রফতানীতে তলানীতে। কাঁঠাল রফতানী করেও বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার আয় সম্ভব।
২০ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
বাংলাদেশের প্রয়োজনীয় ৫০ লক্ষ সেনাবাহিনীর অপ্রতিরোধ্যকরণের জন্য প্রয়োজনীয় সরঞ্জামাদির বিবরণ (পর্ব ৬)
১৮ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
বাংলাদেশের প্রয়োজনীয় ৫০ লক্ষ সেনাবাহিনীর অপ্রতিরোধ্যকরণের জন্য প্রয়োজনীয় সরঞ্জামাদির বিবরণ (পর্ব- ৫)
১৭ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
“বাংলাদেশের ওষুধ রফতানি হচ্ছে ১৪০টির বেশি দেশে”- গত পরশু (৮ই জুন) এই বিবৃতি দেয়া স্বাস্থ্যমন্ত্রী কী ভেবে দেখবেন মার্কিনীদের সাথে করা গোলামী চুক্তিতে তার এই উচ্ছাস পুরোটাই গভীর এবং চরম-পরম উৎকণ্ঠায় পর্যবসিত হয়েছে মার্কিন বাণিজ্যচুক্তি বাংলাদেশের ওষুধশিল্পের জন্যও মহা ধ্বংস প্রক্রিয়া বাংলাদেশের ৫১ কোটি নাগরিকের নিরাপত্তা নির্মূলীকরণ প্রক্রিয়া। মহা আত্মঘাতী, সর্বনাশী, দেশের সার্বভৌমত্ব বিক্রিকারী এ চুক্তি অবিলম্বে বাতিল করতে হবে (২য় পর্ব)
১৬ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
বাংলাদেশের মহাকাশ প্রতিরক্ষা কৌশল: ৫০ লক্ষাধিক বহরের সমন্বিত বাহিনীর জন্য কৃত্রিম উপগ্রহ প্রযুক্তির রূপরেখা (পর্ব-৪)
১৫ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার)












