মন্তব্য কলাম
প্রধানমন্ত্রী বলেছেন “কোনদিন ভাবতে পারিনি এতগুলো তাজা প্রাণ ঝড়ে যাবে”। বঙ্গবন্ধুর ভাষায় বলতে হয়- “প্রশাসন দেখুন কত সাধারণ মানুষ, শ্রমজীবি মানুষ এমনকী কচি দুধের শিশুকে পর্যন্ত হত্যা করা হয়েছে”। স্বজন হারা এক প্রধানমন্ত্রী এত স্বজন হারাদের কত স্বান্তনা দিবেন? বঙ্গবন্ধুর ভাষায় জিজ্ঞাসা করতে হয় ‘কি অন্যায় করেছিল তারা?
, ২৭ মুহররমুল হারাম শরীফ, ১৪৪৬ হিজরী সন, ০৫ ছালিছ, ১৩৯২ শামসী সন , ০৩ আগষ্ট, ২০২৪ খ্রি:, ১৯ শ্রাবণ, ১৪৩১ ফসলী সন, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) মন্তব্য কলাম
২০১৭ সালে ইউনেস্কো ৭ মার্চ রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমানে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) সমবেত জনসমুদ্রে জাতির উদ্দেশ্যে দেয়া.......
ঐতিহাসিক ভাষণকে বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ প্রামাণ্য ঐতিহ্য হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে।
অভিজ্ঞমহলের মতে বর্তমান কোটা আন্দোলনে সহিংসতায় মৃতদের ঘটনার প্রেক্ষিতে বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ভাষনের প্রাসঙ্গিক অংশ বিশেষ নীচে তুলে ধরা হলো-
আজ দুঃখ ভারাক্রান্ত মন নিয়ে আপনাদের সামনে হাজির হয়েছি। আপনারা সবই জানেন এবং বুঝেন। আমরা আমাদের জীবন দিয়ে চেষ্টা করেছি। কিন্তু দুঃখের বিষয়, আজ ঢাকা, চট্টগ্রাম, খুলনা, রাজশাহী, রংপুরে আমার ভাইয়ের রক্তে রাজপথ রঞ্জিত হয়েছে।
(কোটা আন্দোলনে প্রাসঙ্গিকতা- বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী ২০২৪ সালের কোটা সংস্কার আন্দোলনে এই পর্যন্ত ২০৯ জনেরও অধিক মানুষ নিহত হয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী বলেছে, ‘যেহেতু স্বজন হারিয়েছি আমি জানি কষ্ট তাই আমি যারা আপনজন হারিয়েছেন তাদের প্রতি সহমর্মিতা জানাচ্ছি। স্থাপনা ধ্বংস করেছে, সেগুলো পুনর্গঠন করা যাবে কিন্তু যে প্রাণগুলো ঝরে গেল সেগুলো তো আমরা ফিরে পাবো না।’ .......
আমি কোনোদিন ভাবতে পারিনি এসময় এধরনের একটা অবস্থার সৃষ্টি হবে। আর সেখানে এতগুলো তাজা প্রাণ যাবে।')
..... আজ বাংলার মানুষ মুক্তি চায়, বাংলার মানুষ বাঁচতে চায়, বাংলার মানুষ তার অধিকার চায়।
কী অন্যায় করেছিলাম?
(কোটা আন্দোলনে প্রাসঙ্গিকতা- কোটা আন্দোলনে নিহিত ফুলের মত পবিত্র শিশু ও সাধারণ মানুষ কী অন্যায় করেছিল....... )
১৯৬৬ সালে ছয় দফা আন্দোলনে ৭ই জুনে আমার ছেলেদের গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। (কোটা আন্দোলনে রংপুরের আবু সাইদ সহ শতাধিক ছেলেদের গুলি করে হত্যা করা হয়েছে .......)
মনে রাখবা, রক্ত যখন দিয়েছি, রক্ত আরো দেব। (কোটা আন্দোলনে প্রাসঙ্গিকতা- কোটা আন্দোলনকারীদের ভাষায় তারা রক্ত দিতে শিখেছে) এ দেশের মানুষকে মুক্ত করে ছাড়ব ইনশাল্লাহ্। .......
আপনি পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট, দেখে যান কীভাবে আমার গরিবের উপরে, আমার বাংলার মানুষের উপরে গুলি করা হয়েছে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন, কোটা আন্দোলনে ১৪৭ জন মারা গেছেন।
কী করে আমার মায়ের কোল খালি করা হয়েছে।....
কোটা আন্দোলনে প্রাসঙ্গিকতা- বঙ্গবন্ধু যে মায়েদের বুক খালি করার কথা বলেছেন তারা যে সন্তান হারিয়েছে তারা যথেষ্ট প্রাপ্ত বয়স্ক। কিন্তু কোটা আন্দোলন সহিংসতায় নিস্পাপ। ফুলের মত সমুজ্জল।
চাঁদের মতো হাস্যোজ্জল।
তারার ঝিকিমিকির মতো সমুজ্জল।
যারা আগামীদিনের দেশের সম্পদ। তারা বিকশিত না হতেই ঝড়ে পড়ল।
কোটা আন্দোলনে ফুলের মত নিষ্পাপ শিশুদের মৃত্যুতে গণমাধ্যমে শিরোনাম হয়েছে- “ফুল হয়ে ফোটার আগেই ঝরল ওরা” .......
আহাদ, রিয়া, সামির, হোসাইন, মোবারক, তাহমিদ, ইফাত ও নাঈমা নামের ফুলের মতো শিশুগুলো সবে ফুটছিল। তবে আর বিকশিত হতে পারেনি। বুলেটের আঘাতে ছোট্ট জীবনগুলো ঝরে গেছে কুঁড়িতেই। বাবার কোলের মতো নিরাপদ আশ্রয়েও তাদের আঘাত করেছে ঘাতক বুলেট। আবার কারফিউ মেনে ঘরের কোণে থেকেও কারও জীবনসৌরভ মুছে গেছে বারুদের গন্ধে।
কোটা সংস্কার আন্দোলন ঘিরে কয়েক দিনের সংঘর্ষে অন্তত ৯ শিশু গুলিতে নিহত হয়েছে। তাদের বয়স ৪ থেকে ১৬ বছরের মধ্যে। ১৮, ১৯ ও ২০ জুলাই তারা গুলিবিদ্ধ হয়। নিহত চারজন মারা গেছে নিজ বাড়িতেই। চারজন গুলিবিদ্ধ হয় সড়কে। সব ঘটনায় প্রত্যক্ষদর্শীর ভাষ্য, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর গুলিতে প্রাণ গেছে এই শিশুদের। এখনও চিকিৎসাধীন গুলিবিদ্ধ এমন কিছু শিশু।
আন্দোলনে যোগ দেওয়া ১৮ বছরের কম বয়সের কয়েকজন নিহত হওয়ার তথ্যও পাওয়া গেছে। তাদের মধ্যে ১৬ বছরের ইফাত ২০ জুলাই যাত্রাবাড়ীতে নিহত হয়। তাকে পুলিশ হাসপাতাল থেকে নিয়ে বুকের বাঁ পাশে গুলি করেছে বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা অভিযোগ করেছেন। ইফাত নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল। তার মা কামরুন নাহার সাংবাদিকদের বলেছেন, ‘আমার ছেলে কোনো অপরাধ করেনি। সে রাস্তায় পড়ে থাকা আহত একজনকে হাসপাতালে নিয়ে গিয়েছিল। তবু তার বুকে গুলি করা হলো।’
মা-বাবার মাঝ থেকেই প্রাণ কাড়ল বুলেট
চার বছরের আবদুল আহাদের মৃত্যু পাষাণকেও কাঁদাচ্ছে। যাত্রাবাড়ীর রায়েরবাগ এলাকায় ১১ তলা একটি বাড়ির আট তলার ভাড়া বাসায় থাকে তার পরিবার। ১৯ জুলাই বিকেলে পরিবারের সবাই বাসায় ছিলেন। সে সময় আন্দোলনকারীদের সঙ্গে পুলিশ ও ছাত্রলীগের সংঘর্ষ চলছিল। কী হচ্ছে দেখতে আর সবার মতো উৎসুক হয়ে ছোট্ট আহাদও বারান্দায় গিয়েছিল। এক পাশে ছিল বাবা, অন্য পাশে মা। হঠাৎ ঘাতক বুলেট তার ডান চোখে লাগলে মেঝেতে লুটিয়ে পড়ে শিশুটি।
চিকিৎসকরা জানান, গুলি চোখ দিয়ে ঢুকে মাথার ভেতর আটকে গেছে। ২০ জুলাই রাতে আহাদকে মৃত ঘোষণা করা হয়। আবুল হাসান বলেন, ‘সবকিছু যেন চোখের পলকে ঘটে গেল। আমার আদরের ছোট ছেলেকে হারালাম। এ নিয়ে আর কী বলব!’
বাবার কোলও থাকেনি নিরাপদ
নারায়ণগঞ্জের ছোট্ট শিশু রিয়ার বয়স হয়েছিল সবে ৬ বছর। স্কুলে যেতে শুরু করেছিল। পুতুলের মতো মেয়েটি ২০ জুলাই নারায়ণগঞ্জ সদরের নয়ামাটি এলাকায় বাড়ির ছাদে খেলছিল। গোলাগুলি শুরু হলে বাবা তাকে কোলে নেন। হঠাৎ একটি গুলি এসে লাগে রিয়ার মাথায়। ওই দিনই তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ২৫ জুলাই নিভে যায় রিয়ার জীবনপ্রদীপ।
সন্তান হারানোর হাহাকার বুকে নিয়ে রিয়ার বাবা বলেন, পরিবারের অন্যদের সঙ্গে মেয়েটা চার তলা বাড়ির ছাদে গিয়েছিল। তাতেই চলে গেল জীবনটা। এই শোক কী করে সইব?
ঘরে যমদূত বুলেটের হানা
টিয়ার গ্যাসের শেলের ধোঁয়া ঘরে আসা ঠেকাতে ১১ বছরের সাফকাত সামির জানালা বন্ধ করতে গিয়েছিল। তখনই একটি গুলি এসে বিদ্ধ করে তাকে। চোখ দিয়ে ঢুকে মাথার পেছন দিয়ে বেরিয়ে যায়। গুলি লাগে ঘরে থাকা চাচা ১৭ বছরের মশিউর রহমানের কাঁধেও।
মাদ্রাসায় পঞ্চম শ্রেণিতে পড়ত সামির। তার পরিবার থাকে রাজধানীর মিরপুরে কাফরুল থানা-সংলগ্ন বাড়িতে। ১৯ জুলাই ওই এলাকায় পুলিশ-আন্দোলনকারীদের সংঘর্ষ চলছিল। পুলিশ এক পর্যায়ে বুলেট ছোড়ে। তাতে ঘরের মধ্যেই প্রাণ যায় সামিরের।
‘আমি ছোট্ট, আমারে কে গুলি করবে’
২০ জুলাই পড়ন্ত বিকেল। তখনও টিয়ার শেলের গ্যাসে রাজধানীর চিটাগং রোড এলাকা ধোঁয়াচ্ছন্ন। ‘বুকের মানিক’ ১০ বছরের হোসাইনের খোঁজে দিগি¦দিক ছুটছেন বাবা মানিক মিয়া। বিকেল গড়িয়ে রাত, সংঘর্ষ তখন আরও তীব্র। মানিক মিয়া আবার খোঁজ নিয়ে জানলেন, বাসায় ফেরেনি ছেলে। এর পর স্ত্রীকে নিয়ে রাতে ফের খোঁজাখুঁজি শুরু করেন।
৯টার দিকে কেউ একজন মোবাইল ফোনে আহত হোসাইনের ছবি দেখান। সহিংসতার মধ্যে চড়াই-উতরাই পেরিয়ে মানিক পৌঁছান ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। এক চিকিৎসকের কাছ থেকে তিনি জানতে পারেন, চিটাগং রোড থেকে আসা আহতদের চিকিৎসা চলছে। রাত ২টার পর এক লোক এসে মানিক মিয়াকে মর্গে নিয়ে যান। সেখানে লাশের স্তূপে পান তার ছেলের গুলিবিদ্ধ শরীর।
হোসাইনের বাবার বাড়ি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ার বরিশল গ্রামে। তার নানার বাড়ি কুমিল্লার দেবিদ্বার উপজেলার বেতরা গ্রামে। মা-বাবার সঙ্গে চিটাগং রোড এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকত সে।
মা মালেকা বেগম বলেন, ‘ভাত খেয়ে ঘরে থাকতে বলছিলাম। ছেলে বের হয়ে যায়। আমি বারবার ডেকে ঘরে আনার জন্য যাই আর বলি, বাবা, রাস্তায় গোলাগুলি হচ্ছে, তুই বাসায় চলে আয়। ছেলে বলে, মা, আমি ছোট্ট। আমারে কে গুলি করবে?’
আন্দোলন দেখতে গিয়ে আর ফিরল না মোবারক
১৩ বছরের দুরন্ত কিশোর মোবারক হোসেন ১৯ জুলাই অন্য অনেকের মতো রাজধানীর কাঁঠালবাগান ঢাল এলাকার বাসা থেকে অদূরে কারওয়ান বাজার মোড়ে গিয়েছিল আন্দোলন দেখতে। সেই দিন বিকেল ৫টার দিকে ছেলের মাথায় গুলিবিদ্ধ হওয়ার খবর পান মা ফরিদা বেগম।
বিলাপ করতে করতে তিনি বলেন, ‘খ্যালতে যাওয়ার সময় না হয় আন্দোলন দ্যাখতে গ্যাছেই। আমার পুলারে গুলি কইরা ক্যান মারছে? মিছিল দেখতে গ্যাছে- অয় যদি অপরাধ কইরা থাহে, এক-দুইডা থাপ্পড় দিয়া খেদায় দিত। মাথার মধ্যে গুলি করল ক্যান?’
পাঁচ ভাইবোনের সবার ছোট মোবারক দারিদ্র্যের কারণে লেখাপড়া করতে পারেনি। মা-বাবার সঙ্গে থেকে গরুর খামার দেখাশোনা করত।
গুলিতে ঝাঁজরা তাহমিদের বুক
গত ১৮ জুলাই নরসিংদী শহরে আন্দোলনকারীদের ওপর পুলিশের গুলিতে নিহত হয় ১৪ বছরের তাহমিদ ভূঁইয়া। সে পড়ত নাছিমা কাদির মোল্লা হাই স্কুল অ্যান্ড হোমসের (এনকেএম) নবম শ্রেণিতে। ওই দিন বিকেল ৩টার দিকে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে নরসিংদীর জেলখানা মোড় এলাকায় জড়ো হয়েছিল আন্দোলনকারীরা। তাহমিদ সেখানে গিয়েছিল সহপাঠীদের সঙ্গে। পরে পুলিশের ছররা গুলিতে তার বুক ঝাঁজরা হয়ে যায়।
তাহমিদের লাশ হাসপাতাল থেকে নিয়ে পরে মহাসড়কে বিক্ষোভ মিছিল করে আন্দোলনকারীরা। তাতেও পুলিশ গুলি করে। মৃত্যুর পর আবার গুলিবিদ্ধ হয় তাহমিদ।
বারান্দায় নাইমার ঘাতক হয়ে আসে বুলেট
রাজধানীর উত্তরায় বাসার বারান্দায় গুলিবিদ্ধ হয়ে ১৯ জুলাই নিহত হয়েছে মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী নাঈমা (১৬)। তাদের গ্রামের বাড়ি চাঁদপুরের মতলব উত্তরের আমুয়াখান্দা উত্তরপাড়ায়।
নাঈমার মা আইনুন নাহার বলেন, বাসার সামনের সড়কে সংঘর্ষ হচ্ছিল। তা দেখতে চার তলা ভবনের বারান্দায় দাঁড়িয়ে ছিলাম। কিন্তু কিছু বুঝে ওঠার আগেই মেয়ের মাথায় গুলি লাগে। সেখানেই তার মৃত্যু হয়। নাঈমার বাবা চিকিৎসক গোলাম মোস্তফা দেওয়ান বলেন, সন্তানদের মানুষ করতে গ্রাম থেকে ঢাকায় পাঠিয়েছিলাম। কিন্তু আমার মেয়ে লাশ হয়ে ফিরল। এর দায় কার?
কৌতূহলবশত বেরিয়ে লাশ সাদ
২০ জুলাই বিকেলে সাভারে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ চলছিল। এ সময় শাহীনবাগ এলাকায় বাড়ির পাশের চাপাইন সড়কে ধোঁয়া দেখে কৌতূহলবশত সড়কের নিউমার্কেটের পাশে যায় ১৪ বছরের সাদ মাহমুদ। সেখানে পৌঁছাতেই তার বাঁ পায়ে গুলি লাগে। স্থানীয়রা এনাম মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে নিয়ে গেলে তাকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসক।
সাদের বাবার নাম বাহাদুর খান। তার বাড়ি মানিকগঞ্জের সিঙ্গাইর উপজেলার ধল্লা খানপাড়ায় হলেও ছেলেমেয়ের লেখাপড়ার জন্য শাহীনবাগ এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকেন। তিন সন্তানের মধ্যে একমাত্র ছেলে ছিল সাদ। সে শাহীনবাগ এলাকায় জাবালে নূর দাখিল মাদ্রাসায় ষষ্ঠ শ্রেণিতে পড়ত।
-আল্লামা মুহম্মদ ওয়ালীউর রহমান।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
এক হিসেব মতে মাত্র সাত হাজার কোটি টাকা ব্যায়েই সব মুসলিম দেশের দুর্ভিক্ষ দূর করা সম্ভব। অথচ সৌদি আরব, আরব-আমিরাত, কুয়েত-কাতার-ব্রুনাইর সুলতানরা এক একজন লাখ লাখ নয়, কোটি কোটি -কোটি টাকার বিলাসিতা করে আর কাফের গায়ক-গায়িকা, নায়ক-নায়িকা ও খারাপ মহিলার পেছনে হাজার হাজার কোটি টাকা খরচ করে। এদের মধ্যে ইসলামী ভ্রাতৃত্ববোধের সঞ্চারে বাংলাদেশকেই অগ্রণী হতে হবে।
০৫ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
যদি গোবর-গোচনা থেকে বিরত থাকতে চান, তাহলে বিধর্মীদের হোটেলে খাওয়া-দাওয়া থেকে বিরত থাকুন মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন, “নিশ্চয়ই মুশরিকরা (পূজারী) নাপাক”।
০৩ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
দেশের বিভিন্ন মহানগর ও জেলায় ২২৭টি এবং রাজধানীতে কিশোর গ্যাংয়ের ১৫৯টি দুর্ধর্ষ গ্রুপ সক্রিয় রয়েছে।
০৩ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
রাজধানীসহ সারা দেশে কিশোর গ্যাংয়ের মাধ্যমে ছিনতাই, চাঁদাবাজি, ডাকাতি, মাদক ব্যবসা ও সম্ভ্রহরণ এবং খুনসহ বড় অপরাধ বেড়েই চলেছে। গুরুতর অপরাধে হাতেনাতে গ্রেফতারের পরও কয়েক সপ্তাহের মধ্যে এসব কিশোর দুর্বৃত্তদের আবার এলাকায় বুক ফুলিয়ে ঘোরাফেরা করতে দেখা যায়। কিশোর আইনের নমনীয়তার কারণে অনেক অভিযুক্ত দ্রুত জামিনে বের হয়ে পুনরায় অপরাধে জড়াচ্ছে। জাতিসংঘ শিশু অধিকার সনদে শিশু হিসেবে ১৮ বছরের কম বয়সী সকলকে গণ্য করা হয়েছে।
০১ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
মুসলমানদের সাথে রাশিয়ার মুনাফেকী নূতনভাবে প্রকাশ পাচ্ছে।
২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
পরমাণু শক্তির বেসামরিক ব্যবহার নিয়ে বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র নতুন চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। যা বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বের জন্য চরম হুমকিস্বরূপ এবং বাংলাদেশের জন্য- সময়সাপেক্ষ ব্যায়বহুল ও জটিল
২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
সারের দাম হচ্ছে আরো বেশী। সব মিলিয়ে বাড়ছে উৎপাদন ব্যয় কৃষকের কঠিন দুরাবস্থায় আরো বাড়বে মূল্যস্ফীতি জন দুর্ভোগ থেকে এখন দুর্ভিক্ষের দিকে যাচ্ছে দেশ
২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর আশ্বাস কেনো আশাহীন বিষয়ে পরিণত হলো?
২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আসইয়াদ, সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিশ শুহূরিল আ’যম, মহাসম্মানিত রবীউল আউওয়াল শরীফ মাস উনার মহিমান্বিত, মহাপবিত্র ১২ তারিখ উনার সাথে সম্পর্কযুক্ত মহাসম্মানিত ১২ই রবীউছ ছানী শরীফ আজ।
২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
সরকারের এক মূর্খ মন্ত্রী বলেছে তেলের দাম বৃদ্ধিতে মূল্যস্ফীতি হবে না। অথচ তেলের দাম বৃদ্ধিতে প্রথম দাম বাড়বে খাদ্যের।
২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
অপসংস্কৃতি রোধ করতে হলে কথিত ফ্যাশন হাউজগুলো নিয়ন্ত্রণ করতে হবে
২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
উগ্র হিন্দুত্ববাদী ভারত এবং পতিত আওয়ামীলীগ চাচ্ছে বাংলাদেশে তথাকথিত জঙ্গী তৎপরতা প্রমাণ করতে।
২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার)












