মন্তব্য কলাম
প্রতি বছর ১ কোটি মানুষের মৃত্যুর কারণ হতে পারে অপ্রয়োজনীয় অ্যান্টিবায়োটিক “অ্যান্টিবায়োটিক রেজিস্ট্যান্স নতুন আশঙ্কা এবং বেশিরভাগ অ্যান্টিবায়োটিকের কার্যকারিতা কমেছে”- এ তথ্যকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে। নচেৎ সাধারণ অসুখেই প্রাণনাশ হতে পারে
, ১১ অক্টোবর, ২০২৪ ১২:০০:০০ এএম ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) মন্তব্য কলাম
চিকিৎসকের ব্যবস্থাপত্র ছাড়া অ্যান্টিবায়োটিক বিক্রির ওপর নিষেধাজ্ঞা রয়েছে।
এ সংক্রান্ত সচেতনতা বৃদ্ধিতে বাংলাদেশের গণমাধ্যমের ভূমিকা নিয়ে গবেষণা করেছেন একদল গবেষক। সম্প্রতি আইসিডিডিআর,বি (আন্তর্জাতিক উদরাময় গবেষণা কেন্দ্র, বাংলাদেশ), স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ ও মিটফোর্ড হাসপাতাল, যুক্তরাষ্ট্রের ম্যাসাচুসেটস আমর্হাস্ট বিশ্ববিদ্যালয় এবং অস্ট্রেলিয়ার নিউ সাউথ ওয়েলস বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা ২০১০ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২১ সালের সেপ্টেম্বরের মধ্যে ১২টি দৈনিকের ২৭৫টি প্রতিবেদন, সম্পাদকীয় ও মতামত বিশ্লেষণ করেন।
গত পরশু বুধবার আইসিডিডিআর,বি এই তথ্য জানিয়েছে।
সংবাদ বিশ্লেষণে উঠে এসেছে, অ্যান্টিবায়োটিক প্রতিরোধ্যতা সম্পর্কিত ৩২ দশমিক দুই শতাংশ প্রতিবেদন করা হয়েছে ভোক্তাদের দ্বারা অ্যান্টিবায়োটিকের অপব্যবহার বিষয়ে। এ ছাড়া, ২৯ শতাংশ সংবাদ ছিল চিকিৎসকের ব্যবস্থাপত্র ছাড়া অ্যান্টিবায়োটিক বিক্রি নিয়ে এবং ২৬ দশমিক এক শতাংশ প্রতিবেদনে স্বাস্থ্যসেবা প্রদানকারীদের অতিরিক্ত ওষুধ দেওয়ার ঘটনা দেখা যায়।
তবে, অ্যান্টিবায়োটিকের প্রসার এবং বিক্রিতে ফার্মাসিউটিক্যাল কোম্পানিগুলোর ভূমিকা নিয়ে খুব বেশি প্রতিবেদন দেখা যায়নি।
আইসিডিডিআর,বির হেলথ সিস্টেমস অ্যান্ড পপুলেশন স্টাডিজ বিভাগের রিসার্চ ইনভেস্টিগেটর এবং এই গবেষণার প্রধান গবেষক ডা. তাহমিদুল হক বলেন, 'মানুষের মধ্যে অ্যান্টিবায়োটিক প্রতিরোধ্যতা বিষয়ে সচেতনতা তৈরি এবং জাতীয় কর্ম পরিকল্পনা সমর্থন করতে গণমাধ্যমে সঠিক, বিস্তারিত ও সামঞ্জস্যপূর্ণ সংবাদ প্রয়োজন। এর ফলে মানুষ যেমন সচেতন হবে, পাশাপাশি স্বাস্থ্যসেবা প্রদানকারীদেরও জবাবদিহিতার আওতায় নিয়ে আসা যাবে। '
বাংলাদেশে অ্যান্টিবায়োটিক প্রতিরোধ্যতা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে। সাম্প্রতিক তথ্য অনুসারে, মূত্রনালীর সংক্রমণ, গ্যাস্ট্রোইনটেস্টাইনাল ইনফেকশন এবং সেপসিসসহ বিভিন্ন সংক্রমণের জন্য দায়ী ই. কোলাই-এর মতো সাধারণ অণুজীবের মধ্যে প্রতিরোধ্যতার হার উদ্বেগজনকভাবে বেশি দেখা গেছে। অ্যামপিসিলিনের রেজিস্ট্যান্স ৯৪ দশমিক ছয় শতাংশ, অ্যামোক্সিক্লাভ ৬৭ দশমিক এক শতাংশ, সিপ্রোফ্লক্সাসিন ৬৫ দশমিক দুই শতাংশ এবং কো-ট্রাইমক্সাজোল ৭২ শতাংশ।
সম্প্রতি এক সমীক্ষায় জানা গেছে, দেশের সব জরুরি ও বহুল ব্যবহৃত অ্যান্টিবায়োটিক ওষুধ ৫০ শতাংশেরও বেশি কার্যকারিতা হারিয়েছে। এতে দেশের পুরো জনগোষ্ঠী যে কোনো ধরনের মহামারির বিরুদ্ধে অরক্ষিত থেকে যেতে পারে।
সাধারণত অ্যান্টিবায়োটিক রেজিস্ট্যান্স বলতে বোঝায়, যদি কারও শরীরে ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণজনিত রোগ হয় এবং সেই রোগ নিরাময়ে কেউ যদি চিকিৎসকের পরামর্শমতো সঠিক পরিমাণে এবং পর্যাপ্ত সময় ধরে অ্যান্টিবায়োটিক গ্রহণ না করেন তাহলে ব্যাকটেরিয়াগুলো পুরোপুরি ধ্বংস না হয়ে উল্টো আরও শক্তিশালী হয়ে উঠতে পারে। তখন এই ব্যাকটেরিয়ার বিরুদ্ধে ওই অ্যান্টিবায়োটিক পরে আর কাজ করে না। অ্যান্টিবায়োটিক প্রয়োগের পরেও ব্যাকটেরিয়ার এই টিকে থাকার ক্ষমতা অর্জনকে অ্যান্টিবায়োটিক রেজিস্ট্যান্স বলা হয়।
প্রকাশিত এক প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, মানবদেহে সংক্রমণ ঘটানো প্রধান জীবাণুগুলোর বিরুদ্ধে বাংলাদেশে ব্যবহৃত প্রথম ও দ্বিতীয় ধাপের অ্যান্টিবায়োটিক প্রায় ৯০ ভাগ অকার্যকর হয়ে পড়েছে। এর প্রথম ও প্রধান কারণ হচ্ছে অ্যান্টিবায়োটিকের অযাচিত ব্যবহার। গত বছরের জানুয়ারি থেকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএসএমএমইউ) আসা ৭২ হাজার ৬৭০ জন রোগীর নমুনা পরীক্ষা করে এ ফলাফল জানা গেছে।
দুটি আলাদা গবেষণায় দেখা গেছে, শতকরা ৯ ভাগ শিশুর মধ্যে কোনো অ্যান্টিবায়োটিক কাজ করছে না। ৭০ শতাংশ নিউমোনিয়া রোগীর শরীরে কার্যকারিতা হারিয়েছে চার ধরনের অ্যান্টিবায়োটিক। কোনো অ্যান্টিবায়োটিক কাজ করছে না, এমন রোগীর সংখ্যা ৭ শতাংশ। বাংলাদেশের অ্যান্টিবায়োটিক পরিস্থিতি নিয়ে পরিচালিত এসব গবেষণা সম্প্রতি ‘প্লাস ওয়ান’ নামে একটি আন্তর্জাতিক জার্নালে প্রকাশিত হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মূলত অপ্রয়োজনীয় ও অনিয়মতান্ত্রিকভাবে সেবনের কারণে কার্যকারিতা হারাচ্ছে অ্যান্টিবায়োটিক।
গবেষণা প্রতিবেদনে বলা হয়, দেশে অন্তত ৭৫ ভাগ ইনফেকশন হয় টাইফয়েড, ই-কোলাই, স্ট্যাফাউরিয়াস, ক্লিবশিয়েলা ও সিউডোমোনাস ব্যাকটেরিয়ার মাধ্যমে। এসব ব্যাকটেরিয়ার বিরুদ্ধে অ্যাকসেস ও ওয়াচ গ্রুপের অ্যান্টিবায়োটিক অকেজো হয়ে গেছে প্রায় ৯০ শতাংশ। এছাড়া, আইসিইউয়ের রোগীদের যে অ্যান্টিবায়োটিকে চিকিৎসা চলতো, তা এখন ওয়ার্ডের রোগীদেরও দিতে হচ্ছে। এতে বোঝা যায়, পরিস্থিতি কত খারাপের দিকে যাচ্ছে।
একইসঙ্গে যেসব জীবাণু আগে শুধু আইসিইউতে মিলতো তা এখন কমিউনিটিতেও খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে বলে গবেষণায় উল্লেখ করা হয়েছে।
‘কিছু অ্যান্টিবায়োটিক আছে, যেগুলোকে একেবারে শেষ ধাপ হিসেবে রিজার্ভ করে রাখা হয়েছে। সে বিষয়ে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলছে, একান্ত বিপদে না পড়লে এই রিজার্ভ গ্রুপের অ্যান্টিবায়োটিকগুলো একেবারেই ব্যবহার করা উচিত নয়। কিন্তু বর্তমানে আমরা দেখছি, অহরহ এসব রিজার্ভ গ্রুপের অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহার করা হচ্ছে। যেগুলো সাধারণত সর্বোচ্চ মুমূর্ষু অবস্থায় আইসিইউতে থাকা রোগীদের ক্ষেত্রে ব্যবহার হওয়া উচিত- সেগুলো এখন হাসপাতালে সাধারণ ওয়ার্ডেই ব্যবহার করা হচ্ছে। ’
প্রসঙ্গত, ‘আমাদের একটা বিষয় মনে রাখতে হবে, আমরা রিজার্ভের যে অ্যান্টিবায়োটিকগুলো এখনই ব্যবহার করে ফেলছি, এর পরে কিন্তু আমাদের আর যাওয়ার কোনও জায়গা নেই। সেই সময়ে কিন্তু আমাদের অনেক বড় বিপদে পড়তে হবে। তখন দেখা যাবে, অ্যান্টিবায়োটিক সাধারণ সর্দি-জ্বরে কাজ করবে না। তখন সামান্য অসুখ-বিসুখেই প্রাণ হারাতে হবে। নাউযুবিল্লাহ!
উল্লেখ্য, দেশে প্রায় আড়াই লাখের মতো ওষুধের দোকান আছে। এর মধ্যে এক লাখ বা তারও বেশি অননুমোদিত। প্রতিদিন জ্বর, সর্দি, কাশি, শরীর ব্যথা, আমাশয় আক্রান্ত কয়েক লাখ মানুষ ওষুধের দোকানদার, অপ্রশিক্ষিত ব্যক্তির পরামর্শে অথবা নিজের ইচ্ছায় অ্যান্টিবায়োটিক কিনে সেবন করেন। বেশির ভাগই ব্যবহারে কোনো নীতিমালা মানেন না। এভাবে অনিরাপদ ব্যবহার অ্যান্টিবায়োটিককে অকার্যকর করে তুলছে। এতে করে ভবিষ্যতে কেউই নিরাপদ থাকবে না। অর্থাৎ রোগী, দোকানদার এবং চিকিৎসক সবাই অ্যান্টিবায়োটিক কার্যকারিতা হারানোর ক্ষেত্রে সবিশেষ ভূমিকা রাখছে।
লক্ষণীয়, ইউরোপ, আমেরিকা, অস্ট্রেলিয়াসহ বিশ্বের উন্নত অনেক দেশে অ্যান্টিবায়োটিকের ব্যবহার কমিয়ে আনা হয়েছে। কিন্তু আমাদের এখানে অ্যান্টিবায়োটিকের ব্যবহার কমানো সম্ভব হচ্ছে না। ফলে অ্যান্টিবায়োটিক কার্যকারিতা হারাচ্ছে। অবশ্য অ্যান্টিবায়োটিক অকার্যকর হয়ে পড়ার বা জীবাণু অ্যান্টিবায়োটিক প্রতিরোধী হওয়ার ঘটনা নতুন নয়। বেশ কয়েক বছর ধরেই সমস্যাটি নিয়ে আলোচনা হচ্ছে, গণমাধ্যমে খবর বের হচ্ছে। তবে অ্যান্টিবায়োটিকের যথেচ্ছ ব্যবহার বন্ধে সরকার বা স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের দৃশ্যমান ও কার্যকর কোনো কর্মসূচি চোখে পড়ে না। এর মূল্য দিতে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে। অ্যান্টিবায়োটিক ঠিকমতো কাজ না করায় রোগীকে একাধিক অ্যান্টিবায়োটিক দেওয়া হচ্ছে, রোগীকে হাসপাতালে বেশি দিন থাকতে হচ্ছে।
সঙ্গত কারণে এন্টিবায়োটিকের যৌক্তিক ব্যবহার নিশ্চিত করা জরুরি। এজন্য প্রয়োজনে কঠোর হতে হবে। আর সংশ্লিষ্ট সবাইকে সচেতন হতে হবে। এই সচেতনতা দরকার নীতিনির্ধারকদের, স্বাস্থ্য ও ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের, হাসপাতাল ব্যবস্থাপকদের, ওষুধ প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠানের, ব্যবস্থাপত্র যারা লেখেন, সেই চিকিৎসকদের, ওষুধের দোকানদারদের, সর্বোপরি সাধারণ মানুষের।
যদি অ্যান্টিবায়োটিকের অপ্রয়োজনীয় ব্যবহারের কুফল সম্পর্কে মানুষকে সজাগ না করা যায়, তবে এর ফলে যে মহামারির সৃষ্টি হবে, তা ভেঙে ফেলতে পারে আমাদের স্বাস্থ্য ব্যবস্থাকে।
-আল্লামা মুহম্মদ ওয়ালীউর রহমান।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
লৌহকপাটের অন্তরালে রূহানী আর্তনাদ : কারাবন্দীদের দ্বীনি তালিম ও সদ্ব্যবহার নিশ্চিত করা এখন সময়ের দাবি ও ঈমানি ফরয
১৪ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
অভিযোগ উঠেছে নতুন করে দলীয় চাদাবাজির আওতায় আনতেই হকার উচ্ছেদ। বিভিন্ন অব্যবস্থাপনা ও অন্যায়ের কারণে হকারের সংখ্যা প্রায় ২০ লাখ পূণর্বাসন না করে এদের উচ্ছেদ অমানবিক, সংবিধানের ১২টিরও বেশী অনুচ্ছেদের সাথে চরম সাংঘর্ষিক এবং ভয়াবহ অনৈসলামিক ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড, হেলথ কার্ড এর কথা শোনা গেলেও হকার কার্ডের আওয়াজ নেই কেন?
১৪ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছির আলাইহিস সালাম উনার নির্দেশনা মুবারক পালনেই সফলতা। ঢাকামুখী জনস্রোত বন্ধ এবং ঢাকা শহরের প্রাতিষ্ঠানিক বিকেন্দ্রীকরণ ব্যতীত অন্য কোন পদ্ধতিতে কখনোই যানজট নিরসনের স্থায়ী সমাধান হবে না। যানজট নিরসনের মূল কারণ চিহ্নিত ও পদক্ষেপ নিতে না পারাই ঢাকায় যানজটের প্রধান কারণ। (৩য় পর্ব)
১৩ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
দ্বীনি উসকানি ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্টের অপচেষ্টা; কুশল লা’নতুল্লাহি আলাইহির বিতর্কিত অপতৎপরতা
১২ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
৯৮ ভাগ জনগোষ্ঠী মুসলমানের সংস্কৃতি যে অমুসলিমের উপলব্ধির কাছে নিরাপদ নয় তারই প্রমাণ দিলো বর্তমান সংস্কৃতি মন্ত্রী। অমঙ্গল যাত্রাসহ বিভিন্ন কাট্টা হারাম সংস্কৃতি চালুর উৎসাহে যে বিভোর। ইসলামী পর্যবেক্ষকমহল ও সংবাদ মাধ্যম তাকে আওয়ামীলীগের সাংস্কৃতিক এজেন্ডার ধারাবাহিকতা পালনকারী হিসেবে মন্তব্য করেছেন।
১২ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
এবার ঘরের দিকে তাকানোর সময় হয়েছে বাংলাদেশের: দেশীয় সব কাজ ভার্তৃপ্রতীম মুসলিমদেশদেরকেই শুধুমাত্র সুযোগ দেয়া উচিত
১১ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
গত দেড় দশকে জিডিপির আকার ও প্রবৃদ্ধি অতিরঞ্জিত করে ও মিথ্যা তথ্য দিয়ে দেশী-বিদেশী উৎস থেকে অনেক বেশি ঋণ সুবিধা নিয়েছে আওয়ামীলীগ জালেমশাহী সরকার।
১১ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণে বাল্যবিয়ে বন্ধ করা কাফিরদের ষড়যন্ত্র
১০ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
কৃষিতে ডিজেল সংকট হুমকিতে ইরি-বোরো ও পাট উৎপাদন ডিজেল সংকটে সৌরবিদ্যুতের নলকূপই এখন কৃষকের জন্য খোদায়ী রহমত।
১০ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার নির্দেশনা মুবারক পালনেই সফলতা। ঢাকামুখী জনস্রোত বন্ধ এবং ঢাকা শহরের প্রাতিষ্ঠানিক বিকেন্দ্রীকরণ ব্যতীত অন্য কোন পদ্ধতিতে কখনোই যানজট নিরসনের স্থায়ী সমাধান হবে না।
০৯ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
বিদ্যুৎবাঁচাতে সন্ধ্যা ৬টার সময় দোকানপাট বন্ধ করলে অর্থনীতি আরো দুর্বল হবে
০৯ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
হুজুগে মাতা বাঙ্গালী তেলের অবৈধ মজুতেই দেশের বিপদ ডেকে আনছে বাংলাদেশেই উৎপাদন হয় পর্যাপ্ত পেট্রোল-অকটেন। তারপরেও আতঙ্ক কেন?
০৮ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার)












