পরমাণু বোমা কেন এত ধ্বংসাত্মক?
, ২৪ জুমাদাল উলা শরীফ, ১৪৪৫ হিজরী সন, ১০ সাবি’ ১৩৯১ শামসী সন , ০৯ডিসেম্বর, ২০২৩ খ্রি:, ২৩ অগ্রহায়ণ, ১৪৩০ ফসলী সন, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) পাঁচ মিশালী
তিন দিনের ব্যবধানে দেশটির হিরোশিমা ও নাগাসাকি দুটি পরমাণু বোমা ফেলে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। তাদের যে ক্ষয়ক্ষতি হয় তা আজও ভুলতে পারেনি জাপান।
৬ আগস্ট ১৯৪৫। সকালে হঠাৎ এক ভয়ানক শব্দে দিশেহারা হিরোশিমার মানুষ। আকাশ থেকে নেমে আসা বিভীষিকা মুহূর্তের মধ্যেই জাহান্নাম বানিয়ে ফেলল শহরটাকে। কয়েক হাজার মানুষ কিছু বুঝে ওঠার আগেই প্রাণ হারায়। যারা বেঁচে যায়, না বাঁচলেই বোধ হয় ভালো হতো তাদের জন্য।
আগুনে দগ্ধ হয়ে বেঁচে থাকার কতটা ভয়াবহ, তা কেবল ভুক্তভোগীই জানে।
এক মাসের মধ্যে শুধু হিরোশিমায়ই মারা যায় দেড় লাখ মানুষ, তিন দিন পর (৯ আগস্ট) নাগাসাকিতে একই রকমের বিস্ফোরণে মারা যায় প্রায় ৮০ হাজার। হিরোশিমা নাগাসাকি সেই ক্ষত ৭৮ বছরেও কাটিয়ে উঠতে পারেনি।
হিরোশিমাতে ও নাগাসাকিতে আকাশ থেকে যে বোমা ফেলেছিল মার্কিন সৈনিকরা, তা সাধারণ কোনো বোমা ছিল না। সেটি ছিল নিউক্লিয়ার বিক্রিয়ার সবচেয়ে নেতিবাচক উদাহরণ।
বিক্রিয়া বলতে একসময় শুধুই রাসায়নিক বিক্রিয়াকেই বোঝানো হতো। রাসায়নিক বিক্রিয়া একাধিক মৌলের মধ্যে ইলেকট্রনের আদান-প্রদান হয়, এর ফলে একাধিক মৌল মিলে তৈরি হয় নতুন এক যৌগিক পদার্থ। এসব বিক্রিয়া মৌলগুলো পরস্পরের সঙ্গে যুক্ত হয়ে নতুন বৈশিষ্ট্যের যৌগিক পদার্থ তৈরি করে ঠিকই, কিন্তু এতে মৌলগুলোর নিজস্ব ধর্মে কোনো পরিবর্তন আসে না। কিন্তু নিউক্লিয়ার বিক্রিয়ার ক্ষেত্রে এ কথা বলা যায় না।
এই বিক্রিয়ায় এক ধরনের মৌলিক পদার্থ পরিবর্তীত হয়ে সম্পূর্ণ নতুন এক ধরনের মৌলে রূপ নেয়। তাই বদলে যায় ধর্ম, বৈশিষ্ট্য, এমনকি আকার-আকৃতি, রং ও গন্ধেরও পরিবর্তন ঘটে। তাপমাত্রা চাপ ঘনমাত্রা ইত্যাদির ওপর নির্ভর করে রাসায়নিক বিক্রিয়া। কিন্তু রাসায়নিক বিক্রিয়া ছাড়াও যে আরো এক ধরনের বিক্রিয়া থাকতে পারে, সে ব্যাপারটা জানা ছিল না বিজ্ঞানীদের। সেটা নিউক্লিয়ার (পরমাণু) বিক্রিয়া।
নিউক্লিয়ার বোমা থেকে যে বিপুল পরিমাণ শক্তি নির্গত হয় তাপ আকারে। আর সেই তাপশক্তি জ্বালিয়ে-পুড়িয়ে ধ্বংস করে দেয়, মানুষ, ঘর-বাড়ি, শহর-নগরকে।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
ঘরোয়া মসলায় লুকিয়ে থাকা চিকিৎসাগুণ সম্পর্কে জানেন?
১৯ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
আমে কীটনাশক রয়েছে কিনা? পরীক্ষা করুন পাঁচ পদ্ধতিতে
১৮ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
মহাবিশ্ব দ্রুত গতিতে সম্প্রসারিত হচ্ছে: নতুন গবেষণা
১৮ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
কাচারি ঘরের ইতিকথা
১৭ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
কদম মুবারকে কদম রসূল
১৭ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
ব্রেইন-কম্পিউটার ইন্টারফেস
১৬ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
ইন্দোনেশিয়ায় আন্তর্জাতিক উদ্ভাবন প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশি দুই শিক্ষার্থীর সাফল্য
১৬ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
জামের বীজের গোপন গুণ, যা অনেকেরই অজানা
১৫ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
এই চার পানীয় শরীর থেকে ক্ষতিকর পদার্থ বের করে দেয়
১৫ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
ভুট্টায় প্রোটিন বাড়ানোর নতুন জিন আবিষ্কার
১৪ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
সাহারা মরুভূমির উল্কাপিন্ডে মিললো হারিয়ে যাওয়া গ্রহের প্রমাণ
১৪ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
ছায়াপথের কেন্দ্রে বিরল দৃশ্য, নতুন রহস্যের সূত্র পাওয়ার দাবি বিজ্ঞানীদের
১৩ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার)












