মন্তব্য কলাম
নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে আবেদনের যোগ্যতা ৩.৭৫, তবুও ২.৯৫ পেয়ে অধ্যাপক অন্যান্য দেশে অধ্যাপক হতে ২০ বছর লাগলেও বাংলাদেশে লাগে মাত্র ১২ বছর! গবেষণায় যোগ্যতা না থাকার পরও বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে নিয়োগ পাচ্ছে নামধারী অধ্যাপকরা। গবেষণা কমছে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে, প্রশিক্ষণ না পেয়ে দেশ ছাড়ছে গবেষণায় উৎসাহী মেধাবীরা।
, ০৫ মুহররমুল হারাম শরীফ, ১৪৪৬ হিজরী সন, ১৪ ছানী, ১৩৯২ শামসী সন , ১২ জুলাই, ২০২৪ খ্রি:, ২৮ আষাঢ়, ১৪৩১ ফসলী সন, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) মন্তব্য কলাম
২০১০ সালে পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রভাষক (নন টেকনিক্যাল) পদে চাকরি পান মেহেদী হাসান। বিশ্ববিদ্যালয়ের তৎকালীন রেজিস্ট্রার ড. নির্মল চন্দ্র সাহা স্বাক্ষরিত সেই নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয় আবেদন প্রার্থীর শিক্ষা জীবনের সব স্তরে প্রথম বিভাগ/শ্রেণি থাকতে হবে। পাশাপাশি প্রার্থির জিপিএ/সিজিপিএ ৪ এর জন্য কমপক্ষে ৩ দশমিক ৭৫ থাকতে হবে। তবে মেহেদী হাসানের সিজিপিএ ২ দশমিক ৯৫ হওয়া সত্ত্বেও তিনি সেসময় প্রভাষক পদে আবেদন করেছেন এবং নিয়োগও পেয়েছেন।
অভিযোগ রয়েছে তৎকালীন প্রভাবশালী স্থানীয় এক নেতা এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ডেপুটি রেজিস্ট্রার প্রভাব খাটিয়ে তাকে নিয়োগ দেন।
সম্প্রতি এক দৈনিকে ‘বাংলাদেশেই অধ্যাপক হওয়া সবচেয়ে সহজ’ শিরোনামে একটা প্রতিবেদন প্রকাশ হয়েছে। প্রতিবেদনের মূল বক্তব্য সারসংক্ষেপ আকারে শুরুতেই আলাদা বক্সে তুলে ধরা হয়েছে এভাবে-বাংলাদেশে বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপক হতে লাগে মাত্র ১২ বছর, যেখানে অন্যান্য দেশে লাগে ২০ বছর, বিভাগে সব শিক্ষকের মধ্যে অধ্যাপকের সংখ্যা অন্যান্য পদের থেকে বেশি এবং অধ্যাপক পদে ২৯ বছর থাকার পরেও প্রকাশনার জন্য কোনো বাধ্যবাধকতা নেই।
কথিত উন্নত বিশ্বে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকতার পদে নিয়োগের জন্য বিজ্ঞাপনে সুনির্দিষ্ট করে উল্লেখ থাকে কোন বিশেষায়নে গবেষণায় পিএইচডি এবং গবেষণায় পারদর্শিতার প্রমাণস্বরূপ প্রকাশনা। আর আমাদের দেশের নিয়োগের বিজ্ঞাপনে থাকে শুধু পদের নাম, কোনো নির্দিষ্ট বিশেষায়নের উল্লেখ ছাড়াই। প্রথম শ্রেণীতে অনার্স আর মাস্টার্স থাকলেই প্রার্থীকে যোগ্য হিসেবে গণ্য করা হয়। বিশেষ বিশেষায়নে গবেষণা এবং প্রকাশনা থাকাটা বাধ্যতামূলক হওয়ার কথা ছিল, যেহেতু মাস্টার্স পর্যায়ের পাঠ বিশেষায়িত এবং থিসিস গবেষণাভিত্তিক। বিশেষায়নকে বাদ দেয়া এবং গবেষণাভিত্তিক প্রকাশনাকে উপেক্ষা করা দিয়ে যে শুরু, সেটাই ক্রমান্বয়ে চলতে থাকে পরবর্তী ধাপগুলোয়। প্রভাষকের পদে যোগদানের পর নিতান্ত ব্যক্তিগত কারণে (যেমন বিদেশে উচ্চশিক্ষার জন্য গিয়ে স্থায়ীভাবে সেটল করা) অথবা অন্য কোনো ব্যতিক্রম (যেমন রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হওয়া) ছাড়া কারো চাকরিচ্যুতি ঘটেছে বা কারো পদোন্নতি হয়নি এমনটি শোনা যায় না।
শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ পাওয়ার জন্য উন্নত বিশ্বে যেখানে ওই বিষয়ের মধ্যকার বিশেষ কোনো বিশেষায়নে (যেমন সমাজবিজ্ঞানের তত্ত্ব, উন্নয়নের সমাজবিজ্ঞান, রাজনৈতিক সমাজবিজ্ঞান, শ্রমের সমাজবিজ্ঞান ইত্যাদি) যোগ্যতা প্রমাণের দরকার হয়, বাংলাদেশে দরকার হয় ওই বিষয়ের ‘বাইরের বিশেষ’ যোগ্যতা, যেমন রাজনৈতিক মতাদর্শ, প্রভাবশালী শিক্ষকের আনুকূল্য ইত্যাদি। ফলে নিয়োগপ্রাপ্তরা ব্যক্তিগতভাবে মেধাবী ছাত্রছাত্রী হওয়া সত্ত্বেও যেসব ‘বাইরের’ যোগ্যতা নিয়োগকে (এবং পরবর্তী সময়ে পদোন্নতিকে) প্রভাবিত করে, সেগুলোই প্রাধান্য দিয়ে থাকেন। বিশেষভাবে কোনো বিশেষায়নে নিজেকে নিবিড়ভাবে নিয়োজিত না করে বরং তারা রাজনৈতিক মতাদর্শ বা প্যাট্রন-শিক্ষকের মুখাপেক্ষী হয়েই থেকে যান। ২০১৭ সালের বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের বার্ষিক প্রতিবেদনে দেখা গেছে, দেশের সাতটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি গবেষণাও পরিচালিত হয়নি। এমনকি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বরাদ্দ গবেষণা বাজেটের ৪০ শতাংশ অব্যবহূত থেকে গেছে। শিক্ষকদের অনেকেই অভিযোগ করেন বিশ্ববিদ্যালয়গুলোয় পর্যাপ্ত গবেষণা ফান্ড না থাকার কথা। কিন্তু অতি নগণ্য পরিমাণে যেটুকু আছে, সেটাও যদি ব্যবহার করা না হয়, তাহলে ফান্ডের অপ্রতুলতার অভিযোগ ধোপে টেকে না।
সাধারণত নিয়ম অনুযায়ী, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক হতে হলে প্রথমে যোগদান করতে হবে রিসার্চ অ্যাসিস্ট্যান্ট হিসেবে। এর পরের পদ রিসার্চ ফেলো, তারপর লেকচারার, সিনিয়র লেকচারার। এই পর্যন্ত আসতে একজন শিক্ষকের প্রয়োজন হয় সাত থেকে আট বছর। এর পরের পদ রিডার এবং তারপর অধ্যাপক। এভাবে অধ্যাপক হতে পর্যাপ্ত গবেষণা ও পাবলিকেশনস থাকার পরও ২০ থেকে ২৫ বছর সময় লাগে। সেইসাথে, সাধারণত ১০ থেকে ২৫ বছর পর্যন্ত শিক্ষকতার অভিজ্ঞতা, আন্তর্জাতিকসহ জাতীয় কোনও জার্নালে অন্তত তিনটি থেকে ১৭টি প্রকাশনা এবং সহযোগী অধ্যাপক পদে অন্তত ৪ থেকে ৭ বছরের অভিজ্ঞতা থাকলেই একজন শিক্ষক অধ্যাপক পদে নিয়োগের যোগ্য হয়। কিন্তু বাংলাদেশে অনেকটা সোজাসাপ্টা পদ্ধতি চলছে। এইসব যোগ্যতা থাকুক বা না থাকুক নামের আগে সেটে যাচ্ছে অধ্যাপক।
উল্লেখ্য, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি), জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট), জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে পিএইচডি গবেষণার বিকল্প হিসেবে চাকরির দীর্ঘ অভিজ্ঞতা ও কয়েকটি গবেষণা প্রবন্ধ প্রকাশনা হিসেবে থাকলে শিক্ষকদের অধ্যাপক পদে নিয়োগ বা পদোন্নতি দেয়া হয়। ঢাবি প্রশাসন সূত্রে, বিশ্ববিদ্যালয়টিতে শিক্ষক সংখ্যা প্রায় ২ হাজার। এর মধ্যে অন্তত ৫০০ জন অধ্যাপক রয়েছে। তাদের মধ্যে অন্তত ১০০ জন শিক্ষকেরই পিএইচডি নেই। অভিযোগ রয়েছে, এই শিক্ষকদের মধ্যে অন্তত ১০ থেকে ১৫ জন ন্যূনতম যোগ্যতা পূরণ না করেই অধ্যাপক হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে (জবি) শিক্ষক প্রায় ৬৫০ জন। এর মধ্যে অধ্যাপক রয়েছে দেড়শ’ জনের মতো। তাদের মধ্যে ৩০ থেকে ৩৫ জন পিএইচডি ছাড়াই অধ্যাপক হিসেবে নিয়োগ পেয়েছে।
সংশ্লিষ্টরা বলছে, শিক্ষায় গবেষণায় মনোযোগ আছে বিশ্বের এমন দেশগুলোর বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে এখন পিএইচডি ছাড়া অন্য কোনও বিকল্প শর্তে কাউকেই অধ্যাপক পদে নিয়োগ দেয়া হয় না। অথচ বাংলাদেশে বিকল্প শর্ত তো আছেই, বরং যত দিন যাচ্ছে ততই সে শর্তও সহজ করা হচ্ছে। ফলে দেশের উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোয় এখন পিএইচডি ছাড়া অধ্যাপকের সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে। এদের মধ্যে কিছু সত্যিকারের মানসম্মত ব্যক্তি রয়েছেন ঠিকই, তবে বেশিরভাগ অধ্যাপকের মান নিয়ে প্রায়ই প্রশ্ন তোলে তাদের ডিগ্রিধারী সহকর্মী এবং শিক্ষার্থীরা।
অন্যদিকে, শুধু টাইটেল নির্ভর এই শিক্ষাব্যবস্থার কারণে ক্রমই নিম্নমুখী হচ্ছে দেশের শিক্ষার মান। শিক্ষকদের দক্ষতা ও মেধা নিয়েও প্রশ্ন তোলার সুযোগ তৈরি হচ্ছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা শুধু শিক্ষকই নন, গবেষকও। একজন শিক্ষক শ্রেণিকক্ষে যেমন পাঠদান করেন, তেমনি তাকে গবেষণাও করতে হয়। জ্ঞানের নতুন নতুন দিক উন্মোচন করে শিক্ষার্থী ও গবেষকদের সামনে তুলে ধরতে হয়। গবেষকদের গবেষণাকর্মের তত্ত্বাবধানও করার কথা একজন অধ্যাপকের। কিন্তু একজন অধ্যাপকের নিজেরই যদি গবেষণা করার অভিজ্ঞতা না থাকে, তাহলে ওই প্রতিষ্ঠানই ক্ষতিগ্রস্ত হয়। প্রশ্ন ওঠে প্রতিষ্ঠানটির শিক্ষাদানের মান নিয়ে। উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অধ্যাপক পদটিই একজন শিক্ষকের জন্য সর্বোচ্চ পদ। সেখানে যোগ্যতম শিক্ষকেরই আসীন হওয়া উচিত। কিন্তু তা না হয়ে সেই পদে বসছে একজন অধ্যাপক নামধারী ব্যক্তি। যার অধ্যাপক হওয়ারই যোগ্যতা নেই।
প্রসঙ্গত, যে অধ্যাপকের মূল যোগ্যতাই হচ্ছে গবেষণা যদি সেটাই তার না থাকে তাহলে বিশ্ববিদ্যালয়ের গুরুত্বপূর্ণ এই অধ্যাপক পদে থাকা মানে সেই বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণার করুন চিত্র প্রকাশ করে। এই রকম টাইটেলনির্ভর শিক্ষক নিয়োগের কারণে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে গবেষণা কমে যাচ্ছে। শিক্ষার্থীদের গবেষণার প্রতি উৎসাহ কমে যাচ্ছে। অথচ মৌলিক গবেষণা বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যতম কাজ। বর্তমানে দেশের এক চতুর্থাংশ বিশ্ববিদ্যালয়ে কোনো গবেষণাই হচ্ছেনা। আবার যদি কথিত অধ্যাপকদের উপর চাপ সৃষ্টি করে তাদের গবেষণামূলক প্রবন্ধ লেখায় উদ্বুদ্ধ করা হয় তাহলে তাও মানসম্মত না হওয়ায় আন্তর্জাতিক জার্নালগুলোতেও প্রকাশ পাচ্ছেনা। বিশেষজ্ঞদের মতে- এক্ষেত্রে শুধু যোগ্যতাহীন অধ্যাপকরাই দায়ী নয় এর পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয় সংশ্লিষ্ট সরকারও দায়ী।
দেখা যায়, বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে গবেষণার জন্য পর্যাপ্ত অবকাঠামো তথা বরাদ্দ কম দেয়া হয়। যা নিত্যান্তই অপ্রতুল। আর এই সকল অনিয়মের কারণে প্রশ্নবিদ্ধ হচ্ছে দেশের গবেষণানির্ভর উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থা। বিশ্ববিদ্যালয়গুলো এখন শুধু ডিগ্রি প্রদান প্রতিষ্ঠানে পরিণত হচ্ছে। বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের অবস্থা আরও করুণ।
শুধু তাই নয়- যারা গবেষণা না করেই অধ্যাপক হয়েছে তারা গবেষণা বুঝবে না এটাই স্বাভাবিক। ফলে তারা শিক্ষার্থীদের গবেষণা তত্ত্বাবধান করতে গিয়েও ভুল পদ্ধতিতে গবেষণা শেখায়। গবেষণা হয় নিম্নমানের। আর এর ফলে আন্তর্জাতিক পরিমন্ডলে বাংলাদেশী শিক্ষার্থী বিশেষ করে যারা গবেষণায় অত্যাধিক পরিমাণে আগ্রহী তারা নিম্নমানের প্রমাণিত হচ্ছে। অথচ বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর গবেষণার ইতিহাস খুবই সম্ভাবনা ও চমকপ্রদ ছিলো। আর বর্তমানে শিক্ষাঙ্গনের এই গবেষণার হাল দেখে গণহারে দেশ ছেড়ে বিদেশে গিয়ে নিজেদের গবেষণার ক্ষেত্র তৈরী করছে শিক্ষার্থীরা। গত কয়েক বছরে হাজারও হাজার শিক্ষার্থী দেশ ছেড়েছে শুধুমাত্র তাদের গবেষণার প্রাপ্তি ঘটানোর জন্য। কারণ দেশে তারা উপযুক্ত প্রশিক্ষক পাচ্ছেনা গবেষণার জন্য।
বলাবাহুল্য, বাংলাদেশ সরকারের মন্ত্রী-এমপিরা বিভিন্ন সময় বক্তৃতা বিবৃতি দিয়ে থাকেন যে, বাংলাদেশ উন্নত ও শিক্ষিত জাতিতে পরিণত হচ্ছে। কিন্তু যখন বাংলাদেশে যোগ্যতাহীন নামধারী অধ্যাপকের কাছে গবেষণার উপযুক্ত প্রশিক্ষণ না পেয়ে একজন মেধাবী শিক্ষার্থী বিদেশে গিয়ে তার গবেষণার সব সিড়ি অতিক্রম করে সেই দেশের উন্নয়নে কাজে লাগছে তখন এই মেধাপাচারের চিত্র দেখে সরকার সংশ্লিষ্টদের এইসব চিড়েভেজানো দাবী ফোকলা হিসেবেই গণ্য হয়। লোকদেখানো হিসেবেই গণ্য হয়। এক্ষেত্রে সরকার যদি সত্যিকার অর্থে দেশের শিক্ষার্থীদের উন্নত ও সত্যিকারের গবেষণালুব্ধ শিক্ষায় শিক্ষিত করতে চায় তাহলে সরকারের জন্য অবশ্য কর্তব্য হবে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে এই অধ্যাপক টাইটেলের ছড়াছড়ির প্রবণতা বন্ধ করতে হবে। সত্যিকার অর্থে যাদের যোগ্যতা আছে, যারা গবেষণায় আগ্রহী, গবেষণায় দীর্ঘ অভিজ্ঞতা রয়েছে এবং দেশের গবেষণা খাতকে উন্নত করতে পারবে বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপকের পদগুলোতে তাদেরই নিয়োগ দেয়া। এতে করে তাদের প্রশিক্ষণে শিক্ষার্থীরাও উন্নত হবে। দেশকে উপহার দিতে পারবে নিত্য নতুন গবেষণা। যা দিয়ে দেশ সত্যিকার অর্থে উন্নত হবে। আধুনিক হবে। বন্ধ হবে মেধা পাচার। দেশের মেধা দেশের কাজেই ব্যবহার হবে।
-আল্লামা মুহম্মদ ওয়ালীউর রহমান।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
মাদক পাচারের কলঙ্কিত ইতিহাস নিয়ে মেডলগ-এর হাতে পানগাঁও বন্দর তুলে দেয়া কি সঠিক?
১৭ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
সৌদি জনগণের চরম বিরোধীতা এবং আতঙ্ক প্রকাশের পরও মার্কিন ঘাটি স্থাপন হয়। ৬০০ বিলিয়ন সামরিক চুক্তি এবং ১ ট্রিলিয়ন বিনিয়োগ চুক্তির পরও ড্রাম্প সৌদি যুবরাজকে অপমান করেছে। আর ভ্রাতৃপ্রতীম পাকিস্তান ঠিকই চুক্তি অনুযায়ী সৌদিকে সহায়তায় এগিয়ে আসছে।
১৭ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
বাংলার ঈমানি জমিনে গেরুয়াধারী বিষাক্ত থাবা: উগ্র হিন্দুত্ববাদী সন্ত্রাস ও রাষ্ট্রদ্রোহী ষড়যন্ত্রের শিকড় উপড়ে ফেলা এখন সময়ের দাবি
১৬ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
লৌহকপাটের অন্তরালে রূহানী আর্তনাদ : কারাবন্দীদের দ্বীনি তালিম ও সদ্ব্যবহার নিশ্চিত করা এখন সময়ের দাবি ও ঈমানি ফরয
১৪ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
অভিযোগ উঠেছে নতুন করে দলীয় চাদাবাজির আওতায় আনতেই হকার উচ্ছেদ। বিভিন্ন অব্যবস্থাপনা ও অন্যায়ের কারণে হকারের সংখ্যা প্রায় ২০ লাখ পূণর্বাসন না করে এদের উচ্ছেদ অমানবিক, সংবিধানের ১২টিরও বেশী অনুচ্ছেদের সাথে চরম সাংঘর্ষিক এবং ভয়াবহ অনৈসলামিক ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড, হেলথ কার্ড এর কথা শোনা গেলেও হকার কার্ডের আওয়াজ নেই কেন?
১৪ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছির আলাইহিস সালাম উনার নির্দেশনা মুবারক পালনেই সফলতা। ঢাকামুখী জনস্রোত বন্ধ এবং ঢাকা শহরের প্রাতিষ্ঠানিক বিকেন্দ্রীকরণ ব্যতীত অন্য কোন পদ্ধতিতে কখনোই যানজট নিরসনের স্থায়ী সমাধান হবে না। যানজট নিরসনের মূল কারণ চিহ্নিত ও পদক্ষেপ নিতে না পারাই ঢাকায় যানজটের প্রধান কারণ। (৩য় পর্ব)
১৩ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
দ্বীনি উসকানি ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্টের অপচেষ্টা; কুশল লা’নতুল্লাহি আলাইহির বিতর্কিত অপতৎপরতা
১২ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
৯৮ ভাগ জনগোষ্ঠী মুসলমানের সংস্কৃতি যে অমুসলিমের উপলব্ধির কাছে নিরাপদ নয় তারই প্রমাণ দিলো বর্তমান সংস্কৃতি মন্ত্রী। অমঙ্গল যাত্রাসহ বিভিন্ন কাট্টা হারাম সংস্কৃতি চালুর উৎসাহে যে বিভোর। ইসলামী পর্যবেক্ষকমহল ও সংবাদ মাধ্যম তাকে আওয়ামীলীগের সাংস্কৃতিক এজেন্ডার ধারাবাহিকতা পালনকারী হিসেবে মন্তব্য করেছেন।
১২ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
এবার ঘরের দিকে তাকানোর সময় হয়েছে বাংলাদেশের: দেশীয় সব কাজ ভার্তৃপ্রতীম মুসলিমদেশদেরকেই শুধুমাত্র সুযোগ দেয়া উচিত
১১ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
গত দেড় দশকে জিডিপির আকার ও প্রবৃদ্ধি অতিরঞ্জিত করে ও মিথ্যা তথ্য দিয়ে দেশী-বিদেশী উৎস থেকে অনেক বেশি ঋণ সুবিধা নিয়েছে আওয়ামীলীগ জালেমশাহী সরকার।
১১ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণে বাল্যবিয়ে বন্ধ করা কাফিরদের ষড়যন্ত্র
১০ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
কৃষিতে ডিজেল সংকট হুমকিতে ইরি-বোরো ও পাট উৎপাদন ডিজেল সংকটে সৌরবিদ্যুতের নলকূপই এখন কৃষকের জন্য খোদায়ী রহমত।
১০ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার)












