দস্তরখানায় পতিত খাদ্য উঠিয়ে খাওয়ার ফযীলত (২)
, ১৪ রমাদ্বান শরীফ, ১৪৪৫ হিজরী সন, ২৬ আশির, ১৩৯১ শামসী সন , ২৫ মার্চ, ২০২৪ খ্রি:, ১১ চৈত্র, ১৪৩০ ফসলী সন, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) সুন্নত মুবারক তা’লীম
গোনাহ খতা ক্ষমা হয়:
পবিত্র হাদীছ শরীফে আরো বর্ণিত আছে-
عَنْ حَضْرَتْ عَبْدِ اللهِ بْنِ اُمِّ حَرَامٍ الْاَنْصَارِىْ رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ قَالَ قَالَ رَسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مَنْ تَتَبَّعً مَا يَسْقُطُ مِنَ السُّفْرَةِ غُفِرَ لَه.
অর্থ: হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে উম্মে হারাম আনছারী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি বর্ননা করেন। সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন নাবিয়্যীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, যে ব্যক্তি দস্তরখানে পরে যাওয়া খাবার উঠিয়ে খাবে মহান আল্লাহ পাক তিনি তার সকল গুণাহখতা ক্ষমা করে দিবেন। সুবহানাল্লাহ! (আল জামিউস সগীর-২/৫৮৭, মাজমাউয যাওয়ায়িদ-৫/৩৪, কাশফুল আসতার-৩/৩৩৪, হিলইয়াতুল আউলিয়া-৫/২৪৬)
রুটি আসমান-যমীনের বিশেষ নিয়ামত:
বিশেষত যে রুটির টুকরা বা অংশ বিশেষ দস্তরখানে পরে তা একান্ত মুহব্বত ও তা’যীম-তাকরীমের সাথে উঠিয়ে খাওয়া উচিত। কেননা, পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত আছে-
عَنْ حَضْرَتْ جَابِرٍ بْنِ عَبْدِ الله رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ قَالَ قَالَ رَسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ اَكْرِمُوا الْـخُبْزَ فَاِنَّه مِنْ بَرَكَاتِ السَّمَاءِ وَالْاَرْضِ
অর্থ: হযরত জাবির ইবনে আব্দুল্লাহ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি বর্ণনা করেন। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, তোমরা রুটিকে সম্মান করো। কেননা নিশ্চয়ই উহা আসমান ও যমীনের বরকত তথা বিশেষ, অন্যতম শেয়ার বা নিদর্শন। (জামিউল আহাদিস-২/৫৮৭, মাজমাউয যাওয়াদি-৫/৩৪, কাশফুল আসতার-৩/৩৩৪, হিলয়াতুল আউলিয়া-৫/২৪৬, ইক্বদুল ফরীদ-৮/৪)
সন্তান-সুন্দর আকৃতি বিশিষ্ট হয়:
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে আরো বর্ণিত আছে-
عَنْ حَضْرَتْ اِبْنِ عَبَّاسٍ رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ قَالَ قَالَ رَسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مَنْ اَكَلَ مَايَسْقُطُ مِنَ الْـمَائِدَةِ خَرَجَ وَلَدَه صَبَاحَ الْوُجُوْهِ وَنَفٰى عَنْهُ الْفَقْرَ.
অর্থ: রঈসুল মুফাসসিরীন, সাইয়্যিদুনা হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি বর্ণনা করেন, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, (সন্তানসম্ভবা মহিলা) যদি দস্তরখানায় পরে যাওয়া খাদ্য উঠিয়ে খায় তাহলে তিনি সুশ্রী-সুন্দর আকৃতি বিশিষ্ট সন্তান লাভ করবেন। সুবহানাল্লাহ! আর মহান আল্লাহ পাক তিনি উনার অভাব-অনটন দূর করে সচ্ছলতা দান করবেন। সুবহানাল্লাহ! (দায়লামী শরীফ)
-আল্লামা মুফতী সাইয়্যিদ মুহম্মদ কাওছার আহমদ।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
মহাসম্মানিত সুন্নত মুবারক উনার মাধ্যমেই সর্বপ্রকার নেয়ামত মুবারক হাছিল করা সহজ ও সম্ভব
২৮ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
পবিত্র আশূরা শরীফ উনার গুরুত্ব- ফযীলত ও মহাসম্মানিত সুন্নতী আমল মুবারক (৭)
২৫ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
পবিত্র আশূরা শরীফ উনার গুরুত্ব- ফযীলত ও মহাসম্মানিত সুন্নতী আমল মুবারক (৬)
২৫ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
পবিত্র আশূরা শরীফ উনার গুরুত্ব-ফযীলত ও মহাসম্মানিত সুন্নতী আমল মুবারক (৫)
২৩ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
পবিত্র আশূরা শরীফ উনার গুরুত্ব- ফযীলত ও মহাসম্মানিত সুন্নতী আমল মুবারক (৪)
২২ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
পবিত্র আশূরা শরীফ উনার গুরুত্ব-ফযীলত ও মহাসম্মানিত সুন্নতী আমল মুবারক (৩)
২১ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
পবিত্র আশূরা শরীফ উনার গুরুত্ব-ফযীলত ও মহাসম্মানিত সুন্নতী আমল মুবারক (২)
২০ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
পবিত্র আশূরা শরীফ উনার গুরুত্ব- ফযীলত ও মহাসম্মানিত সুন্নতী আমল মুবারক (১)
১৯ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
মহাসম্মানিত সুন্নত তরীক্বায় দোয়ার খাযীনাহ (৯)
১৮ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র সুন্নতী খাবার কিছ্ছা
১৮ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
ফলমূল খাওয়া খাছ সুন্নত মুবারক (২)
১৭ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র সুন্নত মুবারক পালন করা ফরয
১৭ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার)












