ইসলামী আক্বীদার গুরুত্ব, প্রয়োজনীয়তা ও আহকাম (১৬)
ছহিবু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, আস সাফফাহ, আল জাব্বারিউল আউওয়াল, আল ক্বউইউল আউওয়াল, হাবীবুল্লাহ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মাওলানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র ওয়াজ শরীফ
, ২৯ রজবুল হারাম শরীফ, ১৪৪৫ হিজরী সন, ১৩ তাসি’, ১৩৯১ শামসী সন , ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ খ্রি:, ২৭ মাঘ, ১৪৩০ ফসলী সন, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) পবিত্র দ্বীন শিক্ষা
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার উনার মধ্যে রয়েছে-
كُلُّ لَعِبٍ حَرَامٌ
মহান আল্লাহ পাক উনার হাবীব হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি বলেন, সমস্ত খেলাধুলা হারাম।
এখন মুসলমানরা খেলাধুলা করে থাকে, তাহলে এটা কি করে জায়িয হতে পারে। তাহলে সে কি করে মহান আল্লাহ পাক উনাকে রব হিসেবে মানলো, মহান আল্লাহ পাক উনার হাবীব হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে কি করে রসূল হিসেবে মানলো, পবিত্র ইসলাম উনাকে কি দ্বীন হিসেবে সে মানলো, কি করে এটা বুঝা যেতে পারে। এখন কেউ যদি খেলাকে হারাম জেনে তারপরও করে, সে ফাসিক হবে, ঈমানদার থাকবে। আর যদি কেউ মনে করে বর্তমান যামানায় খেলাধুলার প্রয়োজন রয়েছে, সে কাট্টা কাফির হবে। গান-বাজনা পবিত্র কুরআন শরীফ এবং পবিত্র হাদীছ শরীফ উভয়ের দলীলের দ্বারা সেটা হারাম সাব্যস্ত হয়েছে।
بُعِثْت لِكَسْرِ الْمَزَامِيْرِ وَالْاَصْنَامِ
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, আমি প্রেরিত হয়েছি বাদ্যযন্ত্র ও মূর্তি ধ্বংস করার জন্য। অর্থাৎ মহান আল্লাহ পাক উনাকে পাঠিয়েছেন বাদ্যযন্ত্র মূর্তি ধ্বংস করার জন্যে।
এখন যারা বলবে, গান-বাজনা জায়িয তাহলে তারা কি করে ঈমানদার সাব্যস্ত হবে। এখন কেউ যদি হারাম জেনে গান-বাজনা করে বা শুনে, সে ফাসিক হবে, ঈমানদার থাকবে, তবে হালাল মনে করলে সে কাট্টা কাফির হয়ে যাবে।
আপনারা সকলেই মনে রাখবেন। খুব সূক্ষ্ম বিষয়। এটা কিন্তু খুব সূক্ষ্ম বিষয়। নিজের ঈমান নিজের অজান্তেই চলে যায়। এখন যমীনে কিন্তু খুব ফখর করা যাবে, গায়ের জোর দেখানো যাবে, পয়সার জোর দেখানো যাবে, ক্ষমতার জোর দেখানো যাবে, ধনবল, জনবল, মনবল, রাজ্যবল সব দেখানো যাবে যমীনের উপরে। মৃত্যুর পরে কিন্তু কোন জোর থাকবে না। কাজেই সেটা স্মরণ করতে হবে। সেটা স্মরণ করে নিজেকে ইছলাহ করতে হবে। আক্বীদা বিশুদ্ধ করতে হবে। সম্মানিত শরীয়ত উনার যা আদেশ-নির্দেশ সেটাকে মানতে হবে। পালন করার চেষ্টা করতে হবে। ভুল হলে তওবা করতে হবে। কিন্তু অস্বীকার করা যাবে না। এটা কিন্তু খুব কঠিন বিষয়। এখন উলামায়ে ‘সূ’ যারা রয়েছে, এই উলামায়ে ‘সূ’রা মানুষকে বিভ্রান্ত করে থাকে মিথ্যা ফতওয়া দিয়ে। এই মিথ্যা ফতওয়া কিন্তু কবরে যাবে না, সেখানে গিয়ে কান্নাকাটি করলে কাজ হবে না, এটা মনে রাখতে হবে। কাজেই আক্বাইদ অর্থাৎ আক্বীদা বিশুদ্ধ করা শর্ত। এটা শুদ্ধ করতেই হবে। এর মধ্যে চু-চেরা ক্বীল-ক্বাল যে করবে, সে ঈমানদার থাকবে না।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
মহাসম্মানিত সুন্নত তরীক্বায় দোয়ার খাযীনাহ (১০)
২৫ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
ছবি তোলা হারাম, যা জাহান্নামী হওয়ার কারণ
২৫ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র ওয়াজ শরীফ
২৫ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
সম্মানিত আশূরা শরীফ উনাকে যারা সম্মান করবে তাদের জন্য-
২৫ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
সম্মানিত শরীয়ত উনার ফায়ছালা মতে কুলাঙ্গার ইয়াযীদ লা’নাতুল্লাহি আলাইহি কাট্টা কাফির ও চিরজাহান্নামী (১)
২৫ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
পৃথিবীকে পরিবর্তন করার চেয়ে নিজেকে পরিবর্তন করা সহজ
২৫ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
পর্দা রক্ষা করা ফরজ, বেপর্দা হওয়া ব্যভিচারের সমতুল্য
২৫ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র ওয়াজ শরীফ
২৫ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
৩টি বিষয় কেবল তিনটি অবস্থায়ই জানা যায়।
২৫ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
সম্মানিত মীলাদ শরীফ পাঠে অনন্য তাজদীদ মুবারক (৪)
২৩ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
ইসলামী শরীয়ত মুতাবিক- ছবি তোলা হারাম
২৩ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র ওয়াজ শরীফ
২৩ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার)












