চা বিক্রি করে মনিরের আয় মাসে ৫০ হাজার
, ১৫ রবীউল আউওয়াল শরীফ, ১৪৪৫ হিজরী সন, ০২ খ্বমীছ ১৩৯১ শামসী সন , ০১ অক্টোবর, ২০২৩ খ্রি:, ১৬ আশ্বিন, ১৪৩০ ফসলী সন, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) পাঁচ মিশালী
মাদারীপুরের ছোট্ট একটি ঘরে সকাল থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত চলে শোরগোল। ‘আমাকে এক কাপ দিন, আমাকে এক কাপ দিন’। এটা তার নিত্যদিনের দৃশ্য। তবে বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে দোকানে বাড়তে থাকে ভিড়। এসময় একটু দম ফেলার কোনো সুযোগ মেলে না চা বিক্রেতা মনিরের। এই দোকান থেকেই মাসে আয় হয় ৪০-৫০ হাজার টাকা।
মাদারীপুর সদর উপজেলা পাঁচখোলা ইউনিয়নের পশ্চিম পাঁচখোলা এলাকার চায়ের দোকানি মুহম্মদ শাহরিয়ার মনির। মুক্তিসেনা স্কুলের একটু সামনে মনিরের চা দোকানের খ্যাতি এখন জেলাজুড়ে বিরাজ করছে। সকাল-রাত প্রায় সব বয়সের লোকই চা খেতে আসেন।
তবে তার চায়ের দোকানটি নাফসিন ভ্যারাইটিজ কর্নার স্টোর নামে জেলায় বেশ পরিচিতি পেয়েছে। বর্তমানে তার দোকানে ৮০ প্রজাতির চা পাওয়া যায়। এর মধ্যে সবচেয়ে জনপ্রিয় চা হলো দুবাই চা, স্পেশাল তুর্কি চা ও আয়ুর্বেদিক রং চা।
চা বিক্রেতা মনির জানান, ২০০০ সালে এসএসসি পাশ করে অভাবের সংসারে হাল ধরার জন্য পাড়ি জমান ঢাকার শহরে। সেখানে গার্মেন্টসের চাকরি নেন। গার্মেন্টস থেকে যে টাকা আয় হয়, তাতে নিজের ব্যয় নির্বাহ করতেই হিমশিম খেতে হয়। চাকরি ছেড়ে চলে আসেন পাঁচখোলা ইউনিয়ন ১ নং ওয়ার্ডের নিজ বাড়িতে। তারপরে চিন্তা আছে মাথায় নিজে কিছু একটা করার। বিভিন্ন দোকানে চা বানানো দেখে ও ইউটিউবের সহযোগিতায় রপ্ত করেন চা বানানোর কৌশল।
মুক্তিসেনা স্কুলের সামনে থাকা একটি বৃদ্ধাশ্রমের পাশে শুরু করে দেন দোকান নির্মাণের কাজ। প্রথমে তিনি ১৫ রকমের চা দিয়ে ব্যবসা শুরু করেন। বর্তমানে তার দোকানে ৮০ প্রজাতির চা রয়েছে। এছাড়া, বাহারী ধরনের পান রয়েছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য পান হলো ‘আগুন পান’। তার দোকানে ব্যতিক্রম একটি খাবার রয়েছে, আর তা হলো- ‘স্মোক বিস্কিট’। সব মিলিয়ে এখন তার মাসে আয় ৪০-৫০ হাজার টাকা এমনটাই জানান। এই আয়ের টাকার মধ্যে দিয়ে সংসার ও ভাইবোনদের লেখাপড়া খরচ চালান তিনি। এমন এক সময় গেছে তাদের দিন আনতে দিন খাইতে অনেক কষ্ট হত। এখন এই চায়ের দোকানে তাদের ভাগ্যের পরিবর্তন হয়েছে। সংসারে ২০-৩০ হাজার টাকা খরচ হলে বাড়তি ২০ হাজার টাকার পুঁজি থাকে।
তিনি আরো বলেন, তার দেখাদেখি অনেক বেকার যুবকরাও এই চায়ের দোকান দেওয়ার পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। তার কাছ থেকে তারা চা বানানোর কৌশল রপ্ত করেছে।
রুবেল হোসেনের বাড়ি রাজবাড়ী জেলায়, চাকরি করেন মাদারীপুরে। চাকির সুবাদে থাকা মাদারীপুরে তিনি বলেন, পাঁচখোলা এলাকায় গেলে মনির ভাইয়ের চায়ের দোকানে চায় খাই।বিশেষ করে তার দোকানে দুবাই ও তুর্কি চা বেশি চলে। তার দোকানে বিভিন্ন ফ্লেভারের চাপ পাওয়া যায়।
নিয়মিত চা খেতে আসেন মাদারীপুর সরকারি কলেজের একাদশ শ্রেণির ছাত্র সোহান ইসলাম। সে বলেছে, মাদারীপুর জেলার সবচেয়ে সুস্বাদু চা পাওয়া যায় মুক্তিসেনা বৃদ্ধাশ্রমের পাশে মনির ভাইয়ের দোকানে। আমরা বন্ধুরা মিলে প্রায়ই এখানে চা খেতে আসি। আমরা দুবাই চা-ই বেশি খাই।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
ঈদে সুস্থ থাকতে মিষ্টি ও ভারী খাবার, ডায়াবেটিস রোগীরা সতর্ক থাকবেন যেভাবে
১৯ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
ঈদে ভিড় বাড়ে টাকার হাটে
১৯ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
ইফতারের পর ক্লান্ত লাগার কারণ
১৮ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
জার্মানিতে সাহরি ও ইফতার
১৮ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
এবারও বাড়েনি ‘বিশেষ ট্রেন’, ভোগান্তির আশঙ্কা
১৬ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
খারগ দ্বীপকে ইরানের লাইফলাইন বলা হয় কেন?
১৫ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
ইফতারে কোন মুসলিম দেশে কী খাওয়া হয়? (২)
১৫ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
ইফতারে কোন মুসলিম দেশে কী খাওয়া হয়? (১)
১৪ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
আকসিম্পক ঝড়ের আঘাতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির শিকার চীনের জিনজিয়াং। ইফতারে কোন মুসলিম দেশে কী খাওয়া হয়? (১)
১৪ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী মানুষ তিনি
১৩ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
খেজুর সম্পর্কে এই তথ্যগুলো জেনে নিন
১৩ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
ঘুমের আগে মোবাইল চালানোর অভ্যাসে বাড়ছে উচ্চ রক্তচাপের ঝুঁকি
১২ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার)












