মন্তব্য কলাম
গণমাধ্যমে ভারতের কুখ্যাত হিন্দুত্ববাদী প্রধানমন্ত্রী মোদীর বরাতে এসেছে “১৪০ কোটি ভারতীয় বাংলাদেশের হিন্দুদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বিগ্ন” অথচ ভারতে অব্যাহতভাবে চলছে মুসলিম নির্যাতনের ভয়ঙ্কর আর পৈশাচিক সব কাহিনী প্রধান উপদেষ্টা “বাংলাদেশে হিন্দুদের উপর কোনো নির্যাতন হবেনা” পরিপূর্ণ আশ্বাস ও আস্থা দিয়েছে
কিন্তু ভারতে মুসলমানদের নিরাপত্তার নিশ্চয়তা চেয়েছে কী? ভারতের মিডিয়া, হাজার হাজার হিন্দুত্ববাদী সংস্থা, ভারতীয় জণসাধারণ হিন্দুদের পক্ষে তোলপাড় তুলেছে কিন্তু ভারতে মুসলিম নির্যাতনের বিরুদ্ধে বাংলাদেশী মিডিয়া, বুদ্ধিজীবি, ইসলামী মহল তথা বাংলাদেশী জনগণের সমস্বরে আওয়াজ কৈ? কোথায়?
, ২৯ ছফর শরীফ, ১৪৪৬ হিজরী সন, ০৭ রবি , ১৩৯২ শামসী সন , ০৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৪ খ্রি:, ২০ ভাদ্র , ১৪৩১ ফসলী সন, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) মন্তব্য কলাম
তবে কী বাংলাদেশে হিন্দুরা জামাই আদরে থাকবে
আর ভারতের মুসলমানরা পৈশাচিক অত্যাচারে জর্জরিত থাকবে এবং নির্বিচারে শহীদ হবে? (নাউযুবিল্লাহ)
(তৃতীয় পর্ব)
গরুর গোশত খাওয়ার অভিযোগে ভারতে যুবককে হত্যা বৃদ্ধকে মারধর
গরুর গোশত খাওয়ার সন্দেহে হরিয়ানায় এক মুসলিম যুবককে পিটিয়ে হত্যা এবং মহারাষ্ট্রে এক মুসলিম বৃদ্ধকে চরম নাজেহাল ও মারধরের অভিযোগ পাওয়া গেছে।
হরিয়ানায় গরুর গোশত ভক্ষণকারী সন্দেহে পশ্চিমবঙ্গের এক যুবককে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। মৃতের বাড়ি দক্ষিণ ২৪ পরগনার বাসন্তীতে। সাবির মল্লিক নামে যুবককে হরিয়ানায় তার বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে গিয়ে পিটিয়ে মারা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন তার শ্যালক। সন্দেহের তির গো-রক্ষক কমিটির লোকজনের দিকে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, একটি খালের ধার থেকে সাবিরের লাশ উদ্ধার হয়। পরিবারের অভিযোগ, হরিয়ানা পুলিশ এ হত্যাকে গুরুত্ব দিতে নারাজ।
জানা গেছে, তিন বছর আগে হরিয়ানায় একটি কাজ পেয়ে সেখানে গিয়েছিল সাবির। তার সঙ্গে ছিলেন তার শ্যালক এবং পাড়ার এক যুবক। হরিয়ানায় তাদের সঙ্গে বাড্ডা থানা এলাকায় থাকত সাবির। ২৩ বছরের এ বাঙালি যুবক কাগজ কুড়ানোর কাজ পেয়েছিলেন ভিন রাজ্যে।
পরিবারের অভিযোগ, হরিয়ানার গো-রক্ষক কমিটির সদস্যরা সাবিরকে গরুর গোশত খাওয়ার অভিযোগে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে যায়। তাকে বেধড়ক মারধর করা হয়। তারপর থেকে কোনো খোঁজ মিলছিল না সাবিরের।
হরিয়ানা পুলিশের কাছে দায়ের হওয়া এফআইআর অনুযায়ী, গত ২৭ আগস্ট সকালে কয়েকজন যুবক এসে সাবিরদের বস্তিতে চোটপাট শুরু করে। সাবিরকে স্থানীয় বাসস্ট্যান্ডে নিয়ে যায় তারা। অভিযোগ, সাবির ছাড়াও অসমের বাসিন্দা আসিরুদ্দিন নামে আরেক পরিযায়ী শ্রমিককেও বাসস্ট্যান্ডে ডেকে নিয়ে যাওয়া হয়। এরপর সেখানে দু'জনকে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। পথচারীরা বাধা দিলে দু’জনকে মোটরসাইকেলে করে অন্যত্র নিয়ে যাওয়া হয়। পরে সাবিরকে একটি খালের কাছে মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়। আসিরুদ্দিনকে অন্য জায়গায় ফেলে দেওয়া হয়েছিল বলে খবর। বর্তমানে অসমের সেই যুবক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
সাবিরের শ্যালক সুজাউদ্দিন থানায় খবর দেন। পুলিশ গিয়ে দেহ উদ্ধার করে। সাবিরের মৃতদেহ বাসন্তীতে তার বাড়িতে আনা হয়েছে।
ভারতে সংখ্যালঘুদের সাথে দুর্ব্যবহারের আরেকটি ঘটনা প্রকাশ পেয়েছে মহারাষ্ট্র রাজ্যের নাসিক জেলার কাছে একটি ট্রেনে। উগ্রপন্থীরা একজন বৃদ্ধকে গরুর গোশত খাওয়ার অভিযোগে নির্যাতন করেছে।
উল্লেখ্য ভারতে মুসলমান শহীদ করার ঘটনা মাত্র ৩ দিন আগের। কিন্তু তার কোন প্রতিক্রিয়া ভারতীয় গণমাধ্যমেও নেই, বাংলাদেশী গণমাধ্যমেও নেই। ভারতীয় শাসকদের মধ্যেও নেই, বাংলাদেশীর শাসকদের মধ্যেও নেই। ভারতীয় ইসলামী মহলেও নেই। বাংলাদেশী ইসলামী মহলেও নেই। ভারতীয় সুশীল সমাজেও নেই। বাংলাদেশেও সুশীল সমাজেও নেই।
অথচ ৫ই আগস্টের পর ভারতীয় ও প্রবাসী হিন্দুরা গণহত্যা থেকে অসহায় বাংলাদেশি হিন্দুদের রক্ষা করার জন্য আবেদনের বোমাবর্ষণ করেছে। অতি-ডানপন্থিরা মৃত বাংলাদেশি হিন্দুদের বিপুল পরিমাণ ছবি এআই (আর্টিফিসিয়াল ইন্টিলিজেন্স) ব্যবহার করে বিশ্ব হিন্দু সম্প্রদায়কে বাংলাদেশের দিকে নজর রাখতে বলেছে। অতি-ডানপন্থি হিন্দু প্রবাসী সংগঠন, যাদের বাঙালি সম্প্রদায়ের মধ্যে কোনো উপস্থিতিই নেই, তারা আমাদের বাংলাদেশি ভাই-বোনদের ভয়কে ব্যবহার করে পরামর্শ দিচ্ছে যে শেখ হাসিনাই একমাত্র বাংলাদেশি হিন্দুদের গণহত্যা থেকে রক্ষা করেছেন। একটি টুইটার অ্যাকাউন্ট মুহাম্মদ ইউনূসকে অং সান সুচির সাথে তুলনা করেছে। সুচি বহু বছর ধরে ক্ষমতায় থেকে রোহিঙ্গাদের গণহত্যায় সেনাবাহিনীকে সমর্থন দিয়েছিলেন।
বাংলাদেশে হিন্দুদের উপর অত্যাচারের মিথ্যা কাহিনী রটনার জন্য দেশী-বিদেশী হিন্দুরা অবিরত, অবিরাম কু-প্রচেষ্টা চালিয়ে আসছে। অথচ বাংলাদেশে হিন্দুদের উপর অত্যাচারের মিথ্যা রমরমা কাহিনী আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে মিথ্যা প্রমানিত হয়েছে। কিন্তু তারপরেও মুসলিমদের পক্ষ নিয়ে হিন্দুদের বিরুদ্ধে কোনো প্রচারনা সমালোচনা নেই। আর ভারতে অব্যবহৃত, অব্যাহত মুসলিম নির্যাতন নিয়ে তো কোন কথাই নেই।
২২ জুন, ২০২৩ (বাসস) : দেশের হিন্দু সম্প্রদায়ের নেতৃবৃন্দ মার্কিন প্রেসিডেন্টের কাছে পাঠানো এক পত্রে বাংলাদেশে হিন্দুরা নির্যাতিত হচ্ছে বলে ছয় মার্কিন কংগ্রেসম্যানের দাবিকে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন এবং বানোয়াট অভিহিত করে এর প্রতিবাদ জানিয়েছেন।
গত ২৫ মে তারিখের মার্কিন কংগ্রেসের ছয় প্রতিনিধির চিঠির প্রতিবাদ জানিয়ে হিন্দু সম্প্রদায়ের নেতৃবৃন্দ জো বাইডেনের কাছে পাঠানো এক চিঠিতে লিখেন, ‘এটি কেবল একটি অযৌক্তিক ও ভিত্তিহীন দাবিই নয়, বরং এটি একটি বিশাল ভুল ধারণাকেও চিত্রিত করেছে এবং আমরা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের কাছে পাঠানো সেই পক্ষপাতদুষ্ট কংগ্রেসম্যানদের চিঠির মিথ্যা এবং বানোয়াট বক্তব্যকে যর্থাথত প্রত্যাখ্যান করছি। ’
আজ এখানে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বিশ্বব্যাপী স্বীকৃত হিন্দু সম্প্রদায়ের প্রতিনিধি আন্তর্জাতিক কৃষ্ণভাবনামৃত সংস্থা বা ইন্টারন্যাশনাল সোসাইটি ফর কৃষ্ণ কনসাসনেস (ইসকন) এবং শ্রীশ্রী অভয়মিত্র মহাশ্মশান পরিচয় কমিটি, চট্টগ্রাম এই বিষয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্টকে ২০ জুন পৃথক চিঠি লিখেছে।
হিন্দু সম্প্রদায়ের নেতৃবৃন্দ চিঠিতে লিখেছে, বাংলাদেশে হিন্দুদের নিপীড়নের দাবিগুলোর সবই ভিত্তিহীন মিথ্যা ও বানোয়াট।
জো বাইডেনকে লেখা চিঠিতে তারা জানায়, ‘আমরা আপনাকে জানাতে লিখছি যে সেই পক্ষপাতদুষ্ট ছয় মার্কিন কংগ্রেসম্যানের আনা দাবিটি সম্পূর্ণ মিথ্যা। এটি আপনাকে জানানোর জন্য যে চিঠিতে করা দাবিগুলো ভিত্তিহীন এবং বানোয়াট। মার্কিন কংগ্রেসম্যানদের দাবিকে সত্যের অপলাপ হিসাবে বিবেচনা করা উচিৎ এবং এটি বাংলাদেশে বিদ্যমান সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির বিনষ্ট করার জন্যই এটা করা হয়েছে। ’
চিঠিতে নেতৃবৃন্দ লিখেছে, ২০০৮ সাল থেকে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় ফিরে আসার পর, সংখ্যালঘু সম্প্রদায় সম্প্রীতিতে বসবাস করছে। এমনকি এই সরকারের আমলে কয়েকটি বিচ্ছিন্ন সাম্প্রদায়িক ঘটনা ঘটলেও সরকার অবিলম্বে সেগুলো মোকাবেলায় কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করে ও দৃঢ় প্রতিক্রিয়া জানানোর পাশাপাশি যথাযথ প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করে।
নেতৃবন্দ বাইডেনকে লিখেছে, ‘আমরা সংখ্যালঘু সম্প্রদায় গোষ্ঠী সম্পর্কে সেই মার্কিন কংগ্রেসম্যানদের পক্ষপাতদুষ্ট মূল্যায়নের তীব্র প্রতিবাদ করছি এবং শেখ হাসিনা ক্ষমতায় আসার পর থেকে হিন্দু জনসংখ্যা অর্ধেক হয়ে গেছে-এমন দাবির কোন সত্যতা নেই।
অপরদিকে ভারতে প্রধানমন্ত্রী মোদির এক দশকের শাসনামলে দেশটিতে ধর্মীয় সংখ্যালঘু মুসলিমদের অধিকার ক্রমশ কমে আসছে। সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন সিএএ মুসলিমবিরোধী। দেশটির একমাত্র মুসলিম অধ্যুষিত জম্মু ও কাশ্মিরের বিশেষ মর্যাদা বাতিল করেছে মোদি সরকার। অযোধ্যায় বাবরি মসজিদের স্থানে রামমন্দির নির্মাণ করেছে। একাধিক রাজ্যে গরুর গোশত বিক্রি নিষিদ্ধ করা হয়েছে। কোনো কোনো রাজ্যে প্রকাশ্যে মুসলমানদের ইবাদত-বন্দেগি করাও নিষিদ্ধ করা হয়েছে। মুছে ফেলার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে মুঘল আমলের বিভিন্ন ঐতিহ্যের নাম ও স্মৃতিচিহ্ন। ঘর ওয়াপসির নামে মুসলমান ও খ্রিস্টানদের জোর করে হিন্দু ধর্মে দীক্ষিত করা হয়েছে। ফ্রিজে গরুর গোশত আছে, এমন অজুহাতেও ভারতের বিভিন্ন স্থানে মুসলমানদের পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে। অনেক জায়গায় অত্যাচার করে জয় শ্রীরাম ধ্বনি দিতে বাধ্য করা হয়েছে। সব মিলিয়ে ধর্মীয় জনগোষ্ঠী হিসেবে সেখানকার মুসলিমরা প্রতিনিয়ত নির্যাতন-নিপীড়নের শিকার হচ্ছে। নাগরিকপঞ্জির নামে আসামে লাখ লাখ মুসলমানকে উন্মুক্ত কারাগারে রাখা হয়েছে। তাদের নাগরিক অধিকার কেড়ে নেওয়া হয়েছে। সেখান থেকে মুসলমানদের নানা ছলচাতুরির মাধ্যমে বাংলাদেশে ঠেলে দেওয়ার পাঁয়তারাও চলছে। তারপরও মুসলিমবিদ্বেষী বক্তব্য বা উসকানি বন্ধ করেননি মোদি এবং তার দল বিজেপি নেতৃবৃন্দ। আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠন হিউম্যান রাইটস ওয়াচ জানিয়েছে, ভারতের লোকসভা নির্বাচনের আগে প্রধানমন্ত্রী মোদির ৬৩ শতাংশ ভাষণই ছিল ঘৃণা উদ্রেককারী। গত ১৬ মার্চ নির্বাচনী আচরণবিধি কার্যকর হওয়ার পর জনসভায় প্রধানমন্ত্রী মোদির দেওয়া ১৭৩টি বক্তব্য বিশ্লেষণ করে হিউম্যান রাইটস ওয়াচ জানিয়েছে, ১১০টি (৬৩ শতাংশ) ভাষণে মোদি ‘ইসলামভীতি’ তথা মুসলমানদের বিরুদ্ধে বিদ্বেষ ছড়িয়েছেন।
বাংলাদেশে হিন্দুদের ওপর 'ব্যাপক নির্যাতন' হচ্ছে বলে সামাজিক মাধ্যমে যে ভুয়া পোস্টগুলো ছড়িয়েছিল, সেগুলোর বেশিরভাগই ভারতীয় বিভিন্ন অ্যাকাউন্ট থেকে পোস্ট করা হয়েছিল বলে বিবিসি বাংলার ফ্যাক্ট-চেকাররা নিশ্চিত করেছেন।
চট্টগ্রামের কাছাকাছি মন্দিরে হামলা হয়েছে এমন সংবাদ ছড়িয়ে পড়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। বিবিসি বাংলার ফ্যাক্ট চেকার বিভাগ 'বিবিসি ভেরিফাই' এর অনুসন্ধানে দেখা যায়, আদতে সেখানে কোনো হামলা হয়নি।
মন্দিরটি পাহারা দিচ্ছিলো চট্টগ্রামের এক বিক্ষোভকারী মইনুল। সে ফ্যাক্ট চেকারদের হামলার খবরটি ভুয়া বলে নিশ্চিত করে। সে মনে করে, এসব পোস্ট বিশ্বের সামনে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি নষ্ট করছে।
ভারত থেকে ছড়ানো ভুয়া খবর
শেখ হাসিনার পতনের উদ্ভূত বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির মধ্যে, ভারতের অতি-দক্ষিণপন্থী 'ইনফ্লোয়েন্সর'রা সুযোগ নিয়ে বিভ্রান্তিকর ভিডিও শেয়ার করতে শুরু করে, যেখানে বাংলাদেশের হিন্দুদের ওপর অত্যাচার হচ্ছে বলে বলা হতে থাকে।
এ ছাড়া, ছাত্র-বিক্ষোভকারীদের 'ইসলামি কট্টরপন্থী' বলে প্রচার করেও গুজব ছড়ানো হয়।
'ব্র্যান্ডওয়াচ' অ্যাপ, যা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ওপর নজর রাখে, জানিয়েছে যে ৪ আগস্টের পর থেকে ভুয়া কাহিনিগুলো একটি নির্দিষ্ট হ্যাশট্যাগ ব্যবহার করে ছড়ানো হয়েছে, যা সামাজিক মাধ্যম 'এক্স'-এ (সাবেক টুইটার) সাত লাখবার মেনশন করা হয়েছে।
এতে আরও জানা গেছে, ট্রেন্ডিং পোস্টগুলোর প্রায় সবই ভারতের বিভিন্ন অ্যাকাউন্ট থেকে করা হয়েছে।
বাংলাদেশভিত্তিক ফ্যাক্ট-চেকাররাও সাম্প্রতিক সামাজিক মাধ্যম বিশ্লেষণ করে একই ধরনের তথ্য পেয়েছেন। তাদের মতে, মূলত ভারতের বিভিন্ন অ্যাকাউন্ট থেকেই হিন্দুদের ওপর আক্রমণের ভুয়া তথ্য ছড়ানো হয়েছে।
-আল্লামা মুহম্মদ ওয়ালীউর রহমান।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
মালয়েশিয়া-বাংলাদেশ সম্পোর্কোন্নয়ন কেন শুধু দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ভিত্তিতে? অনন্য উচ্চতায় উঠা এ সম্পর্ক কেন ইসলামী মূল্যবোধ ও মুসলিম ভ্রাতৃত্বের বন্ধনে উজ্জীবিত হবে না? (১ম পর্ব)
২৫ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
প্রতিরক্ষা আধুনিকায়ন ও কৌশলগত স্বনির্ভরতা: বাংলাদেশের ৫০ লক্ষ পদাতিক বাহিনীর জন্য ৩য় প্রজন্মের এটিজিএম রোডম্যাপ (পর্ব ৭)
২৫ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
বিশ্বে তৈরী পোশাক রফতানীতে প্রথম বাংলাদেশ কেনো তুলা আমদানীতেও প্রথম? নামে তুলা উন্নয়ন বোর্ড থাকলেও স্বাধীনতার পর থেকে আজ পর্যন্ত তুলা চাষে কোনো উন্নয়নই নেই অপার সম্ভাবনা থাকলেও দেশে তুলা উৎপাদনে সরকারী কোনো তৎপরতা নেই অথচ ১৬৫০ থেকে ১৭৫০-এই ১০০ বছরে ইউরোপীয় কোম্পানিগুলোই বাংলা থেকেই ৩ লাখ গজ থেকে ৩ কোটি গজ কাপড় রপ্তানি করেছে। এই বিপুল উৎপাদনে এই বাংলাদেশই কীভাবে তুলার যোগান দিল?
২৫ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
বিশ্বে তৈরী পোশাক রফতানীতে প্রথম বাংলাদেশ কেনো তুলা আমদানীতেও প্রথম? নামে তুলা উন্নয়ন বোর্ড থাকলেও স্বাধীনতার পর থেকে আজ পর্যন্ত তুলা চাষে কোনো উন্নয়নই নেই অপার সম্ভাবনা থাকলেও দেশে তুলা উৎপাদনে সরকারী কোনো তৎপরতা নেই
২৩ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
দেশের ৪ কোটি মানুষ না খেয়ে থাকে। অথচ বছরে প্রায় ৫০ হাজার কোটি টাকার শস্য নষ্ট হয় খাদ্য অপচয় রোধ করতে ‘নিশ্চয়ই অপব্যয়কারীরা শয়তানের ভাই’- পবিত্র কুরআন শরীফ উনার এই নির্দেশ সমাজের সর্বাত্মক প্রতিফলন ব্যতীত কোনো বিকল্প নেই।
২২ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
অলস জমিদারের কায়দায় বসে বসে তালুক বিক্রী করে খাওয়ার মতই জ্যামিতিক হারে ঋণ বাড়িয়ে চলছে সরকার ২০২৮-২৯ অর্থবছর ঋণের পরিমাণ দাঁড়াবে ৩৩ লাখ ৭৭ হাজার ৬০০ কোটি টাকায়। দুর্নীতি বন্ধের পাশাপাশি উৎপাদন বাড়ানো রফতানী বৃদ্ধি ও বহুর্মুখীকরণ করার উদ্যম নেই সরকারের দেশ জাতিকে করে যাচ্ছে সুদী মহাজনদের কাছে জিম্মি ও বিক্রী।
২২ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছির আলাইহিস সালাম উনার নির্দেশনা মুবারক পালনেই সফলতা। ঢাকামুখী জনস্রোত বন্ধ এবং ঢাকা শহরের প্রশাসনিক ও প্রাতিষ্ঠানিক বিকেন্দ্রীকরণ ব্যতীত অন্য কোন পদ্ধতিতে কখনোই যানজট নিরসনের স্থায়ী সমাধান হবে না (১৩)
২১ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
ঋণ নির্ভর বাজেট প্রণয়ন না করে রফতানী বহুর্মুখীকরণের দ্বারা সমৃদ্ধ বাজেট প্রণয়ন খুব সহজেই সম্ভব। কাঁঠাল উৎপাদনে বাংলাদেশ প্রথম হলেও রফতানীতে তলানীতে। কাঁঠাল রফতানী করেও বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার আয় সম্ভব।
২০ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
বাংলাদেশের প্রয়োজনীয় ৫০ লক্ষ সেনাবাহিনীর অপ্রতিরোধ্যকরণের জন্য প্রয়োজনীয় সরঞ্জামাদির বিবরণ (পর্ব ৬)
১৮ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
বাংলাদেশের প্রয়োজনীয় ৫০ লক্ষ সেনাবাহিনীর অপ্রতিরোধ্যকরণের জন্য প্রয়োজনীয় সরঞ্জামাদির বিবরণ (পর্ব- ৫)
১৭ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
“বাংলাদেশের ওষুধ রফতানি হচ্ছে ১৪০টির বেশি দেশে”- গত পরশু (৮ই জুন) এই বিবৃতি দেয়া স্বাস্থ্যমন্ত্রী কী ভেবে দেখবেন মার্কিনীদের সাথে করা গোলামী চুক্তিতে তার এই উচ্ছাস পুরোটাই গভীর এবং চরম-পরম উৎকণ্ঠায় পর্যবসিত হয়েছে মার্কিন বাণিজ্যচুক্তি বাংলাদেশের ওষুধশিল্পের জন্যও মহা ধ্বংস প্রক্রিয়া বাংলাদেশের ৫১ কোটি নাগরিকের নিরাপত্তা নির্মূলীকরণ প্রক্রিয়া। মহা আত্মঘাতী, সর্বনাশী, দেশের সার্বভৌমত্ব বিক্রিকারী এ চুক্তি অবিলম্বে বাতিল করতে হবে (২য় পর্ব)
১৬ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
বাংলাদেশের মহাকাশ প্রতিরক্ষা কৌশল: ৫০ লক্ষাধিক বহরের সমন্বিত বাহিনীর জন্য কৃত্রিম উপগ্রহ প্রযুক্তির রূপরেখা (পর্ব-৪)
১৫ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার)












