মন্তব্য কলাম
খাছ সুন্নতী ওয়াক্ত মুতাবিক রাজারবাগ শরীফ সুন্নতী জামে মসজিদ-এ দেশের সর্বপ্রথম ঈদুল ফিতর উনার জামায়াত অনুষ্ঠিত হবে সকাল ৬:৩০ মিনিটে
, ২৯ রমাদ্বান শরীফ, ১৪৪৬ হিজরী সন, ৩১ আশির, ১৩৯২ শামসী সন , ৩০ মার্চ, ২০২৫ খ্রি:, ১৫ চৈত্র, ১৪৩১ ফসলী সন, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) মন্তব্য কলাম
আল ইহসান ডেস্ক:
রাজারবাগ শরীফ উনার সম্মানিত মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার মুবারক ইমামতিতে দেশের সর্বপ্রথম ঈদুল ফিতর নামায উনার জামায়াত রাজারবাগ শরীফ সুন্নতী জামে মসজিদে সুন্নতী ওয়াক্ত মুতাবিক সকাল ৬:৩০ মিনিটে অনুষ্ঠিত হবে। ইনশাআল্লাহ!
পবিত্র ঈদের নামায আদায় সম্পর্কে পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত রয়েছে যে, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি পবিত্র ঈদ উনার দিন ফজরের নামায পড়ে হুজরা শরীফ যেতেন এবং সকাল সকাল গোসল করে পবিত্র ঈদুল ফিতর উনার দিন হলে বেজোড় সংখ্যক (৩, ৫ বা ৭টি) খুরমা খেজুর খেয়ে ঈদগাহে যেতেন। আর পবিত্র ঈদুল আদ্বহা উনার দিন হলে কিছু না খেয়ে সরাসরি ঈদগাহে যেতেন এবং পবিত্র ঈদ উনার নামাযের ওয়াক্ত হওয়ার সাথে সাথে পবিত্র ঈদ উনার নামায আদায় করতেন। অতঃপর খুতবা মুবারক দিতেন ও নছীহত মুবারক করতেন।
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি আদেশ মুবারক করেছেন পবিত্র ঈদুল আদ্বহা উনার নামায খুব সকাল সকাল পড়বেন এবং পবিত্র ঈদুল ফিতর উনার নামায ঈদুল আদ্বহা উনার চেয়ে অল্প একটু দেরিতে পড়বেন এবং নামাযের পরে মানুষকে নছীহত করবেন।
সূর্য পূর্ণভাবে উদিত হওয়ার পর অর্থাৎ মাকরূহ ওয়াক্ত শেষ হওয়ার পর থেকে অথবা সূর্য উদয়ের শুরু থেকে ঘড়ির মিনিট অনুযায়ী ২৩ মিনিট পর পবিত্র ঈদ উনার নামাযের ওয়াক্ত শুরু হয়। সহজ কথায় ইশরাকের ওয়াক্তে ঈদের নামাযের ওয়াক্ত আর যোহর নামাযের ওয়াক্ত শুরু হওয়ার ১ ঘণ্টা পূর্ব পর্যন্ত পবিত্র ঈদ উনার নামাযের ওয়াক্ত থাকে; তারপর মাকরূহ ওয়াক্ত শুরু হয়। সেই মাকরূহ ওয়াক্ত শুরু হওয়ার পূর্বে পবিত্র ঈদ উনার নামায আদায় করতে হবে। মাকরূহ ওয়াক্ত শুরু হওয়ার পর পবিত্র ঈদ উনার নামায আদায় করলে তা আদায় হবে না। কাজেই পবিত্র ঈদ উনার নামায সকাল সকাল পড়া সুন্নত। পবিত্র ঈদ উনার নামাযের সম্মানার্থে এবং পবিত্র ঈদের নামায যাতে আদায়ে দেরি না হয়, সে জন্য পবিত্র ঈদের দিন ইশরাকসহ অন্যান্য সকল নফল নামাযসহ সমস্ত নফল ইবাদত করা মাকরূহে তাহরিমী।
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, যে ব্যক্তি কোনো হক্কানী ওলীআল্লাহ উনার পিছনে নামায আদায় করলো, সে যেন নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পিছনে নামায পড়লো। আর যে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পিছনে নামায আদায় করলো তাকে মহান আল্লাহ পাক তিনি ক্ষমা করে দিবেন। ” সুবহানাল্লাহ!
পবিত্র রাজারবাগ শরীফ উনার পক্ষ থেকে দ্বীনদার মুসলমানগণকে উক্ত জামায়াতে শামিল হওয়ার জন্য আহবান জানানো হয়েছে।
বলাবাহুল্য যে, পবিত্র ঈদের দিন মুয়ানাকা ও মুসাফাহা করা খাছ সুন্নত মুবারক উনার অন্তর্ভুক্ত। ছোঁয়াচে মনে করে মুয়ানাকা ও মুসাফাহা করা হতে বিরত থাকা এবং নিরুৎসাহিত করা কুফরী।
চলচ্চিত্র নামক জাহান্নামী সংস্কৃতির ফাঁদে মুসলিম উম্মাহ।
নাটক-সিনেমার মাধ্যমে মুসলিম প্রজন্মকে দ্বীন ইসলাম থেকে দূরে সরিয়ে দেয়া হচ্ছে।
সিনেমার মাধ্যমে বিশ্বব্যাপী বিস্তার ঘটছে ইসলামোফোবিয়ার।
পরকালের কথা স্মরণ করে মুসলিম উম্মাহকে বিধর্মীদের এসব ষড়যন্ত্র থেকে বের হয়ে আসতে হবে।
প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিগত কয়েক বছরে মুসলমানদের সন্ত্রাসী, দেশবিরোধী ইত্যাদি আখ্যা দিয়ে ভারতীয় সিনেমা ইন্ডাস্ট্রিতে সিনেমা তৈরির ধুম পড়েছে। এসব সিনেমা আবার মুসলিম দেশগুলোতে প্রদর্শন করা হচ্ছে এবং সেখানে ব্যাপক আয় করছে সিনেমাগুলো। মাঝে মধ্যে মুসলিমবিদ্বেষ থাকার কারণে কিছু সিনেমা নিষিদ্ধ হলেও সিংহভাগ সিনেমাই মুসলিম দেশগুলোর সিনেমা হলে প্রচার করা হচ্ছে।
উল্লেখ্য, ভারতীয় চলচ্চিত্রে সম্মানিত দ্বীন ইসলাম অবমাননা এবং মুসলিমবিদ্বেষ তথা মুসলমানদের উগ্রবাদী, দেশবিরোধী এবং সন্ত্রাসবাদী হিসেবে প্রদর্শন করা নতুন কোনো বিষয় নয়। ভারতের বর্তমান সরকার এবং ফিল্ম ইন্ড্রাস্ট্রি টিকেই আছে মুসলিমবিদ্বেষের প্রচার-প্রসার করে। ভারতের বিভিন্ন প্রদেশের মুসলমানদের কৃষ্টি-সংস্কৃতি নিয়ে ব্যাঙ্গাত্মক এবং আক্রমণাত্মক চলচ্চিত্র ভারতে অহরহ তৈরী হচ্ছে। ভারতের মুসলিম শাসক, যাদের মাধ্যমে আধুনিক ভারতের ভিত্তি স্থাপিত হয়েছে তাদের নিয়েও ইতিহাস বিকৃত করে বানানো হচ্ছে মুসলিমবিদ্বেষী সিনেমা। ফ্রান্স, অস্ট্রেলিয়া, নেদারল্যান্ডস, জার্মানির মতো পুরোদমে মুসলমানদের বিরুদ্ধে জোটবদ্ধভাবে নেমেছে ভারতীয় ফিল্ম ইন্ড্রাস্ট্রি।
মুসলিমবিরোধী সিনেমার পেছনে হাজার কোটি টাকা ব্যয় করে মুসলিম দেশগুলোতে এসবের প্রচার প্রসার করে মুসলিম মননে তারা সম্মানিত দ্বীন ইসলাম সম্পর্কে বিরুপ ধারণা দিচ্ছে, দ্বীন ইসলামবিরোধী মতভেদ উস্কে দিচ্ছে। বাংলাদেশেও এর ক্ষতিকর প্রভাব পড়েছে। চলচ্চিত্রের অবাধ প্রবেশ এবং প্রসারের কারণে বাংলাদেশের কথিত চলচ্চিত্র মহলও এখন বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম মুসলিম দেশে নারীবাদের নাম দিয়ে হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের শান মুবারকে কটূক্তি করে সিনেমা তৈরীর দুঃসাহস দেখাচ্ছে। কূটকৌশলে মুসলমানদের মধ্যে দ্বীন ইসলামবৈরী পরিবেশ সৃষ্টি করছে। কিন্তু এসবের বিরুদ্ধে সরকার কোনো প্রকার পদক্ষেপই নিচ্ছে না। উল্টো ২ হাজার কোটি টাকা বাজেট বরাদ্দ করা হয়েছে দেশের প্রতিটি জেলায় সিনেমা হল নির্মাণের জন্য। নাউযুবিল্লাহ!
এশিয়া ও মধ্যপ্রাচ্যের মুসলিম দেশগুলোতে চলচ্চিত্র ব্যাপক বিস্তার লাভ করেছে। যে কাতার কিছুদিন পরপর ভারতীয় সিনেমা নিষিদ্ধ করে সেই কাতারকে বলা হয় ভারতীয় সিনেমার দ্বিতীয় বৃহত্তম বাজার। এমনকি সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার পবিত্র ভূমি জাজিরাতুল আরব অর্থাৎ সৌদিতেই চলচ্চিত্রের অবাধ প্রসার হচ্ছে। সৌদিতে আর্থসামাজিক সংস্কারের অজুহাত দিয়ে চলচ্চিত্র প্রদর্শনীর ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া হয় ২০১৮ সালে। সিনেমা বানানোর ৪০% খরচ দেয়ার ঘোষণা দেয় সৌদি ইহুদীবাদী সরকার। ফলে সৌদিতে বাড়ছে সিনেমা হল, রমরমা সিনেমার ব্যবসা। বর্তমানে দেশটিতে ১৫৪টি সিনেমা হল চালু রয়েছে। ৭০০ সিনেমা হল নির্মাণ করা হচ্ছে যাতে খরচ হবে ১৬ বিলিয়ন সৌদি রিয়াল। বাংলাদেশি টাকায় যা ৪৫ হাজার কোটি টাকারও বেশি। সিনেমা হলগুলোতে সর্বমোট ৫০০ স্ক্রিনে সিনেমা প্রদর্শনী হয়। এসব হলে সিনেমা মুক্তি দিয়ে দেশটি সদ্য বিদায়ী বছরে আয় করেছে ৪৫০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। যা বাংলাদেশি টাকায় দাঁড়ায় তিন হাজার ৮৫০ কোটি টাকার বেশি। ২০২৫ সালে সৌদি আরব বিশ্বের ১০ম বৃহত্তম সিনেবাজার হওয়ার পূর্বাভাস দিচ্ছে। নাউযুবিল্লাহ! নাউযুবিল্লাহ! নাউযুবিল্লাহ!
অপরদিকে বিধর্মীরা সূক্ষ্ম কৌশলে মুসলমানদের বিরুদ্ধেই চলচ্চিত্র তৈরী করে তা তাদের দেশে প্রচার প্রসার করে তাদের জনগোষ্ঠীর মধ্যে ইসলাম ফোবিয়া তৈরি করে দিচ্ছে তথা ইসলামবিরোধী স্বার্থসিদ্ধি করছে।
মূলত চলচ্চিত্রের কারণে বর্তমান মুসলিম প্রজন্ম এবং আগামীর মুসলিম প্রজন্ম সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার চেতনা, মুহব্বত থেকে দূরে সরে যাচ্ছে। এজন্য দ্বীন ইসলামবিরোধী চলচ্চিত্র তাদের মননে কোনো প্রভাব ফেলছে না। তারা এর বিরুদ্ধে প্রতিবাদী হতে পারছে না। আওয়াজ তুলতে পারছে না। বরং এসব বিষয়কে তারা স্বাভাবিকই মনে করছে। নাউযুবিল্লাহ! ভয়াবহ বিষয় হলো, বাংলাদেশের মতো দ্বিতীয় বৃহত্তর মুসলিম দেশে চলচ্চিত্র উদ্বোধন করা হচ্ছে পবিত্র কুরআন শরীফ তিলাওয়াত করে। নাউযুবিল্লাহ! নাউযুবিল্লাহ! নাউযুবিল্লাহ!
অথচ সম্মানিত দ্বীন ইসলাম তথা সম্মানিত শরীয়ত অনুসারে গান-বাজনা, নাটক-সিনেমা সম্পূর্ণরূপেই হারাম ঘোষণা করা হয়েছে এবং এগুলোকে জায়েজ মনে করা কাট্টা কুফরী এবং ঈমান হারানোর কারণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। বাদ্যযন্ত্রের বিষয়ে পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, আমি বাদ্যযন্ত্র ধ্বংস করার জন্য প্রেরিত হয়েছি। ছবি নির্মাণের বিষয়ে হাদীছ শরীফে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, ছবি নির্মাতাদের কিয়ামতের দিন কঠিন শাস্তি দেয়া হবে এবং সে যা তৈরী করেছে তাদের জীবন দিতে বলা হবে। (বুখারী শরীফ) আরো ইরশাদ মুবারক হয়েছে, যারা মহিলাদের কণ্ঠের এবং তাদের নিমিত্তে রচিত গান-কবিতা শুনবে তারা জাহান্নামী। অর্থাৎ সম্মানিত শরীয়ত উনার মধ্যে চলচ্চিত্র, গান-বাজনার মতো এসব কর্মকান্ডকে শক্তভাবে হারাম ঘোষণা করা হয়েছে।
সঙ্গতকারণে সংবিধানে বিধিবদ্ধ রাষ্ট্রদ্বীন ইসলামের আলোকে বাংলাদেশ সরকারের প্রতি আমরা আহ্বান জানাবো, বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তর মুসলিম দেশ হিসেবে দেশে সংস্কৃতি চর্চার নাম দিয়ে জাতির সুস্থ চেতনা ধ্বংসের হাতিয়ার চলচ্চিত্রের পৃষ্ঠপোষকতা বন্ধ করবে। পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, “যে ব্যক্তি কোন অন্যায় হতে দেখে বাঁধা না দেয়, সে যেন মহান আল্লাহ পাক উনার আযাবের অপেক্ষায় থাকে”। আমরা আশা করবো, সরকার পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার আলোকে নিজেরাও আযাব থেকে দূরে থাকবে এবং জনগনকেও খোদায়ী আযাব থেকে রক্ষা করতে পদক্ষেপ গ্রহণ করবে ইনশাআল্লাহ।
-আল্লামা মুহম্মদ ওয়ালীউর রহমান।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
প্রসঙ্গ: গত পরশু বিজেপি নেতার খুলনা যশোর অঞ্চল দখলের হুমকী এবং বারবার উগ্র হিন্দুত্ববাদীদের বাংলাদেশ দখলের আস্ফালন
০৭ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
৭০০ কিলোমিটারের মরণব্যাধি ও আমাদের আকাশ প্রতিরক্ষা : বেগম পাড়ার বিলাসিতা কি সার্বভৌমত্বের কফিনে শেষ পেরেক?
০৬ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
আমেরিকা থেকে উচ্চমূল্যে বিষাক্ত গম আমদানি বন্ধ করতে হবে
০৫ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
আইনি লেবাসে সন্ত্রাসী ইহুদিদের পৈশাচিক রাষ্ট্রীয় হত্যাকা-: ইসরায়েলের বর্বরতা, আন্তর্জাতিক নীরবতা এবং আমাদের করণীয়
০৫ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছির আলাইহিস সালাম উনার নির্দেশনা মুবারক পালনেই সফলতা। ঢাকামুখী জনস্রোত বন্ধ এবং ঢাকা শহরের প্রাতিষ্ঠানিক বিকেন্দ্রীকরণ ব্যতীত অন্য কোন পদ্ধতিতে কখনোই যানজট নিরসনের স্থায়ী সমাধান হবে না।
০৪ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
পবিত্র দ্বীন ইসলাম ও সার্বভৌমত্বের দুশমনদের অপতৎপরতা-উগ্র হিন্দুত্ববাদী ‘রবীন্দ্র ঘোষ’ ও ‘চিন্ময়’ চক্রের রাষ্ট্রদ্রোহী আঁতাত এবং প্রশাসনের জগৎশেঠদের মুখোশ উম্মোচন
০৪ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছির আলাইহিস সালাম উনার নির্দেশনা মুবারক পালনেই সফলতা। ঢাকামুখী জনস্রোত বন্ধ এবং ঢাকা শহরের প্রাতিষ্ঠানিক বিকেন্দ্রীকরণ ব্যতীত অন্য কোন পদ্ধতিতে কখনোই যানজট নিরসনের স্থায়ী সমাধান হবে না।
০৩ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
বাংলাদেশের পারমাণবিক প্রতিরোধক্ষমতা অর্জন: একবিংশ শতাব্দীর কৌশলগত অপরিহার্যতা
০৩ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
ইরান-সন্ত্রাসী আমেরিকা সন্ত্রাসী ইসরাইল যুদ্ধ: রহস্যময় ড্রোন, ফলস ফ্ল্যাগ অপারেশন ও যুদ্ধ অর্থনীতির বাস্তবতা
০২ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
জুলাই সনদের ওপর গণভোট আদৌ সংবিধান সম্মততো নয়ই; শুধু এতটুকুই নয় বরং তা আদৌ বাস্তবসম্মতও নয়। অভিজ্ঞমহল বলেন, নির্বাচন কমিশন জাতির সঙ্গে তামাশা করছে। এত জটিল হিসাব-নিকাশে কি গণভোট হয়?
০২ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
উন্নত আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যাবস্থা: ভবিষ্যতের যুদ্ধক্ষেত্রে বাঁচার একমাত্র পথ
০১ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
জ্বালানি সংকট ব্যবস্থাপনায় স্বনির্ভরতায় জোর দেয়ার বিকল্প নেই
০১ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার)












