মন্তব্য কলাম
ঈমানী জজবায় বলীয়ান হামাসের দৃঢ়চিত্ততা, হিজবুল্লাহর ক্ষিপ্রতা, আনসারুল্লাহর তেজস্বীতা, ইরাক-সিরিয়ার প্রতিরোধ ক্ষমতা, কাসসাম বিগ্রেড, হুতিদের আক্রমন সক্ষমতায় ক্ষত-বিক্ষত-বিপর্যস্ত-বিধ্বস্ত ইসরায়েল পরাজয়ের পরিক্রমায়! পরাজয়ের প্রক্রিয়ায় ইহুদীবাদী ইসরায়েলীরা এখন পদত্যাগে ও পলায়নে উদ্যত
, ২৬ যিলহজ্জ শরীফ, ১৪৪৫ হিজরী সন, ০৫ ছানী, ১৩৯২ শামসী সন , ০৩ জুলাই, ২০২৪ খ্রি:, ১৯ আষাঢ়, ১৪৩১ ফসলী সন, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) মন্তব্য কলাম
পর্যবেক্ষক মহল বলেছে, হিজবুল্লাহ নিজেকে ও লেবাননকে রক্ষা করতে সক্ষম। লেবাননের সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহর সঙ্গে সর্বাত্মক যুদ্ধে ‘চূড়ান্ত পরাজিত’ পক্ষ হবে ইসরায়েল।
জাতিসংঘে ইরান মিশন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে বলেছে, নিজেকে বাঁচাতে দখলদার ইসরায়েল সরকারের যেকোনো হঠকারী সিদ্ধান্ত এই অঞ্চলকে একটি নতুন যুদ্ধে নিমজ্জিত করতে পারে।
বিবৃতিতে বলা হয়, নিঃসন্দেহে এ যুদ্ধে একটি পক্ষের চূড়ান্ত পরাজয় হবে। আর তারা হলো ইহুদিবাদী শাসক। হিজবুল্লাহর নিজেকে ও লেবাননকে রক্ষা করার সক্ষমতা রয়েছে। এই অবৈধ শাসকের (ইসরায়েল) আত্মবিনাশের সময় এসেছে।
ইসরায়েলের পক্ষ থেকে হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধে সর্বাত্মক যুদ্ধের হুমকির মুখে লেবাননের প্রতিরোধকামী সংগঠনটি বলেছে, এ ধরনের যুদ্ধ ইসরায়েলের পরাজয় ঠেকাতে পারবে না। হিজবুল্লাহ যেখানে চায় তার ক্ষেপণাস্ত্র এবং ড্রোনগুলো দিয়ে ইসরায়েলের সেইসব স্পর্শকাতর লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম। ”
হিজবুল্লাহর নির্বাহী পরিষদের উপপ্রধান শেখ নাবিল কাউক একথা বলেছেন। লেবাননের আরবি ভাষার অনলাইন পত্রিকা আল-নাশরা এ খবর দিয়েছে।
তিনি বলেন, লেবানন ইসরায়েলের জন্য এমন জায়গা হিসেবে কাজ করবে না, যেখানে তারা তার পরাজয় ঠেকাতে পারে। বরং দেশটি ইহুদিবাদী শত্রুদের পরাজয়ের একটি ক্ষেত্র এবং দখলদারদের বিরুদ্ধে বিজয় ও প্রতিরোধের স্থান হয়ে থাকবে।
এর আগে লেবাননের গ্রান্ড মুফতি শেখ আহমাদ কাবালান হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেছেন, লেবাননের বিরুদ্ধে নতুন করে যুদ্ধ শুরু করা হলে ইসরায়েল অভিমুখে পাঁচ লাখ ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করবে হিজবুল্লাহ।
শীর্ষ সামরিক উপদেষ্টা ইয়াহিয়া রহিম সাফাভি বলেছেন, মধ্যপ্রাচ্যের প্রতিরোধ ফ্রন্টের হাতে ইহুদিবাদী ইসরায়েল বড় ধরনের পরাজয়ের সম্মুখীন হয়েছে যা এই অবৈধ রাষ্ট্রকে ধ্বংসের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে।
গত সপ্তাহে এক বক্তব্যে বলেন, লেবাননের হিজবুল্লাহ, ইয়েমেনে আনসারুল্লাহ, সিরিয়ার প্রতিরোধ শক্তি, ইরাকের প্রতিহত শক্তি এবং ফিলিস্তিনের প্রতিরোধ আন্দোলনগুলোর সমন্বয়ে গঠিত প্রতিরোধ অক্ষের হাতে ইহুদিবাদী ইসরায়েল পরাজিত হয়েছে।
ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী বা আইআরজিসির সাবেক প্রধান কমান্ডার মেজর জেনারেল সাফাভি বলেন, ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু গাজা উপত্যকায় তার ঘোষিত কোনো লক্ষ্য অর্জন করতে পারেননি।
তিনি আরো বলেন, গত নয় মাসের গাজা আগ্রাসনে আমেরিকা ও ন্যাটোর নেতৃত্বাধীন পশ্চিমা শক্তিগুলো ইসরায়েলকে সার্বিক সহযোগিতা করেছে। তারা রাজনৈতিক, সামরিক, অর্থনৈতিক এমনকি ইসরায়েলের গণমাধ্যমের কমান্ড সেন্টারের দায়িত্বও নিজেদের হাতে নিয়ে নিয়েছে।
জেনারেল সাফাভি বলেন, নয় মাসের যুদ্ধের পর প্রতিরোধ ফ্রন্ট এখন ইসরায়েলের উত্তর ও দক্ষিণ উভয় অংশের শক্তির ভারসাম্য বদলে দিয়েছে। তিনি বলেন, ইয়েমেনের আনসারুল্লাহ আন্দোলন লোহিত সাগর ও বাব আল-মান্দাব প্রণালির ওপর পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করেছে।
এদিকে হিজবুল্লাহ প্রধান হাসান নাসরাল্লাহ এই সপ্তাহে বলেছেন, ‘যদি ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী লেবাননে যুদ্ধে যায় তবে তার দল ইসরায়েলের পুরো ভূখ-ে আঘাত করার জন্য রকেট এবং ড্রোন ব্যবহার করবে। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, হিজবুল্লাহ কোনও সংযম এবং যুদ্ধের কোন নিয়ম না মেনে হামলা করবে।
এদিকে, ইসরায়েলের উত্তর হাইফা বন্দরে চারটি জাহাজে হামলার দাবি করেছে ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীরা। শনিবার ইরাকের সশস্ত্র গোষ্ঠী ইসলামিক রেজিস্ট্যান্সের সঙ্গে যৌথ অভিযানে এ হামলা চালায় তারা।
হুথি সামরিক মুখপাত্র হাইফা বন্দরে দুটি সিমেন্ট ট্যাঙ্কার ও দুটি পণ্যবাহী জাহাজে ড্রোন হামলা চালানোর কথা জানিয়েছেন।
তিনি বলেন, জাহাজগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছিল, কারণ সেগুলোর মালিকানাধীন কোম্পানি অধিকৃত ফিলিস্তিনের বন্দরে প্রবেশের নিষেধাজ্ঞা লঙ্ঘন করেছে। অভিযানে হুতিরা সফল হওয়ার দাবি করলেও, মার্কিন কর্মকর্তারা বলছেন এই দাবি ভুল। ইসরায়েলি সেনাবাহিনীও এই হামলার কথা অস্বীকার করেছে। এর আগে, ইসরায়েলি এই বন্দরে নোঙর করা সব জাহাজকে লক্ষ্যবস্তু করার হুমকি দিয়েছিল ইরান-সমর্থিত হুতিরা।
এদিকে খোদ ইহুদীবাদী, সন্ত্রাসী ইসরায়েলের সামরিক বাহিনী, গোয়েন্দা বাহিনীতেও পরাজয়ের প্রভাব প্রকট হচ্ছে।
৭ অক্টোবর হামাসের হামলায় ব্যর্থতার দায় নিয়ে পদত্যাগ করেছে সন্ত্রসী ইসরায়েলের সামরিক গোয়েন্দা প্রধানসহ আরো অনেক উর্ধ্বতন সামরিক কর্মকর্তা। দেশটির সামরিক বাহিনী এমনটি বলেছে।
ইহুদীবাদী সন্ত্রাসী মেজর জেনারেল আহারন হালিভা, হামলা প্রতিরোধে ব্যর্থতার দায় মাথায় নিয়ে পদত্যাগ করেছে। হামাসের ওই হামলায় ইসরায়েলসহ আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় বিস্মিত হয়।
ইসরায়েলের যুদ্ধকালীন মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগ করেছে বেনি গানৎস। গানৎসের পদত্যাগ প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর জন্য বড় ধাক্কা হিসেবে দেখা হচ্ছে।
মন্ত্রিসভা থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত ‘কঠিন ও বেদনাদায়ক’ উল্লেখ করে সংবাদ সম্মেলনে গানৎস বলে, ‘প্রকৃত বিজয়ের দিকে এগিয়ে যেতে আমাদের বাধা দিচ্ছে নেতানিয়াহু। ’তবে গানৎসের বক্তব্যকে ‘অনর্থক’ আখ্যা দিয়ে তাৎক্ষণিক নেতানিয়াহু বলে, এ ধরনের বক্তব্য ইসরায়েলের জন্য পরাজয়ের শামিল। এর আগে পদত্যাগ না করতে গানৎসের প্রতি আহ্বান জানিয়েছিলো সে।
অন্যদিকে সন্ত্রাসী ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিআমিন নেতানিয়াহু বিচার বিভাগসহ ইসরায়েলের সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোকে দুর্বল করার চেষ্টা চালাচ্ছে যাতে কারাগারে যেতে না হয় তাকে।
সন্ত্রাসী ইসরায়েলীদের পরাজয়ের প্রক্রিয়ার পর্যালোচনা এখন ইহুদীবাদী লেখক-গবেষকদের মাঝেও সঞ্চারিত।
সন্ত্রাসী ইহুদিবাদী বিশেষজ্ঞ "হ্যাগি ওলশানিতস্কি" জেমান ইজরায়েল নিউজ সাইটে প্রকাশিত একটি নিবন্ধে লিখেছে, ৭ অক্টোবরের ঘটনার প্রেক্ষাপটে বিজয়ের নতুন অর্থ করা উচিত এবং ইসরায়েল যে ধরনের সাধারণ বিজয় অর্জন করত সেসবের আর অস্তিত্ব নেই।
সন্ত্রাসী ইসরায়েলের এই গবেষক লিখেছে, ৭ অক্টোবরে শুরু হওয়া যুদ্ধে ইসরায়েল কোনো লক্ষ্যই অর্জন করবে না, কারণ ইসরায়েল তার ঠেকিয়ে রাখার সব শক্তিগুলো ব্যয় করেছে ও তার আর বর্ধিত কোনো শক্তি-সামর্থ্য নেই।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পেনসিলভেনিয়ার ওয়েস্ট চেষ্টার ইউনিভার্সিটির ইতিহাসের অধ্যাপক ও প্রফেসর এমিরেটাস লরেন্স ডেভিডসনের লেখা একটি নিবন্ধের শিরোনাম ‘ইসরায়েল লসেস ইট্স বেস্ট’ গত সপ্তাহে আইসিএইচ অনলাইনে এটি প্রকাশিত হয়েছে।
ইসরায়েলি বাহিনীর গাজায় বোমা হামলা এবং হামাসের প্রতিরোধ ও প্রত্যাঘাত এবং ইসরায়েলের সামাজিক-রাজনৈতিক বাস্তবতার নিরিখে প্রফেসর ডেভিডসন এই সিদ্ধান্তে উপনীত হয়েছে।
সে কোনো মনগড়া তথ্যনির্ভর সিদ্ধান্ত দেয়নি। ইসরায়েলি ঈল্ফ-পত্রিকা ও বিভিন্ন ইহুদি গ্রুপের মতামত ও ইসরায়েলের সাম্প্রতিক সামাজিক-রাজনৈতিক প্রবণতার মধ্য দিয়ে সে ইসরায়েল নামক রাষ্ট্রটির হেরে যাওয়ার সর্বোচ্চ প্রবণতা দেখতে পেয়েছে।
নিবন্ধের শুরুতেই সে ২০১২ সালে ইসরায়েলি পত্রিকা হারেজ’র একটি জনমত জরিপ উল্লেখ করেছে, যেখানে বলা হচ্ছে, সুযোগ পেলে সন্ত্রাসী ইসরায়েলের বর্তমান ইহুদি জনসংখ্যার অন্তত একতৃতীয়াংশ ইসরায়েল ত্যাগ করে অন্যত্র চলে যেতে চায়।
নিউজউইক পত্রিকায় প্রকাশিত ২০১৮ সালের একটি নিবন্ধের উল্লেখ করেছে ডেভিডসন, যেখানে বলা হচ্ছে- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র তার দূতাবাস জেরুজালেমে স্থানান্তর করলেও নানাবিধ সামাজিক-অর্থনৈতিক সংকটের কারণে ইসরায়েল এখনো অস্তিত্বের সংকটে ভুগছে।
এ প্রসঙ্গে হারেজ পত্রিকায় ২০২০ সালের ২৩ মে তারিখে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে সন্ত্রাসী ইসরায়েলে বসবাসরত বেশকিছু বুদ্ধিজীবী, লেখক, চিন্তাবিদ, মানবাধিকার কর্মীসহ বিভিন্ন পেশার উচ্চ শিক্ষিত ও অভিজ্ঞ ব্যক্তিদের মতামত তুলে ধরা হয়েছে, যারা বিভিন্ন কারণে ইসরায়েলে আর নিরাপদ বোধ করছে না।
-আল্লামা মুহম্মদ ওয়ালীউর রহমান।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
মালয়েশিয়া-বাংলাদেশ সম্পোর্কোন্নয়ন কেন শুধু দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ভিত্তিতে? অনন্য উচ্চতায় উঠা এ সম্পর্ক কেন ইসলামী মূল্যবোধ ও মুসলিম ভ্রাতৃত্বের বন্ধনে উজ্জীবিত হবে না? (১ম পর্ব)
২৫ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
প্রতিরক্ষা আধুনিকায়ন ও কৌশলগত স্বনির্ভরতা: বাংলাদেশের ৫০ লক্ষ পদাতিক বাহিনীর জন্য ৩য় প্রজন্মের এটিজিএম রোডম্যাপ (পর্ব ৭)
২৫ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
বিশ্বে তৈরী পোশাক রফতানীতে প্রথম বাংলাদেশ কেনো তুলা আমদানীতেও প্রথম? নামে তুলা উন্নয়ন বোর্ড থাকলেও স্বাধীনতার পর থেকে আজ পর্যন্ত তুলা চাষে কোনো উন্নয়নই নেই অপার সম্ভাবনা থাকলেও দেশে তুলা উৎপাদনে সরকারী কোনো তৎপরতা নেই অথচ ১৬৫০ থেকে ১৭৫০-এই ১০০ বছরে ইউরোপীয় কোম্পানিগুলোই বাংলা থেকেই ৩ লাখ গজ থেকে ৩ কোটি গজ কাপড় রপ্তানি করেছে। এই বিপুল উৎপাদনে এই বাংলাদেশই কীভাবে তুলার যোগান দিল?
২৫ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
বিশ্বে তৈরী পোশাক রফতানীতে প্রথম বাংলাদেশ কেনো তুলা আমদানীতেও প্রথম? নামে তুলা উন্নয়ন বোর্ড থাকলেও স্বাধীনতার পর থেকে আজ পর্যন্ত তুলা চাষে কোনো উন্নয়নই নেই অপার সম্ভাবনা থাকলেও দেশে তুলা উৎপাদনে সরকারী কোনো তৎপরতা নেই
২৩ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
দেশের ৪ কোটি মানুষ না খেয়ে থাকে। অথচ বছরে প্রায় ৫০ হাজার কোটি টাকার শস্য নষ্ট হয় খাদ্য অপচয় রোধ করতে ‘নিশ্চয়ই অপব্যয়কারীরা শয়তানের ভাই’- পবিত্র কুরআন শরীফ উনার এই নির্দেশ সমাজের সর্বাত্মক প্রতিফলন ব্যতীত কোনো বিকল্প নেই।
২২ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
অলস জমিদারের কায়দায় বসে বসে তালুক বিক্রী করে খাওয়ার মতই জ্যামিতিক হারে ঋণ বাড়িয়ে চলছে সরকার ২০২৮-২৯ অর্থবছর ঋণের পরিমাণ দাঁড়াবে ৩৩ লাখ ৭৭ হাজার ৬০০ কোটি টাকায়। দুর্নীতি বন্ধের পাশাপাশি উৎপাদন বাড়ানো রফতানী বৃদ্ধি ও বহুর্মুখীকরণ করার উদ্যম নেই সরকারের দেশ জাতিকে করে যাচ্ছে সুদী মহাজনদের কাছে জিম্মি ও বিক্রী।
২২ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছির আলাইহিস সালাম উনার নির্দেশনা মুবারক পালনেই সফলতা। ঢাকামুখী জনস্রোত বন্ধ এবং ঢাকা শহরের প্রশাসনিক ও প্রাতিষ্ঠানিক বিকেন্দ্রীকরণ ব্যতীত অন্য কোন পদ্ধতিতে কখনোই যানজট নিরসনের স্থায়ী সমাধান হবে না (১৩)
২১ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
ঋণ নির্ভর বাজেট প্রণয়ন না করে রফতানী বহুর্মুখীকরণের দ্বারা সমৃদ্ধ বাজেট প্রণয়ন খুব সহজেই সম্ভব। কাঁঠাল উৎপাদনে বাংলাদেশ প্রথম হলেও রফতানীতে তলানীতে। কাঁঠাল রফতানী করেও বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার আয় সম্ভব।
২০ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
বাংলাদেশের প্রয়োজনীয় ৫০ লক্ষ সেনাবাহিনীর অপ্রতিরোধ্যকরণের জন্য প্রয়োজনীয় সরঞ্জামাদির বিবরণ (পর্ব ৬)
১৮ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
বাংলাদেশের প্রয়োজনীয় ৫০ লক্ষ সেনাবাহিনীর অপ্রতিরোধ্যকরণের জন্য প্রয়োজনীয় সরঞ্জামাদির বিবরণ (পর্ব- ৫)
১৭ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
“বাংলাদেশের ওষুধ রফতানি হচ্ছে ১৪০টির বেশি দেশে”- গত পরশু (৮ই জুন) এই বিবৃতি দেয়া স্বাস্থ্যমন্ত্রী কী ভেবে দেখবেন মার্কিনীদের সাথে করা গোলামী চুক্তিতে তার এই উচ্ছাস পুরোটাই গভীর এবং চরম-পরম উৎকণ্ঠায় পর্যবসিত হয়েছে মার্কিন বাণিজ্যচুক্তি বাংলাদেশের ওষুধশিল্পের জন্যও মহা ধ্বংস প্রক্রিয়া বাংলাদেশের ৫১ কোটি নাগরিকের নিরাপত্তা নির্মূলীকরণ প্রক্রিয়া। মহা আত্মঘাতী, সর্বনাশী, দেশের সার্বভৌমত্ব বিক্রিকারী এ চুক্তি অবিলম্বে বাতিল করতে হবে (২য় পর্ব)
১৬ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
বাংলাদেশের মহাকাশ প্রতিরক্ষা কৌশল: ৫০ লক্ষাধিক বহরের সমন্বিত বাহিনীর জন্য কৃত্রিম উপগ্রহ প্রযুক্তির রূপরেখা (পর্ব-৪)
১৫ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার)












