ইতিহাসে বড় ধরণের ১০টি ভয়াবহ ভূমিকম্প (২)
, ২৫শে রজবুল হারাম শরীফ, ১৪৪৪ হিজরী সন, ১৯ তাসি, ১৩৯০ শামসী সন , ১৭ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ খ্রি:, ০৩ ফাল্গুন, ১৪২৯ ফসলী সন, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) পাঁচ মিশালী
২০১১ সালের ১১ই মার্চ জাপানের পূর্ব উপকূল তোহুকুতে এক ভয়াবহ ভূমিকম্প হয়। ভূমিকম্পটি ৯.০ মাত্রার ছিল। ভূমিকম্পের পর হয় ভয়ঙ্কর সুনামি। এতে জাপানের ১৫ হাজারেরও বেশি মানুষ নিহত হয়। ক্ষতিগ্রস্ত হয় পারমাণবিক চুল্লি।
কামচাটকা:
১৯৫২ সালের ৪ নভেম্বর রাশিয়া ও হাওয়াই দ্বীপপুঞ্জে ৯.০ মাত্রার ভূমিকম্প হয়েছিল। এর ফলে প্রশান্ত মহাসাগরে সৃষ্টি হয় সুনামি। এ ভূমিকম্পের কেন্দ্রস্থল ছিল কামচাটকা উপদ্বীপ। তিন হাজার মাইলজুড়ে অনুভূত হয়েছিল এ ভূ-কম্পন। এতে নিহতের তথ্য পাওয়া যায়নি।
আরিকা, পেরু (বর্তমান চিলি):
১৮৬৮ সালের ১৩ আগস্ট প্রশান্ত মহাসাগরে সৃষ্ট ৯.০ মাত্রার ভূ-কম্পন হাওয়াই দ্বীপপুঞ্জ পর্যন্ত অনুভূত হয়। এতে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল দক্ষিণ আমেরিকার আরেকুইপা শহর। সেখানে অন্তত ২৫ হাজার মানুষ নিহত হয়েছিল।
উত্তর প্রশান্ত মহাসাগরীয় উপকূল:
১৭০০ সালের ২৬ জানুয়ারি উত্তর প্রশান্ত মহাসাগরীয় উপকূলে ৯.০ মাত্রার ভূমিকম্প হয়। তবে এর কোনো শক্ত প্রমাণ নেই। উত্তর আমেরিকা মহাদেশের অন্যতম ভয়াবহ ভূমিকম্প মনে করা হয় এটিকে। এ ভূমিকম্পের পর সুনামিতে ভ্যাঙ্কুভার দ্বীপের পাচেনা উপকূলের অধিবাসীদের ভাসিয়ে নিয়ে যায়।
চিলি:
২০১০ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি এ দেশে ফের ভয়াবহ এক ভূমিকম্প হয়। রিখটার স্কেলে যার মাত্রা ছিল ৮ দশমিক ৮। এ ভূমিকম্পে প্রাণ হারায় ৫২১ জন। আহত হয় অন্তত ১২ হাজার। এ সময় আট লাখ মানুষ গৃহহীন হয়েছে।
ইকুয়েডরের উপকূল:
১৯০৬ সালের ১৩ জানুয়ারি ইকুয়েডর ও কলম্বিয়ার সমুদ্র উপকূলে ৮ দশমিক ৮ মাত্রার ভূমিকম্পের পর সৃষ্টি হওয়া সুনামিতে নিহত হয় ৫০০-র বেশি মানুষ।
আসাম-তিব্বত:
১৯৫০ সালের ১৫ আগস্ট বর্তমান ভারতের আসাম ও চীনের তিব্বতে ৮ দশমিক ৬ মাত্রার ভূমিকম্প হয়। এ ভূমিকম্পে আসাম-তিব্বতের ৭০টি গ্রাম ধবংস হয়ে যায়। নিহত হয় হাজার হাজার মানুষ। ভূমিকম্পের পরে দেখা দেয় ভয়াবহ বন্যা।
তুরস্ক-সিরিয়া:
পৃথিবীর সর্বশেষ ভয়াবহ ভূমিকম্প হয় ২০২৩ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি। এটি তুরস্ক-সিরিয়ায় অনুভূত হয়। ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৭ দশমিক ৮ এবং ৭ দশমিক ৫ অর্থাৎ ১২ ঘন্টার ব্যবধানে দু’টি বড় মাত্রার ভূমিকম্প, এছাড়া প্রায় ১৫০০ অধিক আফটারশক অনুভূত হয়। যার উৎপত্তি তুরস্কের গাজিয়ান্তেপ অঞ্চলে। এ ভূমিকম্পে নিহত প্রায় ৫০ হাজার। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) জানিয়েছে, মৃতের সংখ্যা আরও বেশী।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
‘সাদা সোনা’ কি সত্যিই সোনা, এর দাম এত বেশি কেন?
২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
কডিনি সুস্থ রাখতে করণীয়
১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
গৃহসম্পদের উপযোগিতা বৃদ্ধির উপায়
১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
ওজন কতটুকু কমানো উচিত
১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
জবিতে নাইট্রোজেন সার ব্যবহারে ২২ শতাংশ সাশ্রয়ের সম্ভাবনাময় প্রযুক্তির উদ্ভাবন
১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
শুধু বরফই নয়, ঠান্ডায় পানি জমে যেভাবে কাচও হতে পারে
১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
পাখিরা কি উড়ে আনন্দ পায়-কাকাতুয়াদের নিয়ে বিজ্ঞানীদের গবেষণা
১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
কোন ডিম বেশি পুষ্টিকর, বাদামি নাকি সাদা?
১২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
একটি ভেড়ার দাম কোটি টাকা!
১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
পৃথিবীর যে ছয় পবিত্র মসজিদে সবচেয়ে বেশী জনসমাগম হয়
১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
পাট শিল্পের স্বর্ণযুগ ফেরাতে দুই শিক্ষার্থীর অ্যাপ
০৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
কোন দেশ থেকে কত রেমিট্যান্স আসে?
০৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার)












