মন্তব্য কলাম
অবশেষে কাশ্মীরীদের আলাদা মর্যাদা ৩৭০ ধরেও বাতিল করল মুসলিম বিদ্বেষী বিজেপি সরকার কাশ্মীর কি তবে আরেক ফিলিস্তিন হতে চলছে?
দ্বীন ইসলাম বিদ্বেষী বিধর্মী ও বিধর্মীদের চুক্তির কাছে মুসলমান কখনও নিরাপদ নয় (পর্ব-৬)
, ২৬শে জুমাদাল ঊলা শরীফ, ১৪৪৬ হিজরী সন, ০১ সাবি’, ১৩৯২ শামসী সন , ২৯ নভেম্বর, ২০২৪ খ্রি:, ১৪ অগ্রহায়ণ, ১৪৩১ ফসলী সন, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) মন্তব্য কলাম
৩৭০ ধারা নিয়ে বিতর্ক
৩৭০ নং ধারা কি রদ করা যায়?
ঐতিহাসিকরা মনে করেন, এই ধারা একটা অন্তর্বর্তী ব্যবস্থা। স্বায়ত্তশাষনের ধারা ধীরে ধীরে ক্রমশই ক্ষীণ হয়ে আসছে। তখন কেন্দ্রের হাতে ছিল প্রতিরক্ষা, পররাষ্ট্র, যোগাযোগ ইত্যাদি। এখন তার পরিসর অনেক ব্যাপক। আইন বিশেষজ্ঞরা অবশ্য মনে করেন, ভারতীয় সংবিধানে কাশ্মীর সংক্রান্ত ৩৭০ নং ধারা রদ করার প্রক্রিয়া সহজ নয়। সংবিধান সংশোধনের ক্ষমতা আছে সংসদের। রাষ্ট্রপতি বিজ্ঞপ্তি জারি করে তা সংশোধন করতে পারেন। অবশ্য তা রাজ্যের গণপরিষদের অনুমোদন সাপেক্ষে। এছাড়া এটা কেন্দ্র ও রাজ্যের সম্পর্কের মৌলিক ভিত্তি, তাই তা সংশোধন করা যাবে না।
কাশ্মীরের বিশিষ্ট আইনবিদ তাসাদাক হোসেনের মতে, ঐ ধারা রদ করতে হলে প্রথমে সংসদের নিম্নকক্ষ লোকসভা এবং উচ্চকক্ষ রাজ্যসভা - উভয় সভাতেই রদ করা সংক্রান্ত প্রস্তাব পাস করাতে হবে দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতায়। তারপর সেই প্রস্তাবটিকে অনুমোদন পেতে হবে জম্মু-কাশ্মীরের বিধানসভায় দুই-তৃতীয়াংশ ভোটে, যেটা কার্যত অসম্ভব। কোনো রাজ্যের কোনো রাজনৈতিক দল তা করতে চাইলে তাদের অস্তিত্বই হয়ে পড়বে বিপণœ। রাজ্যে জ্বলে উঠবে আগুন।
উল্লেখ্য, ১৯৪৭ সালে দেশভাগের সময় জম্মু-কাশ্মীর ভারতের অঙ্গ ছিল না। ছিল হরি সিং-এর স্বাধীন রাজতন্ত্র। কিন্তু ১৯৪৭ সালের ২২শে অক্টোবর পাকিস্তানি উপজাতি হানাদার বাহিনী কাশ্মীর আক্রমণ করলে, উপয়ান্তর না দেখে হরি সিং ভারতের কাছে সেনা সাহায্য চান ‘ইনস্ট্রুমেন্ট অফ অ্যাকসেশন’, অর্থাৎ ভারতভুক্তির শর্তে। তাতে জম্মু-কাশ্মীরকে ৩৭০ নং ধারা অনুযায়ী স্বায়ত্তশাসনের বিশেষ মর্যাদা দেবার সংস্থান রাখা হয়।
কিন্তু বর্তমান কুখ্যাত মোদী সরকারই শুধু ৩৭০ ধারা বাতিল করেনি। ভারতীয় নাগরিকের শেষ আশ্রয় ভারতীয় সুপ্রিম কোর্টও জম্মু-কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা বাতিলের সিদ্ধান্ত বহাল রেখেছে।
২০১৯ সালের ৫ই অগাস্ট ভারতের মুসলিম প্রধান জম্মু ও কাশ্মীর রাজ্যের সাংবিধানিক বিশেষ মর্যাদা সংক্রান্ত সংবিধানের ৩৭০ অনুচ্ছেদ বাতিল করে কেন্দ্রীয় শাসন জারি করে মোদী সরকার। ওই অনুচ্ছেদ অনুযায়ী জম্মু ও কাশ্মীরের নিজেদের সংবিধান ও আলাদা পতাকার অধিকার দেয়া হয়েছিল। পূর্বতন জম্মু ও কাশ্মীর রাজ্য পুরোপুরি মুছে ফেলে একে লাদাখ এবং জম্মু-কাশ্মীর নামে দুটি পৃথক কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে রূপান্তরিত করা হয়েছিল। এরপর সেখানে ব্যাপক বিক্ষোভের মুখে দীর্ঘদিন লকডাউন করে রাখা হয়েছিল।
৩৭০ অনুচ্ছেদটি জম্মু ও কাশ্মীরকে বিশেষ ধরনের স্বায়ত্বশাসন ভোগ করার অধিকার দিয়েছিল, যা রাজ্যটিকে নিজস্ব সংবিধান, আলাদা পতাকা এবং আইন তৈরি করার অনুমোদন দেয়। পররাষ্ট্র, প্রতিরক্ষা এবং যোগাযোগ বিষয়ক ব্যাপারের নিয়ন্ত্রণ থাকতো কেন্দ্রীয় সরকারের হাতে। ফলস্বরুপ জম্মু ও কাশ্মীর নাগরিকত্ব, সম্পদের মালিকানা এবং মৌলিক অধিকার সংক্রান্ত আইন নিজেরা তৈরি করার ক্ষমতা রাখতো। ভারতের অন্যান্য রাজ্যের মানুষকে জম্মু ও কাশ্মীরে জমি কেনা এবং সেখানে স্থায়ীভাবে বসবাস করা থেকেও বিরত রাখতে পারতো ঐ অনুচ্ছেদের বদৌলতে।
এই ৩৭০ ধারা এবং ৩৫এ অনুচ্ছেদ যোগ হয়েছিল ভারত ও কাশ্মীরের নেতাদের দীর্ঘ আলোচনার ভিত্তিতে।
মোদি এবং হিন্দু জাতীয়তাবাদী দল ভারতীয় জনতা পার্টি দীর্ঘসময় ধরে অনুচ্ছেদ ৩৭০ এর বিরোধিতা করে আসছে।
ভারতের শীর্ষ আদালতের এই রায়ের পর রাজনৈতিকসহ বিভিন্ন মহল থেকে মিশ্র প্রতিক্রিয়া পাওয়া গিয়েছে।
জম্মু ও কাশ্মীরের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ওমর আব্দুল্লা সমাজ মাধ্যম এক্স (সাবেক টুইটারে) রায় দানের বিষয়ে লিখেছেন- ‘হতাশ হয়েছি, কিন্তু হার মানিনি। লড়াই জারি থাকবে। এখানে পৌঁছতে বিজেপির কয়েক দশক লেগেছে। আমরাও দীর্ঘ লড়াইয়ের জন্য প্রস্তুত। ’
জম্মু কাশ্মীরের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী এবং ‘ডেমক্রেটিক প্রগ্রেসিভ আজাদ পার্টির’ গুলাম নবী আজাদও তার ‘হতাশা’ জানিয়েছেন। তার কথায়, “ভারতীয় সংবিধানের ৩৭০ ধারা জম্মু-কাশ্মীরের মানুষদের কিছু বিশেষ সুবিধা দিত, যা তাদের জীবনধারণের এবং অর্থনৈতিক উন্নতির জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয় ছিল। ”
৩৭০ ধারা নিয়ে আদালতের সিদ্ধান্তের পর জম্মু ও কাশ্মীরের রাজা হরি সিংয়ের ছেলে এবং কংগ্রেস নেতা করণ সিং এ এনআই-কে বলে "আমি এই রায়কে স্বাগত জানাই। এখন এটা স্পষ্ট হয়ে গেছে যে যা কিছু ঘটেছে তা সাংবিধানিকভাবে বৈধ...আমি প্রধানমন্ত্রী মোদীকে অনুরোধ করছি যেন শীঘ্রই রাজ্যের মর্যাদা ফিরিয়ে আনার জন্য...। ''
নাগরিকত্ব, সম্পত্তির মালিকানা বা মৌলিক অধিকারের প্রশ্নেও এই রাজ্যের বাসিন্দারা বাকি দেশের তুলনায় বাড়তি কিছু সুবিধা ভোগ করে, আর ৩৭০ ধারাই তাদের সে অধিকার দিয়েছে। দ্বিতীয়বার ক্ষমতায় আসার পর মোদীর সরকার সংবিধানের ৩৭০ নম্বর অনুচ্ছেদে অনুযায়ী, জম্মু-কাশ্মীরের যে বিশেষ মর্যাদা ছিল তা বাতিল করে। বিলুপ্ত হয় ৩৭০ এর অন্তর্গত ৩৫-এ। পূর্ণ অঙ্গরাজ্যের মর্যাদাপ্রাপ্ত জম্মু-কাশ্মীরকে ভাগ করা হয় কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল জম্মু-কাশ্মীর ও লাদাখে।
দ্বিতীয়বার ক্ষমতায় আসার পর ২০১৯ সালের ৫ই অগাস্ট ভারতের সংবিধানের ৩৭০ নম্বর অনুচ্ছেদ বিলুপ্ত করার ঘোষণা দেয় ভারতের সরকার।
৩৭০ অনুচ্ছেদের কারণে জম্মু ও কাশ্মীর অন্য যেকোন ভারতীয় রাজ্যের চেয়ে বেশি স্বায়ত্বশাসন ভোগ করতো।
অনুচ্ছেদ ৩৭০ ভারতীয় রাজ্য জম্মু ও কাশ্মীরকে নিজেদের সংবিধান ও একটি আলাদা পতাকার স্বাধীনতা দিয়েছিল। এছাড়া পররাষ্ট্র সম্পর্কিত বিষয়াদি, প্রতিরক্ষা এবং যোগাযোগ বাদে অন্যান্য সকল ক্ষেত্রে স্বাধীনতার নিশ্চয়তাও দেয়।
৩৭০ অনুচ্ছেদের সুবাদে কাশ্মীরের স্থায়ী বাসিন্দারাই শুধুমাত্র সেখানে বৈধভাবে জমি কিনতে পারতেন, সরকারি চাকরি করার সুযোগ পেতেন এবং সেখানে ব্যবসা পরিচালনা করতে পারেন। ঐ অনুচ্ছেদ বিলোপ করার বিষয়টি বিজেপি'র পুরনো রাজনৈতিক এজেন্ডাগুলোর একটি ছিল।
পূর্বতন জম্মু ও কাশ্মীর রাজ্য পুরোপুরি মুছে ফেলে একে লাদাখ এবং জম্মু-কাশ্মীর নামে দুটি পৃথক কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে রূপান্তরিত করা হয়েছিল। ওই অনুচ্ছেদ বাতিলের পরে কেন্দ্রীয় সরকারের এই পদক্ষেপকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে একাধিক মামলা দায়ের করা হয়েছিল সুপ্রিম কোর্টে। সেই সমস্ত মামলাকে একত্র করে জুলাই মাস থেকে প্রধান বিচারপতি চন্দ্রচূড়ের নেতৃত্বাধীন সাংবিধানিক বেঞ্চে শুরু হয় এর ধারাবাহিক শুনানি।
গত চার বছরের বিভিন্ন সময়ে দায়ের করা এই মামলা গুলিতে সংবিধানের ৩৭০ নম্বর অনুচ্ছেদ মেনে যে বিশেষ মর্যাদা ও সুবিধা দেওয়া হয়েছিল জম্মু-কাশ্মীরকে, তা রদ করার সিদ্ধান্ত সম্পর্কে একাধিক প্রশ্ন তোলা হয়েছিল। প্রশ্ন উঠেছিল, সংবিধানের ৩৭০ অনুচ্ছেদে পরিবর্তন আনা এবং জম্মু ও কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা কেড়ে নেওয়ার ক্ষমতা সংসদের আছে? নাকি কেবল মাত্র ‘কনস্টিটিউয়েন্ট অ্যাসেম্বলি’ বা পূর্ববর্তী রাজ্যের গণপরিষদের সুপারিশের ভিত্তিতে করা যেতে পারে?
মামলা চলাকালীন, শীর্ষ আদালতের সাংবিধানিক বেঞ্চ জানিয়েছিল, যে প্রক্রিয়ায় জম্মু-কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা লোপ করা হয়েছিল তা খতিয়ে দেখা হবে।
মামলা চলাকালীন এ বছর আগস্ট মাসে, আবেদনকারী পক্ষে থেকে শুনানিতে অংশ নিয়েছিলো আইনজীবী কপিল সিব্বল।
শুনানির শুরুতে তিনি বলেন, ‘‘জম্মু ও কাশ্মীর রাজ্যকে বিশেষ মর্যাদা দেওয়া ৩৭০ অনুচ্ছেদ বাতিলের সিদ্ধান্ত আদৌ সাংবিধানিক পদক্ষেপ নয়। পুরোপুরি রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত। ”
আবেদনকারী কারা?
এই মামলায় মোট ২৩টি আবেদন করা হয়েছে। আবেদনকারীদের মধ্যে মুলত রয়েছেন, সুশীল সমাজ, আইনজীবী, রাজনীতিবিদ, সাংবাদিক ও অ্যাক্টিভিস্ট। রয়েছেন জম্মু ও কাশ্মীর পিপলস কনফারেন্স, পিপলস ইউনিয়ন ফর সিভিল লিবার্টিজ, ন্যাশনাল কনফারেন্স নেতা-সাংসদ মহম্মদ আকবর লোন এবং জম্মু ও কাশ্মীরের প্রাক্তন মধ্যস্থতাকারী রাধা কুমার।
আবেদনকারীদের পক্ষে কপিল সিব্বল, গোপাল সুব্রহ্মণ্যমের মতো প্রবীণ আইনজীবীরা অনুচ্ছেদ ৩৭০-এর বিষয়ে নেওয়া কেন্দ্র সরকারের পদক্ষেপের বিরুদ্ধে একাধিক প্রশ্ন তুলেছেন।
আবেদনকারী ও সরকার দু’পক্ষের বক্তব্য শোনার পরে, গত পাঁচই সেপ্টেম্বর এই মামলার রায় দান স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত নেয় প্রধান বিচারপতি ডি ওয়াই চন্দ্রচূড়ের নেতৃত্বাধীন সাংবিধানিক বেঞ্চ।
আবেদনকারীদের অভিযোগ
অনুচ্ছেদ ৩৭০-এর বিষয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের ২০১৯ সালে নেওয়া পদক্ষেপ এবং জম্মু-কাশ্মীরকে কেন্দ্রীয় শাসিত অঞ্চলে ভাগ বিষয়ক পদক্ষেপকে রদ করার আবেদনই মূলত জানানো হয়েছে।
আবেদনকারীদের বক্তব্য, ভারতীর সংবিধানের ৩৭০ অনুচ্ছেদ একটি স্থায়ী বিধান ছিল। এর যে কোনও পরিবর্তনের ক্ষেত্রে রাজ্যের গণপরিষদের অনুমতি প্রয়োজন, যা ১৯৫৬ সালে ভেঙে দেওয়া হয়েছিল।
আবেদনকারীরা আরও বলেছেন, ৩৭০ ধারা অপসারণের বিষয়টি ইন্সট্রুমেন্ট অফ অ্যাকসেশন-এর পরিপন্থী, যার মাধ্যমে জম্মু ও কাশ্মীর ভারতের অংশ হয়ে যায়। তাদের বক্তব্য, এটি জনগণের ইচ্ছার বিরুদ্ধে নেওয়া একটি ‘রাজনৈতিক পদক্ষেপ’।
গণপরিষদকে বিধানসভা দিয়ে প্রতিস্থাপিত করা যায় না কারণ তাদের কাজ আলাদা। শুধু তাই নয়, রাজ্যে যখন রাষ্ট্রপতি শাসন ছিল তখন এই সংশোধন করা যেতে পারে না। (ইনশাআল্লাহ চলবে)
-আল্লামা মুহম্মদ ওয়ালীউর রহমান।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছির আলাইহিস সালাম উনার নির্দেশনা মুবারক পালনেই সফলতা। ঢাকামুখী জনস্রোত বন্ধ এবং ঢাকা শহরের প্রাতিষ্ঠানিক বিকেন্দ্রীকরণ ব্যতীত অন্য কোন পদ্ধতিতে কখনোই যানজট নিরসনের স্থায়ী সমাধান হবে না। যানজট নিরসনের মূল কারণ চিহ্নিত ও পদক্ষেপ নিতে না পারাই ঢাকায় যানজটের প্রধান কারণ। (৩য় পর্ব)
১৩ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
দ্বীনি উসকানি ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্টের অপচেষ্টা; কুশল লা’নতুল্লাহি আলাইহির বিতর্কিত অপতৎপরতা
১২ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
৯৮ ভাগ জনগোষ্ঠী মুসলমানের সংস্কৃতি যে অমুসলিমের উপলব্ধির কাছে নিরাপদ নয় তারই প্রমাণ দিলো বর্তমান সংস্কৃতি মন্ত্রী। অমঙ্গল যাত্রাসহ বিভিন্ন কাট্টা হারাম সংস্কৃতি চালুর উৎসাহে যে বিভোর। ইসলামী পর্যবেক্ষকমহল ও সংবাদ মাধ্যম তাকে আওয়ামীলীগের সাংস্কৃতিক এজেন্ডার ধারাবাহিকতা পালনকারী হিসেবে মন্তব্য করেছেন।
১২ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
এবার ঘরের দিকে তাকানোর সময় হয়েছে বাংলাদেশের: দেশীয় সব কাজ ভার্তৃপ্রতীম মুসলিমদেশদেরকেই শুধুমাত্র সুযোগ দেয়া উচিত
১১ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
গত দেড় দশকে জিডিপির আকার ও প্রবৃদ্ধি অতিরঞ্জিত করে ও মিথ্যা তথ্য দিয়ে দেশী-বিদেশী উৎস থেকে অনেক বেশি ঋণ সুবিধা নিয়েছে আওয়ামীলীগ জালেমশাহী সরকার।
১১ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণে বাল্যবিয়ে বন্ধ করা কাফিরদের ষড়যন্ত্র
১০ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
কৃষিতে ডিজেল সংকট হুমকিতে ইরি-বোরো ও পাট উৎপাদন ডিজেল সংকটে সৌরবিদ্যুতের নলকূপই এখন কৃষকের জন্য খোদায়ী রহমত।
১০ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার নির্দেশনা মুবারক পালনেই সফলতা। ঢাকামুখী জনস্রোত বন্ধ এবং ঢাকা শহরের প্রাতিষ্ঠানিক বিকেন্দ্রীকরণ ব্যতীত অন্য কোন পদ্ধতিতে কখনোই যানজট নিরসনের স্থায়ী সমাধান হবে না।
০৯ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
বিদ্যুৎবাঁচাতে সন্ধ্যা ৬টার সময় দোকানপাট বন্ধ করলে অর্থনীতি আরো দুর্বল হবে
০৯ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
হুজুগে মাতা বাঙ্গালী তেলের অবৈধ মজুতেই দেশের বিপদ ডেকে আনছে বাংলাদেশেই উৎপাদন হয় পর্যাপ্ত পেট্রোল-অকটেন। তারপরেও আতঙ্ক কেন?
০৮ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
প্রসঙ্গ: গত পরশু বিজেপি নেতার খুলনা যশোর অঞ্চল দখলের হুমকী এবং বারবার উগ্র হিন্দুত্ববাদীদের বাংলাদেশ দখলের আস্ফালন
০৭ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
৭০০ কিলোমিটারের মরণব্যাধি ও আমাদের আকাশ প্রতিরক্ষা : বেগম পাড়ার বিলাসিতা কি সার্বভৌমত্বের কফিনে শেষ পেরেক?
০৬ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার)












