অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন...
 

যামানার লক্ষ্যস্থল ওলীআল্লাহ, যামানার ইমাম ও মুজতাহিদ, ইমামুল আ’ইম্মাহ, মুহইস সুন্নাহ, ক্বাইয়্যুমুয্ যামান, কুতুবুল আলম, হুজ্জাতুল ইসলাম, সুলত্বানুল আউলিয়া ওয়াল মাশায়িখ, ছাহিবু সুলত্বানিন নাছীর,
মাহিউল বিদয়াহ, রসূলে নুমা, গাউছুল আ’যম, সাইয়্যিদুল আউলিয়া, ইমামুল উমাম, সাইয়্যিদুল খুলাফা, আস সাফফাহ, হাবীবুল্লাহ্, আওলাদে রসূল, রাজারবাগ শরীফ-এর মুর্শিদ ক্বিবলাহ
The Daily Al Ihsan
বিশ্বের সমস্ত দেশ থেকে পঠিত আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাত এর
আক্বীদায় প্রতিষ্ঠিত একমাত্র আন্তর্জাতিক ইসলামী পত্রিকা
Arabic .  বাংলা .  Urdu .  English .  Japanese .  Swedish
১৩ মাহে রমাদ্বান শরীফ, ১৪৩৬ হিজরী, ২ সানী, ১৩৮৩ শামসি
১ জুলাই, ২০১৫ ঈসায়ী সন, ১৭ আষাঢ়, ১৪২১ ফসলী সন
ইয়াওমুল আরবিয়ায়ি (বুধবার)
al-ihsan al-ihsan al-ihsan
al-ihsan
মুজাদ্দিদে আ’যম আলাইহিস সালাম উনার দোয়ার বরকতে মুসলমানদেরকে জুলুম নির্যাতন করার ফলে জুলুমবাজ কাফিরদের উপর খোদায়ী গজব
  • <font class='SlideCaptionBN'>ওয়াশিংটন ডিসিতে দাবানলে হাজার লোক ঘরছাড়া</font>
  • <font class='SlideCaptionBN'>পশ্চিম ইউরোপে শুরু হয়েছে তীব্র তাপদাহ</font>
  • <font class='SlideCaptionBN'>আমেরিকার নর্থ ডাকোটায় আঘাত হেনেছে ১৬টি শক্তিশালী টর্নেডো</font>
Al Baiyinaat : e Version Al Ihsan : e Version
সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ উপলক্ষে প্রকাশিত
পোষ্টার, স্ক্রিনসেভার, ওয়ালপেপার সমুহ ডাউনলোড করুন।
বিশ্বের সমস্ত দেশ ও শহর থেকে পঠিত
ইসলামী শরীয়ত সম্মত একমাত্র পত্রিকা
"দৈনিক আল ইহসান"

বিজ্ঞাপনের মুল্য তালিকা
নামাজের সময়সূচী
জেলা : ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকা
ওয়াক্তশুরুশেষ
সাহ্‌রীর শেষ সময়০৩:৪৩
ফজর০৩:৪৮০৫:১২
ইশরাক০৫:৩৬০৭:১৭
চাশত্‌০৭:১৮১১:০২
জাওয়াল১২:০৩যোহর নামায পড়ার পূর্ব পর্যন্ত
যোহর১২:০৩০৪:৪২
আছর০৪:৪৩০৬:৩২
মাগরিব০৬:৫৫০৮:১৭
আওয়াবীনবাদ মাগরিব০৮:১৭
ইশা০৮:১৮০৩:৪৩
তাহাজ্জুদ১১:১৯০৩:৪৩
আগামীকাল ফজর০৩:৪৮০৫:১৩
আগামীকাল সূর্যোদয়০৫:১৪-
আজ সূর্যোদয়০৫:১৩-
আজ সূর্যাস্ত০৬:৫০-
সূত্র: গবেষণা কেন্দ্র- মুহম্মদিয়া জামিয়া শরীফ, ঢাকা

 
Saieedul Aaiyad
Saieedul Aaiyad
Saieedul Aaiyad
RajarbagShareef.net
Radio 'Al-Hikmah'
Special Days in Islam
majlisu-ruiatil-hilal
International Voice Room
Noorun Alaa Noor
Donate for Daily Al Ihsan Shareef Donate for Daily Al Ihsan Shareef


» কোরআন শরীফের তরজমা ও তাফছির(তরজমায়ে মুজাদ্দিদে আজম)
» ফিক্বহুল হাদিস ওয়াল আছার
» আহ্‌লে সুন্নাত ওয়াল জামাতের আক্বীদা
» মারিফাতুছ ছাহাবা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম
» আউলীয়া-ই-কিরাম রহমতুল্লাহী আলাইহিম
 
» আত-তাক্বউইমুশ শামসি
» ইসলামের বিশেষ দিন সমূহ
» আহ্‌কামু রমাদ্বানাল মুবারক
» আহ্‌কামুয্‌যাকাত
(যাকাতের হুকুম-আহ্‌কাম)
» বিষয় ভিত্তিক বিশেষ প্রবন্ধ
 
» মাসিক আল বাইয়্যিনাত
» ওয়াজ শরীফ
» ক্বাছীদা আনজুমান
» মক্ববুল মুনাজাত শরীফ
» প্রকাশিত কিতাব সমূহ
 
» ফতওয়া বিভাগ
» সুওয়াল জাওয়াব বিভাগ
» মাসের ফজিলত ও প্রাসঙ্গিক আলোচনা
 
» পত্রিকার মূল সংস্করণ
 
» আপনার মতামত পাঠান
» আর্কাইভ থেকে পড়ুন
 
» সুন্নতি সামগ্রী
» কবিতা
» সবুজ বাংলা ব্লগ

 
মুজাদ্দিদে আ’যম হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম-উনার ক্বওল শরীফ
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘মহান আল্লাহ পাক উনার নিদর্শন সম্বলিত দিবসগুলিকে স্মরণ করিয়ে দিন সমস্ত কায়িনাতকে। নিশ্চয়ই এর মধ্যে ধৈর্যশীল ও শোকরগোজার বান্দা-বান্দী উনাদের জন্য ইবরত ও নছীহত রয়েছে।’

সুমহান বরকতময় বেমেছাল ফযীলতযুক্ত ঐতিহাসিক মহাপবিত্র ১৭ই রমাদ্বান শরীফ-

উম্মুল মু’মিনীন সাইয়্যিদাতুনা হযরত খাদীজাতুল কুবরা আলাইহাস সালাম,

উম্মুল মু’মিনীন সাইয়্যিদাতুনা হযরত আয়িশা ছিদ্দীক্বা আলাইহাস সালাম,

ইমামুল আউওয়াল মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাইয়্যিদুনা হযরত আলী কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম

উনারা এই দিন উনাদের মহাসম্মানিত পবিত্র বিছালী শান মুবারক প্রকাশ করেন।

পাশাপাশি এই সুমহান দিন হচ্ছে- মহাসম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার প্রথম জিহাদ অর্থাৎ পবিত্র বদর জিহাদ দিবস এবং ফতেহ মক্কা বা পবিত্র মক্কা শরীফ বিজয় দিবস।

আর এই দিবসগুলো মুসলমান উনাদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও নাজাতের উসীলা। সুবহানাল্লাহ!

এসব মহান দিবস উপলক্ষে সকলের দায়িত্ব ও কর্তব্য হচ্ছে- উনাদের পবিত্র সাওয়ানেহে উমরী মুবারক আলোচনা করার লক্ষ্যে মাহফিল করে এবং পবিত্র মীলাদ শরীফ, পবিত্র ক্বিয়াম শরীফ করা।

আর সরকারের জন্যও ফরয হচ্ছে- মাসব্যাপী মাহফিলসমূহের সার্বিক আনজাম দেয়ার সাথে সাথে উনাদের পবিত্র জীবনী মুবারক শিশুশ্রেণী থেকে শুরু করে সর্বোচ্চ শ্রেণী পর্যন্ত সমস্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সিলেবাসের অন্তর্ভুক্ত করা এবং উনাদের পবিত্র বিছালী শান মুবারক প্রকাশ করার দিবসে সরকারি ছুটি ঘোষণা করা।
ইসলামী শিক্ষা
কুফরী আক্বীদা, ভুল ও বিভ্রান্তিমূলক তথ্যে ভরা জাতীয় শিক্ষা কার্যক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড কর্তৃক প্রণীত “ইসলাম ও নৈতিক শিক্ষা” পাঠ্যবই (পর্ব-২)
সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, ত্বাহিরা, ত্বইয়িবা সাইয়্যিদাতুনা হযরত কুবরা আলাইহাস সালাম তিনি পৃথিবীর সকল মহিলাদের জন্য আদর্শ
নারীকুলের জন্য গ্রহণযোগ্য একমাত্র আদর্শ
উম্মুল মু’মিনীন সাইয়্যিদাতুনা হযরত ছিদ্দীক্বা আলাইহাস সালাম
খলীফাতু রসূলিল্লাহ, মুরতাজা সাইয়্যিদুনা হযরত কাররামাল্লাহ ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম উনার সংক্ষিপ্ত জীবনী মুবারক
হযরত আহলে বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম ও আওলাদে রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের মুহব্বতকারীদের জন্য সম্মানিত জান্নাত উনার সুসংবাদ
ইমামুছ ছানী মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাইয়্যিদুনা হযরত ইমাম হাসান আলাইহিস সালাম এবং হযরত মুআবিয়া রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনাদের মধ্যে খিলাফত সম্পর্কিত সন্ধি স্থাপন মূলত পবিত্র হাদীছ শরীফ উনারই প্রতিফলন
আপনাদের মতামত
মুজাদ্দিদে আ’যম মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনার দোয়া ও রোবের প্রতিফলন মুসলমানগণকে যুলুম নির্যাতন করার ফলস্বরূপ যুলুমবাজ কাফিরদের উপর বন্যা, তুষারপাত, ঘূর্ণিঝড়, দাবানল, ভূমিকম্প প্রভৃতি প্রাকৃতিক দুর্যোগসহ বিভিন্ন প্রকার বিশৃঙ্খলা অস্বাভাবিক মৃত্যু এবং অর্থনৈতিক মন্দারূপে খোদায়ী গযব অব্যাহত
বর্তমানে পবিত্র যাকাত-ফিতরা ইত্যাদি ফরয-ওয়াজিব দান ছদকা
দেয়ার সঠিক ও সর্বোত্তম স্থান হলো ঢাকা রাজারবাগ ‘মুহম্মদিয়া জামিয়া শরীফ মাদরাসা ও ইয়াতীমখানা’
পবিত্র যাকাত আদায়ের বিষয়ে চু-চেরা করা ঈমানদারের লক্ষণ নয়
ততক্ষণ পর্যন্ত কাফির-মুশরিকদের প্রতি সন্তুষ্টিপ্রকাশ করা যাবে না, যতক্ষণ পর্যন্ত না তারা পবিত্র দ্বীন ইসলাম গ্রহণ না করবে।
দুনিয়াবী পড়ালেখার অজুহাতে মুসলিম সন্তানদেরকে পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার ফরয অধিকার থেকে বিরত রাখা যাবে না
হিন্দুয়ানী পোশাকে পবিত্র ঈদ পালন? নাউযুবিল্লাহ!!
সম্পাদকীয়
সব প্রশংসা মুবারক খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার জন্য; যিনি সকল সার্বভৌম ক্ষমতার মালিক। সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নবী আলাইহিমুস সালাম উনাদের নবী, রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি অফুরন্ত পবিত্র দুরূদ শরীফ ও সালাম মুবারক।
২০১৫-১৬ অর্থবছরের বাজেটে জিডিপি’র প্রবৃদ্ধি নির্ধারণ করা হয়েছে ৭ শতাংশ। যা ২০১৪-১৫ অর্থবছরে অর্জিত প্রবৃদ্ধির চেয়ে ০.৫২ শতাংশ বেশি। লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ০.৩ শতাংশ কম। প্রবৃদ্ধির এই নয়া লক্ষ্যমাত্রা খুবই পরিমিত, সংযত। এতে কোনো উচ্চাশা আছে বলে মনে হয় না। বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর গত ৫ বছরে গড়ে প্রতিবছর জিডিপি’র প্রবৃদ্ধি অর্জিত হয়েছে ৬.২ শতাংশ।
কিন্তু বাস্তবে দেশের প্রায় ৮৬ শতাংশ মানুষের আয় এখনো দৈনিক আড়াই ডলারের কম, যা উন্নয়নের দাবিকে অসার প্রতিপন্ন করে। ফলে রাস্তায় বিলাসবহুল গাড়ি, শহরে নতুন মাল্টিপ্লেক্স বা উচ্চ অট্টালিকা এসব দৃশ্যের বিস্তার ঘটলেও অধিকাংশ মানুষই নিম্ন আয়ের বেড়াজালে আটকে আছে। প্রাপ্ত তথ্যে জানা গেছে, এখনো নিম্ন আয়ের মধ্যে আটকে আছে দেশের প্রায় ৮৬ শতাংশ বা ১৭ কোটি ২০ লাখ মানুষ। যাদের দৈনিক ক্রয়ক্ষমতা ২ দশমিক ৫০ ডলার বা ২০০ টাকার নিচে।
মূলত, বাংলাদেশের চলমান অর্থনীতির মূল সুফলভোগী ধনীরা। ধনীরা দ্রুতগতিতে সম্পদ বাড়াচ্ছে ফলে আয়-বৈষম্য বেড়েই চলেছে। কোনো রকমে খড়কুটো ধরে বেঁচে থাকার মতো অবস্থা দরিদ্র মানুষগুলোর।
২০১৪-১৫ অর্থবছরে দেশের উচ্চবিত্তদের একটি হিসাব করেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। সেখানেও দেখা যায়, দেশের মোট সম্পদের বেশির ভাগের মালিক মাত্র দশমিক শূন্য ৩ শতাংশ মানুষ। তাদের বার্ষিক আয় ৪৪ লাখ ২০ হাজার টাকার উপর। এসব ব্যক্তির সম্পদ আছে কোটি টাকার বেশি। এদের মধ্যে অনেকেই আবার শত কোটি থেকে সহস্রাধিক কোটি টাকার মালিক।
এরাই দেশের অর্থনীতির মূল সুবিধাভোগী। অবকাঠামো নির্মাণ থেকে শুরু করে সব সুবিধা কাজে লাগিয়ে সম্পদ সৃষ্টি করছে ধনী শ্রেণীটি। কারণ সরকারের সুবিধা ভোগ করার মতো সব ধরনের ক্ষমতা তাদেরই রয়েছে। এটাই তাদের সম্পদ বহুগুণে বাড়িয়ে দিচ্ছে।
সমাজে ব্যাপক আয়-বৈষম্য বিরাজ করছে। কিন্তু এ সম্পর্কিত যে তথ্য পাওয়া যাচ্ছে, তা বাস্তবের তুলনায় কম। কারণ অতি ধনীরা তথ্য দেয় না। অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি থেকে উচ্চবিত্তরা ও ধনীরা বেশি লাভবান হচ্ছে।
১৯৭০ সালের পাকিস্তানে ২২টি কোটিপতি পরিবারের কথা বলা হতো, যারা রাষ্ট্রের প্রত্যক্ষ পৃষ্ঠপোষকতায় পাকিস্তানের শিল্প-বাণিজ্যে আধিপত্য বিস্তার করেছিল। ওই ২২ পরিবারের মধ্যে দুটো পরিবার ছিল পূর্ব-পাকিস্তানের, তা-ও একটি ছিল অবাঙালি। ওই বাংলাদেশেই ২০১২ সালে বাংলাদেশ ব্যাংকের হিসাব মুতাবিক ২৩ হাজার ২১২ জন কোটিপতি ছিল। আর ২০১৫ সালে তারা ওই সংখ্যা ৫০ হাজার অতিক্রম করেছে।
কেন্দ্রীয় ব্যাংক কর্তৃপক্ষ কোটিপতির এহেন প্রবৃদ্ধির হারকে কৃতিত্বপূর্ণ সাফল্য মনে করতে পারে, কিন্তু এর মাধ্যমে দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির সুফল যে এই ক্ষুদ্র জনগোষ্ঠীর কাছে গিয়ে পুঞ্জীভূত হয়ে যাওয়ার বিপদসংকেত পাওয়া যাচ্ছে, সে ব্যাপারে ক্ষমতাসীনদের কি কোনো করণীয় নেই?
সরকারি হিসাবে প্রতিবছর দারিদ্র্যের হার কমেছে। কিন্তু প্রকৃতপক্ষে দেশে দরিদ্র জনগণের সংখ্যা বেড়েছে। সরকারি দারিদ্র্যের হার নির্ণয় পদ্ধতিতেই রয়েছে গলদ। যাদের আয় দৈনিক ১ ডলারের নিচে তাদের চরম দরিদ্র হিসেবে ধরা হয় বাংলাদেশে। অথচ এ সময়ে প্রতিটি পণ্যের দাম বেড়েছে। জাতিসংঘ পর্যন্ত এখন ডলারের হিসাবে নয়, মাথাপিছু ক্যালরি গ্রহণকে দারিদ্র্য পরিমাপের একক হিসেবে বিবেচনা করছে। বলা হচ্ছে, এ হিসাব অনুযায়ী দেশে ৩৬ শতাংশ মানুষ দারিদ্র্যসীমার নিচে বাস করে। কিন্তু এ হিসেবেও প্রকৃত সংখ্যা ৫০ শতাংশেরও বেশি হবে।
উল্লেখ্য, বর্তমান উচ্চ দ্রব্যমূল্যের বাজারে ১ ডলার দিয়ে একজন মানুষ তার দৈনিক চাহিদা মেটাতে পারছে না। যারা এক ডলারের হিসাবে তুষ্ট আছে তারা মিলিয়ে দিতে পারবে না এ হিসাব। ১ ডলার বাংলাদেশী ৭৭ টাকা। বর্তমান উচ্চ দ্রব্যমূল্যের বাজারে একজন ব্যক্তি এ টাকা দিয়ে দু’বেলা খাবারেরই চাহিদা মেটাতে পারে না। যেখানে ১ কেজি মোটা চালের দাম সর্বনিম্ন ৪০ টাকা। আর খাদ্য ছাড়াও রয়েছে বাসস্থান, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ইত্যাদি মৌলিক চাহিদা/অধিকারের বিষয়।
অপরদিকে মাথাপিছু আয় বাড়লেও মানুষের প্রকৃত আয় না বেড়ে, বরং কমেছে। মাথাপিছু আয় বৃদ্ধির তুলনায় জীবনযাত্রার ব্যয় বেড়েছে অনেক বেশি। গত পাঁচ বছরে মানুষের প্রকৃত আয় কমেছে ৩৫ থেকে ৪০ শতাংশ।
‘চরম দারিদ্র্য’ নিয়ে যে আন্তর্জাতিক সংজ্ঞা নিরূপণ করা হয়, সেটা হলো- বিশ্বের দরিদ্রতম দেশগুলোর দারিদ্র্যসীমার গড়ের আপেক্ষিক দারিদ্র্যমাত্রা, যা অত্যন্ত কম। অর্থাৎ দৈনিক আয় ১.২৫ ডলারের উপরে উঠার অর্থ কোনোভাবেই দারিদ্র্যমুক্তি নয়। বরং সেটা হলো আগের তুলনায় অপেক্ষাকৃত কম দরিদ্রের অবস্থায় যাওয়া। যদিও ২০৩০ সালের মধ্যে দৈনিক ১.২৫ ডলার মানদ-ে বাংলাদেশ ২.৪ শতাংশ দারিদ্র্য কমিয়ে আনতে পারলে তখন তা সরকারের পক্ষ থেকে প্রচার করা হবে বিরাট ঐতিহাসিক অর্জন। কিন্তু সেটা অর্জন করতে সক্ষম হলেও দেশের অর্ধেকের বেশি মানুষের দৈনিক আয় থাকবে ৪ ডলারের কম।
অপরদিকে বর্তমান সরকারের তরফ থেকে মাথাপিছু আয় ১ হাজার ৪৫ ডলারের মাধ্যমে মধ্যম আয়ের দেশে পৌঁছে যাওয়ার যে কথা বলা হচ্ছে; সেটি আসলে নিম্ন-মধ্যম আয়ের দেশ ছাড়া কিছুই নয়।
কিন্তু আমরা মনে করি, সুষ্ঠু পরিকল্পনা এবং স্বচ্ছ ও সৎ অর্থনীতির মাধ্যমে ২০২১ সাল নয়; মাত্র ১ থেকে ২ বছরের মধ্যেই বাংলাদেশকে মধ্যম আয়ের দেশে নয়; বরং পৃথিবীর শীর্ষ ধনী দেশে পরিণত করা সম্ভব। ইনশাআল্লাহ!
মূলত, সব সমস্যা সমাধানে এবং প্রভূত সমৃদ্ধি অর্জনে চাই সদিচ্ছা ও সক্রিয়তা তথা সততা। কিন্তু এর জন্য প্রয়োজন নেক ছোহবত মুবারক, নেক সংস্পর্শ মুবারক তথা রূহানী ফয়েজ-তাওয়াজ্জুহ মুবারক।
যামানার ইমাম ও মুজতাহিদ, মুজাদ্দিদে আ’যম মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনার নেক ছোহবত মুবারক উনার মধ্যে কেবলমাত্র তা পাওয়া সম্ভব। খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি আমাদেরকে তা নছীব করুন। (আমীন)
দেশের খবর
মাদক চোরাকারবারিদের টার্গেটে চট্টগ্রাম বন্দর:
কোকেন পাচারেও বাংলাদেশকে ব্যবহার করতে চাইছে ভারতের চোরাচালান চক্র
কোরআন-সুন্নাহ বিরোধী কোনো আইন নয় -আইনমন্ত্রী
৩ জুলাই থেকে বাসের অগ্রিম টিকিট
ঋণখেলাপি মামলা:
খালেদার বিরুদ্ধে ইস্যু গঠন ১৪ জুলাই
সংসদে ২০১৫-২০১৬ অর্থবছরের বাজেট পাস
সততার অভাবই উন্নয়নে বাধা -টিআইবি
সরকারকে দীর্ঘদিন ক্ষমতায় রাখার ষড়যন্ত্র হচ্ছে -খালেদা
ঈদ সামনে: সক্রিয় মৌসুমি ছিনতাইকারী চক্র
দুদক সম্পূর্ণ স্বাধীন -কৃষিমন্ত্রী
২০১৩-১৪ অর্থবছরে ৩৫ লাখ ৪৮ হাজার মে. টন মাছ উৎপাদন হয়েছে -ছায়েদুল হক
১৫ বছরে পরিচয়পত্র দিতে হালনাগাদ শুরু জুলাইয়ে
কোকেন পাওয়ার ঘটনায় আটক ২
নিম্নমানের গম গ্রামাঞ্চলের ক্ষেতমজুররা নিবে না -ক্ষেতমজুর সমিতি
পিডব্লিউসি প্রতিবেদন:
ধনী রাষ্ট্রে পরিণত হচ্ছে বাংলাদেশ
জুমুয়াবার দেশব্যাপী বিক্ষোভ:
‘লতিফ কাজ্জাবীকে গ্রেফতার না করলে লাগাতার আন্দোলন’
পবিত্র রমযানেও ৮ দিনে খুন ৩৫
গম পরীক্ষা করে প্রতিবেদন দিতে হাইকোর্টের নির্দেশ
জালিয়াত ধরতে বাধা দলীয় লোকজন -মুহিত
ডিলাররা আমদানিকৃত গম বিক্রি করছেন পশুখাদ্য হিসেবে
মলদ্বারে ইয়াবা রেখে পাচার, দুই যুবক গ্রেপ্তার
সময় শেষেও স্থানান্তর হয়নি হাজারীবাগের চামড়ার কারখানা
শুধু ট্যানারি নয়, অবৈধ দখলেও দূষিত বুড়িগঙ্গা -শিল্পমন্ত্রী
পায়রা সমুদ্র বন্দর:
জানুয়ারি থেকে সীমিত পরিসরে জাহাজ চলাচল
পাম্প অকেজো হলেই ভয়াবহ বিপর্যয় ডিএনডি বাঁধে
ভারতে কারাভোগ শেষে-
১০ বাংলাদেশীকে রাতে পানিতে ছেড়ে দিলো বিএসএফ
Anjuman-e Al Baiyinaat, Sweden
কবিতা






For the satisfaction of Mamduh Hazrat Murshid Qeebla Alaihis Salam
Site designed & developed by Muhammad Shohel Iqbal