সম্পাদকীয় (২)
সোনার বাংলার শীতল পাটিও যেনো আরেক সোনালী উৎস যথাযথভাবে রপ্তানী পক্রিয়ায় এটিও অন্যতম রপ্তানি পণ্য হতে পারে
, ২৮ যিলহজ্জ শরীফ, ১৪৪৫ হিজরী সন, ০৭ ছানী, ১৩৯২ শামসী সন , ০৫ জুলাই, ২০২৪ খ্রি:, ২১ আষাঢ়, ১৪৩১ ফসলী সন, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) সম্পাদকীয়
সব প্রশংসা মুবারক খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার জন্য; যিনি সকল সার্বভৌম ক্ষমতার মালিক। সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নবী আলাইহিমুস সালাম উনাদের নবী, রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি অফুরন্ত দুরূদ শরীফ ও সালাম মুবারক।
গত পরশু দৈনিক আল ইহসান শরীফে শিরোনাম হয়েছে,
“সিরাজগঞ্জের শীতল পাটি যাচ্ছে ইউরোপ-আমেরিকায়”
খবরে বলা হয়, ইউনেস্কো স্বীকৃতির পর বিশ্ব দরবারে এই পাটি সমাদৃত হচ্ছে। অনন্য নকশার স্বাস্থ্য সম্মত শীতল বিভিন্নভাবে এখন বাজারজাত হচ্ছে ইউরোপ-আমেরিকাতে। আগের চেয়ে দাম ও দেশ জুড়ে চাহিদাও বেশি বাড়ায় এ শিল্পের সঙ্গে জড়িতরা অনেকটাই উচ্ছ্বসিত।
তবে শুধু সিরাজগঞ্জেই নয়। পত্রিকান্তরে- “বিদেশে রপ্তানির সম্ভাবনা ঝালকাঠির শীতলপাটি”, “মিঠাছড়ার শীতলপাটি যাচ্ছে বিদেশেও, বাড়ছে সুনাম”, “পিরোজপুরের ঐহিত্যবাহী শীতল পাটির কদর দেশ ছাড়িয়ে বিদেশে”, “মৌলভীবাজারের শীতল পাটি দেশ-বিদেশে সমাদৃত”, “শীতলপাটি বিক্রি করে চলে ৬শ পরিবারের সংসার”। এরকম আরো অনেক শিরোনাম হচ্ছে।
বাঙালি ঐতিহ্যের এক গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলো শীতলপাটি। গরমে ঠা-া অনুভূতি পাওয়ার জন্য একসময় ঘরে ঘরে একপাশে লাল কাপড় লাগানো শীতলপাটির ব্যবহার ছিল চোখে পড়ার মতো। আগের মতো ওতো বেশি না হলেও শীতলপাটির ব্যবহার এখনও রয়েছে। ঐতিহ্যের অনুষঙ্গ শীতলপাটি শিল্প, শীতলপাটির গ্রাম ও পাটি শিল্পী, যাদের বলা হয় পাটিকর। তাদের একমাত্র পেশা হচ্ছে পাটি তৈরি করা। সাধারণত ঘরের নারীরাই নিপুণ হাতে পাটি বুননের কাজ করেন। আর পুরুষরা পাটির কাঁচামাল পাইত্রা সংগ্রহ, বেতি তৈরি ও বিপণনের কাজ করেন। গুণগত মান অনুযায়ী কারিগররা এক হাজার টাকা থেকে তিন হাজার টাকা পর্যন্ত একটি শীতল পাটি পাইকারি দরে বিক্রি করেন।
বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থানে শীতলপাটি তৈরি হয়। তবে সিলেট এলাকায় বিভিন্ন স্থানে যে মানের শীতলপাটি তৈরি হয়, তা সর্বোত্কৃষ্ট। সিলেট অঞ্চলের সুনামগঞ্জসহ বিভিন্ন এলাকায় পাটিকররা তাদের নিপুণতার জন্য শত শত বছর ধরে প্রসিদ্ধ। প্রান্তিক এই শিল্পের স্বীকৃতি দিয়েছে জাতিসংঘের শিক্ষা বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি সংস্থা ইউনেসকো। বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী শীতলপাটি এখন ইউনেসকো-ঘোষিত। জাতিসংঘের অঙ্গসংস্থা ইউনেসকো ২০১৭ সালে বাংলাদেশের সিলেট অঞ্চলের শীতলপাটি বুননের ঐতিহ্যগত হস্তশিল্পকে বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ অধরা সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করে।
আমাদের শুকরিয়া করার মতো আরেকটি অনুষঙ্গের নাম শীতলপাটি। শৈল্পিক হাতের নিপুণ গাঁথুনিতে পূর্ণতা পায় একেকটি শীতলপাটি। নারী-পুরুষ উভয়ের যৌথ পরিশ্রমে তৈরি হয় এই পাটিশিল্প। তবে শৈল্পিক বুননের কাজটি করেন ঘরের নারীরা। আর এর কাঁচামাল সংগ্রহ ও বিপণনের কাজটি করে থাকেন পুরুষরা। গুণমান অনুযায়ী একেকটি শীতলপাটি ৮০০ টাকা থেকে সাড়ে ৩ হাজার টাকায় বিক্রি হয়। জেলা শহরের দোকান ছাড়াও ফড়িয়া ও আড়তদাররা পাইকারি দামে পাটি কিনে সরবরাহ করছেন রাজধানী ঢাকা, চট্টগ্রামে। তবে দেশীয় এই শিল্পের কদর বিদেশেও রয়েছে সমানভাবে বলে জানান পাটিবিক্রেতা আশরাফ উদ্দিন। তিনি বলেন, ‘আমাদের কাছ থেকে অনেক ক্রেতা পাটি কিনে বিদেশে পাঠান। সেই পাটি তারা সূক্ষ¥ভাবে দেখে নেন, সেই পাটির গায়ে কোন ধরনের খুঁত থাকা যাবে না। ’
বর্তমানে প্লাস্টিক ও অন্যান্য পণ্যের দাপটে এবং ভূমির অভাবে শীতলপাটির কদর কমেছে। তবে এই শীতলপাটি দিয়ে তৈরি কলমদানি, ব্যাগ, টিস্যু বক্স, রানারসহ বিভিন্ন পণ্য তৈরি হচ্ছে। এই শীতলপাটিই হতে পারে রপ্তানির অন্যতম পণ্য। ১৫ থেকে ২৯ বছর ব্যবহার করা যায় একেকটা শীতলপাটি। দেশীয় এই শিল্পের উপযুক্ত প্রচার ও প্রসারের মাধ্যমে ই-কমার্স সেক্টরেও সম্ভাবনার এই শিল্পের নতুন দিগন্ত উন্মোচন হতে পারে।
প্রসঙ্গত সোনার বাংলার সবকিছুই যেনো সোনায় মোড়ানো। শীতলপাটি সেরা সই একটি সোনা এর বিকাশে, বিপননে সঠিক পৃষ্ঠপোষকতা করে সমৃদ্ধি আনয়নে সরকার অগ্রণী হবে এটাই বিশেষভাবে কাম্য।
ছহিবে সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, রাজারবাগ শরীফ উনার মামদূহ মুর্র্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার নেক ছোহবত মুবারক-এ কেবলমাত্র তা লাভ করা সম্ভব। খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি আমাদেরকে তা নছীব করুন। আমীন!
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
মুবারক হো- মহিমান্বিত ১১ই যিলক্বদ শরীফ! যা ইমামুল আউলিয়া, হাবীবে ওয়া মাহবুবে রহমান, আওলাদে রসূল, সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুছ ছামিন মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার এবং সিবতু সুলত্বানিন নাছীর, সাইয়্যিদুল কাওনাইন, মহাসম্মানিত ইমাম হযরত সাইয়্যিদুল উমাম আল আউওয়াল আলাইহিস সালাম উনাদের মহিমান্বিত বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ করার সুমহান দিবস। সুবহানাল্লাহ!
৩০ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
সৌর বিদ্যুৎ প্রসারে প্রধান বাধা হলো উচ্চ কর ও শুল্ক। নবায়নযোগ্য জ্বালানির প্রতি নীতিনির্ধারক এবং সাধারণ মানুষের মনে একটা বদ ধারণা তৈরি করার জন্য একটা গোষ্ঠী খুব তৎপর। বড় বিনিয়োগকারীরা সুবিধা পাচ্ছে, কিন্তু সাধারণ জনগণ পিছিয়ে পড়ছে। এটি সৌর বিদ্যুতের গণমুখী বিস্তারকে বাধাগ্রস্ত করছে। সরকারের উচিৎ সহায়ক নীতিকাঠামো দিয়ে বেসরকারি খাতকে উৎসাহিত করা।
২৯ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
প্রধানমন্ত্রী শুধু রেসিং কার চালিয়ে উৎসাহ দিলেই হবে না। ‘শিমু’, ‘সোলেমানের’ উদ্ভাবিত সেচযন্ত্র তথা সুলভ প্রযুক্তিকেও উৎসাহ দেয়ার পাশাপাশি প্রান্তিক কৃষকের মাঝে ছড়িয়ে দিতে হবে দেশের প্রান্তিক নাগরিকের উদ্ভাবিত প্রযুক্তি দ্বারাই সঙ্কটে সমাধানের অনুসন্ধানী উদ্দীপনা থাকতে হবে। ইনশাআল্লাহ
২৮ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
আজ মহিমান্বিত ৮ই যিলক্বদ শরীফ। সুবহানাল্লাহ! নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সাথে সাইয়্যিদাতুন নিসায়ি আলাল আলামীন, আফদ্বলুন নাস ওয়ান নিসা বা’দা রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, আত্বওয়ালু ইয়াদান সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আস সাবিয়াহ আলাইহাস সালাম উনার পবিত্র নিসবাতুল আযীম শরীফ দিবস। সুবহানাল্লাহ! পাশাপাশি আজ ‘বিশ্ব পর্দা দিবস’।
২৭ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আসইয়াদ, সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিশ শুহূরিল আ’যম শরীফ, মহাসম্মানিত রবীউল আউওয়াল শরীফ মাস উনার মহিমান্বিত, মহাপবিত্র ৭ তারিখ উনার সাথে সম্পর্কযুক্ত পবিত্র ৭ই যিলক্বদ শরীফ আজ। সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম উনার প্রতি সর্বোচ্চ হুসনে যন পোশন করত উনার শান-মান মুবারক অনুভব করা, মর্যাদা-মর্তবা মুবারক জানা, দয়া-ইহসান মুবারক উপলব্ধি করা,ফয়েজ-তাওয়াজ্জুহ ও নেক ছোহবত মুবারক হাছিল করা
২৬ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
মুবারক হো! মহিমান্বিত ৬ই যিলক্বদ শরীফ। সুবহানাল্লাহ! মুজাদ্দিদে আ’যমে ছানী, সাইয়্যিদুনা হযরত খলীফাতুল উমাম আলাইহিস সালাম উনার মহাসম্মানিতা যাওজাতুম্ মুকাররমাহ সাইয়্যিদাতুনা হযরত মুজীরাতুল উমাম আলাইহাস সালাম উনার পবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ দিবস।
২৫ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
এবার শুধু শাসক গং নয়, বাংলাদেশের গোটা জনসাধারণকেই বশ ও বুদ করার ছক কষছে ভারত প্রতিবেশী দেশের সাথে মিলিতভাবে আগামী পহেলা বৈশাখ পালনের ঘোষণা ভারতীয় ষড়যন্ত্রের সমার্থক। ঈমানদার দেশবাসীকে খুবই সতর্ক এবং সক্রিয় হতে হবে ইনশাআল্লাহ।
২৪ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
সোনার বাংলার সব কিছুতেই সোনা। এক নারিকেল চাষেই দেশে ৫০ হাজার কোটি টাকা আয় এবং লাখ লাখ লোকের বেকারত্বের অবসান সম্ভব। সহজেই হবে অনেক কর্মসংস্থান, আমদানীর সাশ্রয় এবং বৈদেশিক মুদ্রার সমৃদ্ধি। ইনশায়াল্লাহ!
২৩ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
দৈনন্দিন ৩২ বার পবিত্র সূরা ফাতিহা শরীফ পাঠ করলেও মুসলমান কি পবিত্র সূরা ফাতিহা শরীফ শুধু পাঠের মধ্যেই আবদ্ধ থাকবে? ফিকির আর আমল কী অধরাই থাকবে?
২২ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
আজ সুমহান বরকতময় পবিত্র ২রা যিলক্বদ শরীফ! সুবহানাল্লাহ! সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, সাইয়্যিদাতু নিসায়ি আহলিল জান্নাহ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ, সাইয়্যিদাতুনা হযরত ঊখতু রসূল মিনার রদ্বায়াহ্ আলাইহাস সালাম উনার পবিত্র বিছালী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। সুবহানাল্লাহ!
২১ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
সূদী ব্যাংক ব্যবস্থা মূলত: আত্মঘাতী এবং শোষক ব্যবস্থা। ব্যাংক শোষণের কারণে শুধু একজন মালিকই নয় বা শত শত শ্রমিকই নয় বরং গোটা আর্থো-সামাজিকখাত হয় ক্ষত-বিক্ষত, বিপর্যস্থ, লা’নতগ্রস্থ, বেকারত্বে জর্জরিত। বর্তমান সংকটাপন্ন অর্থনীতি বাঁচাতে অতিসত্বর সুদী ব্যাংক ব্যবস্থা বাদ দিয়ে ইসলামী মূল্যবোধের ব্যাংক ব্যবস্থা চালু করতে হবে ইনশাআল্লাহ।
২০ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
পবিত্র কুরআন শরীফ উনার চিরন্তন ঘোষণা অনুযায়ী কাফির-মুশরিকদের নিকৃষ্ট চরিত্রের একটি নগ্ন বহিঃপ্রকাশ : এপস্টিন ফাইলস
১৯ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার)












