সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আসইয়াদ, সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিশ শুহূরিল আ’যম, মহাসম্মানিত রবীউল আউওয়াল শরীফ মাস উনার মহিমান্বিত, মহাপবিত্র ১২ তারিখ উনার সাথে সম্পর্কযুক্ত মহাপবিত্র ১২ই যিলক্বদ শরীফ আজ।
অপরদিকে তাজুল মুফাসসিরীন, রঈসুল মুহাদ্দিছীন, ফখরুল ফুক্বাহা, সুলত্বানুল আরিফীন, কুতুবুল আলম ঢাকা যাত্রাবাড়ি শরীফ উনার মহাসম্মানিত শাইখুল মাশায়েখ হযরত পীর ছাহেব ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র বিছালী শান মুবারক প্রকাশ দিবস দিবস। সুবহানাল্লাহ! প্রত্যেকের জন্য দায়িত্ব-কর্তব্য হচ্ছে, উনার নসীহত মুবারক নির্দেশনা অনুযায়ী সাইয়্যিদে মুজাদ্দিদে আ’যম, ছাহিবে সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ ও সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার ছোহবত মুবারকে অগ্রণী হওয়া।
, ১২ যিলক্বদ শরীফ, ১৪৪৪ হিজরী সন, ০৩ আউওয়াল, ১৩৯১ শামসী সন , ০২ জুন, ২০২৩ খ্রি:, ২০ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩০ ফসলী সন, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) সম্পাদকীয়
(১)
আজ ১২ই যিলক্বদ শরীফ। মহাসম্মানিত, সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’দাদ শরীফ তথা মহাপবিত্র ১২ই রবীউল আউওয়াল শরীফ উনার সাথে আজকের মহান তারিখ সাজুয্যপূর্ণ। তাই আজকের তারিখটিই মহিমান্বিত হয়ে ১২ই শরীফ উনার মর্যাদায় মর্যাদাবান হয়েছেন। সুবহানাল্লাহ! সুবহানাল্লাহ! সুবহানাল্লাহ!
এ প্রসঙ্গে উল্লেখ্য, এক মুহূর্তের তরেও নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার স্পর্শ মুবারক-এ মাটি, ধূলি-বালি যা কিছুই (পদার্থ-বস্তু যা কিছুই হোক না কেন) এসেছেন তা আসমান-যমীন, সম্মানিত কা’বা শরীফ, সম্মানিত কুরসী শরীফ, মহান আল্লাহ পাক উনার কায়িনাতে যা কিছু রয়েছে; এমনকি সম্মানিত আরশে আযীম মুবারক থেকেও লক্ষ-কোটি গুণ বেশি পবিত্র, ফযীলতপ্রাপ্ত, সম্মানিত এবং সর্বশ্রেষ্ঠ হয় তাহলে সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’দাদ শরীফ তথা মহাপবিত্র ১২ই রবিউল আউয়াল শরীফ উনার সাথে নিসবত মুবারক থাকার কারণে হিজরী মাসের প্রতি ১২ই শরীফই বিশেষভাবে সম্মানিত। সুবহানাল্লাহ! সুবহানাল্লাহ! সুবহানাল্লাহ!
বিশেষভাবে উল্লেখ্য, বর্ণিত মহামহিম তাজদীদ মুবারক সৃষ্টির ইতিহাসে অনাদি তথা অনন্তকালের মধ্যে অনন্য। পাশাপাশি উল্লেখ্য, সুমহান এ তাজদীদ মুবারক অনাদিকাল থেকে অনন্তকালের জন্য।
বলার অপেক্ষা রাখেনা, মহিমান্বিত এ তাজদীদ মুবারক করার ক্ষমতা কেবলমাত্র ছহিবে সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, রাজারবাগ শরীফ উনার মামদূহ মুর্র্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনারই। সুবহানাল্লাহ! সুবহানাল্লাহ! সুবহানাল্লাহ!
কারণ পৃথিবীর ইতিহাসে তিনিই প্রথম এ অনন্তকালের পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ, সাইয়্যিদি সাইয়্যিদুল আদাদ শরীফ উনার তাজদীদ করেছেন, ধারণ করেছেন, বিচ্ছুরণ ঘটিয়েছেন, কুলকায়িনাতবাসীকে বিতরণ করেছেন সাইয়্যিদে মুজাদ্দিদে আ’যম সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম। সুবহানাল্লাহ! সুবহানাল্লাহ! সুবহানাল্লাহ!
আর তার ধারাবাহিকতায় এখন প্রতিটি ১২ই শরীফও পালিত হচ্ছে অনন্য মহিমায়। যার সার্বিক খরচ হাদিয়া করেছেন, পৃষ্ঠপোষকতা করেছেন, পালনের ইলম এবং রুহানী ফায়েজ-তাওয়াজ্জুহ বিতরণ করেছেন- ছহিবে সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, রাজারবাগ শরীফ উনার মামদূহ মুর্র্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি এবং উনার সম্মানিত আহলে বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনারা। সুবহানাল্লাহ! সুবহানাল্লাহ! সুবহানাল্লাহ!
বাদ ফজরই সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ গেট মোবারক থেকে সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ উনার হাদিয়া নিয়ে অনেক গাড়ী, জিপ, মোটর সাইকেল, ট্রাক বেরিয়ে পড়ছে শহরের বিভিন্ন ব্যাস্ত স্থানগুলোর উদ্দেশ্যে। সেখানে আগে থেকেই প্রস্তুত থাকছেন স্থানীয় আনজুমানে আল বাইয়্যিনাতের সদস্যরা।
যথাযসময়ে পাঠ হচ্ছে সর্বোচ্চ সুন্দর কায়দায়, ব্যাকুল হৃদয়ে, খুলুছিয়তযুক্ত পবিত্র মীলাদ শরীফ। সুললিত কণ্ঠে উচ্চারিত হচ্ছে অভূতপূর্ব তাওয়াল্লুদ শরীফ, ক্বাছীদা শরীফ। হঠাৎ বর্ষিত বেমেছাল আসমানী রহমতে বিস্মিত উপস্থিত সবাই। শুধুই কী পবিত্র মীলাদ শরীফ উনার রহমত। পবিত্র মীলাদ শরীফ উনার রহমত মুবারক লুফে নেয়ার পরই শুরু হয়ে যায় তাবারুক প্রাপ্তির নতুন নেয়ামত মুবারক। হাজার হাজার প্যাকেট বিরিয়ানী, খেজুর, চকলেট, পানি। শহরের শত শত স্পটে একই আয়োজন। সুবহানাল্লাহ! সুবহানাল্লাহ! সুবহানাল্লাহ!
(২)
পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “সাবধান! যাঁরা মহান আল্লাহ্ পাক উনার ওলী, উনাদের কোন ভয় ও চিন্তা নেই।”
উল্লেখ্য, গত ০৩-০৪-১৯৯৫ ঈসায়ী সন রোজ ইয়াওমুল খামীসি বা বৃহস্পতিবার, যাত্রাবাড়ীর মসজিদে নূর ও খানকা-ই-মুহম্মদিয়া উনার তাজুল মুফাসসিরীন, রঈসুল মুহাদ্দিছীন, ফখরুল ফুক্বাহা, সুলত্বানুল আরিফীন, কুতুবুল আলম ঢাকা যাত্রাবাড়ি শরীফ উনার মহাসম্মানিত শাইখুল মাশায়েখ হযরত পীর ছাহেব ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি মহান আল্লাহ পাক উনার পবিত্র দরবারে চলে যান। (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রজিউন)
মুজাদ্দিদে আ’যম, সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, ফুরফুরা শরীফ উনার কুতুবুল আলম হযরত ন’হুযূর ক্বিবলা রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার খুলাফা ও মুরীদানদের মধ্যে তাজুল মুফাসসিরীন, রঈসুল মুহাদ্দিছীন, ফখরুল ফুক্বাহা, সুলত্বানুল আরিফীন, কুতুবুল আলম ঢাকা যাত্রাবাড়ি শরীফ উনার মহাসম্মানিত শাইখুল মাশায়েখ হযরত পীর ছাহেব ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি ছিলেন প্রধান ও সর্বশ্রেষ্ঠ খলীফা।
তাই ভরপুর মজলিশ মুবারকে প্রায়ই যাত্রাবাড়ী শরীফ উনার মহাসম্মানিত পীর সাহেব তিনি স্বগর্বে উচ্চারণ মুবারক করতেন, “ঢাকা রাজারবাগের পীর সাহেব ক্বিবলা সম্মানিত শাহ সাহেব ক্বিবলা আলাইহিস সালাম আমার চেয়ে অনেক উপরে উঠে গেছেন। আপনারা উনার তা’যীম-তাকরীম মুবারক করবেন, তালীম-তরবিয়ত মুবারক নিবেন। কিন্তু শুধু এতটুকু বলেই ক্ষ্যান্ত দিতেন না। আরো আবেগ তারিত হয়ে বলতেন, কিয়ামতের ময়দানে যদি মহান আল্লাহ পাক তিনি আমাকে জিজ্ঞাসা করেন, আপনি আমার জন্য কী নিয়ে এসেছেন? আমি গর্বের সাথে বলবো, “হে মহান আল্লাহ পাক! আমি সাইয়্যিদে মুজাদ্দিদে আ’যম, ছহিবে সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, রাজারবাগ শরীফ উনার মামদূহ মুর্র্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনাকে নিয়ে এসেছি।” সুবহানাল্লাহ! সুবহানাল্লাহ! সুবহানাল্লাহ!
“আকলমন্দকে লিয়ে ইশারাই কাফি হ্যায়।” মূলতঃ যাত্রাবাড়ীর হযরত পীর সাহেব ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনার উপরোক্ত দুটো ক্বওল শরীফের মাঝেই নিরেট বাস্তবতা পরিস্কারভাবে ফুটে উঠেছে। প্রথমতঃ ছহিবে সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, রাজারবাগ শরীফ উনার মামদূহ মুর্র্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ মুজাদ্দিদ। আর এখন যারা যাত্রাবাড়ির সিলসিলার হক থাকতে চাচ্ছেন তাদের জন্য পবিত্র রাজারবাগ শরীফের সিলসিলার প্রতি আনুগত্য প্রদর্শন থেকেও তা’লীম-তালকীন মুবারক গ্রহণ করা এবং এখানকার আমল আখলাক মুবারক অনুসরণ করা ফরয।
বিশেষভাবে উল্লেখ্য, পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে “যে মানুষের শুকরিয়া করতে পারেনা সে মহান আল্লাহ পাক উনার শোকরিয়া করতে পারেনা”। কাজেই মহামহিম, মহামান্য ছহিবে সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, রাজারবাগ শরীফ উনার মামদূহ মুর্র্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম যিনি সম্মানিত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের মধ্যে অনন্য ব্যক্তিত্ব মুবারক উনার মহাসম্মানিত, মহাপবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশের সুমহান দিনটি যথাযথ শান মান, জওক-শওক, তাযীম-তাকরীম ও গোলামীর আঞ্জামে ফানা-বাক্বার দ্বারাই মূলত মহান আল্লাহ পাক উনার ও উনার হাবীব হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের নিসবত মুবারক, তায়াল্লুক মুবারক, রেযামন্দী মুবারক নসীব হওয়া সম্ভব।
ছহিবে সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, রাজারবাগ শরীফ উনার মামদূহ মুর্র্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার নেক ছোহবত মুবারক-এ কেবলমাত্র তা লাভ করা সম্ভব। খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি আমাদেরকে তা নছীব করুন। (আমীন)
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
প্রধানমন্ত্রী শুধু রেসিং কার চালিয়ে উৎসাহ দিলেই হবে না। ‘শিমু’, ‘সোলেমানের’ উদ্ভাবিত সেচযন্ত্র তথা সুলভ প্রযুক্তিকেও উৎসাহ দেয়ার পাশাপাশি প্রান্তিক কৃষকের মাঝে ছড়িয়ে দিতে হবে দেশের প্রান্তিক নাগরিকের উদ্ভাবিত প্রযুক্তি দ্বারাই সঙ্কটে সমাধানের অনুসন্ধানী উদ্দীপনা থাকতে হবে। ইনশাআল্লাহ
২৮ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
আজ মহিমান্বিত ৮ই যিলক্বদ শরীফ। সুবহানাল্লাহ! নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সাথে সাইয়্যিদাতুন নিসায়ি আলাল আলামীন, আফদ্বলুন নাস ওয়ান নিসা বা’দা রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, আত্বওয়ালু ইয়াদান সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আস সাবিয়াহ আলাইহাস সালাম উনার পবিত্র নিসবাতুল আযীম শরীফ দিবস। সুবহানাল্লাহ! পাশাপাশি আজ ‘বিশ্ব পর্দা দিবস’।
২৭ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আসইয়াদ, সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিশ শুহূরিল আ’যম শরীফ, মহাসম্মানিত রবীউল আউওয়াল শরীফ মাস উনার মহিমান্বিত, মহাপবিত্র ৭ তারিখ উনার সাথে সম্পর্কযুক্ত পবিত্র ৭ই যিলক্বদ শরীফ আজ। সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম উনার প্রতি সর্বোচ্চ হুসনে যন পোশন করত উনার শান-মান মুবারক অনুভব করা, মর্যাদা-মর্তবা মুবারক জানা, দয়া-ইহসান মুবারক উপলব্ধি করা,ফয়েজ-তাওয়াজ্জুহ ও নেক ছোহবত মুবারক হাছিল করা
২৬ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
মুবারক হো! মহিমান্বিত ৬ই যিলক্বদ শরীফ। সুবহানাল্লাহ! মুজাদ্দিদে আ’যমে ছানী, সাইয়্যিদুনা হযরত খলীফাতুল উমাম আলাইহিস সালাম উনার মহাসম্মানিতা যাওজাতুম্ মুকাররমাহ সাইয়্যিদাতুনা হযরত মুজীরাতুল উমাম আলাইহাস সালাম উনার পবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ দিবস।
২৫ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
এবার শুধু শাসক গং নয়, বাংলাদেশের গোটা জনসাধারণকেই বশ ও বুদ করার ছক কষছে ভারত প্রতিবেশী দেশের সাথে মিলিতভাবে আগামী পহেলা বৈশাখ পালনের ঘোষণা ভারতীয় ষড়যন্ত্রের সমার্থক। ঈমানদার দেশবাসীকে খুবই সতর্ক এবং সক্রিয় হতে হবে ইনশাআল্লাহ।
২৪ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
সোনার বাংলার সব কিছুতেই সোনা। এক নারিকেল চাষেই দেশে ৫০ হাজার কোটি টাকা আয় এবং লাখ লাখ লোকের বেকারত্বের অবসান সম্ভব। সহজেই হবে অনেক কর্মসংস্থান, আমদানীর সাশ্রয় এবং বৈদেশিক মুদ্রার সমৃদ্ধি। ইনশায়াল্লাহ!
২৩ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
দৈনন্দিন ৩২ বার পবিত্র সূরা ফাতিহা শরীফ পাঠ করলেও মুসলমান কি পবিত্র সূরা ফাতিহা শরীফ শুধু পাঠের মধ্যেই আবদ্ধ থাকবে? ফিকির আর আমল কী অধরাই থাকবে?
২২ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
আজ সুমহান বরকতময় পবিত্র ২রা যিলক্বদ শরীফ! সুবহানাল্লাহ! সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, সাইয়্যিদাতু নিসায়ি আহলিল জান্নাহ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ, সাইয়্যিদাতুনা হযরত ঊখতু রসূল মিনার রদ্বায়াহ্ আলাইহাস সালাম উনার পবিত্র বিছালী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। সুবহানাল্লাহ!
২১ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
সূদী ব্যাংক ব্যবস্থা মূলত: আত্মঘাতী এবং শোষক ব্যবস্থা। ব্যাংক শোষণের কারণে শুধু একজন মালিকই নয় বা শত শত শ্রমিকই নয় বরং গোটা আর্থো-সামাজিকখাত হয় ক্ষত-বিক্ষত, বিপর্যস্থ, লা’নতগ্রস্থ, বেকারত্বে জর্জরিত। বর্তমান সংকটাপন্ন অর্থনীতি বাঁচাতে অতিসত্বর সুদী ব্যাংক ব্যবস্থা বাদ দিয়ে ইসলামী মূল্যবোধের ব্যাংক ব্যবস্থা চালু করতে হবে ইনশাআল্লাহ।
২০ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
পবিত্র কুরআন শরীফ উনার চিরন্তন ঘোষণা অনুযায়ী কাফির-মুশরিকদের নিকৃষ্ট চরিত্রের একটি নগ্ন বহিঃপ্রকাশ : এপস্টিন ফাইলস
১৯ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
চলমান সংসদে “সর্বশক্তিমান আল্লাহ পাক উনার প্রতি আস্থা ও বিশ্বাসই হবে রাষ্ট্রের যাবতীয় কার্যাবলীর মূল ভিত্তি- এই অনুচ্ছেদ পূর্ণবহালের প্রতিশ্রুতির সাথে চতুর্থ শ্রেণী থেকে হারাম খেলাধূলায় বাধ্য করার ঘোষণা চরম সাংঘর্ষিক।
১৯ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
পৃথিবী চাইলেই বাংলাদেশ অনলাইন শিক্ষা ব্যবস্থা চাইতে পারেনা। তাহলে সবার আগে বাংলাদেশ প্রতিশ্রুতি প্রমাণ হয়না। শিক্ষামন্ত্রী তথা সরকারকে অবিলম্বে অনলাইন শিক্ষা থেকে সরে আসতে হবে।
১৮ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার)












