সম্পাদকীয় (১)
রেলের টিকেট পেতে ব্যার্থরা হতাশ হয়ে, হয়রানি ও ভোগান্তির স্বীকার হচ্ছে দুর্নীতিবাজ ও বিকৃতমনাদের বহিস্কার করে রেলের সক্ষমতা বহুগুণ বাড়াতে হবে ইনশাআল্লাহ
, ০৩ যিলহজ্জ শরীফ, ১৪৪৫ হিজরী সন, ১২ আউওয়াল, ১৩৯২ শামসী সন , ১০ জুন, ২০২৪ খ্রি:, ২৭ জৈষ্ঠ্য, ১৪৩১ ফসলী সন, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) সম্পাদকীয়
সব প্রশংসা মুবারক খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার জন্য; যিনি সকল সার্বভৌম ক্ষমতার মালিক। সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নবী আলাইহিমুস সালাম উনাদের নবী, রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি অফুরন্ত দুরূদ শরীফ ও সালাম মুবারক।
গতকাল প্রকাশিত এক প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে, ট্রেনের টিকিটের তুলনায় অতিরিক্ত যাত্রী চাহিদা থাকায় অনলাইনে টিকিট কিনতে যারা ব্যর্থ হয়েছেন; তাদের অনেকে ঈদযাত্রার ভোগান্তি এড়াতে অনেকে আগেভাগেই বাড়ি যেতে শুরু করেছেন।
বলার অপেক্ষ রাখে না অল্প খরচে পণ্য পরিবহন সাশ্রয়ই এবং আরামদায়ক যাতায়াতের জন্য সাধারণ মানুষের পছন্দ রেল। কিন্তু সে রেল নিয়ে স্বাধীনতার পর থেকেই বহুমুখী ষড়যন্ত্র।
রেল কর্তৃপক্ষ রেয়াতি সুবিধা প্রত্যাহারের নামে ভাড়া বৃদ্ধি করে দূরপাল্লার যাত্রাপথে রেলের ভাড়া বাসের ভাড়ার চেয়ে বেশি নির্ধারণ করে বাস মালিকদের বিশেষ সুবিধা দিতে মরিয়া হয়ে উঠেছে।
রেলখাত লাভজনক করার ঘোষণা দিয়ে ২০১২ সালে সর্বনিম্ন ৭ থেকে সর্বোচ্চ ১১০ শতাংশ এবং ২০১৬ সালে ৭ শতাংশ রেলের ভাড়া বাড়ানো হয়েছে। কিন্তু ২০১২ সালের ভাড়া বৃদ্ধির সময় ট্রেনের ওই সময়ে বিদ্যামান ‘সেকশনাল রেয়াতি সুবিধা’ প্রত্যাহারের পরে আসলেই কি রেল লাভবান হয়েছিল? ঐ বছর অর্থাৎ ২০১৬-১৭ অর্থ বছরে রেলের লোকসান ছিল ১ হাজার ২২৬ কোটি টাকা।
এতে বুঝা যায় কেবলমাত্র ভাড়া বৃদ্ধি করে লাভবান হওয়া বা লোকসান কমানো কোনোভাবেই সম্ভব নয়। বর্তমানে রেয়াতি সুবিধা প্রত্যাহার করে যে হারে রেলের ভাড়া বাড়ানো হয়েছে, এতে যাত্রীরা রেলবিমুখ হবে, রেলে টিকিটবিহীন যাত্রী যাতায়াতের সংখ্যা বাড়বে, রাজস্ব আয় কমবে, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের লুটপাটের সুযোগ আরো বাড়বে।
অপরদিকে কিন্তু মানুষের আকর্ষণ ও চাহিদার সাথে সঙ্গতি রেখে রেলের উন্নয়ন ও সুবিধাদি নিশ্চিত করতে পারছে না রেল কর্তৃপক্ষ। এর পেছনের মূল কারণ দুর্নীতি, অব্যবস্থাপনা ও অস্বচ্ছতা। বিগত সময়ে সরকারের এক মন্ত্রী রেলের কালোবিড়াল ধরতে গিয়ে নিজেই দুর্নীতির দায়ে ফেঁসে গিয়েছিলেন। এরপর রেলমন্ত্রী ও রেলকর্তৃপক্ষ দুর্নীতি-অব্যবস্থাপনার কথা স্বীকার করে তা দূর করার প্রতিশ্রুতি দিলেও আদতে কাজের কাজ কিছুই হয়নি। রেলওয়ের কেনাকাটায় দুর্নীতির মাত্রাকে ‘পুকুর চুরি’ বললেও কম বলা হবে। বিভিন্ন মেগা প্রকল্পে এমন পুকুর-সাগর চুরির ঘটনা প্রায়শ গণমাধ্যমে উঠে আসছে। গত বছর পত্রিকায় প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে রেলওয়ের জন্য ১৯ হাজার টাকার লিফটিং জ্যাক কেনা হয়েছে ৩ লাখ টাকায়। আর ৬৫ হাজার টাকা মূল্যের ড্রিলিং মেশিন কেনা হয়েছে ৯ লাখ ৬৫ হাজার টাকায়। এভাবেই সম্ভাবনাময় লাভজনক রেলখাত লোকসানের ভারে ডুবে যেতে বসেছে।
দেশে তিনটি বৃহদাকার রেল মেরামত কারখানায় লোকোমোটিভ, কোচ-বগি নির্মাণসহ সব রকমের মেরামতি কাজের সুবিধা থাকলেও অনেকটা পরিকল্পিতভাবেই এসব কারখানার সক্ষমতাকে কাজে না লাগিয়ে রেলওয়েকে আমদানি নির্ভর করে রেখে ১০-২০গুণ বেশি দামে যন্ত্রাংশ কেনার মাধ্যমে সংস্থাটিকে লোকসান ও দেউলিয়াত্বের দ্বারপ্রান্তে ঠেলে দেয়া হয়েছে।
প্রায় দেড়শ বছরের ঐতিহ্যবাহী সৈয়দপুরের মেরামত কারখানায় প্রায় ৩ হাজার পদের বিপরীতে মাত্র ৭১৬ জন কর্মী কাজ করছে। দুই হাজারের বেশি পদ খালি রেখে মূলত কারখানাটির সক্ষমতাকে খর্ব করে রাখা হয়েছে। অথচ পরিবর্তিত বাস্তবতায় পদ্মাসেতু, ঢাকা-কক্সবাজারসহ মেগা প্রকল্পের আওতায় রেলওয়ের জন্য নতুন রুট ও রেলপথ নির্মাণের সাথে সাথে রেল মেরামত কারখানাগুলোর আধুনিকায়ন, ইঞ্জিনিয়ার ও দক্ষ জনবল বৃদ্ধির কার্যকর নেয়া হচ্ছে না কেন?
এটা শুধুমাত্র বাংলাদেশ রেলকে পঙ্গু করে রাখার অপচেষ্টা তা বলার অপেক্ষা রাখেনা। কাজেই রেলমন্ত্রী মুখে যতই বলুক- “রেল বন্ধ রাখা বিকৃত মানসিকতার পরিচয়”- আমরা তার এ বক্তব্যের আন্তরিকতা খুজে পাই না। আমরা মনে করি তার বিবৃত বিকৃত মানসিকতার লোক দ্বারাই বাংলাদেশ রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ ভরপুর। এই বিকৃত ও দুর্নীতিবাজদের বহিস্কার করে বাংলাদেশ রেলওয়েকে বাংলাদেশের জনগণের জন্য যথাযথ আকর্ষণীয় ও আরামদায়ক এবং সাশ্রয়ী করে দিতে হবে ইনশাআল্লাহ।
ছহিবে সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, রাজারবাগ শরীফ উনার মামদূহ মুর্র্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার নেক ছোহবত মুবারক-এ কেবলমাত্র তা লাভ করা সম্ভব। খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি আমাদেরকে তা নছীব করুন। আমীন।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
মুবারক হো- মহিমান্বিত ১১ই যিলক্বদ শরীফ! যা ইমামুল আউলিয়া, হাবীবে ওয়া মাহবুবে রহমান, আওলাদে রসূল, সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুছ ছামিন মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার এবং সিবতু সুলত্বানিন নাছীর, সাইয়্যিদুল কাওনাইন, মহাসম্মানিত ইমাম হযরত সাইয়্যিদুল উমাম আল আউওয়াল আলাইহিস সালাম উনাদের মহিমান্বিত বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ করার সুমহান দিবস। সুবহানাল্লাহ!
৩০ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
সৌর বিদ্যুৎ প্রসারে প্রধান বাধা হলো উচ্চ কর ও শুল্ক। নবায়নযোগ্য জ্বালানির প্রতি নীতিনির্ধারক এবং সাধারণ মানুষের মনে একটা বদ ধারণা তৈরি করার জন্য একটা গোষ্ঠী খুব তৎপর। বড় বিনিয়োগকারীরা সুবিধা পাচ্ছে, কিন্তু সাধারণ জনগণ পিছিয়ে পড়ছে। এটি সৌর বিদ্যুতের গণমুখী বিস্তারকে বাধাগ্রস্ত করছে। সরকারের উচিৎ সহায়ক নীতিকাঠামো দিয়ে বেসরকারি খাতকে উৎসাহিত করা।
২৯ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
প্রধানমন্ত্রী শুধু রেসিং কার চালিয়ে উৎসাহ দিলেই হবে না। ‘শিমু’, ‘সোলেমানের’ উদ্ভাবিত সেচযন্ত্র তথা সুলভ প্রযুক্তিকেও উৎসাহ দেয়ার পাশাপাশি প্রান্তিক কৃষকের মাঝে ছড়িয়ে দিতে হবে দেশের প্রান্তিক নাগরিকের উদ্ভাবিত প্রযুক্তি দ্বারাই সঙ্কটে সমাধানের অনুসন্ধানী উদ্দীপনা থাকতে হবে। ইনশাআল্লাহ
২৮ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
আজ মহিমান্বিত ৮ই যিলক্বদ শরীফ। সুবহানাল্লাহ! নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সাথে সাইয়্যিদাতুন নিসায়ি আলাল আলামীন, আফদ্বলুন নাস ওয়ান নিসা বা’দা রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, আত্বওয়ালু ইয়াদান সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আস সাবিয়াহ আলাইহাস সালাম উনার পবিত্র নিসবাতুল আযীম শরীফ দিবস। সুবহানাল্লাহ! পাশাপাশি আজ ‘বিশ্ব পর্দা দিবস’।
২৭ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আসইয়াদ, সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিশ শুহূরিল আ’যম শরীফ, মহাসম্মানিত রবীউল আউওয়াল শরীফ মাস উনার মহিমান্বিত, মহাপবিত্র ৭ তারিখ উনার সাথে সম্পর্কযুক্ত পবিত্র ৭ই যিলক্বদ শরীফ আজ। সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম উনার প্রতি সর্বোচ্চ হুসনে যন পোশন করত উনার শান-মান মুবারক অনুভব করা, মর্যাদা-মর্তবা মুবারক জানা, দয়া-ইহসান মুবারক উপলব্ধি করা,ফয়েজ-তাওয়াজ্জুহ ও নেক ছোহবত মুবারক হাছিল করা
২৬ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
মুবারক হো! মহিমান্বিত ৬ই যিলক্বদ শরীফ। সুবহানাল্লাহ! মুজাদ্দিদে আ’যমে ছানী, সাইয়্যিদুনা হযরত খলীফাতুল উমাম আলাইহিস সালাম উনার মহাসম্মানিতা যাওজাতুম্ মুকাররমাহ সাইয়্যিদাতুনা হযরত মুজীরাতুল উমাম আলাইহাস সালাম উনার পবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ দিবস।
২৫ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
এবার শুধু শাসক গং নয়, বাংলাদেশের গোটা জনসাধারণকেই বশ ও বুদ করার ছক কষছে ভারত প্রতিবেশী দেশের সাথে মিলিতভাবে আগামী পহেলা বৈশাখ পালনের ঘোষণা ভারতীয় ষড়যন্ত্রের সমার্থক। ঈমানদার দেশবাসীকে খুবই সতর্ক এবং সক্রিয় হতে হবে ইনশাআল্লাহ।
২৪ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
সোনার বাংলার সব কিছুতেই সোনা। এক নারিকেল চাষেই দেশে ৫০ হাজার কোটি টাকা আয় এবং লাখ লাখ লোকের বেকারত্বের অবসান সম্ভব। সহজেই হবে অনেক কর্মসংস্থান, আমদানীর সাশ্রয় এবং বৈদেশিক মুদ্রার সমৃদ্ধি। ইনশায়াল্লাহ!
২৩ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
দৈনন্দিন ৩২ বার পবিত্র সূরা ফাতিহা শরীফ পাঠ করলেও মুসলমান কি পবিত্র সূরা ফাতিহা শরীফ শুধু পাঠের মধ্যেই আবদ্ধ থাকবে? ফিকির আর আমল কী অধরাই থাকবে?
২২ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
আজ সুমহান বরকতময় পবিত্র ২রা যিলক্বদ শরীফ! সুবহানাল্লাহ! সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, সাইয়্যিদাতু নিসায়ি আহলিল জান্নাহ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ, সাইয়্যিদাতুনা হযরত ঊখতু রসূল মিনার রদ্বায়াহ্ আলাইহাস সালাম উনার পবিত্র বিছালী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। সুবহানাল্লাহ!
২১ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
সূদী ব্যাংক ব্যবস্থা মূলত: আত্মঘাতী এবং শোষক ব্যবস্থা। ব্যাংক শোষণের কারণে শুধু একজন মালিকই নয় বা শত শত শ্রমিকই নয় বরং গোটা আর্থো-সামাজিকখাত হয় ক্ষত-বিক্ষত, বিপর্যস্থ, লা’নতগ্রস্থ, বেকারত্বে জর্জরিত। বর্তমান সংকটাপন্ন অর্থনীতি বাঁচাতে অতিসত্বর সুদী ব্যাংক ব্যবস্থা বাদ দিয়ে ইসলামী মূল্যবোধের ব্যাংক ব্যবস্থা চালু করতে হবে ইনশাআল্লাহ।
২০ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
পবিত্র কুরআন শরীফ উনার চিরন্তন ঘোষণা অনুযায়ী কাফির-মুশরিকদের নিকৃষ্ট চরিত্রের একটি নগ্ন বহিঃপ্রকাশ : এপস্টিন ফাইলস
১৯ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার)












