যথাযথ পদক্ষেপ নিলে ইনশাআল্লাহ আগামী ৫ বছরে বাংলাদেশ হবে বিশ্বের প্রথম ধনী দেশ।
এক উত্তরাঞ্চলের খনিজ উত্তোলন করলেই গোটা দেশের চেহারা পাল্টে যাবে। সরকারের নিষ্ক্রিয়তা বরদাশতযোগ্য নয়।
, ২০শে রজবুল হারাম শরীফ, ১৪৪৪ হিজরী সন, ১৪ তাসি, ১৩৯০ শামসী সন , ১২ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ খ্রি:, ২৯শে মাঘ, ১৪২৯ ফসলী সন, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) সম্পাদকীয়

২০৩২ সালের মধ্যে বাংলাদেশ বিশ্বের বড় ২৫টি অর্থনীতির দেশের একটি হবে। তখন বাংলাদেশ হবে ২৪ তম বৃহৎ অর্থনীতির দেশ। বর্তমানে অবস্থান ৪১ তম। ২০৩৩ সালে আমাদের পেছনে থাকবে মালয়েশিয়া, সুইডেন, সুইজারল্যান্ড, সিঙ্গাপুর, ভিয়েতনাম ও দক্ষিণ আফ্রিকার মতো দেশ। যুক্তরাজ্যভিত্তিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর ইকোনমিকস অ্যান্ড বিজনেস রিসার্চ (সিইবিআর) প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এই সম্ভাবনার কথা বলা হয়েছে।
প্রসঙ্গত আমরা মনে করি, এ প্রতিবেদন যথার্থ নয়। বরং বাংলাদেশের সব সম্পদ যথাযথভাবে কাজে লাগলে ইনশাআল্লাহ আগামী ৫ বছরেই বাংলাদেশ হবে বিশ্বের প্রথম ধনী দেশ।
উল্লেখ্য, এক উত্তরাঞ্চলের খনিজ সম্পদ উত্তলন করলেই দেশের চেহারা পাল্টে যেতে পারে। হাজার হাজার বছর ধরে উত্তরাঞ্চলে মাটির নিচে লুকিয়ে রয়েছে কয়লা, বিটুমিন, পাথর, চুনাপাথর, লোহা। রংপুর, দিনাজপুর ও জয়পুরহাটের বিভিন্ন অঞ্চলে অনুসন্ধান এই সম্পদগুলোর খনি আবিষ্কার করা হয়। হাজার-লক্ষ-বিলিয়ন ডলার মূল্যের এসব সম্পদ উত্তোলন করে কাজে লাগানো এখন সময়ের দাবি। মাটির নিচে থাকা এই সব সম্পদ ব্যবহার করলে দেশ হবে আরো সম্পদশালী। খনিজ সম্পদগুলো উত্তোলনে দেশের অর্থনীতির চেহারা পাল্টে যাবে। উত্তরাঞ্চলের মানুষের দাবি মাটির নিচে লুকিয়ে থাকা ওই সম্পদগুলো তুলে কাজে লাগানো হোক। খনিগুলো থেকে ‘সম্পদগুলো’ উত্তোলনে একদিকে হাজার হাজার কর্মসংস্থান হবে; অন্যদিকে দেশের অর্থনীতি উঠবে নতুন উচ্চতায়।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, দিনাজপুর জেলাতেই পাশাপাশি অবস্থিত তিনটি এবং রংপুর জেলার ১টিতে পার্মিয়ান যুগের গন্ডোয়ানা কয়লার অস্তিত্ব আবিষ্কার হয়েছে। খনি অনুসন্ধানের পর উত্তরের অপার সম্ভাবনাময় খনিজ সম্পদ সম্পর্কে সকলেই ওয়াকিবহাল। কিন্তু তারপরও বড় পুকুরিয়া কয়লা খনি ও মধ্যপাড়া কঠিন শিলা প্রকল্প ছাড়া অন্যান্য খনিজ সম্পদ আহরণে কোন উদ্যোগ ও কার্যক্রম দৃশ্যমান হচ্ছে না। অথচ উত্তোলন কার্যক্রম শুরু না হতেই এশিয়া এনার্জি’র মত বিদেশি কোম্পানি ফুলবাড়ী কয়লা খনি দেখিয়ে বিদেশের শেয়ার মার্কেট থেকে কোটি কোটি ডলারের ব্যবসা করে যাচ্ছে। আবিষ্কারের পর কয়েক যুগ ধরে পড়ে থাকা খনিজ সম্পদগুলো উত্তোলনে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ না করার পিছনে অন্য কোনো কারণ রয়েছে কি না এ নিয়েও গুঞ্জন রয়েছে সচেতন মহলে। কেননা ভূ-গর্ভস্থ এসব মহামূল্যবান খনিগুলোর অবস্থান সীমান্ত সংলগ্ন বিস্তৃত এলাকাজুড়ে। প্রসঙ্গত, সরকারের নির্বাচনী অঙ্গীকারে উত্তরাঞ্চলের খনিজ সম্পদ উত্তোলন করে এ অঞ্চলের আর্থ-সামাজিক অবস্থার পরিবর্তন আনার কথা ছিল। আর এ কারনেই মাটির নিচে পড়ে থাকা এসব সম্পদ উত্তোলন ও ব্যবহারে সঠিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ এখন সময়ের দাবি হয়ে দাঁড়িয়েছে।
উত্তরাঞ্চলের দিনাজপুরের পার্বতীপুর উপজেলায় রয়েছে বড়পুকুরিয়া কয়লা খনি এবং মধ্যপাড়া কঠিন শিলা খনি, ফুলবাড়ী উপজেলায় রয়েছে ফুলবাড়ী কয়লা খনি, নবাবগঞ্জ উপজেলায় রয়েছে দিঘিপাড়া কয়লা খনি, রংপুর জেলার পীরগঞ্জ উপজেলায় রয়েছে খালাশপীর কয়লা খনি, জয়পুরহাট জেলা সদরে রয়েছে- চুনা পাথর খনি এবং জামালগঞ্জে কয়লা খনি। এছাড়াও সাম্প্রতিককালে দৃশ্যমান হওয়া হাকিমপুর (হিলি) উপজেলায় লৌহ খনির ভবিষ্যৎ নিয়ে আশাবাদী বাংলাদেশ ভূতাত্ত্বিক জরিপ অধিদপ্তরের (জিএসবি) বিশেষজ্ঞরা। তবে এ সকল খনির মধ্যে উৎপাদনে রয়েছে বড়পুকুরিয়া কয়লা খনি এবং মধ্যপাড়া পাথর খনি।
খবরে প্রকাশ, দেশের উত্তরাঞ্চলে লৌহ খনির সন্ধান পাওয়া গেছে। দুঃখের বিষয় প্রায় ৪৫ বছর আগে এই খনির সন্ধান পাওয়া গেলেও আজ পর্যন্ত এ ব্যাপারে কোনো ইতিবাচক পদক্ষেপ নেয়া হয়নি। রংপুর জেলার পীরগঞ্জ থানার পানেরহাট ও মিঠাপুকুর ইউনিয়নের সীমান্তবর্তী ভেলামারী পাহাড়ে এই খনির অবস্থান জানা গেছে, এখানে প্রাপ্ত লৌহা খুবই উন্নতমানের। এলাকার প্রবীণ অধিবাসীরা এ সম্পর্কে জানান, ১৯৬৫ সালে পাক-ভারত যুদ্ধের পর স্যাটেলাইট চিত্রের মাধ্যমে লৌহার অস্তিত্ব অনুমান করে বিমানযোগে প্রায় চার বর্গমাইল এলাকা জরিপ করা হয়। পরবর্তীতে খনিজ বিভাগের লোকজন এসে সরেজমিনে প্রাথমিক জরিপ চালায়। কয়েকটি স্থানে পাইপ বসানো হয়। পাইপের মাধ্যমে মৃত্তিকা অভ্যন্তরে বিস্ফোরণ ঘটানো হয়। ফলে লৌহার সন্ধান পাওয়া যায়। পরবর্তীতে ১৯৬৭ সালে বিদেশে বিশেষজ্ঞদের সহায়তায় ব্যাপক অনুসন্ধান পরিচালনা করা হয়। অনুসন্ধান শেষে বিশেষজ্ঞরা জানান যে, প্রাপ্ত লৌহ খুবই উন্নতমানের। তবে উত্তোলনের জন্য আরও ২০-২৫ বছর প্রয়োজন। তাই তারা বিভিন্ন কূপের মুখ সিমেন্টের সাহায্যে বন্ধ করে দিয়ে চলে যায়। সেই ২০-২৫ বছর সময় অনেক আগেই পার হয়ে গেছে।
প্রকাশ, লৌহ খনিটি প্রায় ১০ বর্গকিলোমিটার এলাকাব্যাপী বিস্তৃত। মাটির ৯শ ফুট নিচে থেকে প্রায় ২২শ ফুট গভীর পর্যন্ত লৌহর অস্তিত্ব আছে। কিন্তু দুঃখের বিষয়, কর্তৃপক্ষের কোনো ধরনের নড়াচড়া লক্ষ্য করা যাচ্ছে না। সকলেই জানেন, লৌহ অতিশয় মূল্যবান সম্পদ। বলতে গেলে আধুনিক বিশ্বের চালিকা শক্তি। তেল ও সোনার পরই লৌহর স্থান। লৌহর কল্যাণেই অনেক দেশ উন্নত ও উন্নয়নের শীর্ষে পৌঁছেছে। কিন্তু আমরা লৌহর সন্ধান পাওয়ার পরও যেন নিরুপায় নিশ্চেষ্ট বসে আছি। কি পরিমাণ লৌহ আছে, কতটা উত্তোলনযোগ্য, কতদিন পর্যন্ত উত্তোলন করা যাবে এবং কিভাবে কাজে লাগানো যাবে, এসব ব্যাপারে কোনো উচ্চবাচ্য নেই। জরিপ বা পরিসংখ্যানের নেই কোনো আয়োজন। দুঃখের বিষয়, এসব ব্যাপারে কাউকে মাথা ঘামাতে দেখা যাচ্ছে না।
আমাদের প্রাকৃতিক সম্পদ নিয়ে এই যে আচরণ, তা কোনোভাবেই বরদাশতযোগ্য হতে পারে না। আমরা আশা করবো, যতদূর সম্ভব আধুনিক প্রযুক্তি ও কলাকৌশল প্রয়োগের মাধ্যমে আমাদের প্রাকৃতিক সম্পদ আহরণের ব্যবস্থা ও তা বাণিজ্যিক ভিত্তিতে কাজে লাগানোর যাবতীয় ব্যবস্থা নেয়া হোক। বিশেষ করে রংপুরে আবিষ্কৃত লৌহর খনির ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় কালবিলম্ব না করে তা আহরণের যাবতীয় ব্যবস্থা সম্পন্ন করবে। এ ব্যাপারে আর কোনো শৈথিল্য জাতি কামনা করে না।
মূলত সব সমস্যা সমাধানে চাই সদিচ্ছা ও সক্রিয়তা তথা সততা। কিন্তু এর জন্য প্রয়োজন নেক ছোহবত মুবারক, নেক সংস্পর্শ মুবারক তথা রূহানী ফয়েজ-তাওয়াজ্জুহ মুবারক।
ছহিবে সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, রাজারবাগ শরীফ উনার মামদূহ মুর্র্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার নেক ছোহবত মুবারক-এ কেবলমাত্র তা লাভ করা সম্ভব। খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি আমাদেরকে তা নছীব করুন। (আমীন)
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
আহলান-সাহলান সুমহান পহেলা শাওওয়াল শরীফ। মুবারক হো ঈদে বিলাদতে- ত্বাহিরাহ, তাইয়্যিবাহ, মাহবুবাহ, ফাক্বীহা, মাশুক্বাহ, তাওশিয়াহ, নূরে হাবীবা, লখতে জিগারে ইমামুল উমাম, উম্মু আবিহা, ক্বায়িম-মাক্বামে হযরত যাহরা আলাইহাস সালাম, সাইয়্যিদাতুন নিসা, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, হযরত নাক্বীবাতুল উমাম আলাইহাস সালাম
৩০ মার্চ, ২০২৫ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
প্রসঙ্গ: রাষ্ট্রদ্বীন ইসলাম মুসলমানের দ্বীনি অধিকার, পবিত্র দ্বীন ইসলাম পালনে আবহ এবং রাষ্ট্রযন্ত্রের দায়
২৯ মার্চ, ২০২৫ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
বাংলাদেশে মিডিয়াগুলো ইহুদীদের অদৃশ্য ইশারায় দেশে পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার বিরূপ পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে চাইছে। বাংলাদেশের মুসলমানদের উচিত- দেশের সব মিডিয়া বর্জন করে রাজারবাগ শরীফের প্রকাশনার প্রচার-প্রসার করা।
২৯ মার্চ, ২০২৫ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
মুবারক হো ২৫শে রমাদ্বান শরীফ! সাইয়্যিদাতু নিসায়ি আহলিল জান্নাহ, আল মুত্বহহারাহ, আল মুত্বহহিরাহ, মালিকাতুল জান্নাহ, মালিকাতুল কায়িনাত সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আল আশিরাহ আলাইহাস সালাম উনার পবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। সুবহানাল্লাহ! অতএব, প্রত্যেকের উচিত- ব্যাপক যওক-শওকের মাধ্যমে এ মহিমান্বিত দিনখানি যথাযথ মর্যাদায় পালনের ব্যবস্থা করা।
২৬ মার্চ, ২০২৫ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
ব্যাপকভাবে বাড়ছে সাইবার নিরাপত্তা ঝুঁকি ও হয়রানী জান-মাল এবং সম্মান হিফাজতে সরকারকে এখনি পর্যাপ্ত ব্যবস্থা নিতে হবে। ইনশাআল্লাহ!
২৫ মার্চ, ২০২৫ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
ঈদকে সামনে রেখে মুদি দোকান, স্টেশনারি দোকান, শপিং মল, পার্লার, সুপার শপ সবখানেই ভেজাল কসমেটিক্স। মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে ব্যবহারকারীরা। সরকারের কঠোর নজরদারী ও নিয়ন্ত্রণ প্রয়োজন।
২৫ মার্চ, ২০২৫ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
মুবারক হো পবিত্র ২৩শে রমাদ্বান শরীফ! আজ সাইয়্যিদাতু নিসায়ি আহলিল জান্নাহ, আল মুত্বহহারাহ, আল মুত্বহহিরাহ, মালিকাতুল জান্নাহ, মালিকাতুল কায়িনাত সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আল আশিরাহ আলাইহাস সালাম উনার পবিত্র বিছালী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। সুবহানাল্লাহ!
২৪ মার্চ, ২০২৫ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
যে সমাজ ব্যবস্থায় সার্বভৌম ক্ষমতার মালিক, প্রজাতন্ত্রের মালিক ‘জনগণকে’ করা হয় সে সমাজব্যবস্থায়, অপরাধীরা নিয়ন্ত্রিত হয়না ও অপরাধ নির্মূল হয়না। সার্বভৌম ক্ষমতার মালিক মহান আল্লাহ পাক তিনি এবং ভয় করার মালিক মহান আল্লাহ পাক তিনি। কেবলমাত্র এই অনুভূতি সমাজ থেকে সব অপরাধ নির্মূল করতে পারে।
২৩ মার্চ, ২০২৫ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
নাটক-সিনেমার মাধ্যমে মুসলিম প্রজন্মকে দ্বীন ইসলাম থেকে দূরে সরিয়ে দেয়া হচ্ছে। পরকালের কথা স্মরণ করে মুসলিম উম্মাহকে বিধর্মীদের এসব ষড়যন্ত্র থেকে বের হয়ে আসতে হবে।
২৩ মার্চ, ২০২৫ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
আজ মহিমান্বিত সুমহান ২১ই রমাদ্বান শরীফ। যা ইমামুল আউলিয়া, হাবীবে ওয়া মাহবুবে রহমান, আওলাদে রসূল, সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুছ ছামিন মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহিমান্বিত বিছালী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। সুবহানাল্লাহ!
২২ মার্চ, ২০২৫ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
দৈনন্দিন ৩২ বার পবিত্র সূরা ফাতিহা শরীফ পাঠ করলেও মুসলমান কি পবিত্র সূরা ফাতিহা শরীফ শুধু পাঠের মধ্যেই আবদ্ধ থাকবে? ফিকির আর আমল কী অধরাই থাকবে?
২১ মার্চ, ২০২৫ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
সরকার ঘোষিত মৎস্য আহরণ নিষেধাজ্ঞায় মরার উপর খাড়ার ঘা অবস্থা হয় দেশের জেলেদের। নিভৃতেই চলছে জেলেদের নীরব কান্না। দেখার কেউ নেই।
২১ মার্চ, ২০২৫ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার)