মা হওয়ার পর ৬টি অভ্যাস ধরে রাখুন
, ২২ রবীউছ ছানী শরীফ, ১৪৪৫ হিজরী সন, ০৯ সাদিস ১৩৯১ শামসী সন , ০৭ নভেম্বর, ২০২৩ খ্রি:, ২২ কার্তিক, ১৪৩০ ফসলী সন, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) মহিলাদের পাতা
হামেলা অবস্থায় সন্তানের পুষ্টির জন্য মাকে বেশি খাবার খেতে হয়। তাই এসময় পেটে, কোমরে ও শরীরের নিচের অংশে মেদ জমে যায়। হামেলা অবস্থায় স্বাভাবিকভাবে মায়ের ওজন বেড়ে যায় ১১ থেকে ১৫ কেজি পর্যন্ত। সন্তান জন্মের সময় ৪ থেকে ৬ কেজি ওজন কমে। আর বাড়তি ওজন কমতে প্রসবের পর সাধারণত ৬ মাস লেগে যায়। কিন্তু কোন কারনে যদি ৬ মাস পরও মেদ থাকে এবং আরও ওজন বাড়ে তাহলে অবশ্যই মাকে সচেতন হতে হবে। কারণ বাড়তি ওজনের ফলে পরবর্তীতে উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস কিংবা হার্টের সমস্যা দেখা দিতে পারে।
হামেলা অবস্থায় বাড়তি ওজন কমাতে হলে ক্র্যাশ ডায়েট করা যাবে না। এতে মা ও সন্তান দুজনেরই ক্ষতি হবে। বরং নিয়মিত ব্যায়াম করতে হবে ও খাদ্যাভ্যাস ঠিক রাখতে হবে।
সন্তানকে বুকের দুধ খাওয়ান:
জন্মের ৬ মাস পর্যন্ত শিশু মায়ের বুকের দুধ খায়। সন্তানকে বুকের দুধ খাওয়ালে মায়ের শরীর থেকে সারাদিনে ২০০ থেকে ৫০০ ক্যালোরি খরচ হয়। শিশু যতবার চায় ততবার তাকে বুকের দুধ খাওয়াতে হবে। যা ওজন কমাতে সহায়ক। তবে সন্তানকে বুকের দুধ খাওয়ালে মাকে প্রয়োজনের তুলনায় খুব বেশি ক্যালোরিযুক্ত খাবার খেতে হবে- এমন ধারণা ভুল। ডাক্তারের পরামর্শমতো ক্যালরি গ্রহণ করতে হবে।
ব্যায়াম করুন:
সন্তানকে বেশি সময় দিতে গিয়ে নিজের কথা ভুলেই যান অনেকে। ব্যায়াম করার সময় পান না। যার কারনে ওজন বেড়ে যায়। ব্যায়াম শুধুমাত্র ওজন কমায় না। মানসিক প্রশান্তি যোগাতেও সাহায্য করে। প্রতিদিন অল্প সময়ের জন্য ব্যায়াম করার অভ্যাস করতে হবে। স্বাভাবিক প্রসবের অন্তত দেড় মাস পর এবং সিজারিয়ান প্রসবের ২ মাস পর থেকে ব্যায়াম শুরু করতে হবে। ব্যায়াম করার সময় অবশ্যই ঢিলেঢালা পোশাক পরতে হবে। ব্যায়াম করলেই দ্রুত ওজন কমে যাবে না। অন্তত ২ থেকে ৩ মাস নিয়মিত ব্যায়াম করলে ওজন আস্তে আস্তে কমতে শুরু করবে। ব্যায়াম শুরু করার আগে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে এবং কোন ধরনের ব্যায়াম আপনার উপযোগী তা অবশ্যই চিকিৎসকের কাছে জেনে নেবেন।
খাদ্যাভ্যাস ঠিক রাখুন:
সন্তান জন্মের পর চিকিৎসকের দেওয়া ডায়েট চার্ট মেনে খাবার খেতে হবে। প্রতিদিন একই সময়ে খাবার খেতে হবে। সকালের নাস্তা কখনোই বাদ দেয়া যাবে না। বরং সকালে ভারি নাস্তা খেতে হবে। সকালে পেটভরে নাস্তা খেলে সারাদিন ক্ষুধা কম লাগবে। দুপুর ও রাতে তুলনামূলক কম খেতে হবে। দুপুর ও রাতের খাবারে শাকসবজি,
মাছ, ডাল, গোশত খেতে হবে। তবে সবকিছুই খেতে হবে ডায়েট চার্ট মেনে। সকালে নাস্তার পর দুপুরের খাওয়ার মাঝে ফল খেতে পারেন। বিকেলে হালকা নাস্তা খেতে হবে।
পর্যাপ্ত ঘুমান:
পর্যাপ্ত ঘুম ওজন কমাতে সহায়তা করে। কম ঘুমালে শরীরে ক্লান্তি থেকে যায়। এই ক্লান্তি কাটাতে অনেকে বেশি খেয়ে ফেলেন। যার কারনে ওজন বেড়ে যায়। সন্তান জন্মের পর মায়েরা ঘুমানোর সময় পান না। তারপরও মাকে খানিকটা সময় বের করে নিতে হবে ঘুমানোর জন্য।
ফাস্ট ফুড ও মিষ্টি বাদ দিন:
ফাস্ট ফুড একেবারেই খাওয়া যাবে না। মিষ্টিজাতীয় খাবার পরিহার করতে হবে। আর প্রচুর পানি খেতে হবে। পানি অতিরিক্ত মেদ ঝরাতে সাহায্য করে। রান্নায় মসলা কম দিতে হবে। সেদ্ধ ও কম তেলে রান্না করা খাবার খেতে হবে।
ক্রাশ ডায়েট করবেন না:
পরিমিত না খেয়ে ডায়েট করা যাবে না। এতে শরীরের চর্বির চেয়ে গোশত পেশীর ক্ষয় হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। তাছাড়া সুষম খাবার না খেলে পুষ্টির অভাবে মা ও সন্তানের নানা রোগ দেখা দিতে পারে। এ ধরনের ডায়েটে ওজন সাময়িকভাবে কমলেও তা দীর্ঘস্থায়ী হয় না।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে সম্বোধন মুবারক করার ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ আদব-শরাফত বজায় রাখতে হবে
১৩ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
পিতা-মাতার প্রতি সন্তানের দায়িত্ব-কর্তব্য
১২ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
খাছ দোয়া মুবারক পাওয়ার বিশেষ মাধ্যম পবিত্র যাকাত আদায়
১২ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
সম্মানিত রমাদ্বান শরীফ মাস হচ্ছে তাক্বওয়া হাছিলের মাস, নেক দোয়া করার মাস এবং কাফির মুশরিকদের বিরুদ্ধে বেশী বেশী বদ দোয়া করার মাস
১১ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
৩টি বিশেষ নেক কাজ, যা ইন্তেকালের পরও জারি থাকে
১১ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
মহিলাদের সুন্নতী লিবাস, অলংকার ও সাজ-সজ্জা (৯)
১০ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনারা বেমেছাল ফযীলত মুবারকের অধিকারী
১০ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
মহিলা জামায়াতের ব্যাপারে বাতিলপন্থীদের সুস্পষ্ট মুনাফিকীর নমুনা
০৯ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
মহিলাদের জন্য মসজিদে নামায নিষিদ্ধ হওয়ার কারণে ঘরেই ই’তিকাফ করতে হবে
০৯ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি সৃষ্টির শুরুতেই মহান আল্লাহ পাক উনার কুদরত মুবারক উনার মধ্যে ছিলেন, আছেন এবং অনন্তকাল থাকবেন
০৯ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে সম্বোধন মুবারক করার ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ আদব-শরাফত বজায় রাখতে হবে
০৬ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
পিতা-মাতার প্রতি সন্তানের দায়িত্ব-কর্তব্য
০৫ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার)












