মহাসম্মানিত, মহাপবিত্র আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের প্রতি রুজু হলেই মুজাহিদ হামাস অতিশীঘ্রই কামিয়াব হবে ইনশাআল্লাহ
, ৩০ রবীউছ ছানী শরীফ, ১৪৪৫ হিজরী সন, ১৭ সাদিস ১৩৯১ শামসী সন , ১৫ নভেম্বর, ২০২৩ খ্রি:, ৩০ কার্তিক, ১৪৩০ ফসলী সন, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) সম্পাদকীয়
পবিত্র ভূমি ফিলিস্তীনের স্বাধীনতাকামী মুজাহিদ হামাসের বিশ্লেষকরা বলেছেন, গত ৭ অক্টোবর দখলদার, সন্ত্রাসী ইসরাইলের ভেতরে যে সফল অভিযান চালিয়েছে তার মধ্যদিয়েই ইসরাইলের পতন ঘটেছে, এখন তারা বেঁচে আছে আমেরিকার লাইফ সাপোর্টে।
গণহত্যা ও মানবতা বিরোধী অপরাধের বিষয়ে সন্ত্রাসী, হানাদার ইসরাইলের প্রতি আমেরিকার পাশাপাশি ইউরোপ অকুন্ঠ সমর্থন এবং সব ধরনের সহযোগিতা অকাতরে দিচ্ছে। নাউযুবিল্লাহ!
গভীর দু:খ ও আফসোসের সাথে বলতে হয় এর বিপরীতে মুসলিম বিশ্বে আমরা কি দেখলাম? অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় যখন সন্ত্রাসী, হানাদার ইসরাইল নিরীহ ফিলিস্তিনিদের বিরুদ্ধে ভয়াবহ গণহত্যা চালাচ্ছে তখন ৫৭টি মুসলিম দেশের শীর্ষ নেতারা রিয়াদ সম্মেলনে (১২ নভেম্বর, ২০২৩) ইসরাইলের বিরুদ্ধে কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেয়ার ব্যাপারে একমত হতে পারেননি।
সম্মেলনে ইরানের পক্ষ থেকে দখলদার সন্ত্রাসী হানাদার ইসরাইলি বাহিনীকে ‘সন্ত্রাসী বাহিনী’ ঘোষণা করার এবং সিরিয়ার পক্ষ থেকে দখলদার কাপুরুষ ইসরাইলের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করার জন্য মুসলিম দেশগুলোর প্রতি আহ্বান জানানো হয়। কিন্তু এই দু’টি প্রস্তাবের কোনোটিই সম্মেলনে গৃহিত হয়নি।
আরব কূটনীতিকদের বরাত দিয়ে বার্তা সংস্থাগুলো জানিয়েছে, আরব লীগের দুই সদস্যদেশ লেবানন ও আলজেরিয়া সন্ত্রাসী, হানাদার ইসরাইলকে তেল সরবরাহ বন্ধ করে দেয়ার প্রস্তাব দেন। ইরানের সর্বোচ্চ নেতা সন্ত্রাসী, হানাদার ইসরাইলে তেল ও খাদ্যসহ সব পণ্য সরবরাহ বন্ধ করার আহ্বান জানিয়েছিলেন। কিন্তু রিয়াদ সম্মেলনে সংযুক্ত আরব আমিরাত ও বাহরাইনের বিরোধিতার কারণে এই প্রস্তাব গৃহিত হয়নি। আরব আমিরাত ও বাহরাইন উভয়ে ২০২০ সালে সন্ত্রাসী, হানাদার ইসরাইলের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন করেছে। এবং সে সম্পর্ক তারা এখনও অটুট ও বৃদ্ধি করার কথা বলেছে নাউযুবিল্লাহ।
মুসলিম বিশ্বের কথিত এসব নেতা নিজেরা কোনো পদক্ষেপ নিতে ব্যর্থ হয়ে এমন একটি দাবি চূড়ান্ত করে যা বাস্তবায়নের সম্ভাবনা সুদূরপরাহত। দাবিটি হচ্ছে, গাজার ওপর আগ্রাসন বন্ধ করতে সন্ত্রাসী, হানাদার ইসরাইলকে বাধ্য করার জন্য জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে প্রস্তাব পাস করতে হবে। নাউযুবিল্লাহ।
অর্থাৎ তারা ইসলামী আক্বীদা-ঈমান বাদ দিয়ে নিজেদের শক্তিমত্তা ও মর্যাদা উপলব্ধিতে ব্যর্থ হয়ে যে জাতিসংঘের তথা ইহুদীসংঘের উপর গাজাবাসীকে ছেড়ে দিল সে ঘৃণ্য জাতিসংঘই ১৯৪৭ সালে ইহুদীবাদী, দখলদার, হানাদার সন্ত্রাসী ইসরাইলের জন্ম দিয়েছে। নাউজুবিল্লাহ!
প্রসঙ্গত, পবিত্র কুরআন শরীফে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, ‘হে মুমিনরা! তোমরা মহান আল্লাহ পাক উনার রজ্জু (পবিত্র কুরআন শরীফ ও মহাসম্মানিত আহলু বাইত শরীফ উনাদেরকে) ঐক্যবদ্ধভাবে আঁকড়ে ধরো এবং পরস্পর বিচ্ছিন্ন হয়ো না।’
পবিত্র কুরআন শরীফে মহান আল্লাহ পাক তিনি আরো ইরশাদ মুবারক করেন, ...তোমরা তাদের মতো হয়ো না, যারা বিচ্ছিন্ন হয়েছিল এবং মতভেদ করেছিল।
‘মহান আল্লাহ পাক উনার ও উনার রসূল নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের আনুগত্য করো। পরস্পর বিবাদ করো না। তাহলে দুর্বল হয়ে যাবে এবং তোমাদের প্রভাব বিলুপ্ত হবে।
এসব পবিত্র আয়াত শরীফ মুসলিম বিশ্ব না মানার কারণে সত্যিই কোনো কারণ ছাড়াই আজ নতজানু।
পৃথিবীতে বর্তমানে মুসলমানের সংখ্যা ৩০০ কোটির বেশি এবং মুসলমান দেশের সংখ্যা ৬৫-এরও অধিক। পৃথিবীতে মোট তেল ও গ্যাসের ৮০ ভাগ, কয়লার ৬০ ভাগ, স্বর্ণের ৬৫ ভাগ, রাবার ও পাটের ৭৫ ভাগ এবং খেজুরের ১০০ ভাগই মুসলমান দেশের। সুবহানাল্লাহ! পৃথিবীর মোট দেশের আয়তনের তিনভাগের একভাগ এখনো মুসলমানদের দেশসমূহ। পৃথিবীর মোট তিন কোটি সৈন্যের দেড় কোটিই মুসলমান। অমুসলিম বিশ্বের ৮৭ ভাগ বাণিজ্যই মুসলমানের সাথে। অমুসলিম বিশ্ব মুসলমান বিশ্বের সম্পদ নির্ভর করেই বেঁচে আছে।
কিন্তু মুসলমান নিজেদের শক্তিমত্তা, সোনালী ইতিহাসে উদ্দীপ্ত নয়।
পবিত্র বিদায় হজ্জ উনার মশহুর পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, “আমি তোমাদের জন্য দুটো জিনিস রেখে গেলাম (১) পবিত্র কুরআন শরীফ ও (২) মহাসম্মানিত মহাপবিত্র আহলু বাইত শরীফ। যতদিন পর্যন্ত উনাদের আঁকড়িয়ে ধরবে, ততদিন পর্যন্ত সাফল্যের শীর্ষে থাকবে। আর যখন উনাদের থেকে বিচ্যুত হবে তখনই লাঞ্ছিত, পদদলিত হবে।” (মুসনাদে আহমদ, ইবনে আবী শাইবাহ, আবু ইয়া’লা, ইবনে সা’দ, কানযুল উম্মাল)
প্রসঙ্গত হামাস মুজাহিদরা অনেক বুদ্ধিমত্তা, রণ কৌশল, রসদ ইত্যাদিতে অভিনত্ব দেখিয়েছেন। কিন্তু একটি বিষয়ে তাদের ঘাটতি। বর্তমান যামানায় মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হযরত আহলে বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের লক্ষ্যস্থল সাইয়্যিদে মুজাদ্দিদে আ’যম, ছহিবে সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার সম্পর্কিত তথ্য যথাযথভাবে অবগত হওয়া এবং জাহেরীভাবে উনার ছোহবতে আসা। তবে উনার মকবুল নির্দেশনা যদি এখনও তারা যথাযথভাবে পালন করতে পারে তবে তাদের কামিয়াবী ইং-শা-আল্লাহ সুনিশ্চিত। বিশেষ করে তারা যদি সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ, পবিত্র মীলাদ শরীফ পালন করতে পারে তবে তাদের বিজয় খুব কাছাকাছি। মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ পাক উনার সাহায্য অতি নিকটবর্তী। আমীন!
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
সমুদ্রে তেল-গ্যাস অনুসন্ধানে কোনো বিদেশি কোম্পানি সাড়া দেয়নি বলে এতো হা হুতাশ কেনো? বাপেক্সকেই সমুদ্রেও তেল-গ্যাস অনুসন্ধানের দায়িত্ব দেয়ার দায়িত্ববোধ- কেবলমাত্র খিলাফত আলা মিনহাজিন নুবুওওয়াহ্র পরিক্রমাই সম্ভব ইনশাআল্লাহ
০৪ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
মুবারক হো- মহিমান্বিত ১১ই যিলক্বদ শরীফ! যা ইমামুল আউলিয়া, হাবীবে ওয়া মাহবুবে রহমান, আওলাদে রসূল, সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুছ ছামিন মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার এবং সিবতু সুলত্বানিন নাছীর, সাইয়্যিদুল কাওনাইন, মহাসম্মানিত ইমাম হযরত সাইয়্যিদুল উমাম আল আউওয়াল আলাইহিস সালাম উনাদের মহিমান্বিত বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ করার সুমহান দিবস। সুবহানাল্লাহ!
৩০ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
সৌর বিদ্যুৎ প্রসারে প্রধান বাধা হলো উচ্চ কর ও শুল্ক। নবায়নযোগ্য জ্বালানির প্রতি নীতিনির্ধারক এবং সাধারণ মানুষের মনে একটা বদ ধারণা তৈরি করার জন্য একটা গোষ্ঠী খুব তৎপর। বড় বিনিয়োগকারীরা সুবিধা পাচ্ছে, কিন্তু সাধারণ জনগণ পিছিয়ে পড়ছে। এটি সৌর বিদ্যুতের গণমুখী বিস্তারকে বাধাগ্রস্ত করছে। সরকারের উচিৎ সহায়ক নীতিকাঠামো দিয়ে বেসরকারি খাতকে উৎসাহিত করা।
২৯ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
প্রধানমন্ত্রী শুধু রেসিং কার চালিয়ে উৎসাহ দিলেই হবে না। ‘শিমু’, ‘সোলেমানের’ উদ্ভাবিত সেচযন্ত্র তথা সুলভ প্রযুক্তিকেও উৎসাহ দেয়ার পাশাপাশি প্রান্তিক কৃষকের মাঝে ছড়িয়ে দিতে হবে দেশের প্রান্তিক নাগরিকের উদ্ভাবিত প্রযুক্তি দ্বারাই সঙ্কটে সমাধানের অনুসন্ধানী উদ্দীপনা থাকতে হবে। ইনশাআল্লাহ
২৮ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
আজ মহিমান্বিত ৮ই যিলক্বদ শরীফ। সুবহানাল্লাহ! নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সাথে সাইয়্যিদাতুন নিসায়ি আলাল আলামীন, আফদ্বলুন নাস ওয়ান নিসা বা’দা রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, আত্বওয়ালু ইয়াদান সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আস সাবিয়াহ আলাইহাস সালাম উনার পবিত্র নিসবাতুল আযীম শরীফ দিবস। সুবহানাল্লাহ! পাশাপাশি আজ ‘বিশ্ব পর্দা দিবস’।
২৭ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আসইয়াদ, সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিশ শুহূরিল আ’যম শরীফ, মহাসম্মানিত রবীউল আউওয়াল শরীফ মাস উনার মহিমান্বিত, মহাপবিত্র ৭ তারিখ উনার সাথে সম্পর্কযুক্ত পবিত্র ৭ই যিলক্বদ শরীফ আজ। সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম উনার প্রতি সর্বোচ্চ হুসনে যন পোশন করত উনার শান-মান মুবারক অনুভব করা, মর্যাদা-মর্তবা মুবারক জানা, দয়া-ইহসান মুবারক উপলব্ধি করা,ফয়েজ-তাওয়াজ্জুহ ও নেক ছোহবত মুবারক হাছিল করা
২৬ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
মুবারক হো! মহিমান্বিত ৬ই যিলক্বদ শরীফ। সুবহানাল্লাহ! মুজাদ্দিদে আ’যমে ছানী, সাইয়্যিদুনা হযরত খলীফাতুল উমাম আলাইহিস সালাম উনার মহাসম্মানিতা যাওজাতুম্ মুকাররমাহ সাইয়্যিদাতুনা হযরত মুজীরাতুল উমাম আলাইহাস সালাম উনার পবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ দিবস।
২৫ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
এবার শুধু শাসক গং নয়, বাংলাদেশের গোটা জনসাধারণকেই বশ ও বুদ করার ছক কষছে ভারত প্রতিবেশী দেশের সাথে মিলিতভাবে আগামী পহেলা বৈশাখ পালনের ঘোষণা ভারতীয় ষড়যন্ত্রের সমার্থক। ঈমানদার দেশবাসীকে খুবই সতর্ক এবং সক্রিয় হতে হবে ইনশাআল্লাহ।
২৪ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
সোনার বাংলার সব কিছুতেই সোনা। এক নারিকেল চাষেই দেশে ৫০ হাজার কোটি টাকা আয় এবং লাখ লাখ লোকের বেকারত্বের অবসান সম্ভব। সহজেই হবে অনেক কর্মসংস্থান, আমদানীর সাশ্রয় এবং বৈদেশিক মুদ্রার সমৃদ্ধি। ইনশায়াল্লাহ!
২৩ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
দৈনন্দিন ৩২ বার পবিত্র সূরা ফাতিহা শরীফ পাঠ করলেও মুসলমান কি পবিত্র সূরা ফাতিহা শরীফ শুধু পাঠের মধ্যেই আবদ্ধ থাকবে? ফিকির আর আমল কী অধরাই থাকবে?
২২ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
আজ সুমহান বরকতময় পবিত্র ২রা যিলক্বদ শরীফ! সুবহানাল্লাহ! সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, সাইয়্যিদাতু নিসায়ি আহলিল জান্নাহ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ, সাইয়্যিদাতুনা হযরত ঊখতু রসূল মিনার রদ্বায়াহ্ আলাইহাস সালাম উনার পবিত্র বিছালী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। সুবহানাল্লাহ!
২১ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
সূদী ব্যাংক ব্যবস্থা মূলত: আত্মঘাতী এবং শোষক ব্যবস্থা। ব্যাংক শোষণের কারণে শুধু একজন মালিকই নয় বা শত শত শ্রমিকই নয় বরং গোটা আর্থো-সামাজিকখাত হয় ক্ষত-বিক্ষত, বিপর্যস্থ, লা’নতগ্রস্থ, বেকারত্বে জর্জরিত। বর্তমান সংকটাপন্ন অর্থনীতি বাঁচাতে অতিসত্বর সুদী ব্যাংক ব্যবস্থা বাদ দিয়ে ইসলামী মূল্যবোধের ব্যাংক ব্যবস্থা চালু করতে হবে ইনশাআল্লাহ।
২০ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার)












