রান্না-বান্না:
মচমচে ভাজা পুলি পিঠার সহজ রেসিপি
, ২৩ রজবুল হারাম শরীফ, ১৪৪৫ হিজরী সন, ০৭ তাসি’, ১৩৯১ শামসী সন , ০৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ খ্রি:, ২১ মাঘ, ১৪৩০ ফসলী সন, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) মহিলাদের পাতা
একটা সময় শীত এলেই এলাকায় এলাকায় নানা রকম পিঠা বানানোর আয়োজন শুরু হতে। কিন্তু এখন জীবনযাত্রার পরিবর্তনের সাথে সাথে পিঠা বানানোর সেই আয়োজন এখন দেখা যায় না। আর এ কারণে বর্তমান সময়ের মেয়েরা পিঠা-পুলি বানানোও শিখতে পারে নাই, আবার অনেকে তাদের মা-দাদীর থেকে শিখলেও এখন আর না বানানোর কারণে ভুলতে বসেছেন।
তাই ভুলতে যাওয়া পিঠা-পুলি কিভাব সহজে আপনারা তৈরি করতে পারবেন, সে জন্যই এই লেখনী। অনেক সুস্বাদু পিঠার মধ্যে একটি হলো পুলি পিঠা। যদিও দুই উপায়ে তৈরি করা যায় এই পিঠা। অনেকে পুলি পিঠা রসে ভিজিয়ে খেয়ে থাকে।
যাকে বলা হয় দুধ পুলি। আবার অনেকেই মচমচে ভাজা পুলি খেতে ভালোবাসেন। চলুন তবে আজ জেনে নেওয়া যাক মচমচে ভাজা পুলি পিঠার সহজ রেসিপি-
উপকরণ:
১. কোরানো নারকেল দেড় কাপ
২. চিনি আধা কাপ
৩. এলাচ একটি
৪. দারুচিনি ২ টুকরো
৫. চালের গুঁড়া ১ কাপ
৬. ময়দা আধা কাপ
৭. ভাজার জন্য তেল
পদ্ধতি:
একটি ফ্রাই প্যানে নারকেল, চিনি, দারুচিনি ও এলাচ নিয়ে অল্প আঁচে নাড়তে থাকুন। চিনি গলে আঁঠালো ভাব হয়ে আসলে চুলা বন্ধ করে ঠান্ডা করে নিন। এবার আরেকটি পাত্রে দেড় কাপ পানি ও ১ চা চামচ লবণ মিশিয়ে ফুটিয়ে নিন।
চালের গুঁড়া ও ময়দা মিশিয়ে ঢাকনা দিয়ে ঢেকে ৫-৭ মিনিট জ্বাল করুন। এরপর ভালো করে মিশিয়ে নিয়ে ঠান্ডা হতে দিন। হাতের সাহায্যে মথে নরম ডো বানিয়ে নিন। প্রয়োজন মনে হলে ঠান্ডা পানি মিশিয়েও মথে নিতে পারেন।
খামিরটাকে দু’ভাগ করে এক ভাগ নিয়ে কিছুক্ষণ মথে লম্বা করে নিয়ে চাকু দিয়ে ছোট ছোট টুকরো করে কাটুন। এবার টুকরোগুলো নিয়ে বলের আকার করে হাত দিয়ে চ্যাপ্টা করে কিছু নারকেলের পুর ভরে বন্ধ করে নিন।
তারপর দু’হাত দিয়ে চেপে পিঠার আকৃতি নিন। এ পর্যায়ে জিপ-লক ব্যাগে ভরে রেফ্রিজারেটরে সংরক্ষণ করতে পারেন। নএবার কড়াইয়ে পর্যাপ্ত তেল দিয়ে মাঝারি আঁচে গরম করুন।
তেল হালকা গরম হয়ে এলে পিঠা দিয়ে অল্প আঁচে ভাজতে থাকুন। একপাশ হয়ে গেলে উল্টে দিন। দুই পাশ বাদামি করে ভেজে নিন। হয়ে গেলে নামিয়ে কাপড় বা টিস্যুর উপর রেখে ঠান্ডা করে পরিবেশন করুন।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি সৃষ্টির শুরুতেই মহান আল্লাহ পাক উনার কুদরত মুবারক উনার মধ্যে ছিলেন, আছেন এবং অনন্তকাল থাকবেন
২৭ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
মহান আল্লাহ পাক তিনি যার অন্তরকে প্রসারিত করেন তাকেই হিদায়েত দান করেন
২৬ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
ক্বলবী যিকির জারী না থাকলে শয়তানের ওয়াসওয়াসা থেকে বেঁচে থাকা সম্ভব নয়
২৬ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ মাহফিল উনার ইন্তিজামকারী বিনা হিসাবে সম্মানিত জান্নাতে প্রবেশ করবেন
২৬ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
হীলাহ্ বিবাহ এবং তার শরয়ী ফায়সালা (৪)
২৫ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু আনহুম উনাদের সম্পর্কে কটূক্তি করা কাট্টা কুফরী
২৫ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
মহান আল্লাহ পাক এবং উনার হাবীব, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের- সন্তুষ্টি-রেযামন্দি লাভের জন্য সন্তান প্রতিপালন করা সুন্নত (৪)
২৪ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
“যিনি সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ উনাকে বিশেষ মর্যাদা দিলেন, তিনি মূলত দ্বীন ইসলাম উনাকেই পুনরুজ্জীবিত করলেন”
২৪ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
পিতা-মাতার প্রতি সন্তানের দায়িত্ব-কর্তব্য
২৩ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
তিন ধরনের লোক বেহেশতে প্রবেশ করবে না
২৩ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ উনার সম্মানার্থে মেহমানদারী করার মাধ্যমে সম্মানিত শাফায়াত মুবারক লাভ
২৩ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
৩টি বিশেষ নেক কাজ, যা ইন্তেকালের পরও জারি থাকে
২২ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার)












