এক বছরে বাড়ল ১৯৮০০ কোটি টাকা:
ভয়াবহরূপে ব্যাংক খাতের মন্দঋণ
, ০৪ শাবান শরীফ, ১৪৪৫ হিজরী সন, ১৭ তাসি’, ১৩৯১ শামসী সন , ১৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ খ্রি:, ৩১ মাঘ, ১৪৩০ ফসলী সন, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) দেশের খবর
নিজস্ব প্রতিবেদক:
ব্যাংক খাতে ভয়াবহ রূপ ধারণ করেছে মন্দঋণের অঙ্ক। ২০২২ সালে এ ঋণ ছিল ১ লাখ ৬ হাজার ৯৮২ কোটি টাকা। ২০২৩ সালে তা ১ লাখ ২৬ হাজার ৭৮২ কোটি টাকায় দাঁড়িয়েছে। অর্থাৎ এক বছরের ব্যবধানে মন্দঋণ বাড়ল ১৯ হাজার ৮০০ কোটি টাকা। বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ প্রতিবেদনে উঠে এসেছে এসব তথ্য।
একই প্রতিবেদনের অপর সূচকে দেখা যায়, গত বছরের অক্টোবর-ডিসেম্বর পর্যন্ত সরকারি-বেসরকারি সাতটি ব্যাংক কাঙ্ক্ষিত নিরাপত্তা সঞ্চিতি বা প্রভিশন সংরক্ষণ করতে ব্যর্থ হয়েছে। এসব ব্যাংকের ঘাটতি দাঁড়িয়েছে ২৪ হাজার ১৮৯ কোটি টাকা, যা ২০২২ সালের একই সময়ে আট ব্যাংকের ঘাটতি ছিল ১৯ হাজার ৪৮ কোটি টাকা। এক বছরের ব্যবধানে প্রভিশন ঘাটতি বেড়েছে ৫ হাজার ১৪১ কোটি টাকা। বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৩ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত ব্যাংক খাতে ঋণস্থিতি দাঁড়িয়েছে ১৬ লাখ ১৭ হাজার ৬৮৯ কোটি টাকা। এর মধ্যে খেলাপি ১ লাখ ৪৫ হাজার ৬৩৩ কোটি টাকা বা বিতরণ করা ঋণের ৯ শতাংশ। ২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ যখন সরকার গঠন করে, তখন দেশে খেলাপি ঋণ ছিল ২২ হাজার ৪৮১ কোটি ৪১ লাখ টাকা। এখন তা প্রায় দেড় লাখ কোটি টাকা। অর্থাৎ, ১৫ বছরে খেলাপি ঋণ প্রায় সাড়ে ছয়গুণ বেড়েছে।
প্রতিবেদনে আরও দেখা যায়, বিভিন্ন সময়ে জালিয়াতিতে নাম আসা ব্যাংকই খেলাপি ঋণের শীর্ষে। অবশ্য নানা উপায়ে কিছু ব্যাংক অনাদায়ি বা বেনামি ঋণ নিয়মিত দেখাচ্ছে। ফলে খারাপ অবস্থায় থাকা সব ব্যাংক এই তালিকায় নেই। ডিসেম্বর পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি খেলাপি ঋণের হার ছিল ন্যাশনাল ব্যাংক অব পাকিস্তানের। ব্যাংকটির বিতরণ করা ঋণের ৯৮.২২ শতাংশ খেলাপি হয়ে পড়েছে। এছাড়া আইসিবি ইসলামী ব্যাংকের প্রায় ৮৭, বেসিক ব্যাংকের ৬৪, বাংলাদেশ কমার্স ব্যাংকের ৫২, পদ্মা ব্যাংকের ৪৬ এবং বিডিবিএলের ৪২ শতাংশ ঋণ খেলাপি।
তবে বাংলাদেশ ব্যাংক খেলাপি ঋণের যে হিসাব দিচ্ছে, তাও আবার প্রকৃত তথ্য নয়। কারণ, প্রকৃত খেলাপি ঋণ আরও বেশি। মামলার কারণে অনেক ঋণকে খেলাপি হিসাবে চিহ্নিত করা যাচ্ছে না। আবার অবলোপন করা ঋণও খেলাপি হিসাবে নেই।
এ প্রসঙ্গে বাংলাদেশ অর্থনীতির সাবেক সভাপতি অধ্যাপক ড. মইনুল ইসলাম বলেন, মামলার কারণে অনেক ঋণকে খেলাপি দেখানো যাচ্ছে না। আবার অবলোপন করা ঋণও খেলাপির হিসাবে নেই। এ দুই ঋণকে বিবেচনায় নিলে প্রকৃত খেলাপির অঙ্ক সাড়ে ৪ লাখ কোটি টাকা ছাড়িয়ে যাবে। তিনি মনে করেন, যতদিন ঋণখেলাপিদের জন্য ট্রাইব্যুনাল গঠন করে আলাদাভাবে বিচারের ব্যবস্থা করা যাবে না, ততদিন খেলাপি ঋণও কমবে না।
এদিকে জাতীয় সংসদে ব্যাংক কোম্পানি আইন সংশোধন করা হয়েছে। এর ফলে খেলাপিদেরও ঋণ নেওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে। আগে একটি ব্যবসায়ী গ্রুপের কোনো প্রতিষ্ঠান ঋণখেলাপি হলে তাদের অন্য প্রতিষ্ঠানগুলোর ঋণ পাওয়ার সুযোগ ছিল না। নতুন আইনে সেই সুযোগ রাখা হয়েছে।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
ফ্র্যাঞ্চাইজি পোস্ট অফিস স্থাপনের পরিকল্পনা করছে সরকার
১০ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্তে মাইন বিস্ফোরণে রোহিঙ্গা যুবক নিহত
১০ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
স্থানীয় সরকার নির্বাচনে ইসি চায় ২৯০০ কোটি টাকা
১০ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
ঘুষ নেয়া প্রসঙ্গে প্রকৌশলী, ‘আমি কি এক হাজার টাকা নেয়ার প্লেয়ার?’
১০ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
ইউরোপে পাঠানোর টোপে ৩১ লাখ টাকা খুইয়েও যেতে পারেনি কেউ
১০ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
ইউনূসের বিচার চাইলেন ৬১ আইনজীবী
১০ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
হার্টের রিংয়ের নতুন দাম বাস্তবায়নে হাসপাতালগুলোকে ঔষধ প্রশাসনের চিঠি
১০ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
সরকারকে ব্যর্থ প্রমাণে বিভ্রান্তি ছড়ানো হচ্ছে -ইশরাক
১০ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে স্নাতকে কোর্স বাতিলের তথ্য ভিত্তিহীন -শিক্ষামন্ত্রী
১০ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
সীমিত সম্পদের মধ্যেও বাজেটে প্রত্যেক নাগরিককে বিবেচনায় রাখা হয়েছে -অর্থমন্ত্রী
১০ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
এক হাজার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কম্পিউটার ল্যাব স্থাপন করা হবে
১০ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
নগদ টাকার সংকটে ‘ইসলামী’ ব্যাংক -চাইলো ১০ হাজার কোটির তারল্য সহায়তা
১০ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার)












