ভাঙনে গিলে খাচ্ছে গ্রাম, আত্মরক্ষায় বাড়িঘর সরাচ্ছেন নদীর পাড়ের মানুষ
, ১২ ছফর শরীফ, ১৪৪৫ হিজরী সন, ৩০ ছালিছ, ১৩৯১ শামসী সন , ২৯ আগস্ট, ২০২৩ খ্রি:, ১৪ ভাদ্র, ১৪৩০ ফসলী সন, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) দেশের খবর
সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজার উপজেলার নরসিংপুর ইউনিয়নের ভেতর দিয়ে বয়ে যাওয়া চেলা নদীর অব্যাহত ভাঙনে এলাকার পাঁচটি গ্রামের আবাদি জমি, বাড়িঘরসহ বিস্তীর্ণ এলাকা হুমকির মুখে পড়েছে। গ্রাম পাঁচটি হলো- পূর্বচাইরগাঁও, সারপিন পাড়া, সোনাপুর, রহিমের পাড়া ও দৌলতপুর। সামান্য বৃষ্টি হলেই শুরু হয় ভাঙন, বিলিন হচ্ছে বসতঘর ও ফসলি জমি। নদী ভাঙনের কবল থেকে আত্মরক্ষায় বসতঘর ভেঙে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিচ্ছেন নদীর পাড়ের মানুষজন।
সরেজমিনে দেখা গেছে, চেলা নদীর উত্তর পাড়ের সারপিন পাড়া গ্রামের আজাদ মিয়া, সানুর আলী, মইনুল ইসলামসহ বেশ কয়েকজন বাসিন্দার বসতঘর নদী ভাঙনের কবলে পড়েছে। মুহূর্তেই আজাদ মিয়ার একটি ঘর নদীতে বিলীন হয়ে গেছে। অন্য ঘরটির মালামাল রক্ষায় ভেঙে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিচ্ছেন তিনি।
আজাদ মিয়া জানান, শুধু তিনিই নয় গত দুই দিনে সারপিন পাড়া গ্রামের বেশ কয়েকজন বাসিন্দা নদী ভাঙনের কবল থেকে নিজেদের আত্মরক্ষায় বসতঘর নিয়ে নিরাপদ স্থানে চলে গেছে।
দেখা গেছে, নরসিংপুর ইউনিয়নের ভেতর দিয়ে বয়ে যাওয়া চেলা নদীটি সারপিন পাড়া ও পূর্বচাইরগাঁও গ্রামের মধ্য দিয়ে ঢুকে সোনাপুর, পূর্বচাইরগাঁও, রহিমের পাড়া ও দৌলতপুর গ্রামের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে। পূর্বচাইরগাঁও-সোনাপুর অংশে নদীটি বাঁক খেয়েছে। এই বাঁকে প্রবল গ্রোতের ঘূর্ণনে গত কয়েক বছরে বর্ষায় পাঁচ গ্রামের কাঁচা সড়কের প্রায় ৫০০ গজ নদীতে বিলীন হয়। এতে অন্য এলাকার সাথে ওই পাঁচ গ্রামের যোগাযোগ ব্যবস্থা ভেঙে পড়ে। এলাকাবাসী সড়কের ভেঙে যাওয়া অংশের পাশ দিয়ে পূর্বচাইরগাঁও-রহিমের পাড়া আবাদি জমির ওপর দিয়ে বিকল্প সরু একটি সড়ক দিয়ে কোনোমতে তাদের কৃষিপণ্য বাজারে পরিবহনের কাজ চালাচ্ছে।
দোয়ারাবাজার উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান দেওয়ান আল তানভির আশরাফী চৌধুরী বলেন, শুধু চেলা নদীর পাড়ই নয়, উপজেলার সুরমা, চেলা, খাসিয়ামারা নদীর পাড়ের মানুষ নদী ভাঙনের কবলে পড়ে দিনদিন নিঃস্ব হচ্ছেন। বড় কোনো প্রকল্প না পাওয়ায় কিছু করা সম্ভব হচ্ছনা।
সুনামগঞ্জ পাউবোর নির্বাহী প্রকৌশলী (পওর বিভাগ-২) শামসুদ্দোহা বলেন, 'চেলা নদী পাহাড়িয়া নদী হওয়ায় পানির তীব্র শ্রোতের কারণে আশপাশের গ্রামগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। চেলা নদী ভাঙ্গনে বেড়িবাঁধ নির্মাণে বড় ধরনের প্রকল্প প্রয়োজন। স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা যদি (ডিও 'লেটার) দেন তাহলে বড় ধরনের প্রকল্প পাওয়া যাবে। বড় প্রকল্প পেলে জনপ্রতিনিধিরা একটু আন্তরিক হলে কার্যকরি ব্যবস্থা নেয়া সম্ভব।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
মাকে হত্যার পর লাশ ঘরে তালাবন্ধ রেখে পালায় কিশোর ছেলে
৩১ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
টানা কয়েকদিন দেশজুড়ে ঝড়ের পূর্বাভাস
৩১ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
আমির হামজার বিরুদ্ধে শতকোটি টাকার মানহানি মামলা
৩১ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
বিনিয়োগ প্রতারণা, পাচার হওয়া ৪৪ কোটি টাকা ফেরত আনলো সিআইডি
৩১ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
রাজবাড়ী রুটে ভালো মানের বাস ঢুকতে না দেয়ার অভিযোগ
৩১ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
প্রকল্পে অনিয়ম-দুর্নীতি হলে কাউকে ছাড় নয় -কৃষিমন্ত্রী
৩১ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
লাগেজ চুরি, প্রবাসীদের সঙ্গে আচার-ব্যবহার নিয়ে কড়া নির্দেশনা
৩১ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
গণভোটের অধ্যাদেশ উঠছে না সংসদে
৩১ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
‘রাজশাহী মেডিকেলে মৃত ২৯ শিশুর কারোরই হাম শনাক্ত হয়নি’
৩১ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
তেলের অবৈধ মজুত ও পাচারের তথ্য দিলে পাওয়া যাবে লাখ টাকা পুরস্কার
৩১ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
‘উদ্বিগ্ন হওয়ার কারণ নেই, তেলের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে’
৩১ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
বাড়তে পারে সাপ্তাহিক ছুটি, ফিরতে পারে অনলাইন ক্লাস ও বাসা থেকে অফিস
৩১ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার)












