বিশ্বে যেসব দেশ সরকারের পতন ঘটেছে ছাত্র আন্দোলনে
, ০৮ ছফর শরীফ, ১৪৪৬ হিজরী সন, ১৬ ছালিছ, ১৩৯২ শামসী সন , ১৪ আগষ্ট, ২০২৪ খ্রি:, ৩০ শ্রাবণ, ১৪৩১ ফসলী সন, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) বিদেশের খবর
তীব্র ছাত্র আন্দোলনের মুখে জগদ্দল পাথরের মতো আসন গেড়ে বসা শেখ হাসিনার মতো বিশ্বে বহু সরকারের পতন ঘটেছে বা সরকার প্রয়োগকৃত আইন থেকে সরে আসতে বাধ্য হয়েছে। জেনে নেওয়া যাক ছাত্র আন্দোলনের মুখে সরকারের পতন ঘটা কয়েকটি দেশের কথা।
শ্রীলঙ্কার প্রেসিডেন্টের পতন:
অর্থনৈতিক মন্দায় দেশ বিপর্যস্ত হয়ে পড়লে তীব্র ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মুখে দেশ ছেড়ে পালাতে বাধ্য হয় শ্রীলঙ্কার প্রেসিডেন্ট রাজাপাকসে। ২০২২ সালের এপ্রিলে রাজাপাকসে পদত্যাগ করে। সে সময় ছাত্র-জনতার তীব্র বিক্ষোভে উত্তাল হয়ে উঠেছিল দেশ।
দক্ষিণ আফ্রিকার সোয়েটো বিপ্লব:
১৯৭৬ সালে জোহানেসবার্গের সোয়েটো এলাকায় শ্বেতাঙ্গ শাসনের বিরুদ্ধে আন্দোলন হয়েছিল। আফ্রিকান ভাষায় পড়াশোনা করতে বাধ্য হওয়ার বিরুদ্ধে ওই বছরের ১৬ জুন শুরু হওয়া বিক্ষোভে কৃষ্ণাঙ্গ শিক্ষার্থীরা প্রতিবাদ করে। এ ঘটনায় কয়েকশ মানুষ প্রাণ হারায়। দুই দশক পর আপার্থাইড বা বর্ণবাদের অবসান হয়। দেশটিতে আজও ১৬ জুন জাতীয় ছুটি হিসেবে পালন করা হয়।
ভেলভেট বিপ্লব:
১৯৮৯ সালের ২০ নভেম্বর তৎকালীন চেকোসেøাভাকিয়ার রাজধানী প্রাগে আনুমানিক পাঁচ লাখ মানুষ ক্ষমতাসীন কমিউনিস্ট শাসকদের শোষণের বিরুদ্ধে প্রতিবাদে জড়ো হয়েছিলো। অবশেষে ডিসেম্বরের ১০ তারিখ কমিউনিস্ট সরকার পদত্যাগ করতে বাধ্য হয়। আন্দোলনের অহিংস ধরনের কারণে এই আন্দোলন ভেলভেট বিপ্লব হিসেবে পরিচিত।
গ্রিসের সেনা সরকার উৎখাত:
ছয় বছর সেনাবাহিনীর স্বৈরশাসনে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছিল গ্রিসের জনগণ। একপর্যায়ে ক্ষিপ্ত হয়ে রাজপথে নেমে আসে ছাত্র-জনতা। ১৯৭৩ সালে এই আন্দোলনের কেন্দ্রবিন্দু ছিল এথেন্স পলিটেকনিক। এ ঘটনায় সেনা আক্রমণে ছাত্রদের ১৫ জন মারা যায়। ছাত্রদের নিহত হওয়ার ঘটনা মেনে নিতে পারেনি দেশটির সাধারণ জনতা। একপর্যায়ে ছাত্র-জনতার দুর্বার আন্দোলনের মুখে স্বৈরশাসক নতি স্বীকার করে।
যুক্তরাষ্ট্রে বিক্ষোভ:
ভিয়েতনাম যুদ্ধের বিপক্ষে ছিল যুক্তরাষ্ট্রের সাধারণ জনগণ। এ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে দেশটির অভ্যন্তরে বিক্ষোভ চলছিল। এরই মধ্যে ১৯৭০ সালে প্রেসিডেন্ট রিচার্ড কম্বোডিয়ায়ও আক্রমণের অনুমোদন দিলে কেন্ট স্টেট ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ শুরু করে। একপর্যায়ে গুলিতে চারজন নিহত হলে বিক্ষোভে ফেটে পড়ে গোটা দেশ। ৪০ লাখের বেশি শিক্ষার্থী এতে অংশ নেয়। এসব ঘটনা যুদ্ধ নিয়ে মার্কিনিদের মনোভাবে কিছুটা পরিবর্তন এনেছিল বলে মনে করে অনেক ইতিহাসবিদ।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
চোখের বদলে মাথা নেয়া হবে, সব ক্ষতিপূরণ না নেয়া পর্যন্ত যুদ্ধ অব্যাহত থাকবে -আইআরজিসির সাবেক প্রধান মেজর জেনারেল মোহসেন রেজায়ি
২৬ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
মার্কিন এফ-৩৫ যুদ্ধবিমানে প্রথম আঘাত: ইরানের আকাশে স্টেলথ জেট লক্ষ্যবস্তু
২৬ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
ভেঙে পড়ছে ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা: হতাহত দুই শতাধিক
২৬ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
ইহুদীবাদী ইসরায়েলের গোয়েন্দা তথ্য-কেন্দ্রগুলোও ইরানি হামলার খোরাক - ইসরায়েলি সেনাদের গুপ্ত ও নয়া অবস্থান এবং প্রিন্স সুলতান ঘাঁটিতে ইরানের বিধ্বংসী আঘাত
২৬ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
তেলআবিব, এইলাত বন্দর ও কয়েকটি মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের বিধ্বংসী আঘাত
২৬ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
উত্তর-ফিলিস্তিন ও গাজার উপকণ্ঠে ইসরায়েলি অবস্থান এবং চার মার্কিন ঘাঁটিতে বিধ্বংসী ইরানি হামলা
২৬ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
কথিত ‘শক্তিশালী’ সামরিক যানও এভাবেই টুকরা টুকরা হয়ে গেছে যোদ্ধাদের আক্রমণে।
২৬ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
ইরানের পাল্টা হামলায় ধ্বংসস্তূপ তেল আবিব
২৬ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
ইরানিদের সহায়তায় স্বর্ণ-অর্থ-গবাদি পশু দিচ্ছেন কাশ্মীরি মুসলমানরা
২৫ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
মধ্যপ্রাচ্য থেকে পালিয়ে গেল বৃহত্তম মার্কিন রণতরি জেরাল্ড আর ফোর্ড
২৫ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
ইরানকে সমর্থন দিন, পবিত্র কুরআনে নিরপেক্ষতার কোনো স্থান নেই -লিবিয়ার গ্র্যান্ড মুফতি
২৫ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
আরেকটি মার্কিন যুদ্ধবিমান ভূপাতিতের দাবি ইরানের
২৫ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার)












