বিশ্বব্যাপী হালাল পণ্যের বাজার ৪০ ট্রিলিয়ন ডলার। সুবিশাল এই বাজারে প্রবেশে অনেকটাই ব্যর্থ বাংলাদেশ।
মান নিয়ন্ত্রণ এবং উন্নত পণ্য ব্যবস্থাপনায় বাংলাদেশও এই সুবিশাল বাজার ধরতে পারে সরকারের উচিত- হালাল পণ্য উৎপাদন রফতানিতে প্রয়োজনীয় পৃষ্ঠপোষকতা প্রদান করা এবং মুসলিম বিশ্বের বাজার ধরতে কুটনৈতিক তৎপরতা চালানো।
, ০৫ যিলহজ্জ শরীফ, ১৪৪৪ হিজরী সন, ২৫ আউওয়াল, ১৩৯১ শামসী সন , ২৪ জুন, ২০২৩ খ্রি:, ১০ আষাঢ়, ১৪৩০ ফসলী সন, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) সম্পাদকীয়
সব প্রশংসা মুবারক খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার জন্য; যিনি সকল সার্বভৌম ক্ষমতার মালিক। সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নবী আলাইহিমুস সালাম উনাদের নবী, রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি অফুরন্ত পবিত্র দুরূদ শরীফ ও সালাম মুবারক।
সম্মানিত ইসলামি বিধিবিধানে যে ধরনের পণ্য ও সেবা মানবজীবনে গ্রহণ করার অনুমোদন রয়েছে, সেগুলোকে হালাল বলা হয়ে থাকে। হালাল নির্ধারণ করা হয় ব্যবহৃত কাঁচামাল, উৎপাদন প্রক্রিয়া প্রভৃতি ইসলামিক বিধিবিধান অনুযায়ী কি-না তা বিবেচনা করে। বিশ্ববাজারে হালাল পণ্য রপ্তানিতে সম্ভাবনার নতুন দুয়ারে দাঁড়িয়ে বাংলাদেশ। বর্তমানে ৪৯টি দেশীয় কোম্পানি ৪৩ দেশে ৩০০-এরও অধিক হালাল পণ্য রপ্তানি করেছে। বিদেশে প্রতিনিয়ত বাড়ছে বাংলাদেশি হালাল পণ্যের বাজার। আবার অন্যান্য ক্যাটাগরি যেমন হালাল খাদ্যসামগ্রী, হালাল পর্যটন, হালাল ফার্মাসিউটিক্যালস ও হালাল প্রসাধনী ইত্যাদি সবমিলিয়ে বর্তমানে বিশ্বে হালাল খাতের বাজারের পরিমাণ ৩০ ট্রিলিয়ন ডলারেরও বেশি। যা ২০২৪ সাল নাগাদ ৪০ ট্রিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে যাবে। এখন পর্যন্ত ব্যবসায়ী টু ব্যবসায়ী পর্যায়ে এই ব্যবসা চলছে।
বিশ্ববাজারে দেশীয় হালাল পণ্যের বিপুল চাহিদা থাকলেও প্রয়োজনীয় মান সনদের অভাবে লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে পিছিয়ে পড়ছে বাংলাদেশ। অন্যদিকে হালাল পণ্যের বড় বাজারগুলো অমুসলিম দেশগুলো দখল করে রাখলেও মুসলিম দেশ হিসেবে আমাদের সম্ভাবনা কাজে লাগানো যাচ্ছে না। অথচ এই সুযোগ কাজে লাগানো গেলে কৃষিপণ্য হিসেবে বর্তমান রপ্তানিকে আরো ১০ গুণ বাড়ানো সম্ভব। কিছুদিন আগে বাণিজ্য সচিবও বলেছে বিশ্বব্যাপী হালাল পণ্যের বিশাল বাজার সৃষ্টি হয়েছে। দিন দিন এ বাজার বড় হচ্ছে। আমাদের সুযোগ এসেছে হালাল পণ্যের রফতানি বাজার দখল করার। ’
হালাল পণ্যের গুণগত মান এবং স্বাস্থ্যঝুঁকি না থাকায় নিরাপদ খাদ্য হিসেবে শুধু মুসলিম জনগোষ্ঠী নয়; যুক্তরাষ্ট্র এবং যুক্তরাজ্যের অমুসলিম জনগোষ্ঠীর মাঝেও এর ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। হালাল পণ্যের বিশ্ববাজার ৩ ট্রিলিয়ন ডলারের উপরে। ২০২৪ সালের এই বাজার হবে ১২ ট্রিলিয়ন ডলার। বিশ্বের মুসলিম জনগণ ২০১৭ সালে হালাল পণ্যে ব্যয় করে ২ ট্রিলিয়ন ডলার। এটা প্রতিবছর ২০% হারে বাড়ছে। বর্তমানে বাংলাদেশে ১১৫টি কোম্পানি ৭০০ এর বেশি পণ্যের সনদ দেয়া হয়েছে। এর মধ্যে থেকে ৪৯ কোম্পানি তাদের ৩০০ এর বেশি হালাল পণ্য বিশ্বের ৪৩ দেশে রপ্তানি করছে। কুয়েত, দুবাই এবং মালদ্বীপ এই তিন দেশে হালাল গোশত রপ্তানি করছে বাংলাদেশ। এছাড়া বিশ্বব্যাপী হালাল হিসেবে পরিচিত কিছু পণ্য রফতানি করছে বাংলাদেশ। কিন্তু বিশ্বব্যাপী হালাল পণ্যের বিশাল বাজার হিসেবে বাংলাদেশ বিশ্বব্যাপী হালাল পণ্যের বাজারের খুব কম অংশই দখল করতে পেরেছে।
তৈরি পোশাকের বৈশ্বিক বাজারে বাংলাদেশ নেতৃত্ব অবস্থানে রয়েছে। ফলে শরীয়তসম্মত পোশাক বা হালাল পোশাকের বাজারে বাংলাদেশের অংশ বাড়ানো সহজ। হালাল পোশাক-পরিচ্ছদের সবচেয়ে বড় রফতানিকারক সংযুক্ত আরব আমিরাত। এরপরই তুরস্ক, ইতালি, সিঙ্গাপুর, ফ্রান্স, চীন, মালয়েশিয়া, ভারত, শ্রীলঙ্কা ও মরক্কো। বাংলাদেশ তৈরি পোশাক রফতানিতে বিশ্বে দ্বিতীয় অবস্থানে থাকলেও হালাল পোশাকের বাজারে অংশগ্রহণ নেই বললেই চলে। একইভাবে ওষুধ ও চামড়াজাত পণ্য রফতানিতেও বাংলাদেশ অন্যান্য দেশের তুলনায় এগিয়ে থাকলেও হালাল বাজারে অংশ কম। বাংলাদেশ যেসব পণ্য রফতানি করছে, সেগুলো হালালভাবে উৎপাদন হচ্ছে কি-না বৈশ্বিক ক্রেতারা তা জানেনা। এমনকি এ বিষয়ে বাংলাদেশের প্রচারেরও ঘাটতি রয়েছে। আবার হালাল খাদ্যসামগ্রী, হালাল পর্যটন, হালাল ফার্মাসিউটিক্যালস ও হালাল প্রসাধনীর কোথাও প্রথম ১০ এ বাংলাদেশ নেই।
বাংলাদেশের হালাল পণ্য রফতানির যথেষ্ঠ সক্ষমতা রয়েছে। এ সুযোগ কাজে লাগাতে হবে। দখল করতে হবে হালাল পণ্যের রফতানি বাজার। বিশ্বব্যাপী হালাল খাদ্য সবার নিকট নিরাপদ হিসেবে ইতোমধ্যেই ব্যাপক গ্রহণযোগ্যতা লাভ করেছে। কিন্তু বাংলাদেশে হালাল সার্টিফিকেশনের সুদৃঢ় অবকাঠামো, আইনগত ভিত্তি এবং সার্টিফিকেশনের গ্রহণযোগ্যতা সৃষ্টি করা সম্ভব হয়নি। বর্তমানে সরকার ইসলামী ফাউন্ডেশনকে হালাল সনদ ইস্যুকারী কর্তৃপক্ষ হিসেবে নির্ধারণ করেছে। অথচ সেখানে পণ্যের মান সনদ নিশ্চিত করার কোনো কার্যক্রম নেই। শুধু সনদ প্রদানের মধ্যেই তাদের কার্যক্রম সীমাবদ্ধ। এক্ষেত্রে যদি ওআইসি প্রণীত আন্তর্জাতিক হালাল মান অনুসরণপূর্বক দেশে যেভাবে বিভিন্ন পণ্যের দাম নিয়ন্ত্রনের জন্য প্রতিষ্ঠান রয়েছে সেরূপভাবে হালাল পণ্য রফতানির স্বার্থে হালাল মান নিয়ন্ত্রন ও পরিবীক্ষন প্রতিষ্ঠান তৈরী করা হয় তাহলে আন্তর্জাতিক হালাল পণ্য ক্রেতামহলের দৃষ্টি আকর্ষন করা সম্ভব হবে। যা হালাল পণ্য রফতানি বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।
প্রসঙ্গত, হালাল পণ্য রফতানিতে বহু আগ থেকেই বাংলাদেশে সম্ভাবনা বাড়ছিলো। কিন্তু বিশ্বব্যাপী হালাল পণ্য রফতানির জন্য যে মানসনদের প্রয়োজন হয় কিংবা মান রক্ষা করতে হয় সে সম্পর্কে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে অবহেলার পরিচয় দিয়েছে সরকার সংশ্লিষ্ট মহল। অথচ, বর্তমান সময়ে তুরস্ক, মালেশিয়া, ব্রুনাই, পাকিস্তানসহ মুসলিম বিশ্বের প্রায় অধিকাংশ দেশগুলোর সাথেই বাংলাদেশের বাণিজ্যিক ও কুটনৈতিক সম্পর্ক শক্তিশালী হতে শুরু করেছে। বাংলাদেশের প্রতিটি খাতে অভাবনীয় সম্ভাবনার কথা বিবেচনা করেই তারা বাংলাদেশের সাথে কাজ করতে চাচ্ছে। এক্ষেত্রে বাংলাদেশ যদি মুসলিম দেশগুলোর সাথে সম্পর্কোন্নয়নের জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করে তাহলে ওই দেশগুলো বাংলাদেশের জন্য বিশাল হালাল পণ্যের রফতানি বাজারে পরিণত হবে।
আমরা মনে করি, এ জন্য সরকারের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়, বিভাগ এবং বেসরকারি সেক্টরকে এগিয়ে আসতে হবে। বাংলাদেশের পর্যাপ্ত হালাল পণ্য এবং দক্ষ জনবল রয়েছে, প্রশিক্ষণের মাধ্যমে সরকার আরো দক্ষ জনবল গড়ে তুলতে পারবে। হালাল পণ্য রফতানির ক্ষেত্রে নগদ আর্থিক সহযোগিতা বৃদ্ধি করা যেতে পারে। একই সঙ্গে খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ শিল্প গড়ে তুলতে সরকারের বিশেষ সহায়তাও প্রয়োজন। বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠা ও সুদবিহীন ঋণ দিতে হবে। অভ্যন্তরীণ খাদ্য অপচয় রোধ করার প্রেক্ষাপট থেকেও এটি জরুরী। খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ শিল্পে বাংলাদেশকে আলাদা অবস্থান করে নিতে হলে সক্ষমতা উন্নয়ন, প্রযুক্তি বিনিময়, উন্নত ব্যবস্থাপনা, তদারকি জোরদার করতে হবে।
পাশাপাশি, বিদেশী দূতাবাসগুলোকে কাজে লাগাতে হবে। আর এতে করে বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম মুসলিম দেশ হিসেবে বাংলাদেশ বর্তমান বিশ্বের ৩০ ট্রিলিয়ন ডলারের এবং আগামী ২০২৫ সালের মধ্যে প্রায় ১০ ট্রিলিয়ন হালাল পণ্যের বাজার ধরতে সক্ষম হবে। ইনশাআল্লাহ! যা বাংলাদেশকে বিশ্বের সর্বপ্রধান অর্থনৈতিক সমৃদ্ধশালী দেশ করার পাশাপাশি মুসলিম বিশ্বে বাংলাদেশের সুনামও বৃদ্ধি করবে।
ছাহিবু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, ছাহিবে নেয়ামত, আল ওয়াসীলাতু ইলাল্লাহ, আল ওয়াসীলাতু ইলা রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সুলত্বানুন নাছীর, আল ক্বউইউল আউওয়াল, আল জাব্বারিউল আউওয়াল, ক্বইয়ুমুয্যামান, মুত্বহ্হার, মুত্বহ্হির, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মাওলানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা ইমাম খলীফাতুল্লাহ হযরত আস সাফফাহ আলাইহিস সালাম উনার নেক ছোহবত মুবারক-এ কেবলমাত্র তা লাভ করা সম্ভব। খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি আমাদেরকে তা নছীব করুন। (আমীন)
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
মুবারক হো- মহিমান্বিত ১১ই যিলক্বদ শরীফ! যা ইমামুল আউলিয়া, হাবীবে ওয়া মাহবুবে রহমান, আওলাদে রসূল, সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুছ ছামিন মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার এবং সিবতু সুলত্বানিন নাছীর, সাইয়্যিদুল কাওনাইন, মহাসম্মানিত ইমাম হযরত সাইয়্যিদুল উমাম আল আউওয়াল আলাইহিস সালাম উনাদের মহিমান্বিত বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ করার সুমহান দিবস। সুবহানাল্লাহ!
৩০ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
সৌর বিদ্যুৎ প্রসারে প্রধান বাধা হলো উচ্চ কর ও শুল্ক। নবায়নযোগ্য জ্বালানির প্রতি নীতিনির্ধারক এবং সাধারণ মানুষের মনে একটা বদ ধারণা তৈরি করার জন্য একটা গোষ্ঠী খুব তৎপর। বড় বিনিয়োগকারীরা সুবিধা পাচ্ছে, কিন্তু সাধারণ জনগণ পিছিয়ে পড়ছে। এটি সৌর বিদ্যুতের গণমুখী বিস্তারকে বাধাগ্রস্ত করছে। সরকারের উচিৎ সহায়ক নীতিকাঠামো দিয়ে বেসরকারি খাতকে উৎসাহিত করা।
২৯ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
প্রধানমন্ত্রী শুধু রেসিং কার চালিয়ে উৎসাহ দিলেই হবে না। ‘শিমু’, ‘সোলেমানের’ উদ্ভাবিত সেচযন্ত্র তথা সুলভ প্রযুক্তিকেও উৎসাহ দেয়ার পাশাপাশি প্রান্তিক কৃষকের মাঝে ছড়িয়ে দিতে হবে দেশের প্রান্তিক নাগরিকের উদ্ভাবিত প্রযুক্তি দ্বারাই সঙ্কটে সমাধানের অনুসন্ধানী উদ্দীপনা থাকতে হবে। ইনশাআল্লাহ
২৮ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
আজ মহিমান্বিত ৮ই যিলক্বদ শরীফ। সুবহানাল্লাহ! নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সাথে সাইয়্যিদাতুন নিসায়ি আলাল আলামীন, আফদ্বলুন নাস ওয়ান নিসা বা’দা রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, আত্বওয়ালু ইয়াদান সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আস সাবিয়াহ আলাইহাস সালাম উনার পবিত্র নিসবাতুল আযীম শরীফ দিবস। সুবহানাল্লাহ! পাশাপাশি আজ ‘বিশ্ব পর্দা দিবস’।
২৭ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আসইয়াদ, সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিশ শুহূরিল আ’যম শরীফ, মহাসম্মানিত রবীউল আউওয়াল শরীফ মাস উনার মহিমান্বিত, মহাপবিত্র ৭ তারিখ উনার সাথে সম্পর্কযুক্ত পবিত্র ৭ই যিলক্বদ শরীফ আজ। সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম উনার প্রতি সর্বোচ্চ হুসনে যন পোশন করত উনার শান-মান মুবারক অনুভব করা, মর্যাদা-মর্তবা মুবারক জানা, দয়া-ইহসান মুবারক উপলব্ধি করা,ফয়েজ-তাওয়াজ্জুহ ও নেক ছোহবত মুবারক হাছিল করা
২৬ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
মুবারক হো! মহিমান্বিত ৬ই যিলক্বদ শরীফ। সুবহানাল্লাহ! মুজাদ্দিদে আ’যমে ছানী, সাইয়্যিদুনা হযরত খলীফাতুল উমাম আলাইহিস সালাম উনার মহাসম্মানিতা যাওজাতুম্ মুকাররমাহ সাইয়্যিদাতুনা হযরত মুজীরাতুল উমাম আলাইহাস সালাম উনার পবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ দিবস।
২৫ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
এবার শুধু শাসক গং নয়, বাংলাদেশের গোটা জনসাধারণকেই বশ ও বুদ করার ছক কষছে ভারত প্রতিবেশী দেশের সাথে মিলিতভাবে আগামী পহেলা বৈশাখ পালনের ঘোষণা ভারতীয় ষড়যন্ত্রের সমার্থক। ঈমানদার দেশবাসীকে খুবই সতর্ক এবং সক্রিয় হতে হবে ইনশাআল্লাহ।
২৪ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
সোনার বাংলার সব কিছুতেই সোনা। এক নারিকেল চাষেই দেশে ৫০ হাজার কোটি টাকা আয় এবং লাখ লাখ লোকের বেকারত্বের অবসান সম্ভব। সহজেই হবে অনেক কর্মসংস্থান, আমদানীর সাশ্রয় এবং বৈদেশিক মুদ্রার সমৃদ্ধি। ইনশায়াল্লাহ!
২৩ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
দৈনন্দিন ৩২ বার পবিত্র সূরা ফাতিহা শরীফ পাঠ করলেও মুসলমান কি পবিত্র সূরা ফাতিহা শরীফ শুধু পাঠের মধ্যেই আবদ্ধ থাকবে? ফিকির আর আমল কী অধরাই থাকবে?
২২ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
আজ সুমহান বরকতময় পবিত্র ২রা যিলক্বদ শরীফ! সুবহানাল্লাহ! সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, সাইয়্যিদাতু নিসায়ি আহলিল জান্নাহ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ, সাইয়্যিদাতুনা হযরত ঊখতু রসূল মিনার রদ্বায়াহ্ আলাইহাস সালাম উনার পবিত্র বিছালী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। সুবহানাল্লাহ!
২১ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
সূদী ব্যাংক ব্যবস্থা মূলত: আত্মঘাতী এবং শোষক ব্যবস্থা। ব্যাংক শোষণের কারণে শুধু একজন মালিকই নয় বা শত শত শ্রমিকই নয় বরং গোটা আর্থো-সামাজিকখাত হয় ক্ষত-বিক্ষত, বিপর্যস্থ, লা’নতগ্রস্থ, বেকারত্বে জর্জরিত। বর্তমান সংকটাপন্ন অর্থনীতি বাঁচাতে অতিসত্বর সুদী ব্যাংক ব্যবস্থা বাদ দিয়ে ইসলামী মূল্যবোধের ব্যাংক ব্যবস্থা চালু করতে হবে ইনশাআল্লাহ।
২০ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
পবিত্র কুরআন শরীফ উনার চিরন্তন ঘোষণা অনুযায়ী কাফির-মুশরিকদের নিকৃষ্ট চরিত্রের একটি নগ্ন বহিঃপ্রকাশ : এপস্টিন ফাইলস
১৯ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার)












