বহিবিশ্বের মতো বাংলাদেশেও বাড়ছে বাণিজ্যিকভাবে সুন্নতি ত্বীন ফল চাষ
চাষে প্রণোদনা পেলে বাংলাদেশ হতে পারবে বিশ্ববাজারে ত্বীন ফল রফতানিতে শীর্ষস্থানীয়। সরকারের উচিত- ত্বীন ফল চাষে সার্বিক পৃষ্ঠপোষকতা করা।
, ২৬ শা’বান শরীফ, ১৪৪৪ হিজরী সন, ১৯ ‘আশির, ১৩৯০ শামসী সন , ১৯ মার্চ, ২০২৩ খ্রি:, ০৫ চৈত্র, ১৪২৯ ফসলী সন, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) সম্পাদকীয়
সব প্রশংসা মুবারক খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার জন্য; যিনি সকল সার্বভৌম ক্ষমতার মালিক। সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নবী আলাইহিমুস সালাম উনাদের নবী, রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের রসূল, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি অফুরন্ত দুরূদ শরীফ ও সালাম মুবারক।
নানা বাধা-বিপত্তি, ষড়যন্ত্রের পরও বাংলাদেশের কৃষিতে এসেছে আমুল পরিবর্তন। নিয়মতান্ত্রিক চাষাবাদের পাশাপাশি ফলমুল উৎপাদনেও প্রতিনিয়ত রেকর্ড করছে বাংলাদেশের চাষিরা। বর্তমানে ফল উৎপাদনে বিশ্বের প্রথম সারির দেশগুলোর মধ্যে অন্যতম বাংলাদেশ। বাংলাদেশের আবহাওয়া-পরিবেশ সবধরণের ফল উৎপাদনের জন্য উপযুক্ত হওয়ায় বহিবিশ্বে উৎপাদিত অনেক ফলই বাংলাদেশে চাষ হচ্ছে। এরই মধ্যে একটি ফল হলো ‘ত্বীন’। আরবে এই ফলকে ত্বীন নামে ডাকা হলেও ভারত, তুরস্ক, মিসর, জর্ডান ও যুক্তরাষ্ট্রসহ অনেক দেশে এটি ‘আঞ্জির’ নামে পরিচিত।
এটি সাধারণ কোনো ফল নয়। মহাসম্মানিত খাছ সুন্নতি একটি ফল যা নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি খেয়েছেন। পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘যদি জান্নাত থেকে কোনো ফল যমীনে এসে থাকে তাহলে সেটি ত্বীন (ডুমুর)। কারণ জান্নাতের ফল হবে বীজমুক্ত।’ সুবহানাল্লাহ! শুধু তাই নয়, পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে পবিত্র সূরা ত্বীন শরীফ নামে আলাদা একটি সূরা শরীফই রয়েছে এবং মহান আল্লাহ পাক তিনি সেই সূরা শরীফ উনার মধ্যে ত্বীন ফলের নামে শপথ মুবারক করেছেন। সুবহানাল্লাহ!
এই মহাসম্মানিত সুন্নতি ফলটি আরব বিশ্বে সবচেয়ে বেশি উৎপাদিত হয়। বর্তমানে মহান আল্লাহ পাক উনার অশেষ রহমতে বাংলাদেশের বুকে এখন ব্যাপক সম্ভাবনার সাথে চাষ হচ্ছে সুন্নতি ফল ত্বীন। বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ত্বীন ফলের খামার গাজীপুরে রয়েছে। এছাড়া, দিনাজপুর, ঠাকুরগাও, রাজশাহী, নওগাঁ, খাগড়াছড়ি, খুলনাসহ দেশের অনেক জেলায় চাষ হচ্ছে ত্বীন ফল। বাংলাদেশের মাটি ও আবহাওয়ার সঙ্গে বেশ মানিয়ে নিয়েছে ত্বীন।
সরকারের সহযোগিতা ও পৃষ্ঠপোষকতা পেলে ত্বীন ফল রপ্তানি করে আন্তর্জাতিক বাজার ধরা সম্ভব। বর্তমানে বিশ্বে ১৫ হাজার কোটি টাকারও বেশি ত্বীন ফলের বাজার রয়েছে। সম্ভাবনাময় এই ফল চাষ করে রপ্তানি করে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করা সম্ভব। বাংলাদেশে চাষাবাদ করা ত্বীন জাতগুলোর মধ্যে নীল, মেরুন, লাল, হলুদসহ বিভিন্ন বর্ণের হয়ে থাকে। এখানকার গাছে প্রতিটি ত্বীন ফল ওজনে ৭০ থেকে ১১০ গ্রাম পর্যন্ত হয়ে থাকে। এসব গাছ ১০০ বছর পর্যন্ত বাঁচে।
দেশের প্রচার মাধ্যমে ত্বীন ফলের চাষ কৃষকদের মাঝে ছড়িয়ে দিতে পারলে অনেক বেকার যুবকের কর্মসংস্থান হবে এবং অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। এছাড়াও বিদেশ থেকে ত্বীনের আমদানি নির্ভরতা কমে আসার পাশাপাশি বৈদেশিক মুদ্রার সাশ্রয় করা সম্ভব হবে। সেক্ষেত্রে ঘরোয়া বাজারেও এই ত্বীন ফলের একটি বড় ব্যবসায়ীক সম্ভাবনা রয়েছে। এক্সোটিক বা গৌণ ফল হিসেবে স্ট্রবেরী, ড্রাগন কিংবা এভোকেডোর চেয়ে ত্বীন ফলের চাহিদা বেশি বই কম নয়।
অর্থনৈতিক গুরুত্বের পাশাপাশি স্বাস্থ্যগত গুরুত্বই বেশি এই সুন্নতি ফলের। ডুমুরে প্রচুর পরিমানে ভিটামিন এ, ভিটামিন বি ১, ভিটামিন বি ২, ছাড়াও প্রায় সব রকমের জরুরি নিউট্রিশনস যেমন ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, আয়রন, ফসফরাস, সোডিয়াম, ম্যাঙ্গানিজ, পটাশিয়াম ইত্যাদি। পুষ্টিগুণের পাশাপাশি তীন ফলের অনেক ঔষধী গুণও রয়েছে। এছাড়াও তীন কোষ্ঠকাঠিন্য নিরাময়ে সহায়তা করে। তীন দেহের ওজন কমানো, পেটের সমস্যা দূর করা এবং উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে হৃদপি- সুস্থ রাখাসহ নানা উপকার করে থাকে। মৃগীরোগ, প্যারালাইসিস, হৃদরোগ, ডিপথেরিয়া, প্লীহা বৃদ্ধি ও বুকের ব্যথায় ত্বীন ফল কার্যকরী। ত্বীন শরীরে এসিডের মাত্রা কমাতে সাহায্য করে।
প্রসঙ্গত, এক সময় বাংলাদেশে ত্বীন ফলের চাষকে অসম্ভব বলেছিলো এদেশেরই কিছু নামধারী কৃষি বিশেষজ্ঞরা। কিন্তু দেশের দক্ষ চাষিরা কোনোরকম সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা ছাড়াই দেশে ত্বীন ফল চাষে সফলতা অর্জন করেছে। যারাই বর্তমানে দেশে ত্বীন ফলের চাষ করছে তারা নিজ উদ্যোগে, নিজ গবেষণায় করছে। ফলে বাংলাদেশে ত্বীন ফলের যে উৎপাদন সম্ভাবনা তা বিকশিত হচ্ছে না। আর এর পুরো ব্যর্থতা হচ্ছে দেশের কৃষি বিভাগের। বিশ্বের কৃষিনির্ভর দেশগুলোতে নতুন ফসল বা ফলের চাষ করা হলে চাষি-খামারিদের সরকারিভাবে পৃষ্ঠপোষকতা করা হয়। সরকারিভাবে তাদের প্রশিক্ষণ, উক্ত ফসল নিয়ে গবেষণা এবং প্রণোদনা প্রদান করা হয়। কিন্তু বাংলাদেশে তা করা হয় না। বাংলাদেশের খামারি-উদ্যোক্তারা অনেক সময় ব্যাংক থেকে ঋণ পেতে পর্যন্ত ভোগান্তির শিকার হয়। ত্বীন ফলের চাষিরাও এই অভিযোগই করেছে। তাদের মতে, যদি সরকারিভাবে তাদের ত্বীন ফল চাষে সহযোগীতা এবং প্রণোদনা-ঋণের ব্যবস্থা করা হতো তাহলে তুরস্ক, আলেজেরিয়া কিংবা লেবাননের মতো বাংলাদেশের উন্নতমানের ত্বীন ফল ব্যাপক পরিসরে চাষ করা সম্ভব হতো। ত্বীন ফলও জনগণের নাগালের মধ্যে আসতো। সবাই এই মহাসম্মানিত সুন্নতি ফল গ্রহণ করতে পারতো।
সঙ্গতকারণেই আমরা মনে করি, সরকারের উচিত সুন্নতি ফল ত্বীন জাতীয়ভাবে বৃহৎ পরিসরের চাষের ব্যবস্থা করা। খাছ সুন্নতি ফল হিসেবে আলাদাভাবে তীন নিয়ে গবেষণা সেল তৈরী করা। বর্তমানে বিচ্ছিন্নভাবে সারাদেশে যেসব চাষিরা তীন ফল চাষ করছে তাদের উপযুক্ত প্রণোদনা প্রদান করা। তাদের ঋণপ্রাপ্তি সহজ করা। মুসলিম দেশগুলোর কাছ থেকে উন্নত জাতের তীন ফল চাষের পদ্ধতি-প্রশিক্ষণ বাংলাদেশের চাষিদের দেয়ার ব্যবস্থা করা। আর এসব ব্যবস্থা গ্রহণ করলে সেদিন আর বেশি দূরে থাকবে না যেদিন বাংলাদেশ থেকে ত্বীন ফল বিদেশের বাজারে রফতানি করে ত্বীন ফলের আন্তর্জাতিক বাজারের বড় অংশে নিজেদের আধিপত্য বিস্তার করবে। সুন্নতি ফল উৎপাদনে বাংলাদেশ থাকবে শীর্ষে। ইনশাআল্লাহ!
ছহিবে সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, রাজারবাগ শরীফ উনার মামদূহ মুর্র্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার নেক ছোহবত মুবারক-এ কেবলমাত্র তা লাভ করা সম্ভব। খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি আমাদেরকে তা নছীব করুন। (আমীন)
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
প্রধানমন্ত্রী শুধু রেসিং কার চালিয়ে উৎসাহ দিলেই হবে না। ‘শিমু’, ‘সোলেমানের’ উদ্ভাবিত সেচযন্ত্র তথা সুলভ প্রযুক্তিকেও উৎসাহ দেয়ার পাশাপাশি প্রান্তিক কৃষকের মাঝে ছড়িয়ে দিতে হবে দেশের প্রান্তিক নাগরিকের উদ্ভাবিত প্রযুক্তি দ্বারাই সঙ্কটে সমাধানের অনুসন্ধানী উদ্দীপনা থাকতে হবে। ইনশাআল্লাহ
২৮ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
আজ মহিমান্বিত ৮ই যিলক্বদ শরীফ। সুবহানাল্লাহ! নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সাথে সাইয়্যিদাতুন নিসায়ি আলাল আলামীন, আফদ্বলুন নাস ওয়ান নিসা বা’দা রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, আত্বওয়ালু ইয়াদান সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আস সাবিয়াহ আলাইহাস সালাম উনার পবিত্র নিসবাতুল আযীম শরীফ দিবস। সুবহানাল্লাহ! পাশাপাশি আজ ‘বিশ্ব পর্দা দিবস’।
২৭ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আসইয়াদ, সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিশ শুহূরিল আ’যম শরীফ, মহাসম্মানিত রবীউল আউওয়াল শরীফ মাস উনার মহিমান্বিত, মহাপবিত্র ৭ তারিখ উনার সাথে সম্পর্কযুক্ত পবিত্র ৭ই যিলক্বদ শরীফ আজ। সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম উনার প্রতি সর্বোচ্চ হুসনে যন পোশন করত উনার শান-মান মুবারক অনুভব করা, মর্যাদা-মর্তবা মুবারক জানা, দয়া-ইহসান মুবারক উপলব্ধি করা,ফয়েজ-তাওয়াজ্জুহ ও নেক ছোহবত মুবারক হাছিল করা
২৬ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
মুবারক হো! মহিমান্বিত ৬ই যিলক্বদ শরীফ। সুবহানাল্লাহ! মুজাদ্দিদে আ’যমে ছানী, সাইয়্যিদুনা হযরত খলীফাতুল উমাম আলাইহিস সালাম উনার মহাসম্মানিতা যাওজাতুম্ মুকাররমাহ সাইয়্যিদাতুনা হযরত মুজীরাতুল উমাম আলাইহাস সালাম উনার পবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ দিবস।
২৫ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
এবার শুধু শাসক গং নয়, বাংলাদেশের গোটা জনসাধারণকেই বশ ও বুদ করার ছক কষছে ভারত প্রতিবেশী দেশের সাথে মিলিতভাবে আগামী পহেলা বৈশাখ পালনের ঘোষণা ভারতীয় ষড়যন্ত্রের সমার্থক। ঈমানদার দেশবাসীকে খুবই সতর্ক এবং সক্রিয় হতে হবে ইনশাআল্লাহ।
২৪ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
সোনার বাংলার সব কিছুতেই সোনা। এক নারিকেল চাষেই দেশে ৫০ হাজার কোটি টাকা আয় এবং লাখ লাখ লোকের বেকারত্বের অবসান সম্ভব। সহজেই হবে অনেক কর্মসংস্থান, আমদানীর সাশ্রয় এবং বৈদেশিক মুদ্রার সমৃদ্ধি। ইনশায়াল্লাহ!
২৩ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
দৈনন্দিন ৩২ বার পবিত্র সূরা ফাতিহা শরীফ পাঠ করলেও মুসলমান কি পবিত্র সূরা ফাতিহা শরীফ শুধু পাঠের মধ্যেই আবদ্ধ থাকবে? ফিকির আর আমল কী অধরাই থাকবে?
২২ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
আজ সুমহান বরকতময় পবিত্র ২রা যিলক্বদ শরীফ! সুবহানাল্লাহ! সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, সাইয়্যিদাতু নিসায়ি আহলিল জান্নাহ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ, সাইয়্যিদাতুনা হযরত ঊখতু রসূল মিনার রদ্বায়াহ্ আলাইহাস সালাম উনার পবিত্র বিছালী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। সুবহানাল্লাহ!
২১ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
সূদী ব্যাংক ব্যবস্থা মূলত: আত্মঘাতী এবং শোষক ব্যবস্থা। ব্যাংক শোষণের কারণে শুধু একজন মালিকই নয় বা শত শত শ্রমিকই নয় বরং গোটা আর্থো-সামাজিকখাত হয় ক্ষত-বিক্ষত, বিপর্যস্থ, লা’নতগ্রস্থ, বেকারত্বে জর্জরিত। বর্তমান সংকটাপন্ন অর্থনীতি বাঁচাতে অতিসত্বর সুদী ব্যাংক ব্যবস্থা বাদ দিয়ে ইসলামী মূল্যবোধের ব্যাংক ব্যবস্থা চালু করতে হবে ইনশাআল্লাহ।
২০ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
পবিত্র কুরআন শরীফ উনার চিরন্তন ঘোষণা অনুযায়ী কাফির-মুশরিকদের নিকৃষ্ট চরিত্রের একটি নগ্ন বহিঃপ্রকাশ : এপস্টিন ফাইলস
১৯ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
চলমান সংসদে “সর্বশক্তিমান আল্লাহ পাক উনার প্রতি আস্থা ও বিশ্বাসই হবে রাষ্ট্রের যাবতীয় কার্যাবলীর মূল ভিত্তি- এই অনুচ্ছেদ পূর্ণবহালের প্রতিশ্রুতির সাথে চতুর্থ শ্রেণী থেকে হারাম খেলাধূলায় বাধ্য করার ঘোষণা চরম সাংঘর্ষিক।
১৯ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
পৃথিবী চাইলেই বাংলাদেশ অনলাইন শিক্ষা ব্যবস্থা চাইতে পারেনা। তাহলে সবার আগে বাংলাদেশ প্রতিশ্রুতি প্রমাণ হয়না। শিক্ষামন্ত্রী তথা সরকারকে অবিলম্বে অনলাইন শিক্ষা থেকে সরে আসতে হবে।
১৮ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার)












