সম্পাদকীয়-২
বন-জঙ্গল উজাড় করে বিদেশী রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দেয়া আর কচ্ছপ বাঁচানোর জন্য নারিকেল দ্বীপের মানুষ মারা এর চেয়ে বড় বৈষম্য এবং চরম অমানবিকতা আর কী হতে পারে? অবিলম্বে নারিকেল দ্বীপের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করে জুলুম আর বৈষম্য বন্ধ করতে হবে
, ১১ জুমাদাল ঊখরা শরীফ, ১৪৪৬ হিজরী সন, ১৬ সাবি’, ১৩৯২ শামসী সন , ১৪ ডিসেম্বর, ২০২৪ খ্রি:, ২৯ অগ্রহায়ণ, ১৪৩১ ফসলী সন, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) সম্পাদকীয়
সব প্রশংসা মুবারক খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার জন্য; যিনি সকল সার্বভৌম ক্ষমতার মালিক। সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নবী আলাইহিমুস সালাম উনাদের নবী, রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি অফুরন্ত দুরূদ শরীফ ও সালাম মুবারক।
নারিকেল দ্বীপে পর্যটন নিয়ন্ত্রণে সরকার সম্প্রতি যেসব বিধি-নিষেধ আরোপ করেছে, তা নিয়ে এখন স্থানীয় মানুষ এবং সেখানের পর্যটন ব্যবসায়ীরা গভীর জীবিকা সঙ্কটে মরনাপন্ন।
প্রতিবছর অক্টোবরের শেষ থেকে নারিকেল দ্বীপে পর্যটন মৌসুম শুরু হয়। কিন্তু এবার নানা জটিলতা পেরিয়ে তা শুরু হয়েছে ১ ডিসেম্বর থেকে। ওইদিন সকাল ১০টার দিকে কক্সবাজার শহরের নুনিয়ারছড়া থেকে ৬৫৩ যাত্রী নিয়ে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) বারো আউলিয়া নামের একটি জাহাজ নারিকেল দ্বীপে রওনা হয়। নারিকেল দ্বীপ পর্যটকবাহী জাহাজ মালিকদের সংগঠন জানায়, সবশেষ ৮ ডিসেম্বর পর্যন্ত মোট ৭ হাজার ১০৫ জন পর্যটক গেছেন দ্বীপে। যা সরকারের নির্ধারিত প্রতিদিনের ২ হাজার জনেরও কম।
নারিকেল দ্বীপের রিসোর্ট ব্যবসায়ীরা জানান, এই সময় তাদের প্রচুর চাপ থাকে। এখন ব্যবসার অবস্থা খুবই খারাপ। দুই হাজার পর্যটক আসার কথা থাকলেও সাত থেকে ৮শ’ পর্যটকও আসতে পারছে না। পর্যটক কম থাকায় অনেক হোটেল-রিসোর্ট চালুই হয়নি। এমনভাবে চলতে থাকলে সামনে অবস্থা আরও খারাপ হবে।
ব্যবসায়ীদের চোখে-মুখে অনিশ্চয়তা আর আতঙ্কের ছাপ। কেউ জীবিকার লড়াইয়ে হঠাৎ অনিশ্চয়তা দেখছেন, কারও আবার ঋণের বোঝা মাথায় নিয়ে ভিটেমাটি হাতছাড়া হওয়ার উপক্রম।
এখানে এমনিতেই পর্যটক অল্প। অনেকেই দিনে ফিরে যায়। যে অল্প পর্যটক থাকেন বড় বড় রিসোর্টে ওঠেন। এ কারণে ছোট ছোট কটেজ-রিসোর্টগুলো খালি থেকে যায়। এমনকি বড় রিসোর্টগুলোতে রুম ভাড়া অনেক কমে গেছে। যেসব রুম আগে দিনে ৭-৮ হাজার টাকা ভাড়া ছিল সেটি এখন ৩-৪ হাজার টাকায় পাওয়া যায়।
স্থানীয়রা দাবি করছে, সরকার যদি আমাদের দিকে তাকায়, তারা যেন তাদের আর্থিক ক্ষতির দিকটা দেখে। আমরা যেন না খেয়ে না থাকি।
নারিকেল দ্বীপ ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞায় অনাহারে দ্বীপবাসি, হাজার হাজার যুবকের চাকুরিচ্যুতি, সর্বশান্ত উদ্যোক্তা, পর্যটন ব্যবসায় ধস ও মানবিক বিপর্যয়ের বাস্তবতা না বুঝেই সরকার নারিকেল দ্বীপে পর্যটন বন্ধের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এতে সেখানকার বাসিন্দা, উদ্যোক্তা, ব্যবসায়ীদের পথে বসতে হচ্ছে। নারিকেল দ্বীপে বহু ব্যবসায়ীর বিনিয়োগ আছে। ফলে প্রচুর কর্মসংস্থান হয়েছে। এটাকে গুরুত্ব দিতে হবে।
যারা পরিবেশের কথা বলে গলা ফাটায়, তারাই বাসায় এসি, গাড়িতে এসি, অফিসে এসি চলায়। তাই সব কিছু জটিল না করে সমাধানের পথ সহজ করতে হবে।
রাজস্ব খাতে ব্যাপক অবদান রেখেও নারিকেল দ্বীপ পর্যটন খাত উপেক্ষিত এবং হাজারো মানুষের কর্মসংস্থান আজ হুমকির মুখে।
উল্লেখ্য, পরিবহণ খাত থেকে শুরু করে নারিকেল দ্বীপে পর্যটন ব্যবসার সাথে ১৭টি সেক্টর ওতোপ্রোতভাবে যুক্ত রয়েছে এবং এর মধ্যে ২০৯ টি হোটেল রিসোর্ট রয়েছে। যেখানে ১২ হাজারেরও অধিক মানুষ নানাভাবে যুক্ত।
এতে করে দেশের পর্যটন খাত ধংসের পাশাপাশি সেখানকার মানুষের মধ্যে অপরাধ প্রবণতা বাড়তে পারে।
স্থানীয়রা দাবী তুলেছে, কচ্ছপের ডিম বাঁচাতে গিয়ে মানুষের জীবন জীবিকা বন্ধ করা যাবে না। এ ছাড়া নারিকেল দ্বীপ ঘিরে ট্রান্সপোর্ট ব্যবস্থা ধ্বংস হয়ে যাবে। অথচ সরকার বন পাহাড় উজাড় করে রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিয়ে রেখেছে। কিন্তু নারিকেল দ্বীপবাসীর প্রতি চরম বৈষম্য ও অমানবিকতা দেখাচ্ছে।
এছাড়া নারিকেল দ্বীপে যেসব উদ্যোক্তা, ব্যবসায়ী ট্যুরিজমের সঙ্গে জড়িত তারা পথে বসে যাবে। মানুষ মেরে পরিবেশ রক্ষা করতে চাওয়া কতটুকু যৌক্তিক, সেই প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয়রা। সঙ্গতকারণেই নারিকেল দ্বীপবাসীকে বাঁচাতে অবিলম্বে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করতে হবে ইনশাআল্লাহ।
মূলত, এসব বিষয় বাস্তবায়নের অনুভূতি ও দায়িত্ববোধ আসে পবিত্র ঈমান ও পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনাদের খিলাফত আলা মিনহাজিন নুবুওওয়াহ্র চেতনা ও জজবা এবং পরিক্রমা থেকে ইনশাআল্লাহ।
ছহিবে সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, রাজারবাগ শরীফ উনার মামদূহ মুর্র্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার নেক ছোহবত মুবারক-এ কেবলমাত্র তা লাভ করা সম্ভব। খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি আমাদেরকে তা নছীব করুন। আমীন।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
আর জুলাই সনদের ৮ নং অনুচ্ছেদ খএইঞছ এর পরিপূর্ণ প্রতিফলন। তারপরেও ঈমান বিক্রী করে, ইসলামের ধ্বংস ডেকে তথাকথিত ইসলামী দল কী করে জুলাই সনদ বাস্তবায়নের জন্য আন্দোলনের ঘোষণা দিতে পারে? জুলাই সনদ বাস্তবায়ন বি.এন.পির নির্বাচনী ইশতেহারে এর সাথে সাংঘর্ষিক। ইসলামী অনুভূতির প্রতি সহযোগী মনোভাবের চরম খেলাফ।
০৪ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
মুসলমান মায়েরা কেন সন্তানকে বুকের দুধ খাওয়াতে গাফলতি করবে?
০৩ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
মূল্যবৃদ্ধির চাপে পিষ্ট জনগণ উৎপাদন বৃদ্ধি নয়, শুধুমাত্র মধ্যস্বত্য ভোগী, তথা সিন্ডিকেট নির্মূলেই দ্রব্যমূল্য সুলভ করা সম্ভব।
০২ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
ভবনের ছাদে সৌরবিদ্যুৎ বছরে সাশ্রয় করতে পারে ১ বিলিয়ন ডলার।
০১ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
ব্যাংক শোষণের কারণে শুধু একজন মালিকই নয় বা লাখ লাখ শ্রমিকই নয় বরং গোটা আর্থ-সামাজিক খাত হয় ক্ষত-বিক্ষত, বিপর্যস্ত, লা’নতগ্রস্ত, বেকারত্বে জর্জরিত।
৩০ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
মালদ্বীপের ৬১তম স্বাধীনতা দিবস উদযাপনে বাংলাদেশের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ।
২৯ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় মাইক্রোচিপ বিজ্ঞানী, বাংলাদেশী এনায়েতুর রহমান এ শিল্পের বিকাশে বাংলাদেশ ও বাংলাদেশীকে বিশেষ সহায়তা করতে চান।
২৮ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিশ শুহূরিল আ’যম, মহাসম্মানিত রবীউল আউওয়াল শরীফ মাস উনার মহিমান্বিত, মহাপবিত্র ১২ তারিখ উনার সাথে সম্পর্কযুক্ত মহাসম্মানিত ১২ই ছফর শরীফ এবং সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুর রদ্বাআহ্ আছ ছানিয়াহ্ আলাইহাস সালাম উনার মহাপবিত্র বিছালী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। সুবহানাল্লাহ!
২৭ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
সমুদ্র অর্থনীতির সোনালী সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে হবে
২৬ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
শিশুর দেহে এন্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্টেন্সের ভয়ানক উপস্থিতি
২৫ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
শীতের সবজি, গ্রীষ্মের ফল, ফসল এখন বর্ষায় অকল্পনীয় বাম্পার ফলন হয়
২৩ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুস সাবি’ মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। সুবহানাল্লাহ! সুবহানাল্লাহ! সুবহানাল্লাহ! পাশাপাশি আখাছছুল খাছ আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম উনার পবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ উনার সম্মানিত আ’দাদ শরীফ। সুবহানাল্লাহ! সুবহানাল্লাহ! সুবহানাল্লাহ!
২২ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার)












