পোশাক শিল্প নিয়ে ষড়যন্ত্রে ভারত-আমেরিকা-ইউরোপ একজোট
যথাযথ দূরদর্শীতা, প্রজ্ঞা ও সফলতা দিয়ে সব সংকট নিরসনে ইনশাআল্লাহ সফল হতে হবে সরকারকেই
, ১৫ জুমাদাল উলা শরীফ, ১৪৪৫ হিজরী সন, ০১ সাবি’ ১৩৯১ শামসী সন , ৩০ নভেম্বর, ২০২৩ খ্রি:, ১৪ অগ্রহায়ণ, ১৪৩০ ফসলী সন, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) সম্পাদকীয়
আগামী নির্বাচনকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক অস্থিরতার মধ্যেই হঠাৎ উত্তাল হয়ে উঠেছে পোশাক শিল্প খাত। দেখা দেয় বড় শ্রমিক অসন্তোষ। হাজার হাজার পোশাক শ্রমিক তাদের ন্যূনতম মজুরি ২৩ হাজার টাকা করার দাবিতে আন্দোলন শুরু করে। সরকারের নিয়োগ করা মজুরি বোর্ড গত ২৬ নভেম্বর পোশাক শ্রমিকদের সর্বনিম্ন বেতন ৬৫ দশমিক ২৫ শতাংশ বাড়িয়ে ১২ হাজার ৫০০ টাকা করার ঘোষণা দেয়।
আগে থেকেই আন্দোলনে থাকা শ্রমিকরা এই মজুরি বাড়ানোর প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে।
বাংলাদেশে পোশাকশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি বৃদ্ধি নিয়ে চলমান বিক্ষোভ দমনে শ্রমিক ও ট্রেড ইউনিয়নকর্মীদের ওপর চালানো সহিংসতার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের শ্রম দপ্তর।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন শ্রমিকদের ক্ষমতায়ন, শ্রম অধিকার ও তাদের মানসম্মত জীবনযাপন নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সম্প্রতি একটি স্মারকে (প্রেসিডেন্সিয়াল মেমোরেন্ডাম) স্বাক্ষর করেছে। বিশ্বজুড়ে শ্রম অধিকার নিশ্চিতে যুক্তরাষ্ট্রের এ নতুন নীতি ও বিশ্ব পরিস্থিতিসহ আরো কিছু কারণে দুশ্চিন্তায় পড়েছে বাংলাদেশের রফতানিকারকরা। বিশেষ করে পোশাক খাতের উদ্যোক্তারা উদ্বেগ জানিয়ে বলেছেন, কোনো কারণে শ্রম অধিকার ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্র নতুন নীতি বাংলাদেশের ওপর কার্যকর করলে বড় ধরনের নেতিবাচক প্রভাব পড়বে রফতানি খাতে।
বাংলাদেশের তৈরি পোশাক রফতানির বড় বাজার যুক্তরাষ্ট্র। গত ২০২২-২৩ অর্থবছরে যুক্তরাষ্ট্রে মোট ৯৭০ কোটি ডলারের বাংলাদেশী পণ্য রফতানি হয়েছে। যার মধ্যে তৈরি পোশাক ৮৫১ কোটি ডলার।
শ্রম অধিকার বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের এ ধরনের ঘোষণা এমন এক সময়ে এসেছে, যখন বাংলাদেশে পোশাক খাতে ন্যূনতম মজুরি নিয়ে চলছে অস্থিরতা। ন্যায্য মজুরির দাবিতে শ্রমিকরা আন্দোলন করছেন, জীবন দিচ্ছেন। এছাড়া নির্দলীয় সরকারের অধীনে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন দাবিতে মাঠের বিরোধী দল বিএনপিসহ সমমনা অন্য দলগুলোর হরতাল-অবরোধ চলছে। অন্যদিকে বিরোধী দলের এ দাবির সপক্ষে যুক্তরাষ্ট্র ভিসানীতি কার্যকর করেছে। এ পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্র শ্রম অধিকারবিষয়ক নতুন এ নীতিও কার্যকর করলে সেটি হবে মড়ার উপর খাঁড়ার ঘায়ের তরতাজা উদাহরণ। পোশাক শিল্প শ্রমিকরা এতে বেশ খুশি।
গার্মেন্ট সেক্টরে বাংলাদেশের ভালো খবর প্রতিবেশী ভারতের জন্য মন্দ সংবাদ। আর মন্দ খবরগুলো তাদের জন্য খোশখবর। সূত্র মতে, পোশাক কারখানাগুলোর জেনারেল ম্যানেজার, প্রোডাকশন ম্যানেজার, অ্যাকাউন্টস ম্যানেজার, মার্চেন্ডাইজারের মতো পদে কর্মরতদের বেশির ভাগ বিদেশী। ওই বিদেশীদের বেশির ভাগই আবার ভারতীয়। এরা একেকটি গার্মেন্টে বড় ফ্যাক্টর। বিশ্বস্ত সূত্রে আরো জানা যায়, বন্ধ হয়ে যাওয়া কোনো পোশাক কারখানা প্রত্যক্ষ-পরোক্ষভাবে হাতে নিয়ে নেয় তারা। কখনো কখনো গ-গোল পাকিয়ে কারখানা বন্ধ করা এবং সেটি তাদের হাতে কন্ট্রাক্টে ছেড়ে দিতে মালিককে বাধ্য করে তারা। দেশে তালিকাভুক্ত বায়িং হাউজের বেশির ভাগ ভারতীয়দের দখলে। অনেক সময় নিজস্ব এজেন্টদের মাধ্যমে পরিকল্পিতভাবে শ্রমিক অসন্তোষ ছড়িয়ে দেয়ার কারসাজিও করে এরা। গার্মেন্ট কারখানাগুলোতে এবারের শ্রমিক অসন্তোষ ও নাশকতার পেছনে তারা জড়িত কি না, তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন বৈকি। তবে, পোশাক শিল্পে যুক্তরাষ্ট্র শেষ পর্যন্ত নিষেধাজ্ঞা আরোপ করলে বাজার যে ভারতমুখী হয়ে যাবে- তাতে কোনো রাখঢাক থাকবে না।
প্রকাশ্যে কিছু বলতে না পারলেও বাংলাদেশের উদ্যোক্তাদের কপালে চিন্তার ভাঁজের এটি আরেক কারণ। ভারত গত বছর কয়েক ধরনের বস্ত্র ও পোশাক খাতে যে মাত্রায় বিনিয়োগ করছে, সেই তথ্য আছে বাংলাদেশের এ খাতের বিনিয়োগকারীদের কাছে। শুধু ভারত নয়, বাংলাদেশের গার্মেন্ট খাতের লাগাম টানার বিদেশী মহলের অভাব নেই। সুযোগ পেলে খাবলে ধরে। রানা প্লাজার মতো দুনিয়া কাঁপানো দালানধসের পর রিটেইল পুঁজিপতিরা অ্যাকর্ড ও আল্যায়েন্স নামে দুটো কারখানা পরিদর্শক গড়ে তুলেছেন, যাদের কাজ হলো গার্মেন্ট কারখানাগুলো আরো পরিবেশবান্ধব করে তোলা। ওই পথেও বাংলাদেশের এ খাতকে কম পরীক্ষা দিতে হয়নি। তাদের মন ভরাতে যে সাধনা করতে হয়েছে, ঝরাতে হয়েছে ঘাম, তার দাম দিচ্ছেন না রিটেইল ক্রেতারা। কাঁচামাল, পরিবহন খরচ কয়েকগুণ বাড়লেও প্রতিযোগিতার কথা বলে পোশাকের দাম ক্রমে কমিয়েছে বিদেশী ক্রেতারা। কিন্তু, ভারতের সাথে তা করে না বা পারে না বিদেশী ক্রেতারা।
প্রসঙ্গত আমরা মনে করি, যখন কোনো দেশে কর্মপরিবেশ ও শ্রম অধিকার বিষয়ে দুর্বলতা থাকে, তখনই সেখানে বাইরের কেউ এসে কথা বলার সুযোগ পায়। তাই এ ধরনের পরিস্থিতি এড়াতে হলে নিজেদের দুর্বলতা নিজেদের দূর করতে হবে। শ্রমিকের অধিকারের বিষয়ে প্রকৃত শ্রমিক প্রতিনিধিদের কথা বলার সুযোগ তৈরি করতে হবে। সেখানে বাংলাদেশের বড় ধরনের ঘাটতি রয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্র যে নীতি গ্রহণ করে, তার পশ্চিমা মিত্ররা অর্থাৎ ইউরোপীয় ইউনিয়ন, যুক্তরাজ্য, কানাডা, জাপান ও অস্ট্রেলিয়াও একই নীতি অনুসরণ করে।
বাংলাদেশের পোশাক শিল্পে বড় ধরনের ষড়যন্ত্র করতে পারে। আর ভারত সেই ষড়ন্ত্রের আগুনে ঘি ঢালতে পারে।
ছহিবে সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, রাজারবাগ শরীফ উনার মামদূহ মুর্র্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার নেক ছোহবত মুবারক-এ কেবলমাত্র তা লাভ করা সম্ভব। খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি আমাদেরকে তা নছীব করুন। (আমীন)
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
সমুদ্রে তেল-গ্যাস অনুসন্ধানে কোনো বিদেশি কোম্পানি সাড়া দেয়নি বলে এতো হা হুতাশ কেনো? বাপেক্সকেই সমুদ্রেও তেল-গ্যাস অনুসন্ধানের দায়িত্ব দেয়ার দায়িত্ববোধ- কেবলমাত্র খিলাফত আলা মিনহাজিন নুবুওওয়াহ্র পরিক্রমাই সম্ভব ইনশাআল্লাহ
০৪ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
মুবারক হো- মহিমান্বিত ১১ই যিলক্বদ শরীফ! যা ইমামুল আউলিয়া, হাবীবে ওয়া মাহবুবে রহমান, আওলাদে রসূল, সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুছ ছামিন মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার এবং সিবতু সুলত্বানিন নাছীর, সাইয়্যিদুল কাওনাইন, মহাসম্মানিত ইমাম হযরত সাইয়্যিদুল উমাম আল আউওয়াল আলাইহিস সালাম উনাদের মহিমান্বিত বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ করার সুমহান দিবস। সুবহানাল্লাহ!
৩০ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
সৌর বিদ্যুৎ প্রসারে প্রধান বাধা হলো উচ্চ কর ও শুল্ক। নবায়নযোগ্য জ্বালানির প্রতি নীতিনির্ধারক এবং সাধারণ মানুষের মনে একটা বদ ধারণা তৈরি করার জন্য একটা গোষ্ঠী খুব তৎপর। বড় বিনিয়োগকারীরা সুবিধা পাচ্ছে, কিন্তু সাধারণ জনগণ পিছিয়ে পড়ছে। এটি সৌর বিদ্যুতের গণমুখী বিস্তারকে বাধাগ্রস্ত করছে। সরকারের উচিৎ সহায়ক নীতিকাঠামো দিয়ে বেসরকারি খাতকে উৎসাহিত করা।
২৯ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
প্রধানমন্ত্রী শুধু রেসিং কার চালিয়ে উৎসাহ দিলেই হবে না। ‘শিমু’, ‘সোলেমানের’ উদ্ভাবিত সেচযন্ত্র তথা সুলভ প্রযুক্তিকেও উৎসাহ দেয়ার পাশাপাশি প্রান্তিক কৃষকের মাঝে ছড়িয়ে দিতে হবে দেশের প্রান্তিক নাগরিকের উদ্ভাবিত প্রযুক্তি দ্বারাই সঙ্কটে সমাধানের অনুসন্ধানী উদ্দীপনা থাকতে হবে। ইনশাআল্লাহ
২৮ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
আজ মহিমান্বিত ৮ই যিলক্বদ শরীফ। সুবহানাল্লাহ! নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সাথে সাইয়্যিদাতুন নিসায়ি আলাল আলামীন, আফদ্বলুন নাস ওয়ান নিসা বা’দা রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, আত্বওয়ালু ইয়াদান সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আস সাবিয়াহ আলাইহাস সালাম উনার পবিত্র নিসবাতুল আযীম শরীফ দিবস। সুবহানাল্লাহ! পাশাপাশি আজ ‘বিশ্ব পর্দা দিবস’।
২৭ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আসইয়াদ, সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিশ শুহূরিল আ’যম শরীফ, মহাসম্মানিত রবীউল আউওয়াল শরীফ মাস উনার মহিমান্বিত, মহাপবিত্র ৭ তারিখ উনার সাথে সম্পর্কযুক্ত পবিত্র ৭ই যিলক্বদ শরীফ আজ। সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম উনার প্রতি সর্বোচ্চ হুসনে যন পোশন করত উনার শান-মান মুবারক অনুভব করা, মর্যাদা-মর্তবা মুবারক জানা, দয়া-ইহসান মুবারক উপলব্ধি করা,ফয়েজ-তাওয়াজ্জুহ ও নেক ছোহবত মুবারক হাছিল করা
২৬ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
মুবারক হো! মহিমান্বিত ৬ই যিলক্বদ শরীফ। সুবহানাল্লাহ! মুজাদ্দিদে আ’যমে ছানী, সাইয়্যিদুনা হযরত খলীফাতুল উমাম আলাইহিস সালাম উনার মহাসম্মানিতা যাওজাতুম্ মুকাররমাহ সাইয়্যিদাতুনা হযরত মুজীরাতুল উমাম আলাইহাস সালাম উনার পবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ দিবস।
২৫ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
এবার শুধু শাসক গং নয়, বাংলাদেশের গোটা জনসাধারণকেই বশ ও বুদ করার ছক কষছে ভারত প্রতিবেশী দেশের সাথে মিলিতভাবে আগামী পহেলা বৈশাখ পালনের ঘোষণা ভারতীয় ষড়যন্ত্রের সমার্থক। ঈমানদার দেশবাসীকে খুবই সতর্ক এবং সক্রিয় হতে হবে ইনশাআল্লাহ।
২৪ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
সোনার বাংলার সব কিছুতেই সোনা। এক নারিকেল চাষেই দেশে ৫০ হাজার কোটি টাকা আয় এবং লাখ লাখ লোকের বেকারত্বের অবসান সম্ভব। সহজেই হবে অনেক কর্মসংস্থান, আমদানীর সাশ্রয় এবং বৈদেশিক মুদ্রার সমৃদ্ধি। ইনশায়াল্লাহ!
২৩ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
দৈনন্দিন ৩২ বার পবিত্র সূরা ফাতিহা শরীফ পাঠ করলেও মুসলমান কি পবিত্র সূরা ফাতিহা শরীফ শুধু পাঠের মধ্যেই আবদ্ধ থাকবে? ফিকির আর আমল কী অধরাই থাকবে?
২২ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
আজ সুমহান বরকতময় পবিত্র ২রা যিলক্বদ শরীফ! সুবহানাল্লাহ! সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, সাইয়্যিদাতু নিসায়ি আহলিল জান্নাহ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ, সাইয়্যিদাতুনা হযরত ঊখতু রসূল মিনার রদ্বায়াহ্ আলাইহাস সালাম উনার পবিত্র বিছালী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। সুবহানাল্লাহ!
২১ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
সূদী ব্যাংক ব্যবস্থা মূলত: আত্মঘাতী এবং শোষক ব্যবস্থা। ব্যাংক শোষণের কারণে শুধু একজন মালিকই নয় বা শত শত শ্রমিকই নয় বরং গোটা আর্থো-সামাজিকখাত হয় ক্ষত-বিক্ষত, বিপর্যস্থ, লা’নতগ্রস্থ, বেকারত্বে জর্জরিত। বর্তমান সংকটাপন্ন অর্থনীতি বাঁচাতে অতিসত্বর সুদী ব্যাংক ব্যবস্থা বাদ দিয়ে ইসলামী মূল্যবোধের ব্যাংক ব্যবস্থা চালু করতে হবে ইনশাআল্লাহ।
২০ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার)












