পরিপাটি চর্চায় কফি
, ২৮ মুহররমুল হারাম শরীফ, ১৪৪৪ হিজরী সন, ১৭ ছালিছ, ১৩৯১ শামসী সন , ১৬ আগস্ট, ২০২৩ খ্রি:, ০১ ভাদ্র শ্রাবণ, ১৪৩০ ফসলী সন, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) মহিলাদের পাতা
কফি ফেসিয়াল স্ক্রাব: ত্বক সজীব রাখতে কফি দিয়ে তৈরি স্ক্রাব বেশ কাজে দেয়। এক্ষেত্রে ৩ টেবিল-চামচ কফির গুঁড়ার সঙ্গে ১ টেবিল-চামচ মধু এবং ১ টেবিল-চামচ জয়তুনের তেল একসঙ্গে মিশিয়ে নিতে হবে। তারপর মিশ্রণটি পরিষ্কার ত্বকে লাগিয়ে মাসাজ করতে হবে। সবশেষে হালকা গরম পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেললেই ত্বক দেখাবে উজ্জ্বল ও প্রাণবন্ত।
কফি মাস্ক: ত্বক টানটান করতে ২ টেবিল-চামচ কফির গুঁড়া, ২ টেবিল চামচ কোকো পাউডার, ৩ টেবিল-চামচ টক দই এবং ১ টেবিল-চামচ মধু একসঙ্গে মিশিয়ে নিতে হবে। তারপর মিশ্রণটি পুরো ত্বকে লাগিয়ে ১৫ থেকে ২০ মিনিট অপেক্ষা করে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলতে হবে।
বডি স্কিন স্ক্রাব: প্রথমে আধা কাপ কফিগুঁড়া ও এককাপের এক চতুর্থাংশ বাদামি চিনি মিশিয়ে নিতে হবে। তারপর মিশ্রণটির সঙ্গে জয়তুনের তেল বা নারিকেল তেল এবং ১ টেবিল-চামচ দারুচিনিগুঁড়া মিশিয়ে স্ক্রাব তৈরি করে নিতে হবে। কফিতে থাকা ক্যাফেইন শরীর থেকে বাড়তি তেল ও মরা চামড়া দূর করতে সাহায্য করে।
চুলের যতে কফি: মাথার ত্বক ভালো রাখতে এবং চুলের রং উজ্জ্বল করতে কফি বেশ উপকারী।
মাস্ক: একটি স্প্রে বোতলে ব্ল্যাক কফি নিয়ে চুলে স্প্রে করে ৩০ মিনিট অপেক্ষা করতে হবে। তারপর চুল পানি দিয়ে পরিষ্কার করে ফেললেই চুল দেখাবে উজ্জ্বল ও কোমল। কফিতে থাকা ক্যাফেইন উপাদান মাথার ত্বকে রক্ত চলাচল বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে। তবে এটি সত্যি যে একবার কফি ব্যবহার করেই চুল পড়া কমানো যাবে না। চুলে কফি লাগানোর পর চাইলে মাথায় শাওয়ার ক্যাপ পড়তে পারেন, নইলে কাপড়ে দাগ পড়তে পারে।
মাথার ত্বকের স্ক্রাব: কফির গুঁড়া মাথার ত্বক উদ্দীপ্ত করে চুল নরম ও উজ্জ্বল করতে সাহায্য করে। এক্ষেত্রে কন্ডিশনারের সঙ্গে সিকিভাগ কফি মিশিয়ে নিতে হবে। তারপর মিশ্রণটি মাথার ত্বকে লাগিয়ে কয়েক মিনিট হালকাভাবে ম্যাসাজ করে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলতে হবে।
হাতের দুর্গন্ধ দূর করতে: পেঁয়াজ বা রসুন কাটার পর হাতে বাজে গন্ধ হয়ে যায়। যা বেশ অস্বস্তিকর। আর এ পরিস্থিতি থেকে রক্ষা পেতে কফি বেশ কার্যকর। এক্ষেত্রে আগে ব্যবহার করেছেন এমন কফি হাতে ভালোভাবে ঘষে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেললেই হাত হবে দুর্গন্ধ মুক্ত।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি সৃষ্টির শুরুতেই মহান আল্লাহ পাক উনার কুদরত মুবারক উনার মধ্যে ছিলেন, আছেন এবং অনন্তকাল থাকবেন
২৭ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
মহান আল্লাহ পাক তিনি যার অন্তরকে প্রসারিত করেন তাকেই হিদায়েত দান করেন
২৬ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
ক্বলবী যিকির জারী না থাকলে শয়তানের ওয়াসওয়াসা থেকে বেঁচে থাকা সম্ভব নয়
২৬ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ মাহফিল উনার ইন্তিজামকারী বিনা হিসাবে সম্মানিত জান্নাতে প্রবেশ করবেন
২৬ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
হীলাহ্ বিবাহ এবং তার শরয়ী ফায়সালা (৪)
২৫ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু আনহুম উনাদের সম্পর্কে কটূক্তি করা কাট্টা কুফরী
২৫ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
মহান আল্লাহ পাক এবং উনার হাবীব, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের- সন্তুষ্টি-রেযামন্দি লাভের জন্য সন্তান প্রতিপালন করা সুন্নত (৪)
২৪ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
“যিনি সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ উনাকে বিশেষ মর্যাদা দিলেন, তিনি মূলত দ্বীন ইসলাম উনাকেই পুনরুজ্জীবিত করলেন”
২৪ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
পিতা-মাতার প্রতি সন্তানের দায়িত্ব-কর্তব্য
২৩ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
তিন ধরনের লোক বেহেশতে প্রবেশ করবে না
২৩ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ উনার সম্মানার্থে মেহমানদারী করার মাধ্যমে সম্মানিত শাফায়াত মুবারক লাভ
২৩ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
৩টি বিশেষ নেক কাজ, যা ইন্তেকালের পরও জারি থাকে
২২ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার)












