পবিত্র হজ্জ-উমরাহর গুরুত্ব-ফযীলত ও মহাসম্মানিত সুন্নতী তরীক্বাহ (৩)
, ২৪ যিলক্বদ শরীফ, ১৪৪৭ হিজরী সন, ১৩ ছানী আশার, ১৩৯৩ শামসী সন , ১৩ মে, ২০২৬ খ্রি:, ৩০ বৈশাখ, ১৪৩৩ ফসলী সন, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) সুন্নত মুবারক তা’লীম
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
عَنْ حَضْرَتْ اِبْنِ عُمَرَ رَضِيَ اللهُ تعالٰى عَنْهُ قَالَ سَأَلَ النَّبِـىَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَا رَسُوْلَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَا حَبِيْبَ اللهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ! ومَا السَّبِيْلُ؟ قَالَ زَادٌ وَّ رَاحِلَةٌ.
অর্থ: হযরত ইবনে উমর রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, একজন ব্যক্তি এসে জিজ্ঞাসা করলেন, ইয়া রসূলাল্লাহ, ইয়া হাবীবাল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! মহান আল্লাহ পাক তিনি মহাপবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে যে বলেছেন “সাবীলা” এর কথা- এর অর্থ কি? নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন পাথেয় এবং বাহন। (তিরমিযী শরীফ)
অর্থাৎ একটা লোকের যাতায়াতের খরচসহ তার বাড়ীর খরচসহ সমস্ত খরচ যদি থাকে, পথের বাহনের ব্যবস্থা থাকে, জান-মাল এবং ঈমানের নিরাপত্তা যদি থাকে। অর্থাৎ ঈমানের নিরাপত্তা, মালের নিরাপত্তা, জানের নিরাপত্তা যদি থাকে তখন তার জন্য পবিত্র হজ্জ ফরয হয়ে যায়। সেটাই বলা হয়েছে সাবীলা।
পবিত্র হজ্জ উনার মাস সম্পর্কে মহান আল্লাহ পাক তিনি নিজেই ইরশাদ মুবারক করেছেন-
اَلْـحَجُّ أَشْهُرٌ مَّعْلُوْمَاتٌ
অর্থ: পবিত্র হজ্জের মাসগুলো হচ্ছে চিহ্নিত, সুবিদিত মাস। যেটা সকলেরই জানা রয়েছে, মাশহূর অর্থাৎ প্রসিদ্ধ। (পবিত্র সূরা বাক্বারা শরীফঃ পবিত্র আয়াত শরীফ নং -১৯৭)
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
قَالَ رَسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ شَوَّالٌ وَّ ذُو الْقَعْدَةِ وَذُو الْـحِجَّةِ
অর্থ: সে মাসগুলো হচ্ছে- পবিত্র শাওওয়াল শরীফ, পবিত্র যিলক্বদ শরীফ এবং পবিত্র যিলহজ্জ শরীফ। এ তিনটি হজ্জের মাস।
পবিত্র হজ্জ ফরয হবে যখন এ সময় তার পাথেয় থাকবে এবং এ সময় তার যাতায়াতের সমস্ত ব্যবস্থা থাকবে, ঈমানের, আমলের, মালের, জানের নিরাপত্তা থাকবে তখন পবিত্র হজ্জ ফরয হবে।
আর বিশেষ করে পবিত্র হজ্জের মাসগুলোকে আলাদা একটা সম্মান দেয়া হয়েছে যেটা হারাম মাস হিসেবে মহান আল্লাহ পাক তিনি উল্লেখ করেছেন। মহাপবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে বলে দিয়েছেন। একদিক থেকে পবিত্র হজ্জ উনার সম্মান রয়েছে এবং তার সাথে সাথে পবিত্র কুরবানী উনারও সম্মান রয়েছে।
মহান আল্লাহ পাক তিনি সেটা ইরশাদ মুবারক করেছেন-
اِنَّ عِدَّةَ الشُّهُوْرِ عِنْدَ اللهِ اثْنَا عَشَرَ شَهْرًا فِـيْ كِتَابِ اللهِ يَوْمَ خَلَقَ السَّمٰوَاتِ وَالْأَرْضَ مِنْهَا أَرْبَعَةٌ حُرُمٌ.
অর্থ: নিশ্চয়ই যিনি খ্বাালিক্ব, যিনি মালিক মহান আল্লাহ পাক উনার কাছে আসমান ও যমীন সৃষ্টির শুরু থেকে মহান আল্লাহ পাক উনার কিতাবের মধ্যে মাসের সংখ্যা বারোটি করা হয়েছে। তারমধ্যে চারটি মাস হচ্ছে পবিত্র। (পবিত্র সূরা তওবা শরীফঃ পবিত্র আয়াত শরীফ নং-৩৬)
-আহমদ হুসাইন
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
মহাসম্মানিত সুন্নতী খাবার ছারীদ
০৯ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
মহাসম্মানিত সুন্নতী খাদ্য “রুটি”
০৮ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
উটের গোশ্ত খাওয়া খাছ সুন্নত মুবারক
০৭ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
‘আন্তর্জাতিক পবিত্র সুন্নত মুবারক প্রচার কেন্দ্র’ থেকে সংগ্রহ করুন সুন্নতী লিবাস ‘চাদর’
০৭ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
‘আন্তর্জাতিক পবিত্র সুন্নত মুবারক প্রচার কেন্দ্র’ থেকে সংগ্রহ করুন সুন্নতী লিবাস ‘চাদর’
০৭ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
খরগোশের গোশত খাওয়া খাছ সুন্নত মুবারক
০৬ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
‘আন্তর্জাতিক পবিত্র সুন্নত মুবারক প্রচার কেন্দ্র’ থেকে সংগ্রহ করুন বিভিন্ন প্রকারের সুন্নতী খাবার ‘খেজুর’
০৬ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
‘আন্তর্জাতিক পবিত্র সুন্নত মুবারক প্রচার কেন্দ্র’ থেকে সংগ্রহ করুন বিভিন্ন প্রকারের সুন্নতী খাবার ‘খেজুর’
০৬ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
রুটি-গোশত ও রুটি-খেজুর একত্রে খাওয়া খাছ সুন্নত মুবারক
০৫ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
আন্তর্জাতিক পবিত্র সুন্নত মুবারক প্রচার কেন্দ্র’ থেকে সংগ্রহ করুন সুন্নতী খাবার ‘কিস্সা’
০৫ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
‘আন্তর্জাতিক পবিত্র সুন্নত মুবারক প্রচার কেন্দ্র’ থেকে সংগ্রহ করুন সুন্নতী খাবার ‘কিস্সা’
০৫ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
মহাসম্মানিত সুন্নত তরীক্বায় দোয়ার খাযীনাহ (৭)
০৪ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার)












