চরম বিশ্বাসঘাতকতা করেছে সৌদি আরব
, ১১ শাওওয়াল শরীফ, ১৪৪৫ হিজরী সন, ২২ হাদী আশার, ১৩৯১ শামসী সন , ২১ এপ্রিল, ২০২৪ খ্রি:, ০৮ বৈশাখ, ১৪৩১ ফসলী সন, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) বিদেশের খবর
ইরানের হামলা থেকে দখলদার সন্ত্রাসী কাপুরুষ ইসরায়েলকে বাঁচাতে বেশ কয়েকটি দেশ সহায়তা করে। এদের মধ্যে জর্ডান মুসলিম বিশ্বে সবচেয়ে বেশি সমালোচিত হচ্ছে। দেশটিকে বেঈমান হিসেবে উল্লেখ করছে খোদ জর্ডানিরা। কিন্তু এখন জানা যাচ্ছে আরও চমকপ্রদ তথ্য। যা মুসলিশ বিশ্বের জন্য বেশ দুঃখজনক।
জানা গেছে, গত শনিবারের হামলায় ইরান তিন শতাধিক ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ে। এর উল্লেখযোগ্য সংখ্যক একটি অংশ দখলদার সন্ত্রাসী কাপুরুষ ইসরায়েলে পৌঁছার আগেই জর্ডানের যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করে। এটিকে ফিলিস্তিনের শহীদদের সঙ্গে প্রতারণা হিসেবে মনে করছে গোটা মুসলমানরা।
কিন্তু জর্ডানের এ সফলতা বা দখলদার সন্ত্রাসী কাপুরুষ ইসরায়েলকে রক্ষার পেছনে বেশি কলকাঠি নেড়েছে সৌদি আরব।
অপরদিকে মুসলমানরা দখলদার সন্ত্রাসী কাপুরুষ ইসরায়েলকে চরম শত্রু হিসেবে বিবেচনা করে আসছে।
ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের বরাতে দ্য টাইমস অব ইসরায়েলের প্রতিবেদনে বলা হয়, বেশ কয়েকটি উপসাগরীয় রাষ্ট্র, যার মধ্যে সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাত ইরানের দখলদার সন্ত্রাসী কাপুরুষ ইসরায়েলে হামলার পরিকল্পনার বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রকে গোয়েন্দা তথ্য দিয়েছিল। তাদের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সরবরাহ-ই ছিল বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার সাফল্যের চাবিকাঠি। যা প্রায় সম্পূর্ণভাবে ব্যাপক আক্রমণকে ব্যর্থ করে দিয়েছিল।
এ তথ্যের সত্যতা হিসেবে সৌদি, মার্কিন ও মিসরীয় কর্মকর্তাদের বরাত দেওয়া হয়েছে।
এই সহযোগিতার নেতৃত্বে ছিল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। দেশটি ইরানের হুমকি মোকাবিলায় একটি অনানুষ্ঠানিক সামরিক অংশীদারত্ব গঠনের জন্য বছরের পর বছর চেষ্টা করে আসছে। এরই সুফল ভোগ করেছে দখলদার সন্ত্রাসী কাপুরুষ ইসরায়েল।
ইরানের হামলা ঠেকাতে জর্ডান সক্রিয়ভাবে অংশ নেয়। তার আকাশসীমার মাধ্যমে দখলদার সন্ত্রাসী কাপুরুষ ইসরায়েলের দিকে যাওয়া ড্রোনগুলোকে ভূপাতিত করে।
প্রতিবেদনে কর্মকর্তাদের উদ্ধৃতি দিয়ে বলা হয়েছে, এত ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করার সাফল্যের পেছনে আছে আরব দেশগুলোর তথ্য পাচার। তারা ইরানের পরিকল্পনা সম্পর্কে দখলদার সন্ত্রাসী কাপুরুষ ইসরায়েল ও পশ্চিমা বিশ্বকে গোয়েন্দা তথ্য প্রদানের পাশাপাশি তাদের আকাশসীমার ব্যবহার এবং রাডার ট্র্যাকিংয়ের সযোগ দেয়।
কিছু ক্ষেত্রে সৌদি আরবের সামরিক বাহিনী সরাসরি সহায়তা করে। তার মানে দখলদার সন্ত্রাসী কাপুরুষ ইসরায়েলকে সহায়তাকারী একমাত্র আরব জাতি জর্ডান ছিল না।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, পুরো প্রক্রিয়ায় সৌদি আরব মুখ্য ভূমিকা পালন করে। অন্যান্য আরব দেশ চুপ থেকে অংশ নেয়।
প্রাথমিকভাবে কিছু আরব দেশের সরকার দ্বিধান্বিত ছিল। তারা ভয় পাচ্ছিল, যদি দখলদার সন্ত্রাসী কাপুরুষ ইসরায়েলকে সাহায্য করে তবে ইরানের সঙ্গে সরাসরি সংঘাতের পরিস্থিতি তৈরি হয় কি না। প্রতিশোধের সম্মুখীন হতে হবে কি না। এ ছাড়া গাজা উপত্যকায় হামাসের উপস্থিতিও তাদের ভাবাচ্ছিল।
এর মধ্যেই সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাত তথ্য সরবরাহে রাজি হয়। জর্ডান তাদের আকাশসীমা ব্যবহারের পাশাপাশি নিজেদের যুদ্ধবিমান সহায়তা দেয়।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
মিশরের সামরিক শক্তি ‘বৃদ্ধি’ নিয়ে উদ্বিগ্ন সন্ত্রাসী ইসরায়েল
২৫ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
আজাদ কাশ্মিরে খাবার-জ্বালানি-ওষুধের প্রবেশ বন্ধ করে দিয়েছে পাকিস্তান
২৫ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
আলোচনা চলাকালে জেনেভায় পাকিস্তানের সেনাপ্রধানকে হত্যার ষড়যন্ত্র করেছিলো মোসাদ
২৫ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
২১ হাজার কর্মী ছাঁটাই করলো ওরাকল
২৫ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
ইউরোপজুড়ে দাবদাহে বাজিমাত: স্পেনে প্রাণ গেছে ২১২ জনের
২৫ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
হরমুজ প্রণালিতে নতুন করিডোর চালু করলো ওমান
২৫ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
আমরা কোনো অবস্থাতেই আমাদের প্রতিরক্ষা সক্ষমতা নিয়ে আলোচনা করবো না -পেজেশকিয়ান
২৫ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
যুদ্ধ অবসানের চুক্তিটি ‘যুক্তরাষ্ট্রের পরাজয়ের ঘোষণা’ -ইরান
২৫ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
ইরানের ৩০০ বিলিয়ন ডলারের তহবিল কেবলই ‘আকাক্সক্ষা’ -কাতার
২৫ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
উপসাগরীয় মিত্রদের কাছে ইরানচুক্তি ‘বিক্রির’ চেষ্টায় যুক্তরাষ্ট্র!
২৫ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
যুক্তরাজ্যে ৫০ বছরের রেকর্ড তাপপ্রবাহ, এক হাজারের বেশি স্কুল বন্ধ
২৫ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
‘ইসরায়েল যুদ্ধক্ষেত্রে কখনোই লক্ষ্য অর্জন করতে পারবে না’
২৫ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার)












