কম জন্মহারের কারণে ‘বিস্ময়কর সামাজিক পরিবর্তন’ ঘটবে ইউরোপে
, ০৭ শাওওয়াল শরীফ, ১৪৪৫ হিজরী সন, ১৮ হাদী আশার, ১৩৯১ শামসী সন , ১৭ এপ্রিল, ২০২৪ খ্রি:, ০৪ বৈশাখ, ১৪৩১ ফসলী সন, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) বিদেশের খবর
জন্মহার কমে যাওয়ার কারণে বিস্ময়কর সামাজিক পরিবর্তনের দিকে ধাবিত হচ্ছে ইউরোপ। বৈশ্বিক উর্বরতা সম্পর্কিত একটি সাম্প্রতিক সমীক্ষায় এ তথ্য জানিয়েছে আন্তর্জাতিক মেডিকেল জার্নাল, দ্য ল্যানসেট। খবর আলজাজিরা।
গত মার্চে তাদের সমীক্ষা সম্পর্কিত এ প্রতিবেদনটি সংকলন করেছে ওয়াশিংটন বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউট ফর হেলথ মেট্রিক্স অ্যান্ড ইভ্যালুয়েশনের (আইএইচএমই) আন্তর্জাতিক গবেষকদের একটি দল। ২১০০ শতকের পূর্বাভাসসহ ২০৪টি দেশ ও অঞ্চলে বিশ্বব্যাপী উর্বরতা, ১৯৫০-২০২১ (পিডিএফ)’ শিরোনামে এ প্রতিবেদনটি প্রকাশ করেছে তারা।
সমীক্ষায় দ্য ল্যানসেট জানিয়েছে, ‘২০২১ সালে সমস্ত দেশ ও অঞ্চলে অর্ধেকেরও বেশি হারে প্রতিস্থাপন স্তরের নিচে বিশ্বব্যাপী সন্তান জন্মদানের ক্ষেত্রে নারীদের উর্বরতা হ্রাস পাচ্ছে। ’
অভিবাসনের মাত্রা নিয়ে উদ্বেগে আছে এমন পশ্চিম ইউরোপের দেশগুলোর জন্যও এ উর্বরতা হার হ্রাসের প্রভাব অপরিসীম বলে জানিয়েছে এ প্রতিবেদনের সহপ্রধান।
উর্বরতার হার এবং জীবিত শিশু জন্মের এ ভবিষ্যৎ প্রবণতাগুলো বিশ্ব অর্থনীতি এবং ক্ষমতার আন্তর্জাতিক ভারসাম্যকে সম্পূর্ণরূপে পুনর্বিন্যাস করবে বলেও জানিয়েছে সে। আর জন্মহার হ্রাসের প্রভাব ঠেকাতে সমাজ পুনর্গঠনের প্রয়োজন হবে বলেও এ প্রতিবেদনের সহলেখক উল্লেখ করেছে।
দ্য ল্যানসেটের সমীক্ষার ফলাফল অনুযায়ী, যুক্তরাজ্যে নারীদের সন্তান জন্মদানের ক্ষেত্রে উর্বরতার হার ২০২১ সালে ১.৪৯ শতাংশ থেকে ২০৫০ সালে ১.৩৮ শতাংশে এবং ২১০০ সালে তা ১.৩ শতাংশে নেমে যাওয়ার পূর্বাভাস দেয়া হয়েছে।
এ ফলাফল সঠিক হলে দেশটিকে পরবর্তী আট দশক বা তারও বেশি সময় ধরে অভিবাসনের ওপর নির্ভরশীল হতে হবে।
এছাড়া কম শিশুর জন্ম এবং চিকিৎসার অগ্রগতির কারণে মানুষ দীর্ঘকাল বেঁচে থাকলে দ্রুত বার্ধক্য জনসংখ্যার সম্ভাবনার মুখোমুখি হবে পশ্চিম ইউরোপ।
পশ্চিমা দেশগুলো বয়স্কদের টিকিয়ে রাখার ক্রমবর্ধমান ব্যয়ের কারণে সামনের দশকগুলোয় গুরুতর অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে পারে বলেও সমীক্ষায় জানিয়েছে তারা।
দ্য ল্যানসেটের প্রকাশিত সমীক্ষায় আরো বলা হয়েছে, পশ্চিম ইউরোপে অতি-ডানপন্থীরা দীর্ঘকাল ধরে উর্বরতা হ্রাসের বিষয়টিকে ইতিবাচক হিসেবে দেখে আসছে। তবে সামনের দশকগুলোতে এ জন্মহারের কারণে দেশগুলো পতনের মুখোমুখি হতে পারে।
প্রতিবেদনটিতে ২০২১ সালে যে হার ছিল তা থেকে পশ্চিম ইউরোপে এ উর্বরতার হার ১.৫৩-তে নেমে যাওয়ার পূর্বাভাস দেয়া হয়েছে। আর ২০৫০ সালে এ হার ১.৩৭-এ নেমে আসবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। পশ্চিম ইউরোপের দেশগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি জনসংখ্যা পতনের শিকার হবে স্পেন।
সন্তান জন্মদানের ক্ষেত্রে উর্বরতার হার হ্রাসের কারণ হিসেবে কর্মক্ষেত্রে নারীদের বৃহত্তর অংশগ্রহণ আর সেই সঙ্গে গর্ভনিরোধক ব্যবহারের সুযোগ বৃদ্ধির বিষয়গুলোকে উল্লেখ করেছে বিশেষজ্ঞরা।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
‘ইরান যুদ্ধের কারণে চরম দারিদ্রের কবলে পড়তে পারে উপসাগরীয় অঞ্চলের ৪০ লাখ মানুষ’
০২ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
ইরান ইস্যুতে একা হয়ে পড়ছে যুক্তরাষ্ট্র, আকাশসীমা ব্যবহারে ইউরোপীয় মিত্রদের ‘না’
০২ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
ইরানের নিশানায় এবার অ্যাপল-গুগলের অফিস, কর্মীদের দ্রুত কর্মস্থল ছাড়ার নির্দেশ
০২ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
ইরানের ‘ব্লিটজ’ হামলায় বিপর্যস্ত যৌথ বাহিনী, ব্যাপক ক্ষতির আশঙ্কা
০২ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
জাপানের খাদ্য রফতানি চার বছরের মধ্যে সর্বনিম্নে
০২ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
যোদ্ধাদের হামলায় ভাঙারিতে পরিণত হয় সন্ত্রাসী ইসরাইলের কথিত আয়রণ ডোম।
০২ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
২০০ মার্কিন পাইলটের আবাসন গুঁড়িয়ে দিলো ইরান, বেশ কয়েকটি যুদ্ধবিমান ধ্বংস
০২ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বের সবচেয়ে বড় দুর্বৃত্ত রাষ্ট্র: পাকিস্তানি সাংবাদিক হামিদ মীর
০১ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
এক মাসে মধ্যপ্রাচ্যের ৭ দেশে ৫ হাজার ৪৭১ বার হামলা চালিয়েছে ইরান
০১ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
ইরানে শত্রুর ভূপাতিত ড্রোনের সংখ্যা এ পর্যন্ত ১৪৫ -আইআরজিসি
০১ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
এবার মার্কিন-ইসরায়েলি বাহিনীর অফিসার ও পাইলটদের গোপন আস্তানায় ইরানি হামলা
০১ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
একইসাথে দখলদারদের ২টি ট্যাংক ধ্বংস করার চিত্র প্রকাশ করেছে আল-কাসসাম বিগ্রেড
০১ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার)












