ইউরোপ মরে যেতে পারে: ইইউ পররাষ্ট্র নীতি বিষয়ক প্রধানের বক্তব্য
, ১৩ মে, ২০২৪ ১২:০০:০০ এএম ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) বিদেশের খবর
আল ইহসান ডেস্ক:
আমরা ইউরোপীয়রা আমাদের চারদিকে বন্ধুদের জন্য একটি নিরাপত্তা বলয় তৈরি করতে চেয়েছিলাম। কিন্তু এখন আমরা দেখতে পাচ্ছি চারদিকে আগুনের বলয় তৈরি হয়েছে।
ইউরোপীয় ইউনিয়নের পররাষ্ট্র নীতি বিষয়ক প্রধান জোসেপ বোরেল, ইংল্যান্ডের অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে এক বক্তৃতার সময়, ইউক্রেন যুদ্ধের মতো বিশ্বের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে তার মতামত ব্যাখ্যা করেছে। এ ছাড়া, সে ফিলিস্তিন ইস্যু, আন্তর্জাতিক ব্যবস্থা, চীনের শক্তি বৃদ্ধি এবং নিরাপত্তা ক্ষেত্রে আমেরিকার ওপর নির্ভরশীলতা থেকে বেরিয়ে এসে ইউরোপের আরো স্বাধীন হওয়ার বিষয়ে বক্তব্য দিয়েছে।
জোসেফ বোরেলের বক্তব্য ইউরোপীয় এক্সটারনাল সার্ভিসের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত হয়েছে। এখানে তার কিছু অংশ তুলে ধরা হলো।
'স্নায়ুযুদ্ধের পরে আমরা যে একমেরুকেন্দ্রিক আন্তর্জাতিক ব্যবস্থায় অভ্যস্ত হয়ে পড়েছিলাম তা এখন আর সেই অবস্থায় নেই। কেননা আমেরিকা তার আধিপত্যবাদী অবস্থান হারিয়েছে। প্রকৃতপক্ষে, ১৯৪৫ সালের পর বহুপাক্ষিক বিশ্ব ব্যবস্থার ধারণা ক্রমেই দুর্বল হয়ে পড়ছিল। কিন্তু গত ৩০ বছরে, বিশ্বের জিডিপিতে চীনের অংশীদারিত্ব ৬ শতাংশ থেকে বেড়ে প্রায় ২০ শতাংশ হয়েছে। অথচ আমরা ইউরোপীয়রা ২১ শতাংশ থেকে ১৪শতাংশ এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ২০ শতাংশ থেকে ১৫ শতাংশে নেমে এসেছি। এটা অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে একটি বিরাট পরিবর্তন।
জোসেফ বলেছে, চীন আমাদের এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জন্য বিরাট প্রতিদ্বন্দ্বী হয়ে উঠছে। শুধুমাত্র সস্তা পণ্য উৎপাদনে নয়, একইসাথে বড় সামরিক শক্তি হিসেবে ও প্রযুক্তিগত উন্নয়নে এমন উচ্চতর পর্যায়ে পৌঁছে গেছে যে তারা আগামীতে আমাদের ভবিষ্যত নির্ধারণ করবে। চীন একদিকে রাশিয়ার সাথে নজিরবিহীন বন্ধুত্ব গড়ে তুলেছে অন্যদিকে বিরাট সামরিক শক্তি অর্জন করেছে। বলা যায় চীন বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ শক্তি হিসেবে আত্মপ্রকাশ করতে যাচ্ছে। চিন ব্রিক্সের সদস্য হোক বা অন্য কোনো জোটের সদস্য হোক না কেন সব ক্ষেত্রে নিজেদের শক্ত অবস্থানকে ধরে রেখেছে। এই অবস্থান ধরে রাখার জন্য সিদ্ধান্ত গ্রহণে চীন নিজেদের স্বাধীনতাকে অগ্রাধিকার দেয় এবং কারো পক্ষ হয়ে কাজ করে না। আমরা ইউরোপীয়রা আমাদের চারদিকে বন্ধুদের জন্য একটি নিরাপত্তা বলয় তৈরি করতে চেয়েছিলাম। কিন্তু এখন আমরা দেখতে পাচ্ছি চারদিকে আগুনের বলয় তৈরি হয়েছে। এই আগুনের বলয় মধ্যপ্রাচ্যের উপকূলীয় এলাকা থেকে শুরু করে ককেশাস এবং ইউক্রেনের যুদ্ধক্ষেত্র পর্যন্ত পৌঁছেছে।
জোসেফ বোরেল আরো বলেছে, বিশ্বের কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রণালীতে যেমন লোহিত সাগর এলাকায় ইউরোপের নৌবাহিনী সেখানে সংঘাতে জর্জরিত। এছাড়াও দুটি জায়গায় যুদ্ধ চলছে যেখানে মানুষ তাদের জমি ফিরে পাবার জন্য লড়াই করে যাচ্ছে। একটি হচ্ছে ফিলিস্তিন ভূখ- আর অন্যটি হচ্ছে ইউক্রেন। এক পক্ষ বলছে এটি আমাদের জমি অন্য পক্ষ বলছে না এটি আমাদের জমি। জমির জন্য এই লড়াইয়ে অনেক রক্ত ঝরবে।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
ইরান যুদ্ধ অব্যাহত থাকলে ৬ মাসের মধ্যে ‘সম্পূর্ণ পতন’ ঘটবে যুক্তরাষ্ট্রের -মার্কিন বিশেষজ্ঞ
৩১ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
যেভাবে ইরানি হামলায় ধ্বংস হয় ৫০ কোটি ডলারের মার্কিন নজরদারি বিমান
৩১ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
দোকান-রেস্তোরাঁর বিল না দিতে ইরানের হামলার জন্য অপেক্ষা করে ইসরায়েলিরা!
৩১ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
ইরান যুদ্ধে অংশ নেওয়া মার্কিন বিমানের জন্য আকাশসীমা বন্ধ করলো স্পেন
৩১ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
ইরান-হিজবুল্লাহর যৌথ হামলায় জ্বলছে ইসরাইলের হাইফা
৩১ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
যুক্তরাষ্ট্রে ট্রাম্পের বিরুদ্ধে ৮০ লাখ মানুষের বিক্ষোভ
৩০ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
সৌদি যুবরাজকে নিয়ে ট্রাম্পের কটাক্ষ!
৩০ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
সৌদিতে হামলা চালিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ বিমান ধ্বংস করে দিলো ইরান
৩০ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
‘যুক্তরাষ্ট্র স্থল হামলা চালালে আমিরাতকে তছনছ করা হবে’
৩০ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
ইসরায়েলি স্বার্থে ইরান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র, সাবেক মার্কিন সেনাদের দাবি -হাসপাতালগুলো যুদ্ধাহত মার্কিন সেনাদের ভিড়ে পূর্ণ
৩০ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
ওয়েলকাম টু হেল: ইরানে পা রাখা মার্কিন সেনারা ফিরে যাবে ‘কফিনে’
৩০ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
যোদ্ধাদের হামলার পর পুড়ে অঙার হওয়া দখলদারদের সামরিক যান
৩০ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার)












