সম্পাদকীয় (১)
আজ মহিমান্বিত ‘আখিরী চাহার শোম্বাহ শরীফ’। পবিত্র আখিরী চাহার শোম্বাহ শরীফ উনার বিরোধিতাকারীরা গুমরাহ ও উলামায়ে ‘সূ’র অন্তর্ভুক্ত। এদেরকে পরিহার করা ফরয-ওয়াজিব।
, ২৯ ছফর শরীফ, ১৪৪৬ হিজরী সন, ০৭ রবি , ১৩৯২ শামসী সন , ০৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৪ খ্রি:, ২০ ভাদ্র , ১৪৩১ ফসলী সন, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) সম্পাদকীয়
সব প্রশংসা মুবারক খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার জন্য; যিনি সকল সার্বভৌম ক্ষমতার মালিক। সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নবী আলাইহিমুস সালাম উনাদের নবী, রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি অফুরন্ত দুরূদ শরীফ ও সালাম মুবারক।
(১)
“তোমরা ততক্ষণ পর্যন্ত পূর্ণ মু’মিন হতে পারবেনা; যতক্ষণ পর্যন্ত তোমরা তোমাদের মা-বাবা, ভাই-বোন, আত্মীয়-স্বজন, অর্থ-সম্পদ এমনকি নিজের জীবন থেকে আমাকে বেশি মুহব্বত মুবারক না করবে। ” মহাসম্মানিত হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুমগণ উল্লিখিত পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার পরীক্ষায় অসংখ্যবার প্রত্যেকবার চূড়ান্ত সফলতার সাথে উত্তীর্ণ হয়েছেন। সুবহানাল্লাহ! সুবহানাল্লাহ! সুবহানাল্লাহ!
পাশাপাশি- কী জিহাদ মুবারকে, কী আদেশ-নিষেধ পালনে, কী বিধিবিধান বাস্তবায়নে, কী সব ধরণের আত্মত্যাগে, কী ফায়সালা গ্রহণে, সব বিষয়েই উল্লিখিত পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার অনন্য মিসদাক মুবারক হয়েছেন। তার পাশাপাশি আরো এক মহান ঐতিহাসিক নজীর মুবারক, অনন্য দৃষ্টান্ত মুবারক উনারা স্থাপন করেছেন। তা হলো নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত মারিদ্বী শান মুবারক গ্রহণ উনাদের কাছে কত বেদনার, কত বিরহের, কত অশ্রুর, কত কষ্টের! পাশাপাশি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ছিহ্হাতী শান মুবারক গ্রহণ হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদের কত কত বেমেছাল, অবর্ণনীয়, ভাষাহীন আনন্দের, সুখের, শুকরিয়া মুবারক উনার বিষয়! তারও চরম বহিঃপ্রকাশ। সুবহানাল্লাহ! সুবহানাল্লাহ! সুবহানাল্লাহ!
প্রসঙ্গত, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন নাবিইয়ীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি যমীনে অবস্থান মুবারক করার শেষ বছরে অর্থাৎ ১১ হিজরী সালের পবিত্র মুহররমুল হারাম শরীফ মাস উনার তৃতীয় সপ্তাহে মহাসম্মানিত মারীদ্বী শান মুবারক প্রকাশ করেন। অতঃপর আবার পবিত্র ছিহহাতী শান মুবারক প্রকাশ করেন। এরপর আবার পবিত্র ছফর শরীফ মাস উনার তৃতীয় সপ্তাহে মহাসম্মানিত মারীদ্বী শান মুবারক প্রকাশ করেন। অতঃপর পবিত্র ছফর শরীফ মাস উনার শেষ ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) সকালে তিনি পবিত্র ছিহহাতী শান মুবারক প্রকাশ করেন। এ খবর হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুমগণ উনাদের মাঝেও ছড়িয়ে পড়ে। উনারা মুহব্বত উনার ফল্গুধারায় উৎফুল্ল হয়ে উঠেন এবং মুক্তহস্তে হাদিয়া মুবারক পেশ করে শুকরিয়া আদায় করেন। এ ঘটনাই ইতিহাসে ‘পবিত্র আখিরী চাহার শোম্বাহ শরীফ’ হিসেবে অভিহিত। আজ সেই মহিমান্বিত ‘পবিত্র আখিরী চাহার শোম্বাহ শরীফ’।
(২)
‘আখিরী’ শব্দটি ফার্সী হিসেবেই ব্যবহারিত হয়েছে। এর অর্থ- শেষ। আর ‘চাহার শোম্বাহ’ও ফার্সী শব্দ। এর অর্থ- বুধবার। ‘পবিত্র আখিরী চাহার শোম্বাহ শরীফ’ বলতে পবিত্র ছফর শরীফ মাস উনার শেষ ইয়াওমুল আরবিয়া বা বুধবার উনাকে বুঝানো হয়ে থাকে। এ দিনটি মুসলিম উম্মাহর জন্য এক বিশেষ খুশির দিন।
‘আখিরী চাহার শোম্বাহ শরীফ’ উনার বর্ণনায় জানা যায়, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি বললেন, আমার হযরত আওলাদ শরীফ অর্থাৎ সাইয়্যিদাতুনা হযরত আন নূরুর রবিয়াহ যাহরা আলাইহাস সালাম উনাকে সহ অন্যান্য আওলাদ আলাইহিন্নাস সালাম ও আওলাদ আলাইহিমুস সালাম উনাদেরকে খবর দিন। আর সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুছ ছানী মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এবং সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুছ ছালিছ মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদেরকে সহ অন্যান্য হযরত নাওয়াসা ও হযরত নাওয়াসী আলাইহিমুস সালাম উনাদেরকেও নিয়ে আসতে বলুন। সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আছ ছালিছাহ ছিদ্দীক্বাহ আলাইহাস সালাম তিনি সকলকে সংবাদ দিলেন। অতঃপর সাইয়্যিদাতুনা হযরত আন নূরুর রবিয়াহ যাহরা আলাইহাস সালাম তিনি এবং সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুছ ছানী মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এবং সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুছ ছালিছ মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনারা এবং অন্যান্য হযরত নাওয়াসা ও হযরত নাওয়াসী আলাইহিমুস সালাম উনারা সবাই নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মুবারক খিদমতে এসে হাজির হলেন। সুবহানাল্লাহ!
অতঃপর রুটি, গোশত ও সিরকা মুবারক নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার খিদমত মুবারক-এ পরিবেশন করা হলো। তিনি সকলকে নিয়ে খাদ্য মুবারক গ্রহণ করে খুশি প্রকাশ করলেন। সংবাদ শুনে হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনারাও বাইরে এসে হাজির হন।
(৩)
আখিরী রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি দীর্ঘদিন মহাসম্মানিত মারীদ্বী শান মুবারকে থাকার পর মহাপবিত্র ছিহহাতী শান মুবারক প্রকাশ করে পবিত্র মসজিদে নববী শরীফ উনার মধ্যে তাশরীফ মুবারক নেন এবং নামাযের ইমামতী মুবারক করেন। এই অপার আনন্দে হযরত ছাহাবী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুমগণ উনারা উজারভাবে হাদিয়া মুবারক করেন। সুবহানাল্লাহ! সুবহানাল্লাহ! সুবহানাল্লাহ!
উল্লেখ্য, গোটা মুসলিম বিশ্বে আখেরী চাহার শোম্বাহ শরীফ অতীত ইতিহাস হতেই আলাদা ঐতিহ্যমন্ডিত এবং সংবেদনশীল ইসলামী বিষয় হিসেবে পালিত হয়ে আসছে। স্বাধীনতা পূর্ব তো বটেই স্বাধীনতা উত্তরকালেও বাংলাদেশে আখেরী চাহার শোম্বাহ শরীফ বিশেষ ভাবগাম্ভির্য ও ব্যাপক জাক-জমকের সাথে পালিত হতো। বিশেষ করে স্কুল, কলেজগুলিতে এদিন ছুটি থাকতো এবং বিশেষ মীলাদ শরীফ ও আলোচনা মাহফিলও হতো। মসজিদে মসজিদে ওয়াজ মাহফিল, পবিত্র মীলাদ মাহফিল ও তাবারুকের আয়োজন চলতো। কিন্তু এখন স্কুল কলেজগুলো তো দূরের কথা খোদ মসজিদ গুলোতেই আখেরী চাহার শোম্বাহ শরীফ পালিত হয়না। নাঊযুবিল্লাহ!
যারা পবিত্র আখিরী চাহার শোম্বাহ শরীফ পালনের বিরোধিতা করে তারা মূলত আখিরী রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার এবং উনার সম্মানিত আহলে বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের মুহব্বত মুবারকেরই বিরোধিতা করে থাকে। নাঊযুবিল্লাহ!
সঙ্গতকারণেই এরা মুসলমান থাকতে পারে না। এরা বাতিল ৭২ ফিরক্বা তথা উলামায়ে ‘সূ’দের অন্তর্ভুক্ত। এদের ফতওয়া পরিত্যাজ্য। এরা নিকৃষ্ট ফিতনাবাজ। এদের পরিহার করা আবশ্যিক কর্তব্য।
উল্লেখ্য, পবিত্র আখিরী চাহার শোম্বাহ শরীফ উনার হক্ব আদায়ে আমাদের উচিত- বর্তমান যামানার খাছ লক্ষ্যস্থল আওলাদে রসূল, যামানার ইমাম ও মুজতাহিদ, মুজাদ্দিদে আ’যম, সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার প্রতিটি বিষয়কে সেরূপ মূল্যায়ন করা এবং উনার মুবারক খিদমতে অকাতরে হাদিয়া করা।
পাশাপাশি ৯৮ ভাগ মুসলমান অধ্যুষিত এদেশের রাষ্ট্রদ্বীন পবিত্র দ্বীন ইসলাম। তাই এদেশের সরকারেরও উচিত- যথাযথ পৃষ্ঠপোষকতা করে এ সুমহান দিবসটি পালন করা।
ছহিবে সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, রাজারবাগ শরীফ উনার মামদূহ মুর্র্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার নেক ছোহবত মুবারক-এ কেবলমাত্র তা লাভ করা সম্ভব। খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি আমাদেরকে তা নছীব করুন। আমীন।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
‘সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া দিতে চাইলে ভারতের সঙ্গে আলোচনা হবে’- স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর এই বিবৃতিকে আরো সমুন্নত করে ‘শক্ত প্রতিবাদ’ ও ‘প্রতিহতের কথা’ সংযুক্ত করতে হবে।
১৪ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
আজ বিশেষ সম্মানিত, ফযীলত এবং রহমত, বরকতযুক্ত তথা ঐতিহাসিক ২৪শে যিলক্বদ শরীফ। সুবহানাল্লাহ! তেরো হিজরী শতকের মুজাদ্দিদ, মুজাহিদে মিল্লাত, শহীদে বালাকোট, আমীরুল মু’মিনীন সাইয়্যিদ আহমদ শহীদ বেরেলবী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার পবিত্র শাহাদাতী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। সুবহানাল্লাহ!
১৩ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
শিশু কিশোরদের মাঝে ডায়াবেটিসের প্রকোপ ভয়াবহ যা মারাত্মকভাবে বাড়ছে। শিশু-কিশোরদের ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে ও প্রতিরোধে জরুরীভাবে নজর দেয়া উচিত।
১২ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
নির্বাচন, গণতন্ত্র শুধু বাংলাদেশে নয় ভারতেও হারাম। সর্বভারতীয় জাতীয়তাবাদও কাট্টা হারাম। মমতাই কৌশলে তার শিষ্য ও চরম যালিম কুভেন্দুকে বসিয়ে তার মাধ্যমে হিন্দুত্ববাদ প্রচারের ব্যবস্থা করে দিলো। হারাম থেকে বাচলে মুসলমান মহান আল্লাহ পাক উনার কুদরতী হেফাজত পাবে- ‘ইনশাআল্লাহ’।
১১ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
বিগত জালেমশাহী সরকারগুলোর মত শুধু লবন প্রদানেই আর চামড়া সংরক্ষণেই নজর দিলে হবে না। চামড়ার দাম বৃদ্ধির মাধ্যমে লাখ লাখ মাদরাসা, তালিব ইলম-ইয়াতীমদের সারা বছর ভালোভাবে বেঁচে থাকার ব্যবস্থা করতে হবে ইনশাআল্লাহ
১০ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
সংখ্যালঘুদের উৎসব স্থানগুলিতে নিরাপত্তা দেয়া হলেও ৯৮ ভাগ জনগোষ্ঠী মুসলমানের কুরবানীর পশু ব্যবসায়ীদের জন্য এবং কুরবানীর হাটে যথাযথ নিরাপত্তাও থাকে না কুরবানীর হাটকে কেন্দ্র করে এবং কুরবানীর পশু বিক্রির সময় ঘাটে ঘাটে চাঁদাবাজি বন্ধ হয় না পবিত্র কুরবানী সংশ্লিষ্ট বিষয়ে সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতার বহিঃপ্রকাশ ঘটাতে হবে। হাটের হাসিলের টাকা সরকারী কোষাগার থেকেই ব্যবস্থা করতে হবে।
০৮ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
‘সবার আগে বাংলাদেশ’- শ্লোগানই যথার্থ। সব সমস্যার সমাধান সবার আগে বাংলাদেশেই আছে। জ্বালানী সংকটের উপায় পাওয়া যাচ্ছে কুষ্টিয়ার মনিরুল আবিস্কৃত বিকল্প ও সাশ্রয়ী ডিজেল উদ্ভাবনে। সরকারী পৃষ্ঠপোষকতায় এর সুফল সারাদেশে ছড়িয়ে দিতে হবে ইনশাআল্লাহ
০৭ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
অতীতের মত উচ্চাভিলাসী বাজেট দিয়ে রাজস্ব বাড়ানোর লক্ষ্যে ভ্যাট-ট্যাক্স বাড়ালে জনজীবন আরো বিপর্যস্থ হবে। অবকাঠামোগত উন্নয়ন বাজেটের পরিবর্তে মানব সম্পদ উন্নয়ন ও জনসেবায় ব্যায় বাড়াতে হবে।
০৬ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
আজ মহিমান্বিত ১৬ই যিলক্বদ শরীফ। সুবহানাল্লাহ! নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সাথে সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, উম্মুল মু’মিনীন, সাইয়্যিদাতুনা হযরত আছ ছালিছাহ আশার আলাইহাস সালাম উনার পবিত্র নিসবাতুল আযীম শরীফ দিবস। সুবহানাল্লাহ!
০৫ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
সমুদ্রে তেল-গ্যাস অনুসন্ধানে কোনো বিদেশি কোম্পানি সাড়া দেয়নি বলে এতো হা হুতাশ কেনো? বাপেক্সকেই সমুদ্রেও তেল-গ্যাস অনুসন্ধানের দায়িত্ব দেয়ার দায়িত্ববোধ- কেবলমাত্র খিলাফত আলা মিনহাজিন নুবুওওয়াহ্র পরিক্রমাই সম্ভব ইনশাআল্লাহ
০৪ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
মুবারক হো- মহিমান্বিত ১১ই যিলক্বদ শরীফ! যা ইমামুল আউলিয়া, হাবীবে ওয়া মাহবুবে রহমান, আওলাদে রসূল, সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুছ ছামিন মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার এবং সিবতু সুলত্বানিন নাছীর, সাইয়্যিদুল কাওনাইন, মহাসম্মানিত ইমাম হযরত সাইয়্যিদুল উমাম আল আউওয়াল আলাইহিস সালাম উনাদের মহিমান্বিত বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ করার সুমহান দিবস। সুবহানাল্লাহ!
৩০ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
সৌর বিদ্যুৎ প্রসারে প্রধান বাধা হলো উচ্চ কর ও শুল্ক। নবায়নযোগ্য জ্বালানির প্রতি নীতিনির্ধারক এবং সাধারণ মানুষের মনে একটা বদ ধারণা তৈরি করার জন্য একটা গোষ্ঠী খুব তৎপর। বড় বিনিয়োগকারীরা সুবিধা পাচ্ছে, কিন্তু সাধারণ জনগণ পিছিয়ে পড়ছে। এটি সৌর বিদ্যুতের গণমুখী বিস্তারকে বাধাগ্রস্ত করছে। সরকারের উচিৎ সহায়ক নীতিকাঠামো দিয়ে বেসরকারি খাতকে উৎসাহিত করা।
২৯ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার)












