 |
|
|
 |
হাদীছ শরীফ-এ ইরশাদ হয়েছে, তোমরা চাঁদ দেখে রোযা রাখো এবং চাঁদ দেখে ঈদ করো। বাংলাদেশে ৯ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার শাওওয়াল মাসের চাঁদ দেখা যাবার সম্ভাবনা কম। চাঁদ দেখে ঈদ পালন করতে হলে সউদী আরবকে ৩১টি রোযা পূর্ণ করতে হতে পারে; যা শরীয়তসম্মত নয়। মনগড়া তারিখে মাস শুরুর প্রহসন থেকে সউদী সরকারকে খালিছ ইস্তিগফার করা উচিত।
যামানার লক্ষ্যস্থল ওলীআল্লাহ, যামানার ইমাম ও মুজতাহিদ, ইমামুল আইম্মাহ, মুহইস সুন্নাহ, কুতুবুল আলম, মুজাদ্দিদে আ’যম, আওলাদুর রসূল, হাবীবুল্লাহ, ইমাম রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী তিনি বলেন, হাদীছ শরীফ-এ ইরশাদ হয়েছে, “তোমরা চাঁদ দেখে রোযা রাখো এবং চাঁদ দেখে ঈদ করো।” বাংলাদেশে ৯ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার শাওওয়াল মাসের চাঁদ দেখা যাবার সম্ভাবনা কম। চাঁদ দেখে ঈদ পালন করতে হলে সউদী আরবকে ৩১টি রোযা পূর্ণ করতে হতে পারে; যা শরীয়তসম্মত নয়। মনগড়া তারিখে মাস শুরুর প্রহসন থেকে সউদী সরকারকে খালিছ ইস্তিগফার করা উচিত। যামানার ইমাম ও মুজতাহিদ, মুজাদ্দিদে আ’যম মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী- তিনি সউদী আরবের ‘উম্মুল কুরার’ ক্যালকুলেশন পদ্ধতি বাদ দিয়ে হাদীছ শরীফ-এর নির্দেশনা অনুযায়ী খালি চোখে চাঁদ দেখে মাস শুরু করার জন্য বিশেষ নছীহত পেশ এবং আগামী সময়ের জন্য সতর্ক করা কালে এ কথা বলেন। মুজাদ্দিদে আ’যম, ইমাম রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী- পৃথিবীর অধিকাংশ মুসলিম দেশে আরবী মাস শুরু নিয়ে যে বিভ্রান্তি চলছে তার জন্য সউদী আরব সরকারকে বিশেষভাবে দায়ী করে তিনি বলেন, সউদী আরবের আরবী মাস গণনার ত্রুটির কারণে তাদের অনুসরণকারী প্রায় ২০টি দেশ পবিত্র রমাদ্বান মাসের চাঁদ দেখা যাবার একদিন পূর্বে রোযা পালন শুরু করেছে এবং শাওওয়াল মাসের চাঁদ দেখা যাওয়ার একদিন পূর্বে অর্থাৎ এ বছর ৩০শে রমাদ্বান শরীফ-এ ঈদ পালন করতে যাচ্ছে। প্রায় ২০টি দেশ সউদী আরবকে অনুসরণ করে চাঁদ না দেখে ১১ আগস্ট, বুধবার থেকে রমাদ্বান শরীফ শুরু করেছে। চাঁদ না দেখে নিজস্ব ক্যালকুলেশন পদ্ধতি ব্যবহার করেছে ৫টি দেশ এবং চাঁদ না দেখে সরকারি তরফ থেকে ঘোষণা দেয়া হয়েছে আরো ৭টি দেশ থেকে। উল্লেখ্য, ইন্দোনেশিয়া এবং সউদী আরব মিথ্যা সাক্ষী যোগাড় করে চাঁদ দেখার সরকারি ঘোষণা দেয়। ইন্দোনেশিয়া এবং সউদী আরবের সরকারি ঘোষণা মূলত ২০টিরও অধিক দেশকে প্ররোচিত করেছে। সউদী আরবের ত্রুটিপূর্ণ চাঁদ দেখার পদ্ধতি মূলত বিশ্বের বিভিন্ন দেশে আরবী মাস শুরুর ক্ষেত্রে প্রধান বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। ‘পৃথিবীর কোথাও চাঁদ দেখা গেলে সারা বিশ্বের জন্য তা প্রযোজ্য’- সউদী আরবের এই নীতির সমর্থনযোগ্য নয়। কেননা সউদী আরবে চাঁদ দেখার ৬টি কমিটি রয়েছে এবং চাঁদ খোঁজার জন্য সরকারি তরফ থেকে ঘোষণাও দেয়া হয়। অথচ প্রায় প্রতি মাসে এবং রমাদ্বান শরীফ মাসের মতো গুরুত্বপূর্ণ, তাৎপর্যপূর্ণ মাসে চাঁদ না দেখা গেলেও মিথ্যা সাক্ষী যোগাড় করে মাস শুরুর বিষয়টি গভীর ষড়যন্ত্রের ইঙ্গিত বহন করে। মুজাদ্দিদে আ’যম, ইমাম রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী তিনি বলেন, রমাদ্বান শরীফ মাসে অমাবস্যা সংঘটিত হবে ৮ সেপ্টেম্বর বুধবার। সেদিন পবিত্র শাওওয়াল মাসের চাঁদ দেখা যাওয়ার কোন সম্ভাবনা নেই। ৯ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার বাংলাদেশের পূর্বের কয়েকটি দেশ যেমন বার্মা, লাওস, কম্বোডিয়া এবং পশ্চিমে ভারত, পাকিস্তান, আফগানিস্তান এমনকি সউদী আরবেও চাঁদ দেখা যাওয়ার সম্ভাবনা কম। সুতরাং এই দেশগুলো ১০ সেপ্টেম্বর, শুক্রবার পবিত্র ঈদুল ফিতর পালন করলেও চাঁদের প্রকৃত হিসাবে দিনটি হবে ৩০শে রমাদ্বান শরীফ। মুজাদ্দিদে আ’যম, ইমাম রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী তিনি বলেন, বাংলাদেশ চাঁদ তালাশ করবে ৯ সেপ্টেম্বর ২০১০ ঈসায়ী, বৃহস্পতিবার। সেদিন সন্ধ্যায় চাঁদের বয়স হবে ২৫ ঘণ্টা ৩০ মিনিট। দিগন্তরেখার উপর চাঁদের উচ্চতা থাকবে মাত্র ৬ ডিগ্রি (প্রায়), কৌণিক দূরত্ব ১৬ ডিগ্রি, সূর্যাস্ত এবং চন্দ্রাস্তের সময়ের পার্থক্য হবে মাত্র ২৬ মিনিট। সুতরাং সেদিন চাঁদ দেখতে পাওয়ার সম্ভাবনা খুব কম। সুতরাং ৩০টি রোযা পূর্ণ করে বাংলাদেশ পবিত্র ঈদুল ফিতর পালন করবে ১১ সেপ্টেম্বর ২০১০ ঈসায়ী, শনিবার। সর্বশেষে মুজাদ্দিদে আ’যম, ইমাম রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী তিনি চাঁদ দেখে আরবী মাস শুরু করার ব্যাপারে বিশ্বের সকল মুসলিম দেশগুলোর শাসকগোষ্ঠীসহ সকলকে আরো আন্তরিক হবার জন্য পুনরায় জোর দিয়ে উল্লেখ করেন।
|
 |
 |
 |
 |
|
|
|
 |
 |
 |
|