অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন...

al-ihsan.net
বাংলা | English

দেশের খবর - ২০ ফেব্রুয়ারী, ২০১২
 
অর্থসঙ্কটে আর্থিক প্রতিষ্ঠানের বিনিয়োগ বন্ধ
নিজস্ব প্রতিবেদক:

আর্থিক সঙ্কটের কারণে নন-ব্যাংকিং প্রতিষ্ঠানগুলোর সবধরনের বিনিয়োগ বন্ধ হয়ে গেছে। বিগত চার মাস থেকে কোনো ধরনের বিনিয়োগ সম্ভব হচ্ছে না। অন্যদিকে ব্যাংকগুলো সুদ-হারের সর্বোচ্চ সীমা মানছে না বলে আমানত সংগ্রহ করা যাচ্ছে না। গতকাল রোববার সকালে আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রধানদের সঙ্গে ব্যাংক গভর্নরের বৈঠকের পর এসব কথা বলেন নন-ব্যাংকিং ফাইন্যান্স ইনস্টিটিউশনের চেয়ারম্যান আসাদ খান।
কেন্দ্রীয় ব্যাংক কার্যালয়ের কনফারেন্স রুমে আয়োজিত এ বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ ব্যাংক গভর্নর ড. আতিউর রহমান। এ সময় আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর নির্বাহী প্রধান, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর জন্য নির্ধারিত আমানতের সুদ হারের সর্বোচ্চ সীমা মানছে না ব্যাংকগুলো অভিযোগ করে আসাদ খান বলেন, আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো ১৮-১৯ শতাংশের নিচে ব্যাংক থেকে আমানত বা বিনিয়োগ সংগ্রহ করতে পারছে না।
তিনি বলেন, দীর্ঘমেয়াদী ঋণের অর্থায়ন মূলত আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো করে থাকে। কিন্তু বর্তমানে উচ্চ সুদ হারে আমানত সংগ্রহ করলে সুদহার ১ শতাংশের উপরে ধরা যায় না। কলমানি মার্কেটেও সুদ-হার অনেক বেশি। তাই বাধ্য হয়েই বিনিয়োগ বন্ধ রেখেছে আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো।
বৈঠক শেষে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর এসকে সুর চৌধুরী সাংবাদিকদের বলেন, বন্ড মার্কেট উন্নয়নের জন্য কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সঙ্গে আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর আলোচনা হয়েছে। আর্থিক প্রতিষ্ঠানসমূহকে অনধিক ৬০ হাজার টাকা পর্যন্ত ডিপোজিট পেনশন স্কিম (ডিপিএস) কর ছাড়ের বিষয়ে বিবেচনা করবে বাংলাদেশ ব্যাংক।
তিনি বলেন, আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য নতুন শাখা খোলার বিষয়ে নীতিমালা আরো সহজ করা হবে। যে ব্যাংকগুলো সুদের সর্বোচ্চ সীমা মানছে না তাদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে।
বন্ড মার্কেটের উন্নয়ন খুবই জরুরি উল্লেখ করে ব্যাংক গভর্নর ড. আতিউর রহমান তার লিখিত বক্তব্যে বলেন, বন্ড ইস্যুর মাধ্যমে আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর তহবিল সংগ্রহের সুযোগ রয়েছে। যা দেশের বন্ড মার্কেট উন্নয়নে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে।
আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর পক্ষ থেকে আমানত সংগ্রহের ন্যূনতম মেয়াদকাল তিন মাস করার প্রস্তাব করা হলেও ব্যক্তি আমানতকারীদের কাছ থেকে এক বছর ও প্রতিষ্ঠান আমানতকারীদের ন্যূনতম মেয়াদ ছয় মাস বহাল রাখা হয়। বৈঠকে মোট সাতটি এজেন্ডা নিয়ে আলোচনা হয়। আর্থিক প্রতিষ্ঠানের দাবিগুলো বিবেচনা করা হবে বলে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পক্ষ থেকে জানানো হয়।







For the satisfaction of Mamduh Hazrat Murshid Qeebla Mudda Jilluhul Aali
Site designed & developed by Muhammad Shohel Iqbal