ইসলামিক শিক্ষা - ২৬ মার্চ, ২০১২
| চতুর্থ কারণ: কাফির-মুশরিকদের ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে একটি শক্তিশালী প্রতিবাদ। আসুন আবার সূরা শূয়ারা-এর দিকে লক্ষ্য করি। সূরা শূয়ারা-এর ২২৪ নম্বর আয়াত শরীফ-এ বেদ্বীনদের অনর্থক, ভ্রান্ত, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত, কুরুচিসম্পন্ন ও শরীয়তবিরোধী কবিতার সমালোচনা করা হয়েছে। আমাদের জানা রয়েছে যে, সঙ্গীতে থাকে (অধিকাংশ ক্ষেত্রে) অনর্থক শব্দ, অনর্থক বিষয়, থাকে শালীনতা বিবর্জিত শব্দ এবং অর্থ। পৃথিবীর মুসলমানদের হক পথ থেকে সরিয়ে দেয়ার জন্য চালানো হচ্ছে Cultural Aggression| সূদুর মিশর, সউদী আরব, দুবাইসহ সারা মধ্যপ্রাচ্যে-মার্কেট দখল করে আছে ভারতীয় চলচ্চিত্র, ভারতীয় গান বাজনা। পাকিস্তানেও তাই। বাংলাদেশ তো ভারতের কলোনীর মতো। ভারতীয় সংস্কৃতি পালনের জন্য এদেশে হিন্দুরা বিভিন্ন কালচারাল সংগঠনের মাধ্যমে অর্থায়ন করে। ব্যাপকভাবে তাদের নাটক, সিনেমা, গান বাজনা প্রচার-প্রসারের আয়োজন করে। নাঊযুবিল্লাহ! যামানার ইমাম ও মুজতাহিদ, মুজাদ্দিদে আ’যম সাইয়্যিদুনা মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি বিভিন্ন মানের ক্বাছীদা শরীফ লেখার উৎসাহ দিয়ে, পত্রিকায় প্রচার করে, ক্বাছীদা শরীফ-এর সিডি ক্যাসেট প্রকাশ করে, সামা শরীফ-এর অনুষ্ঠানে মানুষকে আগ্রহশীল করে এর সমুচিত শিক্ষা দিচ্ছেন। মূলত, এটাও সুন্নত পালন। কারণ অনেক ইহুদী লেখক যেমন কা’ব বিন আশরাফ এবং আবূ রাফে এবং আরো অনেকে নূরে মুজাস্সাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার শান মান-এর খিলাফ কথা লিখতো এবং প্রচার করে বেড়াতো। পরবর্তীতে নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি তাদের কথার প্রতি উত্তর দেয়ার আয়োজন করেন। (ইনশাআল্লাহ চলবে) |