al-ihsan.net
বাংলা | English

প্রধানমন্ত্রীর চীন সফর
চীন মৈত্রী সেতু, সার কারখানা ও সৌর বিদ্যুৎ স্থাপনে সহায়তা চাইবে ঢাকা
নিজস্ব প্রতিবেদক

চীনা প্রেসিডেন্ট হু-জিন-তাও এর আমন্ত্রণে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আগামী ১৭ মার্চ চীন সফরে যাচ্ছেন। প্রধানমন্ত্রীর এ সফরে চীন থেকে বড় ধরণের অর্থনৈতিক সহায়তা চাওয়া হবে। বিশেষ করে সপ্তম বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সেতু, ইউরিয়া সার কারখানা ও সৌরবিদ্যুৎ নির্মাণ প্রস্তাব আলোচনায় থাকবে। পাশাপাশি ভারত, নেপাল, ভুটানের মতো চীনও চট্টগ্রাম বন্দর ব্যবহারের জন্য আলোচনা হবে। গতকাল রবিবার পররাষ্ট্র মন্ত্রী ডা. দীপু মনি তার মন্ত্রণালয়ে সংবাদ সম্মেলনে একথা জানিয়েছে।
পররাষ্ট্র মন্ত্রী জনান, ১৭ মার্চ বঙ্গবন্ধুর জন্মবার্ষিকী উদ্‌যাপন অনুষ্ঠানে অংশ গ্রহন শেষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঐ দিন বিকেলে বেইজিংয়ে উদ্দেশ্যে ঢাকা ত্যাগ করবেন তিনি। ১৮ মার্চ সকালে চীনের গ্রেটওয়ালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে আনুষ্ঠানিকভাবে অভ্যর্থনা জানাবেন সে দেশের প্রধানমন্ত্রী। বিকেলে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। ১৯ মার্চ ব্যবসায়ীদের সঙ্গে বৈঠক হবে। ২০ মার্চ চীনের অঞ্চলের ইউনানে যাবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সেখানকার মেয়র তাকে অভ্যর্থনা জানাবেন। ইউনানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা চীনের কুমিং থেকে চট্টগ্রাম রেল যোগাযোগের সম্ভাব্যতা পরির্দশন করবেন। তিনি ২১ মার্চ ঢাকার উদ্দেশ্যে বেইজিং ত্যাগ করবেন। প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গী হিসেবে থাকবেন বাণিজ্য মন্ত্রী লে. কর্নেল (অব.) ফারুক খান, যোগাযোগ মন্ত্রী সৈয়দ আবুল হোসেন, শিল্প মন্ত্রী দীলিপ বড়-য়া ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী দীপঙ্কর তালুকদার এছাড়া ব্যবসায়ী প্রতিনিধি দল।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রীর এই সফরের শীর্ষ বৈঠকে মূলত সড়ক যোগাযোগ, অবকাটামোগত উন্নয়ন, তৃতীয় সৌরবিদ্যুত কেন্দ্র স্থাপনে সহায়তা চাওয়া হতে পারে। এছাড়া ইউরিয়া সার কারখানা স্থাপন, সপ্তম চীন-বাংলাদেশ মৈত্রী সেতু, কৃষি খাতসহ বাংলাদেশের বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পে চীনের অর্থনৈতিক সহযোগিতার প্রস্তাব দেবে। একাধিক সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষরের সম্ভাবনা আছে ।
প্রধানমন্ত্রীর এ সফরে সামরিক খাতে কোনো কিছু ক্রয় হবে কি না, জানতে চাওয়া হলে ডা. দীপু মনি এবিষয়ে স্পর্ষ্ট কিছু বলেননি।
প্রসংগত, চীন বাংলাদেশের প্রতিরক্ষা খাতে অস্ত্র রপ্তানিতে বড় ধরণের ভূমিকা রেখে আসছে। ২০০৬ সালে চীন বাংলাদেশে ৬৫টি বিগ-কামান ও ১১৪টি মিসাইল সরবরাহ করেছিল। সামরিক বাহিনীর হাতে টি-৫৯, টি-৬২, টি-৬৯ এবং টি-৭৯ ট্যাঙ্কগুলো সবই চীনের সরবরাহ করা। সেনাবাহিনীতে ব্যবহৃত ছোট অস্ত্র ছাড়াও ০৫৩-এইচ-১ ঝিয়াংঝু ও ৪-এইচ ওয়াই টু মিসাইল, হুয়াং ফেং বোট, সাংহাই গানবোট প্রভৃতি নৌ-সরঞ্জাম চীন থেকে আমদানি করা হয়। নৌবাহিনীর জাহাজ বিএনএস খালিদ বিন ওয়ালিদও চীনের সরবরাহ করা। ২০০৮ সালে নৌবাহিনর জাহাজ বিএনএস ওসমান চীন থেকে আমাদানি করা হয়। তাছাড়া বিমান বাহিনীতেও চীনের রয়েছে একক সরবরাহ। ১৯৭৭ সাল থেকেই চীন যুদ্ধ বিমান সরবরাহ করে আসছে। এগুলোর মধ্যে এফ-৭, কিউ-৫, পিটি-৬ প্রভৃতি প্রশিক্ষণ বিমান রয়েছে। ২০০৬ সালে ১৬ এফ-৭বিজি বিমান চীন থেকে আমদানি করা হয়।




For the satisfaction of Mamduh Hazrat Murshid Qeebla Mudda Jilluhul Aali
Site designed & developed by Muhammad Shohel Iqbal