 |
দুটি বিদ্যুত কেন্দ্র স্থাপনে চুক্তি
নিজস্ব প্রতিবেদক
| ৩০০ মেগাওয়াট উৎপাদন ক্ষমতাসম্পন্ন দুটি বিদ্যুত কেন্দ্র স্থাপনে চীনের দুটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তি করেছে সরকার। সোমবার বিদ্যুত ভবনে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতের উপসি'তিতে চীন চেংদা ইঞ্জিনিয়ারিং কোম্পানি লিমিটেড ও সাংহাই ইলেকট্রিক গ্রুপ কোম্পানি লিমিটেডের সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষর করে বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড। অর্থমন্ত্রী আশা করছেন, আগামী ১৫ মাসের মধ্যে এ দুটি প্রকল্প থেকে অন্তত ২৫০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যোগ হবে। প্রকল্প দুটি হলো- ১৫০ মেগাওয়াট সম্পন্ন চাঁদপুর কম্বাইনড সাইকেল পাওয়ার প্ল্ল্যান্ট প্রজেক্ট এবং ১৫০ মেগাওয়াটের সিলেট কম্বাইনড সাইকেল পাওয়ার প্ল্ল্যান্ট প্রজেক্ট। ২০১১ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর নাগাদ সিলেট এবং ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে চাঁদপুর প্রকল্পে বিদ্যুৎ উৎপাদনের সম্ভাব্য সময় ধরা হয়েছে। মুহিত বলেন, “বিদ্যুৎ ও জ্বালানির উন্নয়ন দেশের সার্বিক উন্নয়নের অন্যতম ভিত্তি। এজন্য সরকারও এ বিষয়ে প্রাধান্য দিচ্ছে এবং তিনবছরের একটি ক্র্যাশ প্রোগ্রামও রয়েছে।” “এরপর আমরা আগামি পাঁচ বছরে চাহিদার বেশি উৎপাদনে যেতে পারবো আমরা।” এ চুক্তিকে বিনিয়োগের ক্ষেত্রে বড় ধরনের অগ্রগতি হিসেবে বর্ণনা করে অর্থমন্ত্রী বলেন, বিদ্যুতের সরবরাহ না থাকলে বিনিয়োগ করতে কে আসবে? “চীনকে আমরা উন্নয়ন অংশীদার হিসাবে দেখতে চাই, প্রকল্প বাস্তবায়নের অংশীদার হিসাবে গ্রহণ করতে চাই”, বলেন তিনি। প্রধানমন্ত্রীর বিদ্যুৎ ও জ্বালানি উপদেষ্টা তৌফিক-ই ইলাহী চৌধুরী বলেন, বিদ্যুত সঙ্কটের কারণে দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ব্যাহত হচ্ছে। আশা করবো-প্রকল্পগুলো সময়মতো বাস্তবায়ন হবে। আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় যাওয়ার পর এ দুটি চুক্তি স্বাক্ষরকে গুরুত্বপূর্ণ অভিহিত করে তিনি বলেন, একবছরের মধ্যে সরকার দ্রুততার সঙ্গে প্রকল্প অনুমোদন দিয়েছে এবং তা সইও হচ্ছে। এটা বড় অগ্রগতি। চুক্তিতে পিডিবি’র সচিব (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মুহম্মদ এসকেন্দার আলী এবং সিসিইসিএল’র চেয়ারম্যান চাও গুয়াং ও সাংহাই গ্রুপের ভাইস প্রেসিডেন্ট (দায়িত্বপ্রাপ্ত) ঝু দেনিয়ান স্বাক্ষর করেন। বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী এনামুল হক, বিদ্যুৎ বিভাগের সচিব আবুল কালাম আজাদ, বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের চেয়ারম্যান এস আলমগীর কবিরও ওই সময় উপসি'ত ছিলেন। |
|
 |