al-ihsan.net
বাংলা | English

গড়াই নদী মরে যাওয়ায় বেকার হয়ে পড়েছে
নদী-তীরবর্তী শত শত জেলে পরিবার
নিজস্ব সংবাদদাতা

গড়াই নদী মরে যাওয়ায় বেকার হয়ে পড়েছে নদী-তীরবর্তী শত শত জেলে পরিবার আর মাঝি-মাল্লা। শুকিয়ে গেছে গড়াই নদীর ওপর নির্ভরশীল দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের আরো ১৫/১৬টি ছোট নদী। গড়াইয়ে পানি না থাকায় উপকূলভাগ থেকে নোনাপানি উঠে আসছে উপরিভাগে। এতে মারাত্নক হুমকির মুখে পড়েছে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিম এলাকার জীববৈচিত্র্য। ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ সরকার এ নদী খননের কাজ শুরু করে। এর ফলে অনেকটা প্রাণ ফিরে পায় গড়াই।
পদ্মা নদীর প্রধান শাখা গড়াই। কুষ্টিয়ার মিরপুর উপজেলার তালবাড়িয়ার কাছে পদ্মানদী থেকে উৎপত্তি হয়ে গড়াই নদী ফরিদপুরে মধুমতি এবং সব শেষে পিরোজপুরের কাছে বলেশ্বর নাম নিয়ে বঙ্গোপসাগরে পড়েছে। এক সময় এ নদীতে সারা বছর পানি থাকত। কিন্তু ভারতের ফারাক্কা বাঁধ আর জলবায়ুর পরিবর্তনের ফলে শুষ্ক মৌসুম এলে এ নদী মরা খালে পরিণত হয়। থেমে যায় এর স্রোতধারা। এদিকে গড়াই নদীর স্রোতধারা বন্ধ হয়ে যাওয়ায় এর প্রভাব পড়েছে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে গড়াইয়ের ১৫/১৬টি শাখা নদীর ওপর। বিশেষজ্ঞরা বলছেন এর বিরূপ প্রভাব পড়েছে দেশের উপকূলভাগ পর্যন্ত। কুষ্টিয়া জেলা মৎস্য কর্মকর্তা ও নদী গবেষক প্রফুল্ল কুমার সরকার জানান, এসব নদীর প্রবাহ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় পরিবেশের ভারসাম্য মারাত্নকভাবে বিঘ্নিত হচ্ছে। দক্ষিণ-পশ্চিমের ভাটি এলাকায় মিঠাপানির অভাব তীব্র হচ্ছে। এর ফলে বঙ্গোপসাগরের নোনাপানি ক্রমেই উপরিভাগে উঠে আসছে। এতে এসব অঞ্চলের মাটিতে লবণের পরিমাণ দিন দিন বেড়ে যাচ্ছে। তিনি বলেন, এক সমীক্ষায় দেখা গেছে গড়াইয়ের স্বাভাবিক প্রবাহ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় লবণাক্ততা ধরা পড়েছে মাগুরা জেলার মহম্মদপুর পর্যন্ত। অন্যদিকে সুন্দরবন এলাকার মাটিতে লবণের পরিমাণ বেড়ে যাওয়ায় বিশ্বের বৃহত্তম এ ম্যানগ্রোভ বনের অনেক গাছপালা শুকিয়ে মারা যাচ্ছে।




For the satisfaction of Mamduh Hazrat Murshid Qeebla Mudda Jilluhul Aali
Site designed & developed by Muhammad Shohel Iqbal